আজ- ৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সোমবার  সকাল ৬:২১

টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র মুক্তির হত্যা ও অস্ত্র মামলায় জামিন নামঞ্জুর

 

দৃষ্টি নিউজ:

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলা এবং একটি অস্ত্র মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলা এবং একটি অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত সহিদুর রহমান খান মুক্তি ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।

উভয় মামলায় তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। আত্মসমর্পণের পর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে রয়েছেন। তিনি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আ’লীগের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় সহিদুর রহমান মুক্তির পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিন প্রার্থনা করেন।

শুনানি শেষে আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক সাউদ হাসান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন অস্ত্র মামলায় সহিদুর রহমান খান মুক্তির পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক সাউদ হাসান ওই জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করেন।

প্রকাশ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা এবং তার অপর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। এরপরই তারা আত্মগোপনে চলে যান।

২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে ৪ ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা আদালতে আত্মসমর্পণের পর দুই বছর হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

জাহিদুর রহমান খান কাকন ও সানিয়াত খান বাপ্পা এখনও পলাতক। টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। অপর দিকে সহিদুর রহমান খান মুক্তি আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী থেকে দুটি নাইন এমএম পিস্তল সহ একজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

ওই ব্যক্তির স্বীকারোক্তিতে পিস্তল দুটি সহিদুর রহমান খান মুক্তি তার কাছে দিয়েছিলেন বলে বের হয়ে আসে। ওই অস্ত্র মামলাটি টাঙ্গাইলের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করেছে

 
 
 
 
 

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল
আশ্রম মার্কেট ২য় তলা, জেলা সদর রোড, বটতলা, টাঙ্গাইল-১৯০০।
ইমেইল: dristytv@gmail.com, info@dristy.tv, editor@dristy.tv
মোবাইল: +৮৮০১৭১৮-০৬৭২৬৩, +৮৮০১৬১০-৭৭৭০৫৩

shopno