সর্বশেষ
গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় তাঁতশিল্পকে সমৃদ্ধ করা হবে :: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মধুপুরে বিএনপি নেতার মাকে কুপিয়ে খুন লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার :: প্রতিমন্ত্রী টুকু মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সিনেমার আয় ৩২৮ কোটি টাকার বেশি আলি ব্রাদার্স থেকে সিদ্দিকী ব্রাদার্স জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে চালু হচ্ছে ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব কালিহাতীর শীর্ষ সন্ত্রাসী শান্ত র‌্যাবের হাতে কট সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার বাঘ পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী :: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক
জাতীয় ৮ ঘণ্টা আগে

গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

লাবনী সিদ্দিকী, ঢাকা: সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযোজন ও সচল রাখা শনিবার (১ আগস্ট) থেকে বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। জিপিএস সংযুক্ত না থাকলে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন দেওয়া কিংবা ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়ন করা হবে না। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ১১ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়নের সময় জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ডিভাইস সচল থাকার তথ্য বিআরটিএ কার্যালয়ে প্রদর্শন করতে হবে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় এবং সংস্থাটির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় তাঁতশিল্পকে সমৃদ্ধ করা হবে :: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
জাতীয় ৮ ঘণ্টা আগে

আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় তাঁতশিল্পকে সমৃদ্ধ করা হবে :: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

দৃষ্টি রিপোর্ট: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি বলেছেন, টাঙ্গাইলে তাঁতের শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পকে শুধু টিকিয়ে রাখা নয়, সমৃদ্ধ করতে আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শনিবার(১ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাজিতপুরে তাঁত শিল্পের উন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার শুভ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এওসব কথা বলেন। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি উপস্থিত ছিলেন। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তাঁতিদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং তরুণ প্রজন্মকে তাঁত শিল্পের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। তাছাড়া প্রান্তিক তাঁতিদের মূলধন হিসেবে সহজ শর্তে ঋণ ও প্রণোদনা সহায়তার কাজ চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, তাঁত ডিশল্পের মতো ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন- সেই নির্দেশনার আলোকে ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পকে আধুনিকতার পর্যায়ে আনতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেন, টাঙ্গাইলে শাড়ির ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকার সকল ধরনের সহযোগিতা করবে। আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁত শিল্পের উৎপাদন বাড়ানোর হবে। টাঙ্গাইলে যে কোনো শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখাতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। উদ্বোধনের সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের(বাতাঁবো) চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা নবনির্মিত বাজিতপুর তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার পরিদর্শন করেন।

মধুপুরে বিএনপি নেতার মাকে কুপিয়ে খুন
অপরাধ ৮ ঘণ্টা আগে

মধুপুরে বিএনপি নেতার মাকে কুপিয়ে খুন

মধুপুর প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শোলাকুড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের মা জলেমন বেওয়াকে কুপিয়ে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার(৩১ জুলাই) রাতে উপজেলার শোলাকুড়ি দিঘির পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার মৃত আয়েজ উদ্দিনের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানায়, জালেমন বেওয়া দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। শুক্রবার রাতে প্রতিবেশি রেজাউল করিমের স্ত্রী পান খাওয়ার জন্য তাদের বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে জালেমনকে পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে এলাকাবাসী মধুপুর থানায় খবর দেয়। এ বিষয়ে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) একেএম ফজলুল হক জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে কি কারণে হত্যা করা হয়েছে তা জানা যায়নি। শনিবার(১ আগস্ট) সকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার :: প্রতিমন্ত্রী টুকু
শিক্ষাঙ্গন ৮ ঘণ্টা আগে

লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার :: প্রতিমন্ত্রী টুকু

কালিহাতী প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইছাপুর শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে এবং ভবিষ্যতে একাধিক পেশায় নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে, সে লক্ষ্যেও সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, মিড-ডে মিল একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগ সফল করতে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে দেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে। শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু করতে হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, যা পরে ডিগ্রি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে। এর পাশাপাশি আমাদের সরকার বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি কার্যক্রমও চালু করেছে। কাজেই শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রাথমিক ধাপ থেকেই কাজ শুরু করতে হবে এবং ধীরে ধীরে তা সব পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পুষ্টির বিষয়টি বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। বিদ্যালয়গুলোতে কীভাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে আমরা বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সন্তানের লেখাপড়ার জন্য বাবা-মা অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। অনেক পরিবার ধান, জমি কিংবা গবাদিপশু বিক্রি করেও সন্তানের শিক্ষার ব্যয় বহন করে। সেই সন্তান যদি মাদকে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে পরিবারের সব ত্যাগ ব্যর্থ হয়ে যায়। তাই পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে মাদকবিরোধী সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. লুৎফর রহমান মতিন, কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান মোল্লা বক্তব্য রাখেন। বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়ন, ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। শেষে অতিথিরা বিদ্যালয়ের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, মিড-ডে মিল কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবেশিত খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংবাদ

আরও দেখুন »
শতভাগ নির্ভুল প্রতিবেদনের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর
জাতীয়

শতভাগ নির্ভুল প্রতিবেদনের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

লাবনী সিদ্দিকী, ঢাকা: সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন মূল্যায়নে কর্মসংস্থান, সুশাসন, নারী ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৮০ দিনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, নগর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগের বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের জীবনে এর ইতিবাচক প্রভাব তথ্যভিত্তিক ও নির্ভুলভাবে তুলে ধরতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন- কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জনজীবনের উন্নয়নে গৃহীত কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে, যাতে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তব চিত্র স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। মীর শাহে আলম বলেন, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানো জরুরি। মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর অর্জন, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবসম্মত ও তথ্যনির্ভরভাবে উপস্থাপন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপগুলোও ১৮০ দিনের অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জনকল্যাণভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি। সভায় প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ দর্শনের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সব শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, সমন্বিত ও টেকসই করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন- পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি)-এর মহাপরিচালক ড. রওশন আরা বেগম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহান, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের(এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল আউয়াল, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ওয়াসাগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

২৮ জুলাই ২০২৬

ছয় বছরে তিন পিলারে আটকে আছে সেতু নির্মাণ

মু. আবিদ মল্লিক জয়: ঠিকাদারের দায়িত্বহীনতা, কাজে গাফলতি ও প্রতারণার কারণে টাঙ্গাইলের নিউ ধলেশ্বরী নদীর উপর কালিহাতী উপজেলার জোকারচরে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ দীর্ঘদিন ধরে মুখ থুবরে পরে রয়েছে। সামান্য একটু কাজ করেই প্রায় ১০ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে ঠিকাদার। ছয় বছরে মাত্র তিনটি পিলারে আটকে আছে সেতু নির্মাণ। এতে দুটি উপজেলার লাখ লাখ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মুখ থুবরে পড়েছে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ। টাঙ্গাইল এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পশ্চিমে চরাঞ্চলের মাহমুদ নগরের গোল চত্ত্বর থেকে যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্তে মহাসড়ক পর্যন্ত সড়ক নির্মিত হয়েছে। জোকারচরে নিউ ধলেশ্বরী নদীর উপর সেতু নির্মিত হলে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ তৈরি হবে। এ লক্ষ্যে জোকারচরে ধলেশ্বরী নদীর উপর সেতু নির্মাণে এলজিইডি ৩৪ কোটি ১৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৬৪ মিটার পিএসসি গার্ডার সেতু নির্মাণে দরপত্র আহ্বান করে। হায়দার কন্সট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড, অবনী এন্টারপ্রাইজ ও সৈয়দ মজিবুর রহমান নামক তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জয়েন্টভেঞ্চারে সেতু নির্মাণের কাজ পায়। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তাদের কার্যাদেশ (ওয়ার্কঅর্ডার) দেওয়া হয়। সরেজমিনে দেখা যায়- জোকারচরে নিউ ধলেশ্বরী নদীর বামতীরে দুইটি ও ডানতীরে একটি পিলার নির্মাণ করেই মূল ঠিকাদার মো. হেকমত আলী এলজিইডি থেকে ৯ কোটি ৮১ লাখ ৪২ হাজার ৭৪৩ টাকা বিল উঠিয়ে নিয়েছেন। এলাকাবাসী জানায়, একেক সময় একেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন সাইটে আসে, মাপ-ঝোক করে, ইট-রড আনে আবার চলে যায়। তারা জানেইনা সেতু নির্মাণের মূল ঠিকাদার কে? ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এলজিইডির চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা। কিন্ত অংশিদারদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি, মতপার্থক্য ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হওয়ায় দেড় বছরে তারা কাজই শুরু করেনি। কার্যাদেশ পাওয়ার দেড় বছর পর জয়েন্টভেঞ্চারের এক অংশিদার সৈয়দ মজিবুর রহমান সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ২০২১ সালে এপ্রিল তিনি ওই সেতুতে তিন কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। হঠাৎ করে অপর এক অংশিদার অবনী এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী হেকমত আলী সেই কাজ বন্ধ করে দেয় এমন অভিযোগ করেন সৈয়দ মুজিবুর রহমান। এসব ঘটনায় সেতুর নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে। সৈয়দ মুজিবুর রহমান টাকা ফেরত চেয়ে প্রশাসনসহ বিভিন্নস্থানে চিঠি দেন। তাদের মধ্যে মামলা পাল্টা মামলা হয়। মো. হেকমত আলী অপর দুই ঠিকাদার হায়দার ও সৈয়দ মজিবুর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে গাজিপুরের এক ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের কাছে কাজটি বিক্রি করে দেন। জয়েন্টভেঞ্চারের অংশিদার সৈয়দ মজিবুর রহমান বলেন, দুই অংশিদার হেকমত ও হায়দার কাজ করবেন না বলে আমাকে স্ট্যাম্পে লিখে দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করার দায়িত্ব দেয়। ২০২১ সালে এপ্রিল মাসে আমি সেখানে তিন কোটি টাকা বিনিয়োগ করি। হঠাৎ করে এক অংশিদার হেকমত সন্ত্রাসী বাহিনী এনে আমার কাজ বন্ধ করে দেয়। সেতুর নির্মাণ সে করবে বলে জানায়। গাজিপুরের ঠিকাদার রফিকুল ইসলামের ভাষ্য, হেকমত আলী তার সাথে প্রতারণা করছেন। তিনি পাইলিং সহ ওই সেতু নির্মাণে দুই কোটি ৫৮ লাখ টাকা হেকমতকে দিয়েছেন। জাল স্বাক্ষরের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি এর প্রতিবাদ করলে তাকে এলেঙ্গা রিসোর্টে আটকিয়ে সব চুক্তিপত্র ফেরত নেন। তার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তিনি কোনো টাকা ফেরত পাননি। এদিকে হেকমত সেতুর তিনটি পিলার নির্মাণ করেই ৯ কোটি ৮১ লাখ ৪২ হাজার ৭৪৩ টাকা বিল উঠিয়ে নেন। ৫ আগষ্ট সরকার পরিবর্তনের পর হেকমত আলী আত্মগোপণে চলে যান। বন্ধ হয়ে যায় অতিগুরুত্বপূর্ণ সেতুর নির্মাণ কাজ। এদিকে জনগণের যাতায়াতে ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে এলজিইডি কর্র্তৃপক্ষ চলতি বছরের ৯ মার্চ জোকারচরে ওই সেতুর নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে। দরপত্রে প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয়- ৩৪ কোটি ৪৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭৯ টাকা। নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চৌধুরী-এলহোজ জয়েনভেঞ্চার(জেভি)। তাদের আগামী ২২ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। জোকারচর গ্রামের ইউনুস শেখ, বিদ্যুত মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাসুদ রানা জানান, সেতুটি মূলত যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথের সেতুবন্ধন। সেতুটি নির্মিত হলে যমুনা সেতু-ঢাকা মহাসড়কের বিকল্প পথ তৈরি হবে। টাঙ্গাইল শহর সহ পশ্চিম-দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ সহজেই এই সেতু দিয়ে উত্তরাঞ্চলে যেতে পারবে। এতে প্রতি ঈদে মহাসড়কে যানজটও হবেনা। বিকল্প পথ দিয়ে এলেঙ্গা যেতে পারবে। জনগণের ভোগান্তি লাঘবের জন্য সেতুটির নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার করার দাবি জানিয়েছেন তারা। টাঙ্গাইল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানার পারভীন জানান, ঠিকাদারদের একে অপরের মধ্যে মিল না থাকা ও তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে যথাসময়ে কাজ শেষ হয়নি। তবে তারা যতটুকু কাজ করেছিল তার বিল পরিশোধ করা হয়েছে। নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে ঠিকাদারও নির্বাচন করা হয়েছে। এবার নির্দিষ্ট সময়েই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

২৭ জুলাই ২০২৬
ছয় বছরে তিন পিলারে আটকে আছে সেতু নির্মাণ

এই সপ্তাহের রাশিফল

দৃষ্টি নিউজ: অধিকাংশ ক্ষেত্রে আপনিই আপনার ভাগ্যনিয়ন্ত্রক। গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব জীবনে ভূমিকা রাখলেও আপনার সিদ্ধান্ত ও কর্মই চূড়ান্ত পরিণতি নির্ধারণ করে। সাহস, ধৈর্য ও সঠিক মানসিকতা আপনাকে যেকোনো পরিস্থিতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। ‘এ সপ্তাহের রাশিফল’ লিখছেন জ্যোতিষী চিন্ময় বড়ুয়া- মেষ রাশি: এ সপ্তাহে ঘর-সংসার, পারিবারিক দায়িত্ব এবং ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য আপনার প্রধান মনোযোগের কেন্দ্র হয়ে উঠবে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে এবং বাড়ির পরিবেশকে আরও আরামদায়ক করার চেষ্টা করবেন। কর্মজীবনে সৃজনশীল চিন্তা ও নেতৃত্বের গুণ আপনাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিতে পারে। আর্থিকভাবে আয়ের নতুন উৎস নিয়ে ভাবার সময় এসেছে, তবে বড় বিনিয়োগের আগে সব দিক ভালোভাবে যাচাই করুন। বন্ধু বা বড় ভাইবোনের মাধ্যমে লাভজনক সুযোগ আসতে পারে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে আবেগ ও বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন। স্বাস্থ্যের দিক থেকে মানসিক চাপ কমিয়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। দীর্ঘদিনের কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে অগ্রগতি দেখা দিতে পারে। সপ্তাহের শেষভাগে পারিবারিক সমর্থন ও নিজের বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে এবং ভবিষ্যতের জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। বৃষ রাশি: চলতি সপ্তাহে ভ্রমণ, জ্ঞানার্জন এবং কর্মজীবনের অগ্রগতি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। ছোট ভ্রমণ, প্রশিক্ষণ বা নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে আপনার বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত অন্যদের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, ফলে নতুন দায়িত্ব বা নেতৃত্বের সুযোগ আসতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয় ভবিষ্যতে লাভজনক হতে পারে। পরিবারের ছোট সদস্য বা ভাইবোনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। আর্থিক ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলেও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, তবে অতিরিক্ত কাজের চাপে বিশ্রাম অবহেলা করবেন না। কোনো পুরোনো পরিকল্পনা আবার সক্রিয় হতে পারে এবং ধৈর্যের সঙ্গে এগোলে ইতিবাচক ফল মিলবে। সপ্তাহের শেষভাগে আত্মবিশ্বাস ও যোগাযোগ দক্ষতা আপনার সাফল্যের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠবে। মিথুন রাশি: অর্থনৈতিক বিষয়, আত্মবিশ্বাস এবং ব্যক্তিগত মূল্যবোধের ওপর বিশেষ গুরুত্ব পড়বে। নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে অথবা পূর্বের কোনো প্রচেষ্টার আর্থিক ফল হাতে আসতে পারে। নিজের দক্ষতার যথাযথ মূল্যায়ন করার সময় এসেছে। কর্মক্ষেত্রে যুক্তিবোধ ও বিশ্লেষণক্ষমতা আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। পরিবারে আর্থিক পরিকল্পনা বা সম্পদ-সংক্রান্ত আলোচনা হতে পারে। ব্যক্তিগত সম্পর্কে আন্তরিকতা বজায় রাখলে ভুল–বোঝাবুঝি সহজেই দূর হবে। স্বাস্থ্যগতভাবে খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত বিশ্রাম নেওয়া উপকারী হবে। শিক্ষার্থী ও গবেষণার সঙ্গে যুক্তদের জন্য এটি মনোযোগ বৃদ্ধির সময়। সপ্তাহের শেষদিকে নতুন কোনো পরিকল্পনা বা বিনিয়োগের সুযোগ এলেও তাড়াহুড়া না করে বাস্তবতা যাচাই করুন। বিচক্ষণতা ও ধৈর্য বজায় রাখলে এই সময় ভবিষ্যতের আর্থিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি তৈরি করবে। কর্কট রাশি: সপ্তাহটি আপনার জন্য আত্মপ্রকাশ, নতুন সূচনা এবং ব্যক্তিগত উন্নতির সময়। আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে এবং নিজের সিদ্ধান্তের ওপর দৃঢ়তা অনুভব করবেন। কর্মজীবনে নতুন দায়িত্ব বা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ আসতে পারে, যা ভবিষ্যতের উন্নতির পথ খুলে দেবে। ব্যক্তিত্বের আকর্ষণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সামাজিক ও পেশাগত ক্ষেত্রে ইতিবাচক সাড়া পাবেন। পরিবার ও প্রিয়জনের কাছ থেকে মানসিক সমর্থন লাভ করবেন, যদিও অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংযম বজায় রাখা জরুরি। বিদেশ, গবেষণা বা আধ্যাত্মিক বিষয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে। স্বাস্থ্য মোটামুটি অনুকূলে থাকবে, তবে অতিরিক্ত আবেগ বা দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলা ভালো। অবিবাহিতদের জন্য নতুন সম্পর্কের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে এবং দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়বে। সপ্তাহের শেষভাগে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আগামী কয়েক মাসের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনা করে এগিয়ে যান। সিংহ রাশি: ব্যক্তিগত জীবন, মানসিক শান্তি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সুযোগ পাবেন এ সপ্তাহে। কিছু কাজ নীরবে সম্পন্ন করাই আপনার জন্য বেশি ফলপ্রসূ হবে। বিদেশ, ভ্রমণ, গবেষণা বা আধ্যাত্মিক বিষয়ে আগ্রহ বাড়তে পারে এবং একান্তে সময় কাটানোর ইচ্ছাও বৃদ্ধি পাবে। কর্মক্ষেত্রে পর্দার আড়ালে করা পরিশ্রম ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি এনে দিতে পারে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংযম প্রয়োজন, বিশেষ করে অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতা এড়িয়ে চলুন। পরিবারের সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ মানসিক প্রশান্তি দেবে। স্বাস্থ্যগতভাবে পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিশ্চিত করুন। পুরোনো কোনো অসমাপ্ত কাজ শেষ করার সুযোগ আসতে পারে। সপ্তাহের শেষ দিকে নতুন পরিকল্পনা তৈরি হলেও তা ধীরে ও বাস্তবসম্মতভাবে এগিয়ে নেওয়াই শ্রেয়। ধৈর্য ও আত্মনিয়ন্ত্রণ এই সপ্তাহে আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি হবে। কন্যা রাশি: এই সপ্তাহে বন্ধু, সামাজিক যোগাযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য পূরণের দিকে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাবে। নতুন পরিচিতি ভবিষ্যতে কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দলগত কাজ বা কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলে আপনার মতামত গুরুত্ব পাবে। দীর্ঘদিনের একটি ইচ্ছা পূরণের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। আর্থিকভাবে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ এলেও পরিকল্পিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। ব্যক্তিগত সম্পর্কে বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব বা পদোন্নতির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, তবে অতিরিক্ত ব্যস্ততার কারণে বিশ্রাম যেন অবহেলিত না হয়। সপ্তাহের শেষভাগে কোনো গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বা প্রস্তাব আপনার ভবিষ্যতের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। ইতিবাচক মানসিকতা ও সহযোগিতার মনোভাব আপনাকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবে। তুলা রাশি: কর্মজীবন, সামাজিক মর্যাদা এবং দায়িত্বের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে এ সপ্তাহে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসার সুযোগ রয়েছে, তাই প্রতিটি কাজ মনোযোগ দিয়ে সম্পন্ন করুন। নতুন দায়িত্ব, পদোন্নতি বা কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। পরিবার ও কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। অর্থনৈতিক দিক স্থিতিশীল থাকলেও ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ের পরিকল্পনা করা উচিত। অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ আপনার জন্য উপকারী হবে। স্বাস্থ্যগতভাবে কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। যারা নতুন পেশাগত উদ্যোগ শুরু করতে চান, তাদের জন্য সময়টি সম্ভাবনাময়। সপ্তাহের শেষভাগে আপনার পরিশ্রমের মূল্যায়ন হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা যাবে। আত্মবিশ্বাস ও শৃঙ্খলাই হবে আপনার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। বৃশ্চিক রাশি: উচ্চশিক্ষা, ভ্রমণ, নতুন অভিজ্ঞতা এবং জীবনের দর্শন নিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। দূরযাত্রা, বিদেশ-সংক্রান্ত কাজ বা উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় অগ্রগতি হতে পারে। নতুন কোনো বিষয় শেখা বা দক্ষতা অর্জনের আগ্রহ বাড়বে। কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক বিষয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং মানসিক প্রশান্তি লাভ করবেন। আর্থিকভাবে বড় ঝুঁকি না নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দিন। পরিবারে প্রবীণ সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো উপকারী হবে। স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালো থাকবে, তবে ভ্রমণের সময় খাবার ও বিশ্রামের প্রতি সচেতন থাকুন। সপ্তাহের শেষভাগে নতুন সুযোগ আপনার সামনে আসতে পারে, যা ভবিষ্যতের সাফল্যের ভিত্তি গড়ে দেবে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও জ্ঞান অর্জনের ইচ্ছাই এই সপ্তাহে আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ। ধনু রাশি: কর্মজীবনে পরিবর্তন, নতুন দায়িত্ব এবং আর্থিক বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত রয়েছে। যৌথ সম্পদ, কর, বিমা, ঋণ বা বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কোনো বিষয়ের সমাধান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে আপনার অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কোনো কাজ বা আর্থিক বিষয় ধীরে ধীরে এগোতে শুরু করবে। ব্যক্তিগত সম্পর্কে আন্তরিকতা ও বিশ্বাস বজায় রাখলে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। স্বাস্থ্যগতভাবে নিয়মিত জীবনযাপন ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি। মানসিকভাবে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা পাবেন এবং অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন। সপ্তাহের শেষভাগে কোনো অপ্রত্যাশিত সুযোগ ভবিষ্যতের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত এই সপ্তাহে আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি হবে। মকর রাশি: দাম্পত্য জীবন, অংশীদারত্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে নতুন এই সপ্তাহে। জীবনসঙ্গী বা ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে, যা ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নির্ধারণে সহায়ক হবে। একসঙ্গে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কর্মক্ষেত্রে নতুন চুক্তি, সমঝোতা বা সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে। যোগাযোগের দক্ষতা আপনার অন্যতম শক্তি হয়ে উঠবে এবং বহুদিনের ভুল–বোঝাবুঝির অবসান ঘটতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে, তবে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অন্যের মতামত বিবেচনা করা ভালো। স্বাস্থ্যগতভাবে অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন এবং নিয়মিত বিশ্রাম নিন। সপ্তাহের শেষ দিকে নতুন সম্পর্ক বা পেশাগত সহযোগিতা দীর্ঘ মেয়াদে ইতিবাচক ফল দিতে পারে। ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং পারস্পরিক বিশ্বাসই এই সপ্তাহে আপনার সাফল্যের মূল ভিত্তি হবে। কুম্ভ রাশি: মাসের শেষ এই সপ্তাহে দৈনন্দিন কাজ, স্বাস্থ্য এবং কর্মজীবনের শৃঙ্খলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ততা বাড়লেও পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে ভালো ফল পাবেন। সহকর্মীদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এবং পুরোনো কোনো সমস্যা সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। স্বাস্থ্যগতভাবে খাদ্যাভ্যাস, ঘুম এবং নিয়মিত ব্যায়ামের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি। ছোটখাটো শারীরিক অসুবিধা অবহেলা না করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। আর্থিকভাবে নিয়মিত আয়ের প্রবাহ বজায় থাকবে, তবে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। যাঁরা চাকরি পরিবর্তন বা নতুন কর্মক্ষেত্রের কথা ভাবছেন, তাঁদের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত রয়েছে। সপ্তাহের শেষভাগে নিজের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ আসবে, যা ভবিষ্যতে বড় সাফল্যের পথ খুলে দিতে পারে। নিয়মানুবর্তিতা ও অধ্যবসায় এই সপ্তাহে আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ হবে। মীন রাশি: এই সপ্তাহ আপনার জন্য সৃজনশীলতা এবং আত্মপ্রকাশের সময়। নতুন কোনো সৃজনশীল কাজ, শিল্পচর্চা বা ব্যক্তিগত প্রকল্পে সাফল্যের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেমের সম্পর্কে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে এবং অবিবাহিতদের জন্য নতুন পরিচয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সন্তানদের শিক্ষা বা ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কর্মজীবনে নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনী চিন্তা আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে। আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তের পরিবর্তে পরিকল্পিতভাবে এগোনো ভালো। স্বাস্থ্য মোটামুটি অনুকূলে থাকলেও অতিরিক্ত আবেগ বা মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন। বিনোদন ও কাজের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখলে মানসিক প্রশান্তি পাবেন। সপ্তাহের শেষদিকে কোনো সুখবর বা দীর্ঘদিনের ইচ্ছা পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে। আত্মবিশ্বাস, ইতিবাচক মনোভাব এবং নিজের প্রতিভার সঠিক ব্যবহার এই সপ্তাহে আপনার অগ্রগতির প্রধান চাবিকাঠি হবে।

২৫ জুলাই ২০২৬
এই সপ্তাহের রাশিফল

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ

দৃষ্টি নিউজ: দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং স্পিকার ওই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকাল চারটার দিকে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে এই পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, কোনো রাজনৈতিক চাপে নয়, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। পরে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষপদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে তিনি রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত হন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।

২৪ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ

গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিইসির পর স্পিকারকে জামায়াতের চিঠি

দৃষ্টি নিউজ: সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর আগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনকেও আলাদা চিঠি দেয় জামায়াত। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার চিঠিটি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে পরিচালিত সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, গত ২২ জুলাই আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গোলাম পরওয়ার স্পিকারকে লেখা চিঠিতে বলা হয়, গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি তার অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাখিল করা হলো। চিঠির অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছেও পাঠানো হয়েছে। গাজী নজরুল ইসলাম জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। দল থেকে বহিষ্কারের পর তার সংসদ সদস্য পদ নিয়ে কী ধরনের সাংবিধানিক বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখন স্পিকারের সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে।

২৩ জুলাই ২০২৬
গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিইসির পর স্পিকারকে জামায়াতের চিঠি

শিক্ষাঙ্গন

আরও দেখুন »

টাঙ্গাইল এর আঞ্চলিক খবর

সর্বশেষ খবর

আপনার এলাকার খবর পড়ুন
হবিগঞ্জ শহরে ১৪৪ ধারা জারি

হবিগঞ্জ শহরে ১৪৪ ধারা জারি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ শহরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জিএম সরফরাজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশে বলা হয়, একই সময়ে ও একই স্থানে পৃথক রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণার কারণে সংঘর্ষ, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। জারি করা আদেশ অনুযায়ী হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ৫ (পাঁচ) বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত, মিছিল, সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ, স্লোগান, পিকেটিং, উসকানিমূলক কার্যক্রম এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে- এমন সব ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

২৯ জুলাই ২০২৬

আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

দৃষ্টি নিউজ: চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) যশোরের ধুমধুমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চেক পোস্ট বসিয়ে ধুমধুমপুর এলাকা থেকে পাঁচ সহযোগীসহ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সবাই শুটার। বিদেশে পলাতক আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। চট্টগ্রামে দুই বছর ধরে বেশি কিছু চাঁদাবাজি ও হুমকির ঘটনায় তার নাম আলোচনায় আসে। এর আগে গত রোববার(২৬ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনের দুই সহযোগী মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফকে (২৪) গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। তাদের মধ্যে আসিফ একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

২৯ জুলাই ২০২৬
আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

২৮ অভিনেতা-অভিনেত্রী ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

দৃষ্টি নিউজ: ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অভিনেতা-অভিনেত্রী ও সাংবাদিকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা দিয়েছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ) নামের একটি সামাজিক ও নাগরিক সংগঠন। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের কাছে এ অভিযোগ জমা দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস। অভিযোগকারী অন্যরা হলেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহ্যমান শাহ্ আলম বাদশা, কেন্দ্রীয় সংগঠক মহাসিন, জুলাই আহত আবু বকর ছিদ্দিক ওরকে তুহিন ফরাজী। অভিযুক্তরা হলেন- অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর, আজিজুল হাকিম, ফেরদৌস আহমেদ, রিয়াজ আহমেদ, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, অভিনেতা, সাজু খাদেম, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, মাহিয়া মাহি, নিপুণ আক্তার, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, পিয়া জান্নাতুল, শামীমা তুষ্টি, আশনা হাবীব ভাবনা, হিরো আলম, সুজাতা আজিম, চন্দন রেজা, মারিয়া কিসপট্টা, শান্তা ফারজানা, সাংবাদিক আনিস আলমগীর, মোমিন মেহেদী ও সোমা ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যায় প্ররোচনা, সহযোগিতা, উসকানি বা সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত রয়েছেন এসব তারকারা। এসব অভিযোগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ তদন্তের স্বার্থে এ অভিযোগ দাখিল করেছি। এ বিষয়ে আল নূর মোহাম্মদ আয়াস সাংবাদিকদের বলেন, বরাবরের মতোই জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কটাক্ষ করছেন শান্তা ফারজানা, মোমিন মেহেদীসহ বেশ কিছু তারকা। অথচ ৫ আগস্টের দিনই শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের পতন হয়েছিল। আগামীতে আওয়ামী লীগ কোনোভাবে ফিরবে না। কিন্তু এই দোসররা মাঝে মাঝে আইনজীবী বা শিক্ষাবিদ হয়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। আমরা সেটি হতে দেবো না।

২৬ জুলাই ২০২৬
২৮ অভিনেতা-অভিনেত্রী ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

জাহ্নবী কাপুরের অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁসের গুঞ্জন

দৃষ্টি বিনোদন: জাহ্নবী কাপুরকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। সামাজিক মাধ্যমে ‘অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁস’ শিরোনামে যে দাবি ছড়িয়েছে, ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী তার সমর্থনে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে তার অভিনীত তেলেগু সিনেমা ‘পেড্ডি’তে ‘আচিয়াম্মা’ চরিত্রের উপস্থাপন এবং তার নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবর। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ‘পাগলাইট’খ্যাত নির্মাতা উমেশ বিস্তের নতুন একটি সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন জাহ্নবী কাপুর। ছবিটির নাম এখনও চূড়ান্ত না হলেও এটি প্রযোজনা করবে একতা কাপুরের বালাজি মোশন পিকচার্স এবং অস্কারজয়ী প্রযোজক গুনীত মঙ্গার সিখ্যা এন্টারটেইনমেন্ট। চলতি বছরের অক্টোবর বা নভেম্বরে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গল্প, ঘরানা কিংবা সহ-অভিনয়শিল্পীদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো উমেশ বিস্তের পরিচালনায় কাজ করবেন জাহ্নবী। একই সঙ্গে নির্মাতা উমেশ বিস্ত ‘পাগলাইট ২’-এর কাজও এগিয়ে নিচ্ছেন। ২০২১ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রশংসিত সিনেমাটির সিক্যুয়েলে সানিয়া মালহোত্রার ফেরার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। ‘পেড্ডি’ সিনেমায় জাহ্নবীর ‘আচিয়াম্মা’ চরিত্রের উপস্থাপন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনেক দর্শকের অভিযোগ, অতিরিক্ত ক্লোজআপ, নির্দিষ্ট ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল এবং কিছু রোমান্টিক দৃশ্যের মাধ্যমে চরিত্রটির গভীরতার চেয়ে তার শারীরিক উপস্থিতিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এ নিয়ে মতভেদও রয়েছে। একাংশের মতে, কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে নির্মাতার সৃজনশীল সিদ্ধান্তের জন্য দায়ী করা উচিত নয়। জাহ্নবী কাপুর এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জয়া বচ্চন, কারিনা কাপুর খান, নিত্যা মেনন, জগপতি বাবু ও ডিম্পল হায়াথিসহ কয়েকজন তারকাও এ বিতর্ক নিয়ে মতামত দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে মূলধারার সিনেমায় নারীদের আরও শক্তিশালী, স্বতন্ত্র ও অর্থবহ চরিত্রে উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উঠে আসে। সমালোচনার মুখে ‘পেড্ডি’র পরিচালক বুচি বাবু সানা সামাজিক মাধ্যমে ‘আচিয়াম্মা’ চরিত্রের উপস্থাপন নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বিতর্কিত দৃশ্যগুলো সিনেমা থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল বিভিন্ন ভিডিওকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের দাবি ছড়ালেও, নির্ভরযোগ্য সূত্রে জাহ্নবী কাপুরের কোনো ‘অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁস’এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।

২৬ জুলাই ২০২৬
জাহ্নবী কাপুরের অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁসের গুঞ্জন

পাসপোর্ট অফিসে দালালের রাজত্ব

মাসুদ রানা, অতিথি লেখক: রাজধানীর পাসপোর্ট অফিসগুলোতে সরকারি সেবা যেন এখন অনেকটাই দালালনির্ভর হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ নিয়ম মেনে আবেদন করতে গিয়ে পড়ছেন দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি, হয়রানি ও নানা অজুহাতে আবেদন ফেরত যাওয়ার বিড়ম্বনায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে দালালের শরণাপন্ন হলেই মিলছে দ্রুত সেবা, নেই দীর্ঘ অপেক্ষা কিংবা জটিলতার ভয়। এমন বাস্তবতায় সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট, যাদের সঙ্গে অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশের অভিযোগও দীর্ঘদিনের। সরেজমিনে রাজধানীর আগারগাঁও বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখা যায়, অফিসের মূল ফটক থেকে শুরু করে আশপাশের কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে দালালদের নেটওয়ার্ক। সেবাপ্রত্যাশীরা অফিসে প্রবেশের আগেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ছেন। কেউ পাসপোর্ট করতে এসেছেন শুনলেই শুরু হচ্ছে দরকষাকষি। কোন ক্যাটাগরির পাসপোর্ট, কত দিনের মধ্যে প্রয়োজন এবং কত টাকা খরচ করতে রাজি, এসব তথ্য নিয়েই শুরু হয় সেবার প্যাকেজ অফার। গত ২১ জুলাই সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে আগারগাঁও বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের মূল গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা চার থেকে পাঁচজন যুবককে দেখা যায়, যারা অফিসে প্রবেশ করা প্রায় প্রতিটি ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছেন। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে ভেতরে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা দাবি করেন, তারা দালাল নন; আশপাশের কম্পিউটার দোকানে কাজ করেন এবং ফরম পূরণসহ বিভিন্ন কাজে সহায়তা করেন। তবে পরিচয় গোপন রেখে একজন সেবাপ্রত্যাশী হিসেবে কথা বললে ভিন্ন চিত্র উঠে আসে। দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে রাজু নামে এক ব্যক্তি সাধারণ পাসপোর্ট করার জন্য আট থেকে নয় হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি জানান, অতিরিক্ত এই অর্থ পরিশোধ করলে কোনো ধরনের সিরিয়ালে দাঁড়াতে হবে না। আবেদন জমা দেওয়ার পরপরই ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়া যাবে এবং আধা ঘণ্টার মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এমনকি নির্ধারিত সময়ের আগেই পাসপোর্ট হাতে পেতে চাইলে আরও অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে সেটির ব্যবস্থাও করে দেওয়া সম্ভব। একইভাবে জীবন নামে আরেক ব্যক্তি জানান, তিনি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে পাসপোর্ট অফিসের সামনে কাজ করছেন। সরকারি ফি ছাড়া অতিরিক্ত তিন হাজার টাকা দিলেই দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে দেবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি। কেন অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই টাকা তাকে একা রাখতে হয় না। আনসার সদস্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অর্থ দিতে হয় বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘আমি এ অফিসের সামনে ১২ বছর ধরে কাজ করছি। আমার কাজ খুব দ্রুত হয়। যে টাকা নিই তার বড় অংশ অফিসের বিভিন্ন স্যারদের দিতে হয়। আমাকে একবার কাজ দিয়ে দেখেন।’ সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, দালালের মাধ্যমে গেলে যে কাজ আধা ঘণ্টায় সম্পন্ন হয়, সেই একই কাজ নিয়ম মেনে করতে গেলে কখনো কখনো পুরো দিন পার হয়ে যায়। আবেদন জমা দেওয়া, ছবি তোলা, বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান এবং পাসপোর্ট সংগ্রহ, প্রতিটি ধাপেই রয়েছে দীর্ঘ লাইন ও হয়রানির অভিযোগ। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে দালালের শরণাপন্ন হচ্ছেন। পাসপোর্ট অফিসের আশপাশের কম্পিউটার দোকানগুলো কার্যত এখন একেকটি অনানুষ্ঠানিক পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। পাসপোর্টে নামের বানান ভুল, জন্মতারিখ সংশোধন, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যগত অসঙ্গতি কিংবা পুলিশ ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত নানা জটিলতার সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন এসব দালাল। তাদের দাবি, পাসপোর্টের কোনো সমস্যাই তাদের কাছে সমস্যা নয়। সেবাপ্রত্যাশী কামরুজ্জামান জানান, তার মামাতো ভাইয়ের পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও টাকা এক দালালের কাছে জমা দিয়েছিলেন। দালাল সাত দিনের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৫ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখন পর্যন্ত পাসপোর্ট পাননি। এমনকি দালালের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ঢাকায় নতুন এসেছিলাম। অফিসের লম্বা লাইন দেখে দালালের মাধ্যমে আবেদন করি। এখন না পাচ্ছি দালালকে, না পাচ্ছি পাসপোর্ট।’ অনুসন্ধানে জানা গেছে, আগারগাঁও বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসকে কেন্দ্র করে নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে অন্তত ২৩ সদস্যের একটি দালাল সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, জীবন সিকদার নামের একজনকে কেন্দ্র করেই এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হয়। তার সঙ্গে আরও অন্তত ২২ জন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে দালালির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলেও কয়েক ঘণ্টা পরই আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে দালালচক্র। বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া দালালদের ছবি অফিসের সামনে টানিয়ে রাখা হলেও বাস্তবে তাতে কোনো কার্যকর পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দালাল চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। দালালদের বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড দেওয়া হলেও তারা আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে। খুব শিগগিরই আরও একটি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি জানান। তিনি সাধারণ মানুষকে দালালের মাধ্যমে আবেদন না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সেবাগ্রহীতারা সচেতন হলে এই দালাল চক্রকে নির্মূল করা অনেক সহজ হবে। ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, দালালদের বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি চিহ্নিত কয়েকজন দালালের ছবি টানিয়ে তাদের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল নুরুল আনোয়ার বলেন, প্রতিনিয়ত দালালদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরপরও তাদের উৎপাত পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা ছাড়া কোনোভাবেই দালালদের পক্ষে এমন শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি নতুন কোনো ঘটনা নয়। শুধু ঢাকাই নয়, দেশের বিভিন্ন পাসপোর্ট অফিসে একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়। বিদ্যমান পদ্ধতির কিছু দুর্বলতা ইচ্ছাকৃতভাবে রেখে দেওয়ায় দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে পাসপোর্ট অফিসে সেই সেবা পেতে অনেককেই এখন দালালের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পাসপোর্ট সেবা কি সত্যিই দালালমুক্ত হয়েছে, নাকি সরকারি সেবার আড়ালে এখনো বহাল তবিয়তেই চলছে দালালতন্ত্র? রাজধানীর পাসপোর্ট অফিসগুলোতে প্রতিদিনের চিত্র বলছে, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এখনও অনেক পথ বাকি।

২৬ জুলাই ২০২৬
পাসপোর্ট অফিসে দালালের রাজত্ব
কোয়েলের পর দেব-রচনা-সায়নীসহ ১৯ তারকা সাংসদের পদত্যাগ
বিনোদন

কোয়েলের পর দেব-রচনা-সায়নীসহ ১৯ তারকা সাংসদের পদত্যাগ

দৃষ্টি বিনোদন ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে একসঙ্গে একাধিক তারকা সাংসদের পদত্যাগের খবর। টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব), অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সায়নী ঘোষসহ মোট ১৯ জন সংসদ সদস্য রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন। এমন একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক। ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, একটি চিঠিতে এই ১৯ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তালিকায় শুধু টলিউড তারকারাই নন, সাবেক ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানের নামও রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এই ‘গণপদত্যাগ’ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক। চিঠির তারিখ ও জমা দেওয়ার সময় নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। একটি পক্ষ দাবি করছে, চিঠিটি স্পিকারের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে আগেই। অন্যদিকে অন্য একটি পক্ষ এর আইনি বৈধতা ও তারিখ নিয়ে আপত্তি তুলেছে। সূত্র অনুযায়ী, চিঠির তারিখে অসঙ্গতি থাকায় বিষয়টি এখন আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। একই সঙ্গে স্পিকারের দপ্তরে জমা দেওয়া নথি ও স্বাক্ষর যাচাই নিয়েও চলছে আলোচনা। এদিকে, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শিবিরের দাবি, বিষয়টি এখনো যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা গ্রহণযোগ্য পদত্যাগপত্রের তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। সব মিলিয়ে দেব-রচনা-সায়নীসহ তারকা সাংসদদের ‘গণপদত্যাগ’ ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

১২ জুন ২০২৬

সামান্থার সঙ্গে প্রতারণা ও পর্নোসাইটে বিকৃত ছবি প্রচারের অভিযোগ

দৃষ্টি বিনোদন ডেস্ক: ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা নাগা চৈতন্য নিজের নাম, ছবি ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এই অভিনেতা। নাগা চৈতন্য ও অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর বিয়ে হয়েছিল ২০১৭ সালের ৭ অক্টোবর। চার বছরের দাম্পত্যজীবনের পর ২০২১ সালের ২ অক্টোবর বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তারা। বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন নাগা। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এমন কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে, সামান্থার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন নাগা চৈতন্য। এমনকি তার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগও তোলা হচ্ছে। তবে অভিনেতার দাবি, এসব তথ্য সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর এবং তার ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে প্রচার করা হচ্ছে। নাগার পক্ষে আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবী বৈভব গগ্গর বলেন, বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অভিনেতার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও বিকৃত তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে এবং অভিনেতার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মামলাটির শুনানি করছেন বিচারপতি জ্যোতি সিং। আদালতে নাগার আইনজীবী দাবি করেন, কয়েকটি ওয়েবসাইট অভিনেতার নামকে অশালীন ও আপত্তিকর সার্চ টার্মের সঙ্গে যুক্ত করে নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভুয়া ও মানহানিকর তথ্যও প্রচার করা হচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত কনটেন্টে নাগা চৈতন্যের ছবি ব্যবহারের অভিযোগও তোলা হয়েছে। আদালতে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তার আইনজীবী। সামান্থার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ প্রসঙ্গে বৈভব গগ্গর বলেন, এটা একটা ট্রলের অংশমাত্র, কোনো ন্যায্য সমালোচনা নয়। তিনি আরও দাবি করেন, ডিপফেক প্রযুক্তি, ভয়েস ক্লোনিং সফটওয়্যার এবং অন্যান্য ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন টুল ব্যবহার করে নাগা চৈতন্যকে ঘিরে ভুয়া অডিও-ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। এসব কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আদালতে নাগাকে নিয়ে তৈরি কয়েকটি মানহানিকর ইউটিউব ভিডিওর অংশও উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে অভিযোগ ওঠার পর ইতোমধ্যে কিছু লিংক সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে এ বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন নাগা চৈতন্য। প্রযুক্তির অপব্যবহার ও ডিপফেক কনটেন্টের বিরুদ্ধে তাঁর এই আইনি পদক্ষেপ নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

০১ জুন ২০২৬
সামান্থার সঙ্গে প্রতারণা ও পর্নোসাইটে বিকৃত ছবি প্রচারের অভিযোগ

পাত্র খুঁজছেন বাঁধন

দৃষ্টি বিনোদন: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে একটি মাল্টিমিডিয়া অনুষ্ঠানে প্রেম, বিয়ে এবং জীবনের নানা সময় ও অভিজ্ঞতা নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, নতুন সম্পর্ক বা বিয়ে নিয়ে কোনো ভাবনা আছে কি না? উত্তরে বাঁধন বলেন, তিনি বিয়ের কথা চিন্তা করছিলেন। তার মনে হয়েছিল বিয়ে করার মতো একজন মানুষ তিনি খুঁজেও পেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্কটি পরিণতি পায়নি। বাঁধনের উক্তি, ‘সত্যি বলছি, গত বছর বিয়ের পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা থাকলেও আমার পছন্দমতো মানুষ পেতে হবে। বিয়ে করার মতো একজনকে পেয়েও ছিলাম। যার মা আমাকে খুব পছন্দ করেছিল। কিন্তু সে আসলে ভেগে গেছে !’ এখন বিয়ের জন্য উপযুক্ত কাউকে পাচ্ছেন না বলেও জানান তিনি। তবে প্রেম করার মত আছে সেটি অকপটে স্বীকার করেছেন এই অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘এখন বিয়ে করার মতো পাত্র আমার আশপাশে পাই নাই। প্রেম করার জন্য দুই একজনকে পেয়েছিলাম। তার মধ্যে একজনের সঙ্গে প্রেমও করেছি। কিন্তু বিয়ে করার জন্য পাত্র আসলেই গুরুত্বপূর্ণ।’ অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বাঁধন বলেন, ‘বিয়ে তো আমি দুইবার করে ফেলেছি। এখন আর নিশ্চয়ই সেই ভুলটা করা যাবে না।’ আলোচনায় তিনি বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও ঈদকে ঘিরে শৈশবের স্মৃতিও তুলে ধরেন। বাঁধন বলেন, ছোটবেলায় কো রবানির ঈদ ছিল অনেক আনন্দের। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আনন্দমুখর সময় কাটানো। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বা ড়িতে কাটানো ঈ দের সময় তাঁর আজও মনে জ্বলজ্বল করে। তবে সময়ের সাথে মানুষের অনুভূতি বদলে যায়, দায়িত্ববোধের জায়গাটি বেশি অনুভূত হয়। তারও ঠিক একই রকম হয়েছে। অতীতের আনন্দ এখন বিশেষ স্মৃতি। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দের চেয়ে দায়িত্ববোধই বেশি অনুভূত হয়। আর রোজার ঈদের সবচেয়ে আনন্দের বিষয় ছিল সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখা, যা এখনও আমার স্মৃতিতে বিশেষ জায়গা করে আছে।’

৩১ মে ২০২৬
পাত্র খুঁজছেন বাঁধন

এফডিসিতে বহিরাগতদের দাপট

দৃষ্টি বিনোদন: জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসে প্রাণের টানে এফডিসিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরলেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এফডিসির পরিবেশ, বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য এবং সিনিয়র শিল্পীদের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ওমর সানী জানান, দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসে অংশ নিতে সকালে এফডিসিতে যান তিনি। সেখানে নিজের অভিনীত কালজয়ী সিনেমা ‘চাঁদের আলো’র ব্যানার দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তিনি জানান, এমডির কক্ষে আলাপকালে হঠাৎ প্রযোজক ও নায়ক হেলাল খান-এর নেতৃত্বে প্রায় ৪০-৫০ জন লোক সেখানে প্রবেশ করেন। একটি কেপিআইভুক্ত স্থানে এমন গণজমায়েত ও শোডাউনকে ‘বিদঘুটে’ ও ‘বিব্রতকর’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। এতে অপমানিত বোধ করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন সানী। বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি তারেক রহমানের উদাহরণ দেন। সানী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব এখন কোনো শোডাউন ছাড়াই সাধারণ মানুষের মতো চলছেন, যা পুরো দেশকে চমকে দিচ্ছে। অথচ চলচ্চিত্রের জায়গায় এখনো কেন দলীয় আবহে শোডাউন দেখা যাবে? এটা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। তিনি আরও বলেন, খেলোয়াড় ও শিল্পীদের পেশাদার জীবনে দলীয় প্রভাবমুক্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলচ্চিত্র দিবসে এমন বিশৃঙ্খলা দেখলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও ‘মাইন্ড’ করবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। এফডিসির সামনের সারিতে প্রকৃত শিল্পীদের বদলে বহিরাগতদের ভিড় নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে ওমর সানী বলেন, শিবা সানু বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও বহিরাগতরা সামনের কাতার দখল করে রেখেছিল। প্রকৃত শিল্পীদের সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে তারা ছবি তোলা ও নিজেদের জাহির করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল। তিনি আরও জানান, চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি উজ্জ্বল-সহ অনেক সিনিয়র শিল্পীর উপস্থিতি আশা করেছিলেন। কিন্তু কাউকেই দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে আসেন। ভিডিওর শেষে আবেগঘন কণ্ঠে ওমর সানী অনুরোধ করেন, চলচ্চিত্রের মানুষকে যেন তাদের মতো করে থাকতে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, বাইরে থেকে এসে আমাদের খাবলিয়ে বা চিমটি কাটা ঠিক না। আমরা চলচ্চিত্রের মানুষ, দিনশেষে আমরা চলচ্চিত্রকেই ভালোবাসি। দয়া করে এখানে আর শোডাউন করার চেষ্টা করবেন না। ওমর সানীর এই মন্তব্য ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে এফডিসির সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে এফডিসিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাতেগোনা কিছু পরিচালক ও শিল্পী ছাড়া তেমন পরিচিত মুখ দেখা যায়নি। শিল্পীদের প্রতিনিধি হিসেবে রোজিনা, পলি, সনি ও জয় চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সাদামাটা আয়োজনে অনেকটাই তারকাশূন্য ছিল চলচ্চিত্র দিবস।

০৪ এপ্রিল ২০২৬
এফডিসিতে বহিরাগতদের দাপট

কিংবদন্তি অভিনেতা সোহেল রানা চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন

দৃষ্টি বিনোদন: দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানা। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ইনশাআল্লাহ পরশু অর্থাৎ আগামী ৫ তারিখ রাতে অসুস্থতা পরীক্ষা করানোর জন্য সিঙ্গাপুরের পথে রওনা হব। আমার জন্য আপনারা দোয়া করবেন। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। তার এই পোস্টের পর থেকেই চলচ্চিত্রাঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে শুভকামনা জানিয়েছেন। সোহেল রানার প্রকৃত নাম মাসুদ পারভেজ। তিনি সত্তর ও আশির দশকে অভিনয় ও প্রযোজনার মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ প্রযোজনার মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রাঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন প্রয়াত খ্যাতনামা পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে ‘মাসুদ রানা’ চলচ্চিত্র পরিচালনার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এই সিনেমায় ‘সোহেল রানা’ নাম ধারণ করে অভিনয় করেন, যা পরবর্তীতে তার স্থায়ী পরিচয়ে পরিণত হয়।

০৪ এপ্রিল ২০২৬
কিংবদন্তি অভিনেতা সোহেল রানা চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন