সর্বশেষ
‘বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতা থাকবে- সিন্ডিকেট নয়’
অর্থনীতি • ৩৯ মিনিট আগে

‘বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতা থাকবে- সিন্ডিকেট নয়’

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে ‘প্রতিযোগিতা আইন ২০১২ ও এর প্রয়োগের বিষয়ে স্টেকহোল্ডাদের দায়িত্ব এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(২৮ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য ড. মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘বাজার ব্যবস্থায় সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় রাখা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতা থাকবে, অবশ্যই কোনো ধরনের সিন্ডিকেট নয়। ব্যবসা-বাণিজ্যে যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেট, মনোপলি বা কৃত্রিম সংকট তৈরি প্রতিরোধে প্রতিযোগিতা আইনের সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে ব্যবসায়ী ও অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’জেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের পরিচালক মোহাম্মদ ইসতিদার আলম, কমিশনের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ যুবায়ের, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহবুব হাসান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী শামছুন নাহার স্বপ্না প্রমুখ।জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক বলেন, টাঙ্গাইলের ব্যবসা-বাণিজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং বাজারে কোনো ধরনের অসাধু প্রতিযোগিতা যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন সর্বদা তৎপর রয়েছে। তিনি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে আইন মেনে সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান।মুক্ত আলোচনা পর্বে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। তারা স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের বর্তমান চিত্র, বাজার মনিটরিং এবং প্রতিযোগিতা আইন বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে নিজ নিজ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। বক্তারা বাজারে সুস্থ ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দেন।মতবিনিময় সভায় জেলা শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা এবং অংশীজনরা(স্টেকহোল্ডার) অংশগ্রহণ করেন।

ভূঞাপুরে ১৭ মৌজার বিআরএস জরিপ বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন
ছবি • ২১ ঘণ্টা আগে

ভূঞাপুরে ১৭ মৌজার বিআরএস জরিপ বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন

‎‎আ. রশিদ তালুকদার, ভূঞাপুর:‎টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের গাবসারা ইউনিয়নের ১৭টি মৌজার বিআরএস জরিপ বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে গোবিন্দাসী-টাঙ্গাইল রোডে এলাকার ১৩ গ্রামের মানুষ ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। ‎জানা যায়, ১৯৯৩ সালে ভূঞাপুর উপজেলায় বিআরএস জরিপের কাজ শুরু করে ভূমি মন্ত্রণালয়। তারই ধারাবাহিকতায় গাবসারা ইউনিয়নের ১৭টি মৌজায় ১৯৯৬ সালে নকশার কাজ শেষ করে ডিপি খতিয়ান তৈরির পর ভূমি মালিকদের মধ্যে মাঠ পরচা বিতরণ করে। ১৯৯৭ সালে প্রায় ১০ হাজার খতিয়ানের উপর প্রায় ৩৩০ ধারায় আপত্তি দেওয়া হয়। ২০১১ সাল পর্যন্ত সেসব আপত্তি যথাযথ শুনানীর মাধ্যমে নিস্পত্তি করা হয়। ওইসব মৌজার ১৬টি সিটের নকশা ভেঙ্গে ১৭টি সিট তৈরি করায় কিছু কিছু দাগ নম্বরে জমির পরিমান সামান্য কম-বেশি পরিলক্ষিত হয়।‎ সে সময় নকশার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও পরবর্তীতে বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাধানের আর্শ্বাস দেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। ‎কিন্তু পরবর্তীতে কোন সমাধান না করে গত ৩ সেপ্টেম্বর ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ভূমি রেকর্ড শাখার পরিচালক মো. মোমিনুর রশিদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জপির কার্যক্রম স্থগিত করে পুনরায় ডিজিটাল জরিপ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।এদিকে দীর্ঘদিন যাবৎ এসব মৌজায় হাল নাগাদ খাজনা পরিশোধ রশিদ ও খারিজ বাধ্যতামূলক হওয়ায় জমি বেচা-কেনা, খাজনা-নাম খারিজ, ব্যাংক ঋণ বন্ধ থাকায় মহাবিপদে পড়েছে এলাকার মানুষ। অনেক দরিদ্র পরিবার নানা সমস্যায় জমি বিক্রি করতে চাইলেও বিক্রি করতে পারছে না। অন্যদিকে নতুন এ আদেশের কারণে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী। তাদের দাবি, অতি সল্প সময়ের মধ্যে সম্প্রতি জারিকৃত আদেশ বাতিল করে বিআরএস জরিপ বহাল রাখা হোক।‎‎স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে প্রায় ৩৫ বছর যাবৎ এ এলাকার মানুষকে বিপদে ফেলে রাখা হয়েছে। দিন যত যাচ্ছে আরো জটিলতা বাড়ছে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুব হাসান বলেন, বিষয়টি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে আলোচনা করে ঊর্দ্ধতন কর্তপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে বিষয়টির সমাধান করা হবে।

টাঙ্গাইলে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত
আন্তর্জাতিক • ২২ ঘণ্টা আগে

টাঙ্গাইলে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ স্লোগানে টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে রোববার(২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।এদিন সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মিলিত হয়।টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহবুব হাসান। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান, জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, হোটেল ব্যবসায়ী পূরবী বাবুল সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।https://www.youtube.com/watch?v=sOqnXh11-tIআলোচনা সভায় বক্তারা টাঙ্গাইল একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা উল্লেখ করে পর্যটন খাতের উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল পর্যটনের জন্য একটি সম্ভাবনাময় জেলা। টাঙ্গাইলের জিআই পণ্য শাড়ি, চমচম, আনারস, বিভিন্ন ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি সহ নানা সবুজ প্রকৃতি সমৃদ্ধ স্থাপনাকে কেন্দ্র করে এখানে পর্যটন বিকাশের সুযোগ রয়েছে। এসব পর্যটনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। একই সঙ্গে জেলার পর্যটন সম্ভাবনা স্থাপনাগুলোতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পর্যটন খাতকে আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় করা যেতে পারে।কর্মসূচিতে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের সন্ত্রাস বিরোধী মিছিল-সমাবেশ
রাজনীতি • ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের সন্ত্রাস বিরোধী মিছিল-সমাবেশ

দৃষ্টি রিপোর্ট:দেশব্যপী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলেও সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য বিরোধী সমাবেশ ও মিছিল করেছে শ্রমিকদল। এ উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল নিরালা মোড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। সমাবেশে জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক একেএম মুনিরুল হক মুনীরের সঞ্চালনায় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সাঈদের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহীন, অমল ব্যানার্জী, ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ভিপি নুরুল ইসলাম।এছাড়া জেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন, মাসুদ করিম, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক, দেলোয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল সরকার, আমিনুর রহমান, সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম সুমন, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ, পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম, সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন সহ জেলা, থানা ও পৌর শ্রমিক দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংবাদ

আরও দেখুন »
এ সপ্তাহের রাশিফল
জাতীয়

এ সপ্তাহের রাশিফল

দৃষ্টি নিউজ:সাফল্য লাভের জন্য কর্ম যথেষ্ট নয়। দরকার সঠিক কর্মকৌশল, সহনশীলতা এবং কিছু বিষয়ে সচেতনতা। আর তাতেই আপনি জীবনের প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত চাওয়াকে পাওয়ায় রূপান্তর করতে পারবেন। পাশ্চাত্য রাশিচক্রমতে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের নানা বিষয়ের শুভাশুভ পূর্বাভাস ও সতর্কতা জানাচ্ছেন জ্যোতিষশাস্ত্রী ড. চিন্ময় চৌধুরী মিথুন:-মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল): কোনো সুসংবাদ পেতে পারেন। আটকে থাকা কাজ উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় অর্থলাভ অথবা কোনো বড় চুক্তির মধ্যে যাওয়ার সুযোগ আসতে পারে। এ সপ্তাহটি মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সার্বিকভাবে অত্যন্ত শুভ।বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২১ মে): অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সময়টা খুব একটা ভালো নয়। টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিষয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন। প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কোনো শুভ কাজ বা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কাজে না যাওয়াই ভালো। গৃহে অশান্তি অথবা অসুস্থতা লেগে থাকতে পারে।মিথুন রাশি (২২ মে-২১ জুন): যারা চাকরির জন্য আবেদন করেছেন, তাদের সেই কাজ সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি তরফ থেকেও সাহায্য পেতে পারেন। তবে পেটের সমস্যা অথবা মাথাব্যথা এই সময় আপনাদের কষ্ট দিতে পারে।কর্কট রাশি (২২ জুন-২৩ জুলাই): সন্তান সম্পর্কিত বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। সন্তানের শারীরিক অবস্থা এবং শিক্ষার বিষয়েও নজর রাখা প্রয়োজন। তবে ক্যারিয়ার ও অর্থপ্রাপ্তির দিক থেকে সময়টি ভালো যেতে পারে।সিংহ রাশি (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট): কিছুটা টেনশনের মধ্যে কাটতে পারে। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে পরিবারে অশান্তির সম্ভাবনা রয়েছে। গৃহে এবং কর্মক্ষেত্রের বাইরের পরিবেশেও অশান্তিময় পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই এ সপ্তাহে যতটা সম্ভব বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর): ভালো কোনো পদ, প্রমোশন, সুযোগ অথবা নতুন কোনো সম্ভাবনা সামনে আসতে পারে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এতদিন ধরে যে সমস্যাগুলো নিয়ে চলছিলেন, সেগুলোর কিছুটা সুরাহার পথ দেখতে পারেন।তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর): কোথাও অর্থ বিনিয়োগ করবেন না। কারো প্রলোভনে পড়ে অর্থ নষ্ট করবেন না। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শেয়ারে একেবারেই অর্থ বিনিয়োগ না করাই ভালো। অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে কারো সঙ্গে ঝামেলাও হতে পারে। হঠাৎ করে খরচ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বৃশ্চিক রাশি (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর): শারীরিক বিষয় ভালো যাবে। এ সপ্তাহে ভাগ্য খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আটকে থাকা কাজগুলো সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে সেই কাজ সম্পন্ন করতে আপনাদের কিছুটা দৌড়ঝাঁপ করতে হতে পারে।ধনু রাশি (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর): আর্থিক উপার্জনের ক্ষেত্রে মানসিক তৃপ্তি কম থাকবে। অর্থনৈতিক লাভ এবং পদোন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। তীর্থযাত্রার সম্ভাবনাও অত্যন্ত প্রবল। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে বড় সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি): দীর্ঘদিনের আটকে থাকা কাজ এই সময় সম্পন্ন হতে পারে। প্রফেশনাল জীবনের ক্ষেত্রে ভালো সময়। শিক্ষার্থীরদের পড়াশোনার বিষয়ে গভীর মনোযোগ প্রয়োজন। ভূমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সমস্যা থাকতে পারে।কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি): অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে লাভবান হতে পারেন। ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। স্থান পরিবর্তন অথবা নতুন চাকরির সুযোগও আসতে পারে। যারা চাকরি পরিবর্তনের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এই সময়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ): যেকোনো বাধা বিঘ্নকে ইতিবাচক হিসেবে দেখুন। ক্যারিয়ার, বাড়ি এবং কোর্ট-কাছারির বিষয়ের জন্য এই সময়টি ভালো যেতে পারে। অফিসে যথেষ্ট মান-সম্মান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সন্তান অথবা পরিবারের কোনো সদস্যকে নিয়ে সুসংবাদ পেতে পারেন।

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটে ১১ কর্মকর্তার রদবদল

দৃষ্টি নিউজ:ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার ১১ কর্মকর্তাকে রদবদল করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে গোয়েন্দা বিভাগে এবং কয়েকজনকে ট্র্যাফিক ও বিভিন্ন জোনে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি আদেশে এসব বদলি করা হয়।বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে ডিএমপির পিওএম দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সাগর দিপা বিশ্বাসকে পিঅ্যান্ডআরএইচআরডি বিভাগে এবং আরিফা আশরাফ পিংকিকে পিওএম দক্ষিণ বিভাগে বদলি করা হয়েছে।অন্য এক আদেশে ট্র্যাফিক শাহবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মেহেদি হাসান শাকিলকে নিউ মার্কেট জোনে, নিউ মার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. নাসিম এ গুলশানকে গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগে এবং মো. নাদিম হায়দার চৌধুরীকে ট্র্যাফিক শাহবাগ জোনে বদলি করা হয়েছে।এছাড়া সহকারী পুলিশ কমিশনার মিস স্বপ্না বেগমকে উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগে, ওই বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মনোয়ার আকতার রিফাতকে ট্র্যাফিক শেরেবাংলা নগর জোনে, দারুসসালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হোসেন বিপুলকে গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগে এবং ট্র্যাফিক শেরেবাংলা নগর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেনকে দারুসসালাম জোনে বদলি করা হয়েছে।আরও বদলি করা হয়েছে ট্র্যাফিক লালবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহতাব হোসেনকে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগে এবং পেট্রোল-লালবাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. তারেকুল ইসলামকে ট্র্যাফিক লালবাগ জোনে।আদেশে বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটে ১১ কর্মকর্তার রদবদল

হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন বাধ্যতামূলক

দৃষ্টি নিউজ:আগামী বছরের (২০২৭ সালের) ৩১ জানুয়ারি মধ্যে দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেশের সব উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদেরকে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর)।চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি হাট ও বাজারের স্থায়ী শেড এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিভিন্ন বাজারে নির্মিত চার-পাঁচতলা ভবনের ছাদের আয়তন বিবেচনায় নিয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।এতে আরও বলা হয়েছে, টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থানীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যমান দাপ্তরিক মূল ভবন ও আওতাধীন ভবনগুলোতে ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থায় ন্যূনতম দুই ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ রাখতে হবে বলেও চিঠিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে হবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ বলেছে, ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের বিপরীতে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এতে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব আয় বাড়বে।‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫’ এর বিধি ১০-এর (ঙ) ও (চ) অনুযায়ী হাট ও বাজার থেকে পাওয়া ইজারার আয়ের ১০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট হাট ও বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে এবং আরও ১০ শতাংশ উপজেলার অন্তর্গত হাট ও বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত রয়েছে। এই অর্থ ব্যবহার করে দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়।নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী ২০ বছর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করতে হবে সংশ্লিষ্ট হাট-বাজার কর্তৃপক্ষকে।

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি- এআই দিয়ে তৈরি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের টানা সাত দিন ছুটির সুযোগ

দৃষ্টি নিউজ:দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী অক্টোবর মাসে সরকারি ছুটির সঙ্গে ঐচ্ছিক ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে নির্দিষ্ট শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা ৭ দিন পর্যন্ত ছুটি ভোগ করতে পারবেন। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজার মূল সরকারি ছুটি শুরু হবে ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার)। এদিন মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। পরদিন ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে থাকবে সাধারণ ছুটি।সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রয়েছে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটি। ১৮ অক্টোবর (রোববার) মহাসপ্তমী এবং (১৯ অক্টোবর) সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে এই ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন তারা।১৮ ও ১৯ অক্টোবরের ঐচ্ছিক ছুটি এবং ২০ ও ২১ অক্টোবরের সরকারি ছুটি মিলিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা চারদিন ছুটি ভোগ করতে পারবেন।২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) এক দিনের ছুটি নিতে পারলে এরপরের দুইদিনের সাপ্তাহিক ছুটিও যুক্ত হবে। ফলে, সব মিলিয়ে একটানা ৭ দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ সনাতন ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য।এই সুবিধা কেবল সংশ্লিষ্ট ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য। অন্য সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির এই সুযোগ থাকবে না।দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকে। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কিছু শাখা বা নির্দিষ্ট ব্যাংকিং সেবা চালু থাকতে পারে। এছাড়া, এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালুই থাকে।

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের টানা সাত দিন ছুটির সুযোগ

মাদক-জুয়া ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

দৃষ্টি নিউজ:শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক ও জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিরোধ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। তবে কমিটিগুলো কবে গঠন করা হবে এবং এর কাঠামোতে কারা থাকবেন, বিজ্ঞপ্তিতে তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। গত ৩০ জুন মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ-সংক্রান্ত কমিটির কার্যক্রম আরও সক্রিয় ও দৃশ্যমান করার নির্দেশ দেওয়া হয়।এদিকে চলতি বছর প্রণীত জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এও জুয়া প্রতিরোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুয়ার কুফল সম্পর্কে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আইন প্রয়োগ, সমন্বয়, তদারকি ও নীতিগত নির্দেশনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদক-জুয়া ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

টাঙ্গাইল এর আঞ্চলিক খবর

টাঙ্গাইল এর খবর

আগাম সবজি চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আগাম সবজি চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন
টাঙ্গাইল এর খবর

৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রেপ্তার

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩০০ পিস ইয়াবাসহ দুই ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রেপ্তার

সর্বশেষ খবর

আপনার এলাকার খবর পড়ুন
মাদক-জুয়া ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

মাদক-জুয়া ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

দৃষ্টি নিউজ:শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক ও জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিরোধ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। তবে কমিটিগুলো কবে গঠন করা হবে এবং এর কাঠামোতে কারা থাকবেন, বিজ্ঞপ্তিতে তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। গত ৩০ জুন মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ-সংক্রান্ত কমিটির কার্যক্রম আরও সক্রিয় ও দৃশ্যমান করার নির্দেশ দেওয়া হয়।এদিকে চলতি বছর প্রণীত জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এও জুয়া প্রতিরোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুয়ার কুফল সম্পর্কে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আইন প্রয়োগ, সমন্বয়, তদারকি ও নীতিগত নির্দেশনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মির্জাপুরের কামারপাড়া ব্রিজ এক অন্তহীন দুর্ভোগের নাম

বুলবুল মল্লিক:টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভাওড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া নদীর ওপর নির্মাণের ছয় বছর পার হলেও ব্রিজের সুফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী। মূল ব্রিজের কাজ অসম্পূর্ণ রাখার পর এবার সংযোগ সড়কের (অ্যাপ্রোচ রোড) নির্মাণকাজে দেখা দিয়েছে চরম স্থবিরতা। ফলে নিত্যদিনের যাতায়াতে তীব্র ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয় হাজারো মানুষ। বর্তমানে অচল পড়ে থাকা এই ব্রিজে উঠতে স্থানীয়দের ব্যবহার করতে হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো।এলজিইডি সূত্রে জানাগেছে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কামারপাড়া নদীর ওপর ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯০ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো ব্রিজের রেলিং নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি পড়ে আছে। মূল কাঠামোর কাজ শেষে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘদিন আটকে থাকে সংযোগ সড়ক নির্মাণ। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুন মাসে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হলেও গত ১৫ মাসে তার অর্ধেকও সম্পন্ন হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই স্থানীয়দের ঝুঁঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো বেয়ে ব্রিজে উঠে নদী পার হতে হচ্ছে।সরেজমিনে কামারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- জনদুর্ভোগের এক চরম চিত্র। ব্রিজের উত্তর পাশে নামমাত্র কিছু মাটি ফেলে সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা হলেও তা এখন প্রায় বন্ধ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান একদিন কাজ করলে সাতদিন কাজ বন্ধ রাখে। ফলে মূল রাস্তা থেকে প্রায় ৫০ ফুট খাড়া ও আঁকাবাঁকা ঢালু পথ বেয়ে অত্যন্ত ঝুঁঁকিপূর্ণভাবে মানুষ ব্রিজে উঠছেন। অন্যদিকে, ব্রিজের দক্ষিণ পাশের কাঁচা রাস্তা থেকে ব্রিজের ওপর পর্যন্ত একটি বাঁশের সাঁকো দেওয়া হয়েছে। সময় ও শ্রম বাঁচাতে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ শ’ শ’ মানুষ এই নড়বড়ে সাঁকো দিয়েই জীবনের ঝুঁঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।কামারপাড়া গ্রামের সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ মজিবর রহমান আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার বয়স সত্তরে পৌঁছেছে। অনেক ইচ্ছা ছিল এই ব্রিজের ওপর দিয়ে হেঁটে পার হয়ে বাজারে যাবো। কাজের যে অবস্থা তাতে সেই আশা পূরণ হবে কিনা আল্লাহই জানেন। কর্তৃপক্ষের এদিকে দ্রুত নজর দেওয়া উচিত।’একই গ্রামের বাসিন্দা আবজাল হোসেন ব্রিজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘মির্জাপুর-ধানতারা ভায়া কামারপাড়া আঞ্চলিক সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। কামারপাড়া নদীর ওপর ব্রিজটি সম্পূর্ণ হলে মির্জাপুর থেকে ধামরাই হয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়া সম্ভব হবে। এতে মির্জাপুরের সাথে ধামরাই ও মানিকগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। দক্ষিণ মির্জাপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, মির্জাপুর-কামারপাড়া-ধানতারা সড়কটি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করা হোক। তাছাড়া মির্জাপুর থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই সড়কটি একটি চমৎকার বিকল্প রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।’ধীরগতির বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স’-এর পার্টনার মো. ইসলাম বলেন, ‘মূল ব্রিজটি হতে অনেক বেশি সময় লেগেছে, তাও আবার কিছুটা অসম্পূর্ণ। আসলে সংযোগ সড়কের কাজটা একটু জটিল। তাছাড়া ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা ছিল- যা নিরসন করতে বেশ সময় লেগেছে। এর ওপর দীর্ঘ একটা সময় বৃষ্টি থাকায় কাজ ব্যাহত হয়েছে। তবে কাজ শেষ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় আছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা কাজ সম্পূর্ণ করতে পারব।’ভাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ব্রিজের মূল কাজে এমনিতেই অনেক বেশি সময় নেওয়া হয়েছে। এরপর সংযোগ সড়ক নির্মাণের সময় ভূমি সংক্রান্ত জটিলতায় অনেকদিন কাজ বন্ধ ছিল। বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছিল। পরবর্তীতে আমি ঠিকাদার এবং স্থানীয়দের নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করে বিষয়টি সুরাহা করতে সক্ষম হয়েছি। এখন জমি সংক্রান্ত সব ঝামেলা শেষ, কাজও চলছে। তবে জনভোগান্তি কমাতে কাজের গতি আরো অনেক বাড়ানো দরকার বলে আমি মনে করি।’মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি মির্জাপুরে যোগদান করেই এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছি। কামারপাড়া ব্রিজের বাকি থাকা পুরো কাজ এবং সংযোগ সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের ইতিপূর্বেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব ধরনের জটিলতা এখন নিরসন হয়েছে।’টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা জনভোগান্তি তৈরি করা বরদাশত করা হবে না। কামারপাড়া ব্রিজের সংযোগ সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে জমি সংক্রান্ত যেসব আইনি ও স্থানীয় জটিলতা ছিল- তা ইতোমধ্যেই সমাধান করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজের গতি বাড়িয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এলজিইডির প্রকৌশল বিভাগ থেকে কাজের নিয়মিত তদারকি চলছে। দ্রুতই ওই সেতুটি জনগণের যোগাযোগের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা যাবে।

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মির্জাপুরের কামারপাড়া ব্রিজ এক অন্তহীন দুর্ভোগের নাম

ঘাটাইলের সব সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ

ঘাটাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাংবাদিকরা এবার একত্রিত হয়ে একটি অভিন্ন সংগঠনের আওতায় আসলেন। সোমবার(২১সেপ্টম্বর) বিকালে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সকল সাংবাদিকদের স্বতঃফুর্ত অংশ গ্রহনে আনন্দঘন মুহুর্তের মধ্য দিয়ে ঘাটাইল প্রেসক্লাব ১৯৮৫ এর নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়।এক সময় ঘাটাইলে সাংবাদিকদের ৬টি সংগঠন থাকায় সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনে প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। উপজেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন সাংবাদিকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একত্রিত করার কাজ সফলতা অর্জন করে। এখন সব সাংবাদিকদের ঠিকানা ‘ঘাটাইল প্রেসক্লাব’- যা ১৯৮৫সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিকদের ভবন উদ্বোধনী আনুষ্ঠানে ঘাটাইল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক দৈনিক ইত্তেফাক ঘাটাইল সংবাদদাতা নুরুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমানের সঞ্চালনায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স হলরুমে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক খান ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মো. মাহমাদুল হাসান।অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম শফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন হেলাল, সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, জিবিজি সরকারি কলেজের সাবেক এজিএস মো. সেলিম রেজা, জামুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তরিকুল ইসলাম সুলতান, যুবদল নেতা আফজাল হোসেন, ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, জামাতে ইসলাম বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহকারী সাধারণ সম্পাদক হোসেনে মোবারক বাবুল, ঘাটাইল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব সারোয়ার জাহান কলি, আনোয়ার হোসেন বকুল, উত্তম কুমার আর্য্য, গোলাম মোস্তফা তালুকদার, এবিএম আতিকুর রহমান, রবিউল আলম বাদল প্রমুখ।বক্তারা স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও জনস্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়- শিগগির সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। সাংবাদিকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ঐক্য ঘাটাইলে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের আরও শক্তিশালী করবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন পত্রিকা, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘাটাইলের সব সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ

তদন্ত কমিটি গঠন ও ঠিকাদারকে চূড়ান্ত নোটিশ

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের বাসাইলে এলজিইডি’র অর্থায়নে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজে রাতের আঁধারে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই জালিয়াতির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একই সাথে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ত্রুটিপূর্ণ ঢালাই ভেঙে ফেলার নির্দে শনা দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, এলজিইডি’র ঢাকা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দপ্তরের supRB এর প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর ও টাঙ্গাইল এলজিইডি’র পক্ষ থেকে গঠিত পৃথক তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে। মঙ্গলবার(২২ সেপ্টেম্বর) দিনভর প্রকল্প এলাকায় তদন্ত কমিটির সদস্যরা সরেজমিন পরিদর্শন ও অংশীজনদের মতামত-বক্তব্য গ্রহণ করেছে।এলজিইডি’র সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর কর্তৃক গঠিত ২ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন- প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাকিল হোসেন ও একই প্রকল্পের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. জাকিউল আলম। টাঙ্গাইল এলজিইডি কর্তক ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন- টাঙ্গাইল এলজিইডি’র সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. তৌহিদুর রহমান(আহ্বায়ক), টাঙ্গাইল সদর উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী ইফতেখার আহম্মেদ(সদস্য সচিব), টাঙ্গাইল এলজিইড ‘র সহকারী প্রকৌশলী সাকিব-উল-হাফিজ(সদস্য), উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান(সদস্য) ও ল্যাব টেকনিশিয়ান মো. আলোব্বর হোসেন(সদস্য)। সোমবার(২১ সেপ্টেম্বর) গঠিত তদন্ত কমিটি সমূহকে ৩ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ‘প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ‘বাসাইল জিসি-কাউলজানী ইউপি ভায়া মাইজখাড়া সড়কে ৯০.০৬ মিটার পিএসসি গার্ডার ব্রিজ’ নির্মাণ কাজ চলছে। ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে এই ব্রিজের নির্মাণ কাজ যৌথভাবে পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মো. ইউনুস আল মামুন-মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ (জেভি)’।অভিযোগ উঠেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলা প্রকৌশলী বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাউকে না জানিয়ে অন্ধকারে তড়িঘড়ি করে ব্রিজের Wheel Guard এর স্ল্যাব ঢালাই কাজ সম্পন্ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পরে ঢালাইয়ের ভেতর রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী ফাত্তাউর রহমান ব্রিজের দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে শো’কজ করেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এই অনিয়মের খবর গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাউকে অবহিত না করে রাতের অন্ধকারে ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে- যা সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন বহির্ভূত।নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পত্র প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে ওই ত্রুটিপূর্ণ ও স্পেসিফিকেশন বহির্ভূত ঢালাই ভেঙে সাইট থেকে অপসারণ করতে হবে। পরবর্তীতে ল্যাবে পরীক্ষা করে মালামালের গুণগতমান নিশ্চিত পূর্বক উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে নিয়ম মোতাবেক পুনরায় ঢালাই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া ঠিকাদারি চুক্তি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।টাঙ্গাইল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন জানান, সরকারের কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তদন্ত কমিটি গঠন ও ঠিকাদারকে চূড়ান্ত নোটিশ

'জাগ্রত কাতুলী ইউনিয়ন'-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে সামাজিক সংগঠন ‘জাগ্রত কাতুলী ইউনিয়ন’-এর ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। রোববার(২০ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়স্থ ‘ফুড গার্ডেন অ্যান্ড পার্টি সেন্টার’-এ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সংগঠনের সভাপতি মো. আব্দুল কাদের খান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম খানের স্বাগত বক্তব্য মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মো. আব্দুল কাদের খান।কেক কাটার আগে পরিচয় পর্ব সাথে মুক্ত আলোচনা হয়। মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা।তিনি বলেন, আমরা শুধু মানুষের কল্যাণে যেহেতু কাজ করবো পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াবো। সাধ্যমত চেষ্টা করব পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাতুলীর উন্নয়নের জন্য পাশে থাকবো একই সাথে সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত নেবো। এছাড়া বর্তমান সময় হচ্ছে গাছ লাগানোর সময়, আমরা গাছ লাগানো কর্মসূচি পালন করতে পারি।সভায় বক্তারা সংগঠনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন ও সামাজিক সেবামূলক কাজে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর খান।সংগঠন ও দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের নিয়ে ১ম বর্ষপূর্তির কেক কাটা হয়। শেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
'জাগ্রত কাতুলী ইউনিয়ন'-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ
খেলাধুলা

প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ

দৃষ্টি নিউজ:টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরেরর বটতলাস্থ প্রিমিওপ্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির। প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সুমাইয়া মমিন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী শামসুন্নাহার স্বপ্না, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত।অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসাদুল আখতার শামীম, সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও প্রথমআলোর প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিনিধি ইফতেখারুল অনুপম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল ও নাহার চাকলাদার।প্রধান অতিথি জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির বলেন, সাংবাদিকরা লেখনির মাধ্যমে সমাজকে পথ দেখায়। সমাজের সকল প্রকার অসঙ্গতি তুলে ধরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত আধুনিক টাঙ্গাইল গড়তে সাংবাদিক ভাইরা বিশেষ ভূমিকা রাখবে।তিনি বলেন, গুজব সব সময় মানুষের অকল্যাণ বয়ে আনে, গুজব প্রতিহত করতে স্ব স্ব অবস্থান থেকে সবারই সোচ্চার হতে হবে।পরে প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমসে বিজয়ী ও বিজিতদের মাঝে অতিথিরা পুরষ্কার তুলে দেন।

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সা’দত কলেজে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী সরকারি সা’দত কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘পদার্থ বিজ্ঞানের বন্ধনে, প্রাক্তনদের মিলনে- আগামীর পথে একসাথে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কলেজের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনের সূচনা করা হয়।এদিন সা’দত কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ১৯৯৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কলেজ প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের হলরুমে গিয়ে অ্যালামনাই ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে মিলিত হয়।সা’দত কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম মজনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, অধ্যাপক জাকির হোসেন, পদার্থ বিজ্ঞান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উপ-সচিব মাসুম বেগ, সদস্য সচিব মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ, সরকারি সা’দত কলেজের শিক্ষক সাব্বির হাসান পল সহ বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষকরা।এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ করেন এবং দীর্ঘদিন পর সহপাঠী ও শিক্ষকদের সঙ্গে মিলিত হতে পেরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন। দিনব্যাপী ওই পুনর্মিলনীকে ঘিরে কলেজ প্রাঙ্গণে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সা’দত কলেজে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নদীর বুকে বেহুলা-লক্ষিন্দরের জীবন্ত নাট্যরূপ!

আব্দুস সাত্তার:নদীর বুকে ভেসে উঠল লোককথার জীবন্ত নাট্যরূপ। নদীর ঢেউ আর গ্রামীণ সংস্কৃতির আবহে চাঁদ সওদাগর ও বেহুলা-লক্ষিন্দরের কিংবদন্তি যেন ফিরে এলো বাস্তবে। মঙ্গলবার(১৮ আগস্ট) দিনব্যাপী টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত লোকউৎসব ‘শাওনে ডালা ২০২৬’।বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ব্রতী ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গ্রামীণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র সাধনার সার্বিক আয়োজনে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাজার ঘাট থেকে শুরু হয় এ আয়োজন। বিশাল আকৃতির একটি নৌকা সাজিয়ে গান ও অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চস্থ করা হয় চাঁদ সওদাগর ও বেহুলা-লক্ষিন্দরের যাত্রাপালা।দিনব্যাপী যাত্রাপালার অংশ হিসেবে সাতটি ঘাটে চাঁদ সওদাগর ও বেহুলার ভোগ দেওয়ার আয়োজন করা হয়। শেষ ঘাট ছিল মির্জাপুরের ফতেপুর। সেখানে ছিল আয়োজনের সবচেয়ে নাটকীয় দৃশ্য- কলাগাছের ভেলায় সাপে কাটা লক্ষিন্দরকে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। সেখানেই ঘটে তার অলৌকিক সুস্থতার ঘটনা। এই দৃশ্য দেখতে নদীর দুই তীরে ভিড় করেন হাজারো দর্শক।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গবেষণা ও গ্রামীণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা নুবনা মরিয়ম, ‘শাওনে ডালা’র ইনচার্জ লাবণ্য সুলতানা, ব্রতীর অ্যাডসিন মাইকেল মনি শাহাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এছাড়া বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।লোককথা ও লোকসংস্কৃতির এমন সমন্বিত আয়োজন নতুন প্রজন্মকে বাঙালির শেকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে। নদীর বুকে আয়োজিত এ উৎসব আবারও মনে করিয়ে দিল- নদী শুধু ভৌগোলিক সীমানা নয়, বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরও এক জীবন্ত ধারক।

২০ আগস্ট ২০২৬
নদীর বুকে নৌকা সাজিয়ে গান ও অভিনয়ে মঞ্চস্থ করা হয় বেহুলা-লক্ষিন্দরের যাত্রাপালা।

অসুস্থ ক্রিকেটার ইকবালের মানবেতর জীবন

মোস্তফা কামাল নান্নু: এক সময় ব্যাট হাতে মাঠ মাতানো ক্রিকেটার ইকবাল খান এখন শয্যাশায়ী। ৩৬ বছর বয়সী এই তরুণ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে দুই পায়ে স্বাভাবিক চলাচলের ক্ষমতা হারিয়েছেন। বন্ধ হয়ে গেছে কথা বলাও। অর্থের অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা করাতে পারছে না পরিবার। এর মধ্যে প্রায় এক বছর আগে স্ত্রীও তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন। এখন বৃদ্ধ বাবা-মা, বন্ধু ও স্বজনরাই তাঁর একমাত্র ভরসা।ইকবাল টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামের রতন খানের ছেলে। এক সময় বিকেল হলেই ক্রিকেট ব্যাট হাতে মাঠে ছুটতেন তিনি। ক্রিকেট ও ফুটবলে পারদর্শী ইকবালের খেলা দেখতে গ্রামের মানুষ ভিড় করতেন। পাশাপাশি ছোট একটি চায়ের দোকান চালিয়ে পরিবারের দায়িত্বও সামলাতেন তিনি। প্রায় ছয় বছর আগে বিয়ে করে নতুন সংসারের স্বপ্ন দেখেছিলেন ইকবাল। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। চিকিৎসকেরা জানান, তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত। ধারদেনা করে কয়েকবার চিকিৎসা করানো হলেও অর্থের অভাবে তা আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে প্রায় এক বছর আগে স্ত্রীও সংসার ছেড়ে চলে যান। এখন বাড়ির একটি ঘরেই কাটছে তাঁর দিন। কথা বলতে না পারলেও চোখের দৃষ্টিতে নিজের কষ্ট বোঝানোর চেষ্টা করেন তিনি।ইকবালের বাবা রতন খানের বয়স ৬৫ বছর। এই বয়সেও চায়ের দোকান চালিয়ে যা আয় করেন, তা দিয়ে কোনোরকমে ওষুধ ও পরিবারের খাবার জোগাড় করেন। ছেলের চিকিৎসায় ব্যয় করতে করতে নিঃস্ব পরিবারটি এখন ঋণের বোঝায় জর্জরিত। বসতভিটা ছাড়া তাঁদের আর কোনো সম্পদ নেই। ইকবালের বন্ধু ও স্থানীয়রা নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে তাঁকে সহায়তা করেছেন। তবে চিকিৎসার জন্য তা যথেষ্ট নয়।পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ইকবাল তাঁর বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। মেধাবী ও বিনয়ী এই তরুণের এমন অবস্থা দেখে কষ্ট হয়। তাঁর চিকিৎসায় সরকারি ও সামর্থ্যবান মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোহরা সুলতানা যূথী বলেন, ইকবালের অসুস্থতার বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তাঁকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় এনে সহযোগিতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।ইকবাল এখন শুধু চিকিৎসা ও মানুষের সহযোগিতা চান। তাঁর পরিবারের আশা, সহায়তা পেলে আবারও নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে নতুন জীবন শুরু করতে পারবেন তিনি।

১৯ আগস্ট ২০২৬
অসুস্থ ক্রিকেটার ইকবালের মানবেতর জীবন

অযত্ন-অবহেলায় টাঙ্গাইলের ঐতিহাসিক ‘ভাসানী হল’

মু. আবিদ মল্লিক জয়:টাঙ্গাইল শহরের একসময়ের সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী ‘ভাসানী হল’ আজ ধুলোবালি, ভাঙাচোরা দেয়াল আর তালাবদ্ধ কক্ষের নিস্তব্ধতায় ঢাকা। দীর্ঘদিনের অযত্ন, অবহেলা, সংস্কারের অভাব ও প্রশাসনিক উদাসীনতায় অর্ধশত বছরের পুরোনো এই মিলনায়তনটি এখন পরিত্যক্ত ভবনে পরিণত হয়েছে। যে প্রাঙ্গণ একসময় নাটক, সংগীত, নৃত্য, কবিতা, বইমেলা এবং রাজনৈতিক-সামাজিক নানা আয়োজনের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর থাকত, সেখানে এখন চেপে বসেছে এক ভীতিকর পরিবেশ। বর্তমানে দিনে হলটির বারান্দায় বসেছে পানের দোকান আর প্রাঙ্গণটি ব্যবহৃত হচ্ছে ট্রাকস্ট্যান্ড হিসেবে। সন্ধ্যা নামলেই পুরো এলাকা চলে যায় অন্ধকার ও অপরাধীদের দখলে; হয়ে ওঠে মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের আড্ডাখানা। এতে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ বাড়ছে।জানাগেছে, টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রায় ৩৫ শতাংশ জমির ওপর প্রথমে ‘টাঙ্গাইল টাউন হল’ নামে এটি নির্মিত হয়েছিল। ১৯৭৬ সালের ১৬ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতির শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আবুল ফজল এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তৎকালীন জেলা প্রশাসক শেখ হাবিবুল্লাহ্-এর অক্লান্ত পরিশ্রমে মাত্র দুই বছরে এটি বাস্তব রূপ লাভ করে। পরে ১৯৭৮ সালের ২ এপ্রিল দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এই মিলনায়তনের উদ্বোধন করেন তৎকালীন ঢাকা বিভাগের কমিশনার খানে আলম খান। পরবর্তীতে টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান সামছুল হকের উদ্যোগে সর্বসম্মতিক্রমে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘ভাসানী হল’। এরপর থেকেই এটি জেলার অন্যতম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পায় এবং অনন্য ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।স্থানীয় প্রবীণ ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মতে, আগে পাড়া-মহল্লায় অসংখ্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ছিল। বিভিন্ন উপলক্ষে তারা নাটকের আয়োজন করত এবং পুরো টাঙ্গাইলের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এই ভাসানী হলকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হতো। প্রায় ১,০০০ আসনবিশিষ্ট এই আধুনিক মিলনায়তনটি একসময় দেশের অন্যতম বৃহৎ ও দৃষ্টিনন্দন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। কয়েক দশক ধরে টাঙ্গাইলের নাটক, সঙ্গীত, আবৃত্তি, বইমেলা এবং রাজনৈতিক সমাবেশের প্রধান ভেন্যু ছিল এটি। প্রতি বছর ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নামকরা থিয়েটার দল এখানে এসে নাট্যোৎসব করত। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই সংগঠনগুলো হারিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত সংস্কারের অভাবে ভবনটি ধীরে ধীরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। অবশেষে প্রায় এক যুগ আগে প্রশাসন এটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। এরপর থেকেই পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় জেলার অন্যতম বড় এই মিলনায়তনের কার্যক্রম।স্থানীয়রা মনে করেন, ভাসানী হল শুধু একটি কংক্রিটের ভবন নয়; এটি টাঙ্গাইলের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। জেলার গৌরবময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ স্মারকটি চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লে প্রায় এক দশক আগে প্রশাসন এটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। ২০১৫ সালেও একবার এটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। বর্তমানে হলের দেয়ালে দেয়ালে বড় ফাটল ধরেছে, ছাদ ও দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে। হলের ভেতরের অধিকাংশ কক্ষ দীর্ঘ বছর ধরে তালাবদ্ধ ও ধুলোবালির স্তূপে পরিণত হয়েছে।টাঙ্গাইলের প্রবীণ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের মতে, ভাসানী হল বন্ধ হওয়ার পর থেকে জেলার বহু সাংস্কৃতিক সংগঠন ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। বড় পরিসরে কোনো অনুষ্ঠান বা নাটক মঞ্চস্থ করার মতো বিকল্প কোনো আধুনিক মিলনায়তন পুরো শহরে আর নেই। ২০১৫ সালে একবার হলটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তার কোনো বাস্তব প্রতিফলন আজ অবধি দেখা যায়নি। দীর্ঘ অবহেলার পর চলতি বছরের ১২ জুন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিস¤পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু হলটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ঐতিহাসিক হলটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত বিভাগকে নির্দেশনা দেন।টাঙ্গাইলের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সুরকার-গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু জানান, ভাসানী হলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। এক হাজার আসন বিশিষ্ট এই মিলনায়তনটিতেই জেলার সব সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক অনুষ্ঠান পরিচালিত হতো। শুধু তাই নয়, এই মিলনায়তনটি ঘিরেই নাট্যচর্চাসহ সংস্কৃতিকর্মীদের নিয়মিত আড্ডা বসত। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এর চত্বরে হতো বইমেলা। ঈদের সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন নাটক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কনসার্টের আয়োজন করতো। এছাড়া এ ভাসানী হলে জেলার অনেক রাজনৈতিক সভা-সমাবেশও অনুষ্ঠিত হতো। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মূলকেন্দ্র ছিল হলটি।তিনি আক্ষেপ করে জানান, আগের মতো বড় বড় অনুষ্ঠান তারা করতে পারেন না। অনুষ্ঠান করতে এখন শিল্পকলা একাডেমিতে যেতে হয়- শিল্পকলা একাডেমির অবস্থান শহরের কেন্দ্রবিন্দুর বাইরে, সেখানে রাতে মানুষ যেতে চায়না।কবি মাহমুদ কামাল জানান, দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত এ হলটিকে পুননির্মাণ কিংবা সংস্কার করার দাবি ছিল। হলটি মওলানা ভাসানীর নামে থাকায় বিগত সরকার সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বর্তমান সরকারের কাছে দাবি, ভাসানী হলটি পুননির্মাণ কিংবা সংস্কার করা হোক।টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান খান জানান, টাঙ্গাইল একটি সাংস্কৃতিক নগরী এবং পুরাতন জেলা। টাঙ্গাইলের সাংস্কৃতিকচর্চার অন্যতম প্রধান জায়গা হচ্ছে ভাসানী হল। সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে গতিশীল রাখার জন্য ভাসানী হল খুবই প্রয়োজন।তিনি আরো জানান, মাদকের ছোবল এবং কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদেরকে ক্রীড়া অঙ্গন এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে মুখরিত রাখতে হবে। তার জন্য একটি ভালো অডিটরিয়াম প্রয়োজন। তিনি দ্রুত ভাসানী হলের পূর্ণাঙ্গ আধুনিকায়নের দাবি করেন।টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপি এবং মৎস্য ও প্রাণিস¤পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, ভাসানী হল টাঙ্গাইলের জন্য অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা। এটি পুননির্মাণের ব্যাপারে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।

১৭ আগস্ট ২০২৬
অযত্ন-অবহেলায় টাঙ্গাইলের ঐতিহাসিক ‘ভাসানী হল’