আজ- ২৪শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ সোমবার  রাত ১২:৩৪

দেন মোহরের মামলার ভয়ে নাজমাকে খুন করেন স্বামী

 

দৃষ্টি নিউজ:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঘটনার পাঁঁচ দিনের মধ্যে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ নাজমা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বুধবার(২২ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পিবিআই’র পুলিশ সুপার সিরাজ আল মাসুদ প্রেসব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানান।


তিনি জানান, মির্জাপুর উপজেলার আজগনা ইউনিয়নের ঘাগড়া এলাকার একটি কলাবাগানে গত ১৭ ডিসেম্বর অজ্ঞাত এক মহিলার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়।

পরে টাঙ্গাইলের পিবিআই ওই হত্যা মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। পিবিআইয়ের তদন্ত দল তথ্য প্রযুক্তি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকারী নিহত গৃহবধূ নাজমার স্বামী মো. ওয়াসীমকে সনাক্ত এবং তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মো. ওয়াসিম দিনাজপুর জেলার খানসামা থানার ডাঙ্গারপাড়া এলাকার ইছাহাকের ছেলে।


জানা যায়, ২০১৯ সালে ঢাকার মোহাম্মদপুর উদ্যানের পাশে একটি ইট ভাটায় কাজ করার সময় নাজমা বেগমের সাথে মো. ওয়াসিমের পরিচয় হয়। নাজমা ভোলা জেলার লালমহন থানার দেবীর চর বেরীবাঁধ হাওলাদার বাড়ির আব্দুর রহমানের মেয়ে। ইট ভাটায় কাজ করার সময় নাজমার সাথে ওয়াসিমের প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে।


২০২০ সালে করোনার কারণে ইট ভাটার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তখন ওয়াসিম নিজ এলাকা দিনাজপুর চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। একথা শুনে নাজমা ওয়াসিমকে ঢাকা উদ্যানে দেখা করার কথা বলেন। পরে নাজমার ভাড়া করা বসায় নিয়ে যান। সেখানে ওয়াসিমের সাথে নাজমার তিন লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়।

এরপর চলতি মাসের ১১ ডিসেম্বর মির্জাপুর ইট ভাটায় নাজমা বেগম ওয়াসিমের সাথে দেখা করতে আসেন। সেখানে দুই জনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে নাজমা তাকে দেনমোহরের তিন লাখ টাকা ও ডিভোর্স দিতে বলেন। তা না হলে মামলা দায়ের করার ভয় দেখায়।

মামলার ভয়ে নাজমাকে কৌশলে ইট ভাটার পাশে কলাবাগানে নিয়ে যান ওয়াসিম। এরপর নাজমার উড়না দিয়েই শ্বাসরোধে হত্যা করেন। লাশ গুম করার জন্য কলাবাগানের ভেতর মাটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যান।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করেছে

 
 
 
 
 

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল
আশ্রম মার্কেট ২য় তলা, জেলা সদর রোড, বটতলা, টাঙ্গাইল-১৯০০।
ইমেইল: dristytv@gmail.com, info@dristy.tv, editor@dristy.tv
মোবাইল: +৮৮০১৭১৮-০৬৭২৬৩, +৮৮০১৬১০-৭৭৭০৫৩

shopno