খবর আর্কাইভ

টাঙ্গাইলে নিহত বাস মালিকদের পরিবারকে অনুদান ও সম্মাননা প্রদান

টাঙ্গাইলে নিহত বাস মালিকদের পরিবারকে অনুদান ও সম্মাননা প্রদান

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে নিহত হওয়া বাস-মিনিবাস মালিকদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার(৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল বাস টার্মিনাল ভবনে জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির উদ্যোগে ১৪ জন নিহতের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান খান শফিকের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, বাস মিনিবাস মালিক সমিতির যুগ্ম-আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম ঝলক, সৈয়দ জাদিদুল হক জাদিদ, সদস্য সচিব নিলুফা ইয়াসমিন খান, সাবেক প্যানেল মেয়র মোমিনুল হক খান নিক্সন, বাস কোচ মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক লাভলু, ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শামসুল আলম প্রমুখ।এসময় প্রয়াত বাস মিনিবাস মালিকদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন বাস মিনিবাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

৬ ঘণ্টা আগে

টাঙ্গাইলে ভাষা কর্মশালা ও পুরষ্কার বিতরণ

টাঙ্গাইলে ভাষা কর্মশালা ও পুরষ্কার বিতরণ

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের প্রকাশনা সংস্থা ছায়ানীড়ের উদ্যোগে ‘ভাষা কর্মশালা ও পুরষ্কার বিতরণ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(৭ আগস্ট) টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- বিশিষ্ট আইনজীবী, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক ব্যারিস্টার গোলাম নবী। টাঙ্গাইলের সরকারি এমএম আলী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আল মামুন জুয়েল, সমাজসেবী জয়িতা লুৎফা আক্তার মিতা, কবি ও সংগঠক বেগম রোকেয়া ইসলাম, শিক্ষক ও লেখক মাসুদা সুলতানা।কর্মশালার মূল আলোচক ছিলেন ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। এসময় টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল এবং নজরুল গবেষক ও আইনজীবী আল রুহী সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাহিত্যপ্রেমী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

৬ ঘণ্টা আগে

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের ২৩লাখ টাকার অনুদান বিতরণ

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের ২৩লাখ টাকার অনুদান বিতরণ

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের উদ্যোগে অসহায়, দুস্থ, গরিব মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চিকিৎসাসেবাপ্রার্থীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার উপকারভোগীদের হাতে ২৩ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জেলা পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং অনুদানপ্রাপ্ত সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী এবং অর্থাভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ সবসময় বদ্ধপরিকর। এই আর্থিক সহায়তা অসহায় পরিবারগুলোর সংকট কিছুটা হলেও লাঘব করবে। আগামিতেও এ ধরনের মানবিক ও কল্যাণমুখী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

০৬ আগস্ট ২০২৬

মহিষমারা কলেজে খুন্তি-কোদালে তরুণদের নতুন বিপ্লব!

মহিষমারা কলেজে খুন্তি-কোদালে তরুণদের নতুন বিপ্লব!

মু. আবিদ মল্লিক জয়:বর্তমান প্রজন্মে বিভিন্ন বয়সী ছেলে-মেয়ে ও শিক্ষার্থীদের মাঝে অতিরিক্ত ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার এবং স্ক্রিন টাইমের ফলে মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে অনলাইন ক্লাসের পর থেকেই নতুন প্রজন্মের একটি বড় অংশ চরম মোবাইল আসক্তিতে পড়েছে। সারা দেশের শিক্ষার্থীরা যখন এমন ডিজিটাল ডিভাইসের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে, ঠিক তখনই এর সম্পূর্ণ বিপরীত ও ব্যতিক্রমী এক চিত্র দেখা গেছে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা কলেজে। সেখানকার শিক্ষার্থীরা মোবাইল ছেড়ে হাতে তুলে নিয়েছে খুন্তি, কোদাল, কাস্তেসহ বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি। তারা ফসলি মাঠে নেমে হাতে-কলমে শিখছে বীজ থেকে চারা উৎপাদনের নানা কৌশল।খোঁজ নিয়ে জানা যায়- ব্যতিক্রমী এই জীবনমুখী শিক্ষা কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে মধুপুর উপজেলার প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার মহিষমারা গ্রামে। ২০১৩ সালে গ্রামেরই এক আদর্শ কৃষক ছানোয়ার হোসেন বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ১৩৫ শতাংশ জমির ওপর এই ‘মহিষমারা কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করেন। টাঙ্গাইল শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং মধুপুর উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এই মহিষমারা গ্রাম। অঞ্চলটি মূলত কৃষিনির্ভর এবং মধুপুরের বিখ্যাত আনারস চাষের অন্যতম প্রধান এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানকার বেশির ভাগ মানুষই দরিদ্র কৃষক। অর্থাভাব ও দূরত্বের কারণে স্কুল শেষ করার পর অনেক অভিভাবকই তাদের সন্তানদের কলেজে পড়ালেখার খরচ চালাতে পারতেন না। এলাকার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলো ছড়াতে এবং উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মোচন করতেই কৃষক ছানোয়ার হোসেন এই কলেজটি গড়ে তোলেন। বর্তমানে এই কলেজে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। ডিজিটাল আসক্তি কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঠপর্যায়ে উৎপাদনমুখী ও বাস্তবমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করার এই উদ্যোগটি এখন সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই কার্যক্রম একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা করছে, অন্যদিকে তেমনি দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে তুলছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, টাঙ্গাইলের মধুপর উপজেলা সদর থেকেই পাকা সড়ক। অজপাড়াগাঁ পেড়িয়ে সোজা গারো বাজার। যাওয়ার পথে বিল সবুজ ধান ক্ষেতের অবারিত দিগন্ত। যেন চোখ জুড়ানো। গারো বাজারের পাশের বৃহত্তর গ্রামটির নাম মহিষমারা। মহিষমারা গ্রামের শুরুতেই কলেজটির অবস্থান। কলেজে প্রবেশ করে দেখা যায়, দুটি শ্রেণিতে ক্লাস চলছে। আর উৎপাদনমুখী শিক্ষা কর্ণারে অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থী কাজ করছেন।কলেজটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছানোয়ার হোসেন তাদের সবজি বীজ বোনার আগে মাটি তৈরি ব্যবস্থাপনা শেখাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা তার নির্দেশনাতে মাটি তৈরির কাজ করছেন।জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রাপ্ত আদর্শ কৃষক ছানোয়ার হোসেন জানান, ১৯৯২ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর তিনি সিলেটের একটি স্কুলে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন। সেখানে প্রায় সাড়ে ৩ বছর চাকরি করে ফিরে আসেন গ্রামে। গ্রামের স্কুলে দুই বছর প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু কৃষির আকর্ষণে তিনি সেই চাকরিও ছেড়ে দেন। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আনারস, কলা, হলুদ, ভুট্টা, মাল্টা, ড্রাগন, পেয়ারা, কফিসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে সফল হয়েছেন।তিনি জানান, তার গ্রাম মহিষমারা এলাকার ২০ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো কলেজ নেই। দরিদ্র কৃষক পরিবার তাদের সন্তানদের দূরে ছাত্রাবাসে রেখে পড়াতে পারে না। তাই সিদ্ধান্ত নেন, নিজ এলাকায় একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করবেন।আদর্শ কৃষক ছানোয়ার হোসেন জানান, তার বাবার ৯৫ শতাংশ জমি আর তার নিজের ৪০ শতাংশ মিলে ১৩৫ শতাংশের উপর ২০১৩ সালে মহিষমারা কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিগত ২০২২ সালে কলেজটি এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে এই কলেজে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য ১৮ জন শিক্ষক রয়েছেন। সরকারের শিক্ষা বিভাগ থেকে একটি পাকা ভবনও এই কলেজে নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।কলেজের শিক্ষক ও এলাকাবাসী জানায়, ২০১৮ সালে কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য উৎপাদনমুখী শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। এ জন্য কলেজের পূর্ব দিকে ৪০ শতাংশ জায়গায় একটি কর্ণার গড়ে তোলা হয়। শিক্ষার্থীদের ছানোয়ার হোসেন পড়াশোনার ফাঁকে হাতে-কলমে বিষমুক্ত নিরাপদ ফসল উৎপাদন শেখান। সেখানে বিভিন্ন মৌসুমের সবজি, ফল, মসলার চারা তৈরিও শেখানো হয়। এখানে চাষবাস শিখে শিক্ষার্থীরা তাদের বাড়িতেও সবজি বাগান করতে পারেন।কলেজের শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা কলেজের এই শিক্ষা কাজে লাগিয়ে কীটনাশকমুক্ত সবজি আবাদ শিখেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে তারা বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের সবজির আবাদ করছেন। এ কারণে তাদের পিতা-মাতা অনেক খুশি হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন বড় হয়ে কৃষি অফিসার হবে।কলেজের প্রভাষক শহিদুল ইসলাম জানান, কলেজের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে কৃষিতে উৎপাদনমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। কলেজে ক্লাসের বিরতিতে এবং ছুটির পর বিভিন্ন গ্রুপ করে শিক্ষার্থীদের কৃষিকাজে সম্পৃক্ত করা হয়। শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে এ কাজে অংশ নেয়।মহিষমারা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক হানান, কলেজের শিক্ষকরা অনেক পরিশ্রমী। পড়াশোনার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনমুখী শিক্ষা শিক্ষার্থীদের একদিকে মোবাইল ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক থেকে যেমন রেহাই পাচ্ছে। অন্যদিকে বাড়িতেও মা-বাবাকে কৃষি কাজে সহযোগিতা করার মনোভাব সৃষ্টি তৈরি হচ্ছে।কলেজের সভাপতি ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষকদের আন্তরিকতার ফলেই প্রান্তিক পর্যায়ের একটি কলেজ এত অল্প সময়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন শেষ করলেই যে চাকরি পাবে এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই এসব শিক্ষার্থীরা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনমুখী শিক্ষার প্রশিক্ষণ নিতে পারে তাহলে কৃষিনির্ভর এ দেশে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।

০৬ আগস্ট ২০২৬

বিবি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

বিবি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী:‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে টাঙ্গাইলের স্বনামধন্য বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। বুধবার(৫ আগস্ট) প্রতিষ্ঠানের মিলনায়তন কক্ষে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র শিক্ষক এসএম আনোয়ার সাদত, সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমান প্রমুখ।এসময় প্রভাতী শিফট ইনচার্জ অনামিকা ভদ্র, দিবা শিফট ইনচার্জ জাহানারা তরফদার, সিনিয়র শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, আরিফুর রহমান প্রমুখ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন, সিনিয়র শিক্ষক মো. ছামছুল হক সাগর।অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভার আগে ছাত্রীদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

০৫ আগস্ট ২০২৬

বাসাইলের সুন্না আব্বাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন

বাসাইলের সুন্না আব্বাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন

বাসাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের বাসাইলের সুন্না আব্বাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। বুধবার(৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সুন্না আব্বাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রচনা-আবৃতি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে দিবসের আলোচনায় অংশ নেন, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক বেলায়েত হোসেন, সহকারী শিক্ষক আলেকজান্ডার আজাদ মিয়া, আলমগীর হোসেন, মিনহাজ উদ্দিন, লিটন মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, নার্গিস আক্তার প্রমুখ।বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের তাৎপর্য শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরেন। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র- ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

০৫ আগস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

টাঙ্গাইলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। বুধবার(৫ আগস্ট) দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল- জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদদের স্মরণে নিরবতা পালন, হেলিপ্যাডে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ অর্পণ, র‌্যালি, আলোচনা সভা, জুলাই শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, মোনাজাত ইত্যাদি। এদিন সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরে জেলা সদরের হেলিপ্যাডে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ অর্পণ, জুলাই শহীদদের স্মরণে নিরবতা পালন ও মোনাজাত শেষে র‌্যালি নিয়ে শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ প্রতি মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ। এছাড়া আলোচনা সভায় প্রায় ৩৫জন জুলাইযোদ্ধা বক্তব্য রাখেন।ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ, বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মোনাজাত ও শিক্ষার্থীদের হলসমূহে বিশেষ খাবারের আয়োজন ইত্যাদি।কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য(প্রো-ভিসি) অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

০৫ আগস্ট ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা ও আর্থিক অনুদান বেড়েছে

মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা ও আর্থিক অনুদান বেড়েছে

দৃষ্টি নিউজ:বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক সম্মানি ভাতা ও বিভিন্ন আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের মাসিক সম্মানি ভাতা, উৎসব ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, মহান বিজয় দিবস এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে প্রদেয় বিশেষ অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এ সুবিধা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সুরক্ষা, সামাজিক মর্যাদা ও কল্যাণ আরও জোরদার করতেই সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।নতুন হার অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ৩০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা পাবেন। এছাড়া তারা উৎসব ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে ২ হাজার টাকা পাবেন। এছাড়া শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্যও মাসিক ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক অনুদানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

০৪ আগস্ট ২০২৬

ঘাটাইলে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

ঘাটাইলে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

ঘাটাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘাটাইলের ক্যান্টনমেন্ট মোড় এলাকায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক মজনু মিয়া নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত মজনু মিয়া জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার কয়ড়া পাটাদহ গ্রামের জহুরুল আকন্দের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা মালঞ্চ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মঙ্গলবার সকালে ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট মোড় এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় পিকআপভ্যানটি দুমরে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক মজনু মিয়ার মৃত্যু হয়।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এলাহী জানান, দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত মালঞ্চ পরিবহনের বাসটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৪ আগস্ট ২০২৬

যমুনা সেতু এলাকায় ৫৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে

যমুনা সেতু এলাকায় ৫৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে

দৃষ্টি নিউজ:যমুনা সেতু এলাকায় ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ১২০ একর জমি দীর্ঘমেয়াদে ইজারা দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ১১৭তম বোর্ড সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বোর্ড চেয়ারম্যান শেখ রবিউল আলম। বোর্ড সদস্যরা সশরীরে এবং ভার্চ্যুয়ালি সভায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রস্তাবের ওপর মতামত দেন।বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যমুনা সেতু সাইটে নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডকে (এনডব্লিউপিজিসিএল) ১২০ একর জমি ইজারা দেওয়া হবে। সেখানে ৫৫ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়বে এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।সভার শুরুতে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে বোর্ডের আলোচ্যসূচি এবং পূর্ববর্তী সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরেন। পরে বোর্ড সদস্যরা বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।সভায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন বিভিন্ন স্থাপনায় পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সেতু কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন অবকাঠামোয় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার আরও সম্প্রসারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।এ ছাড়া ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন আরও কার্যকর করতে পুনর্বাসন ভিলেজে ফ্ল্যাট বরাদ্দের বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উত্তরার দিয়াবাড়িতে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল পরিচালনা-সংক্রান্ত চুক্তি পুনর্বহাল এবং সেতু নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও গবেষণায় দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে সেন্টার ফর ব্রিজ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (সিবিআরটি) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।সভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণমূলক সুবিধা আরও যুগোপযোগী করতে ‘বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ কর্মকর্তা ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট বিধিমালা, ২০১০’-এ ‘বার্ষিক বৃত্তি প্রদান’-এর পরিবর্তে ‘বার্ষিক শিক্ষা অনুদান সহায়তা’ শব্দটি প্রতিস্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়।সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন, সবুজ জ্বালানির প্রসার এবং পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি সময়ের দাবি এবং এ ধরনের প্রকল্প সেই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।মন্ত্রী বোর্ডের গৃহীত সব সিদ্ধান্ত দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষকে আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।সংশ্লিষ্টদের মতে, যমুনা সেতু এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতে অব্যবহৃত সরকারি জমির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

০৪ আগস্ট ২০২৬

গোপালপুরকে ০-১ গোলে হারিয়ে টাঙ্গাইল সদর চ্যাম্পিয়ন

গোপালপুরকে ০-১ গোলে হারিয়ে টাঙ্গাইল সদর চ্যাম্পিয়ন

দৃষ্টি স্পোর্টস:বালির বাঁধ ভেঙ্গে সমুদ্রের ঢেউ যখন উপচে পড়ে, তখন বালির বাঁধটি হারিয়ে যায়। ঠিক তেমনি টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে দর্শকের ঢল কিন্তু কাঁটাতারের বেড়া রক্ষা করতে পারেনি। ফুটবলের ভালোবাসায় ৩৫ হাজার দর্শকের ঢল সরাসরি মাঠের পাশে। গ্রাম্য অঞ্চলে যেমন কর্ণার ফ্লাগের কাছে দর্শক বসে খেলা দেখে, এখানে তার থেকে ব্যতিক্রম। মাঠের চর্তুপাশে দর্শকের ঠাসা একটি স্টেডিয়াম। সেই দশর্কের জোয়ারে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার অধিনায়ক সুমন রেজার একমাত্র গোলে গোপালপুর উপজেলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ১ আগষ্ট (শনিবার) বিকেলে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় তিল ধারনের জায়গা ছিলনা, কিছু দর্শক খেলা দেখতে না পেরে মাঠে শুধু হাঁটছে, দর্শকের ভিড়ের কোন ফাঁকে যদি একটু খেলা দেখা যায়।খেলা শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দর্শকের উপস্থিতি খুবই উৎফুল্ল ছিলেন। তিনি স্টেডিয়ামের দক্ষিণের গ্যালারি সংস্কারের পাশাপাশি নিকটের পুকুরটি সুইমিং পুল তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়ামে তৈরির পাশাপাশি টাঙ্গাইলে জিমনেসিয়াম খেলাধূলার জন্য মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন।জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপর) আসনের এমপি আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) আসনের এমপি লুৎফর রহমান মতিন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।মাঠের লাইন ঘেঁষে দর্শক বসে খেলা দেখলেও মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল খেলাই হয়েছে। দুটি দলই শুরুতে একটু অগোছালো খেললেও ধীরে ধীরে তারা স্বাভাবিক খেলায় ফিরে আসে। দুটি দলই নিজ দলের রক্ষণ সামলে কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করার চেষ্টা করেছেন। যে কারণে প্রথমার্থে গোল করার মতো কোন আক্রমনই হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড় মোরসালিন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, সুমন রেজা ও সৌরভ দেওয়ান গোছানো ফুটবল খেলে গোল করার চেষ্টা করতে থাকে। খেলার ৫৮ মিনিটে গোপালপুরের ডি-বক্সের বাইরে থেকে সুমন রেজা গোলবারমুখী শট একজন ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন হয়ে গোপালপুরের জালে জড়ায়(১-০) ।খেলায় পিছিয়ে পড়ে গোপালপুরের রবিউল, মামুন, সিবি কয়েকবার গোল পরিশোধের চেষ্টা করেন। বিশেষ করে প্রায় ৩২ গজ দূর থেকে সদরের গোলবারমুখী স্যামুয়েলের দূরন্ত শট টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক মজনু ফিস্ট করে কর্ণারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতা সদরের সুমন রেজা, ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় গোপালপুরের মারুফ। খেলায় ধারাভাষ্য প্রদান করেন, আব্দুল আলিম ও অনীক রহমান বুলবুল।টাঙ্গাইল সদর উপজেলা দলে ছিলেন- মজনু(গোলরক্ষক), বাম্বা(নাইজেরিয়া), মেহেদী হাসান মিঠু(আবাহনী), মুন্না, রেজাউল, অনিক, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম(মোহামেডান), শেখ মোরসালিন(আবাহনী), সৌরভ দেওয়ান, সুমন রেজা(অধিনায়ক), সুলেমান কান্তে(নাইজেরিয়ান)।গোপালপুর উপজেলা দলে ছিলেন- সুমন, তপু, হৃদয়, ইউসুফ, স্যামুয়েল(নাইজেরিয়া), সিবি(নাইজেরিয়া), রবিউল, ফিরোজ, মামুন, মিশু ও মারুফ ।টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার মাঠে রেফারীরর দায়িত্ব পালন করেন, সায়মন।

০৪ আগস্ট ২০২৬

গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

লাবনী সিদ্দিকী, ঢাকা: সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযোজন ও সচল রাখা শনিবার (১ আগস্ট) থেকে বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। জিপিএস সংযুক্ত না থাকলে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন দেওয়া কিংবা ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়ন করা হবে না। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ১১ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়নের সময় জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ডিভাইস সচল থাকার তথ্য বিআরটিএ কার্যালয়ে প্রদর্শন করতে হবে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় এবং সংস্থাটির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

০১ আগস্ট ২০২৬