দৃষ্টি নিউজ:

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের(এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিম বলেছেন, ‘এলজিইডি সারাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সব সময় অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। আগামিতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। প্রকল্পের অর্থায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা একটি জরুরি বিষয়। এ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’ শনিবার(২৯ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল এলজিইডি ভবনে একটি আধুনিক রেস্টরুম উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি টাঙ্গাইল থেকে এলজিইডিতে চাকুরির যাত্রা শুরু করেছিলাম। চাকুরির শেষ কর্মদিবসেও টাঙ্গাইলে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। টাঙ্গাইল একটি বৃহৎ জেলা- এখানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রচুর কাজ। এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে। এজন্য তাদেরকে নতুন করে কোনো নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।’ সুন্দর একটি রেস্টরুম নির্মাণ করায় টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাইকা(Japan International Cooperation Agency)-এর প্রধান প্রতিনিধি তোমোহিদি ইচিগুচি, এলজিইডির সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজ প্রজেক্টের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এম মিজানুর রহমান, সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দা আসমা খাতুন, ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. সানাউল হক সহ ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ প্রকল্প ও জাইকার কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
এরআগে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিম টাঙ্গাইল এলজিইডি ভবনে এসে পৌঁছলে নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন, সহকারী প্রকৌশলী সাকিব উল হাফিজ সহ কর্মকর্তারা অতিথিদের ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান।
পরে প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিম ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাইকা এর প্রধান প্রতিনিধি তোমোহিদি ইচিগুচি টাঙ্গাইল এলজিইডি ভবনের আঙিনায় দুটি গাছের চারা রোপণ করেন।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার প্রকৌশলী, বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও এলজিইডি ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
