শিল্প ও সাহিত্য

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও দুই সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও দুই সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

ভূঞাপুর প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ডিজিটাল প্রতারকের অপকর্মের ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(১৪ অক্টোবর) ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের সামনে ভূঞাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির ব্যানারে ওই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা সাংবাদিক হাদি চকদার ও আরিফুজ্জামান তপুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং ওই ডিজিটাল প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের অনিয়ম ও অপরাধের চিত্র তুলে ধরেন। একজন চিহ্নিত প্রতারকের অপকর্মের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করার শামিল। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অনতিবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।মানববন্ধন চলাকালে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভূঞাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি ও দেশের কণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি খায়রুল খন্দকার, সদস্য ও বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি শিপন মিয়া, ঘাটাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন প্রমুখ।সংহতি প্রকাশ করে ওই মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন, বৈশাখী টেলিভিশনের রাজু আহমেদ, সাংবাদিক মাসুদুল হক মাসুদ, আবদুল্লাহ সহ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা।বক্তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে মূল অপরাধী চক্রকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসন যদি অতি দ্রুত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা সাজানো মামলা প্রত্যাহার না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

১৯ ঘণ্টা আগে

ফ্যামিলি কার্ডের অনিয়মে কোনো ছাড় নয় : প্রতিমন্ত্রী টুকু

ফ্যামিলি কার্ডের অনিয়মে কোনো ছাড় নয় : প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৃষ্টি রিপোর্ট:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড পর্যায়ক্রমে সবাই পাবেন। এ কার্ড বিতরণে কেউ কোনো অনিয়ম করার চেষ্টা করলে তা আমাদেরকে জানাবেন। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিত করা হবে। কাজেই কাউকে দৌঁড়াদৌঁড়ি বা তদবির করার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।তিনি বলেন, আমরা বিএনপি যখন যা বলি, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করি। নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, ফ্যামিলি কার্ড দেব। আজকে সেটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হলো। কৃষক কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলাম, টাঙ্গাইল থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটির উদ্বোধন করেছেন। ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে। মন্দিরের পুরোহিতদের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাত মাসে এই সরকার নির্বাচনী ওয়াদা পূরণ করে যাচ্ছে।নির্বাচনের আগে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনের আগে অনেকে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কেউ কেউ বেহেশতের টিকিট পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। এ ব্যাপারেও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা কাউকে মিথ্যা আশ্বাস দিই না। টাঙ্গাইলের উন্নয়নে আমি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখা হবে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বিক সহযোগিতা করবে প্রশাসন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শহীদুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আদিবুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হক সানু, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী ও শফিকুর রহমান খান শফিক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া।পরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া চালের ডিও বিতরণ করা হয়। এছাড়া টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের পূজামণ্ডপের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে দেওয়া আর্থিক অনুদান বিতরণ কার্যক্রমেও প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।এ সময় জেলা ও উপজেলা বিএনপি সহ এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২০ ঘণ্টা আগে

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কোনো তত্ত্ব নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি: প্রতিমন্ত্রী টুকু

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কোনো তত্ত্ব নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি: প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৃষ্টি নিউজ: ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কোনো তত্ত্বে বিএনপি বিশ্বাস করে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ এই ভূখণ্ডে বসবাসকারী সবার একটাই পরিচয়- আমরা বাংলাদেশি। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের আব্দুল ওয়াছেক মিলনায়তনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আয়োজিত বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এ সভায় সরকার বরাদ্দকৃত চাল ও ঢাকা জেলা পরিষদ বরাদ্দকৃত নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘আমরা পূজাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছি। বিগত দিনগুলোতে বিএনপির পক্ষ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রতিটি জায়গায় পাশে থেকে সহযোগিতা করেছি। এবারও দলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। ইতোমধ্যে প্রতিটি পূজামণ্ডপভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।’আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের গাফিলতি করা যাবে না। প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদেরও সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল, দেশের মানুষকে নির্যাতন করেছে, গুলি চালিয়েছে, তাদের বাংলাদেশের জনগণই বিদায় করেছে। তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। তারা আরও ভয়ংকর রূপ ধারণ করার কথা বলছে।’তিনি আরও বলেন, ‘এই দেশের মানুষ কখনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করেনি, অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। তারা আবার আসতে চাইলে বাংলাদেশের জনগণই তার জবাব দেবে। আগে নিজেদের পরিশুদ্ধ হতে হবে। কেউ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চাইলে কিংবা ষড়যন্ত্র করলে তা বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করবে না। ষড়যন্ত্র করতে পারবে, কিন্তু সফল হতে পারবে না। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ ষড়যন্ত্র করে সফল হতে পারবে না।’মাদক নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে মাদক গ্রহণ বা মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে অন্যতম বড় সমস্যা মাদক। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। পূজার সময় স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নিতে হবে।ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক-দক্ষিণ) মো. তরিকুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখে, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ অক্টোবর ২০২৬

ভূঞাপুরে সাংবাদিকদের ফাঁসাতে প্রতারক চক্রের মিথ্যা মামলা

ভূঞাপুরে সাংবাদিকদের ফাঁসাতে প্রতারক চক্রের মিথ্যা মামলা

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখ বন্ধ করতে ও নিজেদের আন্তর্জাতিক ডিজিটাল স্ক্যামিংয়ের তথ্য ধামাচাপা দিতে মোটা অঙ্কের উৎকোচ দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে একটি প্রতারক চক্র। তবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মঙ্গলবার(১৩ অক্টোবর) মামলার আসামি চ্যানেল এস-এর সাংবাদিক হাদি চকদার এবং কালের কণ্ঠের ডিজিটালের ভূঞাপুর প্রতিনিধি আরিফুজ্জামান তপু আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।সরেজমিনে জানাগেছে, মামলার এজাহারে বাদী পক্ষ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এনেছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও সাজানো। ভূঞাপুর থানায় দায়েরকৃত মামলার(নং-৯, তাং-১০/১০/২৬ইং. ধারা-১৪৩/৩৪২/৩৬৫/৩৮৪/৩৮৬/৩৮৯/ ৩৪ পেনাল কোড) বিবরণ অনুযায়ী, ০১৬২০৯৩৬৩৪৩ নম্বরযুক্ত নগদ অ্যাকাউন্ট এবং ২৩৮১৫৭০৫৬৯৪৬৬ নম্বরযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, অনুসন্ধানে দেখা গেছে তার সাথে সাংবাদিক হাদি চকদার বা আরিফুজ্জামান তপুর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।এদিকে, মামলা দায়েরের পর সাংবাদিকরা আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দণ্ডবিধির যেসব ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে, তা নিম্ন আদালতে জামিনযোগ্য না হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আসামিদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।এলাকায় সরেজমিনে অনুসন্ধানে মামলার বাদী মাহিনের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, মাহিন এখনো একজন ছাত্র হলেও তার আয়ের মূল উৎস এই ডিজিটাল প্রতারণা ও স্ক্যামিং। তার বাবা সরকারি চাকরি করেন এবং বাবার সেই চাকরির লেবাস ও পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সে দীর্ঘদিন ধরে এই অপরাধজগৎ চালনা করছে। কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও মাহিন সবসময় অত্যন্ত দামি স্মার্টফোন এবং বিলাসবহুল মোটরসাইকেল নিয়ে দাপিয়ে বেড়ায়- যা তার এই অবৈধ স্ক্যামিংয়ের টাকায় উপার্জিত।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিকরা ডিজিটাল প্রতারণার প্রমাণস্বরূপ ভিডিও ধারণ করায় ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে মরিয়া হয়ে ওঠে মাহিন, নিজাম ও শাকিল মিয়ার এই চক্রটি। নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে এবং সাংবাদিকদের ওপর প্রতিশোধ নিতে তারা মোটা অঙ্কের উৎকোচ বা আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে ভূঞাপুর থানায় এই মিথ্যা মামলাটি রেকর্ড করায়।আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিক হাদি চকদার ও আরিফুজ্জামান তপু দৃঢ়তার সাথে বলেন, বাদী মাহিন ও তার চক্রটি নিজেদের পর্নোগ্রাফি ও আন্তর্জাতিক স্ক্যামিংয়ের অপকর্ম ঢাকতে আমাদের বিরুদ্ধে এই সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমেই আদালতে এই মিথ্যা মামলা সম্পূর্ণ ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণ করব, ইনশাআল্লাহ।ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে মামলাটি রুজু করা হয়েছিল। তবে মামলায় উল্লেখিত নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দুটির প্রকৃত মালিক কারা এবং সাংবাদিকরা এই লেনদেনের সাথে জড়িত কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে মামলাটি তদন্ত করছে। তদন্তে যদি বাদীর আনা অভিযোগ অসত্য প্রমাণিত হয় বা কোনো ভুয়া তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকে, তবে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

১৩ অক্টোবর ২০২৬

তুলির শেষ আঁচড়ে মূর্ত হচ্ছেন দেবী দুর্গা

তুলির শেষ আঁচড়ে মূর্ত হচ্ছেন দেবী দুর্গা

মু. আবিদ মল্লিক জয়: শরতের শেষ ভাগে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার ডামাডোল শুরু হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার ১৩৫৭টি মণ্ডপে দেবী দুর্গার অনিন্দ্য সুন্দর রূপ ফুটিয়ে তুলতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিমা শিল্পীরা চরম ব্যস্ত সময় পার করছে। রঙ-তুলির শেষ আঁচড়ে প্রতিমার প্রাণ প্রতিষ্ঠায় মগ্ন মৃৎশিল্পীরা, তাদের যাদুকরী হাতের ছোঁয়ায় মাটির ক্যানভাসে জীবন্ত হয়ে উঠছেন দেবী দুর্গা।জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের তথ্য অনুযায়ী, এবার জেলাজুড়ে রেকর্ডসংখ্যক মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের সনাতনীদের ঘরে ঘরে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। জেলায় এ বছর মোট ১৩৫৭টি পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৭০টি মণ্ডপ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে মির্জাপুর এবং সর্বনিম্ন ৩৪টি মণ্ডপ রয়েছে ভূঞাপুরে। মণ্ডপগুলো হচ্ছে- মির্জাপুর উপজেলায় ২৭০টি, টাঙ্গাইল সদরে ২৩৩টি, কালিহাতীতে ১৮২, নাগরপুরে ১৩৮, দেলদুয়ারে ১২৮, ঘাটাইলে ৯৪, বাসাইলে ৮১, মধুপুরে ৬০, গোপালপুরে ৫৭, সখীপুরে ৪৪, ধনবাড়ীতে ৩৬টি এবং ভূঞাপুর উপজেলায় ৩৪টি।সরেজমিনে টাঙ্গাইল শহরের শ্রী শ্রী কালিবাড়ি, আদালত পাড়া, থানাপাড়া, সাবালিয়া, রেজিস্ট্রিপাড়া, কলেজপাড়া ও প্যারাডাইস পাড়ায় পূজা মন্দির পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। প্রতিমা তৈরির কারিগররা বাঁশ ও কাঠের কাঠামোর ওপর খড় ও মাটির প্রলেপ দিয়ে দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, কার্তিক ও গণেশের অবয়ব ফুটিয়ে তুলেছেন। মণ্ডপগুলোতে এখন চলছে রঙ-তুলির শেষ আঁচড়। শিল্পীরা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দেবীর চোখ, মুখমণ্ডল, পোশাক ও বিভিন্ন অলংকারের নকশা ফুটিয়ে তুলতে দিনরাত অবিরাম শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন।সনাতন ধর্মমতে, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর ঘট স্থাপনের মধ্যদিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এর আগে ১৫ অক্টোবর মহাপঞ্চমী এবং ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজা, ১৭-১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর মহাঅষ্টমী অনুষ্ঠিত হবে। ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটবে। সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, এ বছর দুর্গাদেবী ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আগমন করবেন এবং নৌকায় চড়ে কৈলাশে ফিরে যাবেন।প্রতিমা তৈরির কারিগর নিশি কান্ত পাল জানান, প্রতিবছরই এ সময়টাতে তারা অধীর আগ্রহে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরির কাজের অপেক্ষায় থাকেন। এরমধ্যেই দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ। এখন রঙের শেষ আঁচড় দেওয়া হচ্ছে।তিনি জানান, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির কারণে এখন প্রতিমা তৈরিতে লাভ অনেকটা কমে গেছে। এ বছর তিনি পাঁচটি প্রতিমার কাজ করছেন। টাঙ্গাইল শহরের বড় কালীবাড়ি ও রেজিস্ট্রি পাড়া, সিরাজগঞ্জ, নোয়াখালী ও ফরিদপুরে আলফাডাঙ্গায় প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন। ছোট-বড় প্রতিমা তৈরিতে কাজ ভেদে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরি নেন তিনি।এদিকে, জেলার মির্জাপুর উপজেলার কুমুদিনী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা এশিয়াখ্যাত দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজা মণ্ডপটি উপজেলার সর্ববৃহৎ মণ্ডপ। এ মণ্ডপে দেশ-বিদেশের ভিআইপিদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে। এ মণ্ডপের প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন, মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নৌহাটা গ্রামের চন্দ্র পালের ছেলে অচিন্ত পাল।মৃৎশিল্পী অচিন্ত পাল জানান, তিনি মির্জাপুর সাহাপাড়া ও মধ্যপাড়া সার্বজনীন মণ্ডপে প্রতিমা তৈরি করছেন। এতে তিনি এক লাখ টাকা পারিশ্রমিক নেবেন। এছাড়া তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইলের লোকনাথ মন্দির, ঝিনাইদহ শহরে ৩টি, মাগুরা ও ফরিদপুর শহরে ২টি মণ্ডপের প্রতিমা তৈরি করেছেন।দুর্গোৎসবকে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি থাকবে। পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের পাশাপাশি মণ্ডপগুলোতে নিয়োজিত থাকবে পূজা কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ও বড় মণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও প্রশাসনের কড়া নজরদারিতে এবার একটি উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অমল ব্যানার্জি জানান, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে তাদের সব প্রস্তুতি শেষের দিকে। আসন্ন দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশের সাথে পূজা উদযাপন কমিটির একাধিক মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।তিনি জানান, পুলিশ প্রশাসন, আনসার সদস্যের পাশাপাশি প্রতিটি পূজা মণ্ডপে তাদের সেচ্ছাসেবক কর্মীরাও দায়িত্ব পালন করবে। প্রতি বছরের মতো এবারও সকলের অংশগ্রহণে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সনাতনীদের নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ প্রশাসনের নিয়মিত বৈঠক হচ্ছে। দুর্গাপূজাকে ঘিরে জেলায় গোয়েন্দা তৎপরতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১৩ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে আসিফ হত্যার ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

টাঙ্গাইলে আসিফ হত্যার ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের মেধাবী শিক্ষার্থী আসিফ হত্যার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে পরিবারের সদস্য এবং কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে এ সংক্রান্ত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ আগস্ট আসিফ নিখোঁজ হওয়ার পরদিন ১৫ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের গড়াইল আন্ডারপাসের পাশে তার মরদেহ পাওয়া যায়।তার বাবা, মা, বোন ও কলেজের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন থেকে আসিফের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইন অনুযায়ী শনাক্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

১২ অক্টোবর ২০২৬

বরেণ্য নাট্যকার মামুনুর রশীদের টাঙ্গাইলের বাড়িতে চুরি

বরেণ্য নাট্যকার মামুনুর রশীদের টাঙ্গাইলের বাড়িতে চুরি

দৃষ্টি রিপোর্ট:দেশবরেণ্য নাট্যকার মামুনুর রশীদের টাঙ্গাইল শহরের ময়মনসিংহ সড়কে পলাশতলী এলাকার পৈতৃক বাড়িতে বারান্দার গ্রিলের তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় আলমারি ও ওয়্যারড্রোবের জিনিসপত্র তছনছ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকালে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মামুনুর রশীদের বোন আফিয়া খান। গত ১০ অক্টোবর (শনিবার) সকাল থেকে বিকালের মধ্যে কোনো এক সময় শহরের ময়মনসিংহ সড়কের পলাশতলী এলাকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ওই বাড়িতে মামুনুর রশীদের বোন আফিয়া খান (রোজি) বসবাস করেন। ঘটনার দিন তিনি ঢাকায় ছিলেন।অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, কয়েক দিন আগে ঢাকায় যাওয়ার সময় আফিয়া খান তার পূর্বপরিচিত শফিকুর রহমানকে বাড়িটি দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়ে যান। শনিবার সকাল ৯টার দিকে শফিকুর বাড়িটি তালা দিয়ে বাইরে যান। তখন বাড়ির সব জিনিসপত্র ঠিকঠাক ছিল। পরে ওইদিন বিকাল পাঁচটার দিকে বাড়িতে ফিরে শফিকুর দেখেন, বারান্দার গ্রিলের তালা ভাঙা। তিনি কক্ষের ভেতরে ঢুকে মেঝেতে বিভিন্ন জিনিসপত্র ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনটি স্টিলের আলমারি ভাঙা এবং কাঠের একটি ওয়্যারড্রোব খোলা দেখতে পান। আলমারিগুলোতে ৯ ভাই-বোনের মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল। তবে তিনি ঢাকায় থাকায় এবং ভাই-বোনেরা সবাই উপস্থিত না থাকায় কী চুরি হয়েছে- তা এখনই বলা যাচ্ছে না।আফিয়া খান জাানান, এটা কি নিছক চুরি নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।নাট্যকার মামুনুর রশীদ জানান, টাঙ্গাইল শহরের পৈতৃক বাড়ির তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে আলমারির জিনিসপত্র তছনছ করা হয়েছে- এ খবরটি তিনি ভাই-বোনদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন।প্রকাশ, বরেণ্য নাট্যকার ও অভিনেতা মামনুর রশীদের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের ভবনদত্ত।

১২ অক্টোবর ২০২৬

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিগরি সেমিনার অনুষ্ঠিত

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিগরি সেমিনার অনুষ্ঠিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কম্পিউটারের সাহায্যে নকশা প্রণয়ন ও সিমুলেশন : প্রয়োজনীয় দক্ষতা, পেশাগত সুযোগ ও শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা’ (CAD Modeling and Simulation : Skills, Careers and Industry Perspective) শীর্ষক কারিগরি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল ও অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য(প্রো-ভিসি) অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। যন্ত্রকৌশল ও অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. ইকবাল মাহমুদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে রিসোর্স পারসন হিসেবে আলোচনা করেন, GaleoLab- এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিএফডি ও এফইএ সিমুলেশন ইঞ্জিনিয়ার মো. রাকিবুল ইসলাম।আলোচনায় অংশ নেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম, এফটিএনএস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল হক, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির মোল্ড ও ডাই উৎপাদন বিভাগের জুনিয়র এক্সিকিউটিভ প্রকৌশলী আলাউদ্দিন, শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন, তানভীর আহমেদ আবির। সঞ্চালনায় ছিলেন, ওই বিভাগের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান মারুফ।বক্তারা বলেন, ‘সিএডি মডেলিং ও সিমুলেশন প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবেন।’ এ ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন, প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ এবং কর্মক্ষেত্রের উপযোগী জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

১১ অক্টোবর ২০২৬

‘রাজনীতি মানেই নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জনকল্যাণ করা’

‘রাজনীতি মানেই নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জনকল্যাণ করা’

দৃষ্টি রিপোর্ট:মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং তাঁর সহধর্মিণী বেগম আলেমা খাতুন ভাসানীর কর্মময় জীবন ও সুমহান আদর্শ নতুন বাংলাদেশ গঠনে যুগান্তকারী প্রেরণা জোগাবে বলে মন্তব্য করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।শনিবার (১০ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের সন্তোষ দরবার হলে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বেগম আলেমা খাতুন ভাসানীর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্মরণসভার আগে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সন্তোষে মওলানা ভাসানী ও বেগম আলেমা খাতুনের মাজার জিয়ারত এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, ‘আমরা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে একটি নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। এই লক্ষ্য অর্জনে মওলানা ভাসানীর আজীবন সংগ্রাম ও জনকল্যাণমুখী জীবন আমাদের পথ দেখাবে।’বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে মওলানা ভাসানী ও আলেমা খাতুন ভাসানীর স্মৃতিবিজড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোকে চরম অবহেলায় অচল করে রাখা হয়েছিল। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার গুণীজনদের স্মৃতিধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো সচল করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।’বেগম আলেমা খাতুন ভাসানীর অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, মওলানা ভাসানীর প্রতিটি জনকল্যাণমূলক কাজে এই মহিয়সী নারী সাহস জুগিয়েছেন এবং পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি জনকল্যাণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার কাজে বিলিয়ে দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক জীবন থেকে ত্যাগ ও জনকল্যাণের দীক্ষা নিতে হবে। রাজনীতি মানেই নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জনগণের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করা।’ তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশপ্রেমের চেতনাকে বুকে ধারণ করে মওলানা ভাসানীর দেখানো ন্যায় ও আদর্শের পথে টাঙ্গাইলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য প্রো-ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী।স্মরণসভা শেষে অতিথিরা বেগম আলেমা খাতুন ভাসানীর জীবন ও কর্মের ওপর রচিত একটি স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

১০ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি

টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি

দৃষ্টি রিপোর্ট:‘পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়’ এই প্রতিপাদ্যে আগামী ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপনে টাঙ্গাইলে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি সফল করতে শুক্রবার(৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) টাঙ্গাইল জেলা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।নিসচা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বাচ্চুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম তরফদারের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ২২ অক্টোবরের মূল কর্মসূচিগুলো চূড়ান্ত করেন। এবারের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনা সভা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরাপদ ও ত্রুটিমুক্ত করতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় সভা, মরহুম জাহানারা কাঞ্চন সহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত ইত্যাদি।সভায় উপস্থিত থেকে দিবসটি সফল করতে নিজ নিজ অভিমত ও দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মুর্শেদুল আলম তালুকদার ও মো. আমিনুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. আকবর আলী খান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান তারিকুল ইসলাম, দুর্ঘটনা অনুসন্ধান ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন লিংকন, সমাজকল্যাণ ও ক্রীড়া সম্পাদক কামরুন্নাহার খান মুন্নি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী খোকন, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ ইমাম হাসান সোহান, দপ্তর সম্পাদক আমীর হামজা। এছাড়াও কার্যকরী সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, এসএম শফিকুল আলম, নূরজাহান আক্তার, শাহ জামাল, আব্দুল মান্নান, খন্দকার তরিকুল আজিজ শোয়েব প্রমুখ।প্রস্তুতি সভায় বক্তারা বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং অকাল মৃত্যু রোধ করা এখন সময়ের দাবি। ‘পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়’- এই স্লোগানকে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিতে এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ। আগামী ২২ অক্টোবরের সকল কর্মসূচি সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে জেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

১০ অক্টোবর ২০২৬

এ সপ্তাহের রাশিফল

এ সপ্তাহের রাশিফল

দৃষ্টি নিউজ:সাফল্য লাভের জন্য কর্ম যথেষ্ট নয়। দরকার সঠিক কর্মকৌশল, সহনশীলতা এবং কিছু বিষয়ে সচেতনতা। আর তাতেই আপনি জীবনের প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত চাওয়াকে পাওয়ায় রূপান্তর করতে পারবেন। পাশ্চাত্য রাশিচক্রমতে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের নানা বিষয়ের শুভাশুভ পূর্বাভাস ও সতর্কতা জানাচ্ছেন, জ্যোতিষশাস্ত্রী ড. চিন্ময় চৌধুরী মিথুন-মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল): কর্মক্ষেত্রে মানিয়ে চলার চেষ্টা করুন। পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে চলার চেষ্টা করুন। মিতব্যয়ী হওয়ার চেষ্টা করুন। পেশাগত বা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গোপন রাখুন।শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখুন।বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২১ মে): মানসিক টেনশন বাড়তে পারে। পারিবারিক দাম্পত্য সম্পর্কে শান্তি বজায় রাখা কঠিন হবে। ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা বজায় রাখুন, পরিস্থিতি আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আর্থিক পরিস্থিতি ভালো যাবে। ভ্রমণে সতর্কতা অবলম্বন করুন।মিথুন রাশি (২২ মে-২১ জুন): পারিবারিক আনন্দ উপভোগ করবেন। প্রেম ও রোমান্স উপভোগ করবেন। পেশাগত সফলতা পাবেন। যানবাহন চলাচলে সতর্ক থাকুন। অর্থনৈতিকভাবে চাপে থাকবেন। মানসিক অস্থিরতা বাড়বে। সৃজনশীল কাজে সফলতা পাবেন।কর্কট রাশি (২২ জুন-২৩ জুলাই): দাম্পত্য জীবনে মানিয়ে চলুন। যানবাহন চলাচলে সতর্ক থাকুন। পেশাগত কাজে মানসিক চাপে থাকতে পারেন। প্রিয়জনের সঙ্গে মান অভিমান বাড়তে পারে। আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।সিংহ রাশি (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট): অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো যাবে। কেনাকাটায় লাভবান হবেন। মন মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। অংশীদারী ব্যবসায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে ঝামেলা তৈরি হতে পারে। ভ্রমণে সতর্ক থাকুন। শারীরিক বিষয় আপনাকে ভাবিয়ে তুলতে পারে।কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর): অনেক সমস্যার সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সৃজনশীল কাজে সফলতা পাবেন। অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকবে। ব্যবসায় লাভবান হবেন। একাকীত্ব অনুভব করবেন। পারিবারিক বিষয় আপনাকে ভাবিয়ে তুলতে পারে। ভ্রমণে সতর্ক থাকুন।তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর): অংশীদারী ব্যবসা ও শেয়ার ব্যবস্যা তেমন ভালো যাবে না। পারিবারিক জীবনে শান্তি অনুভব করবেন। অপ্রত্যাশিত খরচ বাড়বে। প্রেম ও রোমান্স শুভ। কর্মক্ষেত্র আপনার অনুকূলে থাকবে। ভ্রমণে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকবেন।বৃশ্চিক রাশি (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর): আত্মপ্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যান, সফলতা পাবেন। আর্থিক যোগাযোগ শুভ। পেশাগত উৎকর্ষতা বাড়বে। প্রিয়জনের সঙ্গে প্রাণবন্ত সম্পর্ক থাকবে। তবে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। ভ্রমণে সতর্ক থাকার চেষ্টা করুন। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সফলতা পাবেন।ধনু রাশি (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর): রাগ ও উত্তেজনা প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করুন। আর্থিক সফলতা পাবেন। অপ্রিয় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। ব্যবসায়িক সফলতা পাবেন। ভ্রমণে আনন্দ উপভোগ করবেন। প্রিয়জনের সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে। শত্রু সম্পর্কে সচেতন হোন।মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি): সময়কে গুরুত্ব দিন। যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। পারিবারিক বিষয় আপনাকে ভাবিয়ে তুলতে পারে। পারিবারিক শান্তি বজায় থাকার জন্য ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করুন। আর্থিকভাবে চাপে থাকতে পারেন। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখুন।কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি): দীর্ঘসূত্রিতা এড়িয়ে চলুন। আত্মপ্রত্যয় বৃদ্ধি করুন। আর্থিক দিক থেকে সমৃদ্ধ থাকবেন। আপনাকে মানসিক পরিশ্রমের পাশাপাশি শারীরিক পরিশ্রম বৃদ্ধি করতে হবে। পারিবারিক ও পেশাগত কাজে ধৈর্যবান ও সুশৃঙ্খল হওয়ার চেষ্টা করুন। ভ্রমণে সতর্ক থাকুন।মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ): শারীরিক সুস্থতায় মনোযোগী হন। দৃঢ়ভাবে প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করুন।অলসতাকে প্রশ্রয় দিবেন না। আত্মীয়স্বজনরা আপনাকে ভুল বুঝতে পারে। স্পষ্ট কথা বলার প্রবণতা বাড়বে। আর্থিক দিক ভালো যাবে। রোমান্টিক সম্পর্ক শুভ। যানবাহন চলাচলে সাবধনতা অবলম্বন করুন।

১০ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

টাঙ্গাইলে দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।সভায় মতামত ব্যক্ত করেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আদিবুল ইসলাম, শ্রী শ্রী কালীবাড়ীর প্রধান উপদেষ্টা ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি শ্যামল হোড়, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি, যুগ্ম-আহ্বায়ক ড. পিনাকী দে, সদস্য সচিব শংকর সরকার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চিত্তরঞ্জন সরকার, শ্রী শ্রী কালীবাড়ীর উপদেষ্টা ও সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মনীন্দ্র মোহন ঘোষ, সহ-সভাপতি দুলাল চন্দ্র সাহা এবং সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন কৃষ্ণ চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।সভায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন। বক্তারা দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের বিষয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব তুলে ধরেন।এ সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং প্রিণ্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

০৮ অক্টোবর ২০২৬

হঠাৎ ঝাপটায় শ’ শ’ কৃষকের স্বপ্ন লণ্ডভণ্ড

হঠাৎ ঝাপটায় শ’ শ’ কৃষকের স্বপ্ন লণ্ডভণ্ড

মধুপুর প্রতিনিধি:চাঁদের হাসি মেখে উঁকি দিচ্ছিল কলার কাঁদি, আনারসের বাগানেও ফুল বের হচ্ছে, পেঁপে ও সবজি বাগানেও ছিল আশানুরূপ ফলন। ফসল ঘরে তোলার অপেক্ষায় ছিলেন কৃষকরা। স্বপ্ন দেখছিলেন ঘুরে দাঁড়ানোর। অসময়ে হঠাৎ ঝড়ের ঝাপটায় স্থানীয় শ’ শ’ কৃষকের সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। কোথাও সারি সারি কলাগাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস ও পেঁপের বাগান। ঝড়ে সবজি ক্ষেতেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে মাত্র কয়েক মিনিটের আকস্মিক ঝড়ে প্রায় ১১শ’ বিঘা জমির বিভিন্ন জাতের ফসল বিনষ্ট হয়ে গেছে। আকস্মিক ঝড়ের ওই থাবায় কৃষকের সেই স্বপ্ন লন্ডভণ্ড হয়ে গেছে।ওইদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মধুপুর উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চল অরনখোলা, শোলাকুড়ী ও ফুলবাগচালা ইউনিয়নে হঠাৎ ঝড়ের ঝাপটা শুরু হয়। আকস্মিক মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ের থাবায় বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের ফসল লন্ডভণ্ড হয়ে যায়- একই সঙ্গে কপাল পুড়ে শ’ শ’ কৃষকের।স্থানীয় কৃষকরা জানায়, তাৎক্ষণিক ঝড়ের তীব্রতায় অধিকাংশ কলাগাছের মাজা ভেঙে গেছে। ফলন্ত কলাগাছ উপড়ে বা হেলে পড়ায় তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পেঁপের বাগানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের সবজি বাগানও ঝড়ের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক কৃষক ধারদেনা করে বাগানে বিনিয়োগ করেছেন। ফলে ঝড়ের এই ক্ষয়ক্ষতি তাদের আর্থিক সংকট আরও বাড়িয়ে দিবে।হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম বলেন, ‘জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি আনারস ও কলাবাগানে বিনিয়োগ করেছি। অনেক দিন ধরে পরিচর্যা করছি। ফসল বিক্রি করে পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর স্বপ্ন ছিল। কিন্তু হঠাৎ ঝড়ে চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল। এখন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবো, সেটাই বুঝতে পারছি না।’একই গ্রামের কৃষক লালচাঁদ বলেন, ‘একটি কলাগাছ তৈরি করতে কয়েক মাস সময় ও টাকা লাগে। ফলন আসার পর যদি গাছ ভেঙে যায়, তাহলে পুরো বিনিয়োগই নষ্ট হয়ে যায়। আমাদের মতো ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য এই ক্ষতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন।’অরনখোলা ইউনিয়নের আমলিতলা এলাকার আজিজুল বলেন, ‘৪৫ শতাংশ জমিতে ৫০০ কলা চাষ করেছি। এনজিও থেকে ৮০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছি। এই কলা বিক্রি করেই ঋণের টাকা পরিশোধ করব। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ এক মিনিটের ঝড়ে সব শেষ হয়ে গেল।’সাইফুল ইসলাম জানান, ২৮ বিঘা জমিতে ৫ হাজার কলা চাষ করেছিলেন তিনি। ২০ দিন আগে ৪১০ টাকা দরে সেই কলা বিক্রি করা হয়েছিল এবং ক্রেতা জালাল উদ্দীন এর বিপরীতে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জামানত দিয়েছেন। ঝড়ের ঝাপটায় সব সর্বনাশ হয়ে গেল।এ বিষয়ে মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, ‘মধুপুরে কয়েক মিনিটের ঝড়ে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আপাতত: আমার কাছে যে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এসেছে, সেই তালিকা অনুযায়ী কলার বাগান রয়েছে প্রায় ৯০০ বিঘা এবং পেঁপে বাগান রয়েছে প্রায় ২০০ বিঘা।তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষকদের কিছু কলার বাগান আগে থেকেই বিক্রি করা ছিল এবং ক্রেতারা অগ্রীম টাকাও দিয়েছেন। এখন শুধু ক্রেতারা ধাপে ধাপে কলার কাঁদি কেটে নেওয়ার কথা ছিল। এ কারণে কৃষক এবং পাইকাররাও লোকসানের মুখে পড়েছেন।

০৮ অক্টোবর ২০২৬

গোপালপুরে বাসর ঘরে বরের মৃত্যু

গোপালপুরে বাসর ঘরে বরের মৃত্যু

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিয়ের রাতে বাসর ঘরে অসুস্থ হয়ে আয়নাল হক (৩৮) নামে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামে ওই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া আয়নাল হক ওই গ্রামের মৃত দানেশ আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম। নববধূকে ঘরে তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আয়নাল হক জেলা শহরে ভাড়া বাসায় থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসাও করতেন। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার ছিল। তবে গত জুলাই মাসে তার প্রথম স্ত্রী দুই সন্তান রেখে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে আয়নাল হকের এক বন্ধুর সঙ্গে পালিয়ে যান। এরপর থেকে দুই সন্তানকে লালন-পালন করা নিয়ে তীব্র হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের চাপ ও প্রতিবেশি লোকজনের অনুরোধে আয়নাল হক বুধবার রাতে পাাশের খামারপাড়া গ্রামের আ. বারীর মেয়ে রুবিনা খাতুনকে (২০) দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে নতুন স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন তিনি। কিন্তু গভীর রাতে বাসরঘরের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই আয়নাল হক হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম জানান, বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর নববধূকে বাড়ি নিয়ে এসে বাসর ঘরেই এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, তিনি একজন সাংবাদিকের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ঘটনাটি সত্য। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেননি বা লিখিতভাবে কিছু জানাননি। যতটুকু তথ্য পাওয়া গেছে- প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবেই মারা গেছেন।

০৮ অক্টোবর ২০২৬

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ

দৃষ্টি রিপোর্ট:মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজন নিরূপণে তথ্য সংগ্রহের কৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩-এর কনফারেন্স রুমে ‘Data Collection Strategy for Student Skills Development Needs Assessment’ শীর্ষক ওই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও কাউন্সেলিং সেন্টার।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। প্রশিক্ষণে মূল বিষয়ে রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য দেন DPDS-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিকুল কবির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও কাউন্সেলিং সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম।প্রধান অতিথি ভিসি অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্বের পরিবর্তিত কর্মবাজার ও প্রযুক্তিনির্ভর চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ লক্ষ্যে আগামী এক বছরের মধ্যে মাভাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের স্কিল ডেভেলপমেন্টে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই সেন্টার, ভাষা ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি একাডেমিক শিক্ষার বাইরে প্রয়োজনীয় কারিগরি, ভাষাগত ও অন্যান্য ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এ বিষয়ে দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তর এবং দেশের বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমঝোতা স্মারক (MoU) ও চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি এসব উদ্যোগের অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন।প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

০৭ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে নব যোগদানকৃত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদের সঙ্গে জেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় নবাগত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ টাঙ্গাইলের উন্নয়ন কার্যক্রম, জনসেবা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল ল’ কলেজের অধ্যক্ষ খান মোহাম্মদ খালেদ, অ্যাডভোকেট জাফর আহম্মেদ, প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসাদুল আখতার শামীম, সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট, অনলাইন ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মো. মাহবুব হাসান।জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই সাংবাদিকদের সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত না করার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

০৭ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে দুর্গোৎসবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মতবিনিময় সভা

টাঙ্গাইলে দুর্গোৎসবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মতবিনিময় সভা

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে পুলিশ লাইনস মাল্টিপারপাস শেডে জেলা পুলিশ আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার। এ সময় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজুয়ান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফৌজিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিব সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও জেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় জেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং পূজা চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সমস্যা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে।প্রকাশ, জেলায় এবার ১৩৫৭টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

০৭ অক্টোবর ২০২৬

মির্জাপুরে ২০ গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা বদলে গেল ব্যক্তি উদ্যোগে

মির্জাপুরে ২০ গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা বদলে গেল ব্যক্তি উদ্যোগে

মু. আবিদ মল্লিক জয়:সরকারি কোনো প্রকল্প নয়, নেই কোনো সংস্থার অর্থায়ন। স্রেফ গ্রামীণ জনপদের মানুষের চিরচেনা দুর্ভোগ লাঘবে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনন্য এক নজির সৃষ্টি করেছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার এক সমাজসেবক। মির্জাপুর উপজেলার ৯নং বহুরিয়া ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের ৬২টি গ্রামীণ সড়ক টানা তিন বছর ধরে নিজের অর্থে সংস্কার করেছেন। বর্তমানেও সড়ক সংস্কার করে চলেছেন ওই ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মরহুম জয়নাল সিকদারের ছেলে বিএনপি নেতা আব্দুস ছাত্তার সিকদার।একসময় যেসব কাদামাটির পথ, খানাখন্দ আর বর্ষার পানিতে তলিয়ে থাকা রাস্তা ছিল বহুরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দাদের নিত্যদিনের অভিশাপ। আব্দুস ছাত্তার সিকদারের কল্যাণে আজ সেখানে লেগেছে স্বস্তির ছোঁয়া। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগের ফলে বদলে গেছে পুরো গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থা।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংস্কারের পূর্বে এই ২০টি গ্রামের সড়কগুলোর অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অসুস্থ রোগী কিংবা গর্ভবতী নারীদের হাসপাতালে নেওয়ার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে গ্রামবাসীর ভোগান্তির কোনো শেষ ছিল না। অনেক সময় ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে গ্রামে জরুরি যানবাহন পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারত না। সাধারণ মানুষের এই অবর্ণনীয় কষ্ট ছুঁয়ে যায় আব্দুস ছাত্তার সিকদারকে। কোনো ক্ষমতার মোহে নয় বরং মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে তিনি নিজ খরচে এগিয়ে আসেন। গত তিন বছরে প্রায় তিন শতাধিক মাহিন্দ্র ট্রাকে করে ভাঙা ইট(রাবিশ) ফেলে চলাচলের উপযোগী করেছেন এসব সড়ক। তাঁর বাবা মরহুম জয়নাল সিকদারও পরোপকারী ও সমাজসংস্কারক ছিলেন।বহুরিয়া ইউনিয়নের গবড়া গ্রামের বাসিন্দা খোরশেদ আলম, হাবিবুর রহমান মুন্না, চান্দুলিয়া গ্রামের লিটন মিয়া, আমজাদ হোসেন, কোট বহুরিয়া গ্রামের শরিফুল সিকদার সুজন, রফিকুল আলম, বহুরিয়া গ্রামের আল এমরান খান, আনিছুর রহমান খান, আড়াইপাড়া গ্রামের আক্কাস আলী, নাজমুল ইসলাম, গেড়ামেরা গ্রামের ময়নাল হোসেন, ইন্নছ আলী সহ অনেকেই জানান, ছাত্তার সিকদারের এই সেবামূলক কার্যক্রম এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। বর্ষায় বা বছরের যেকোনো সময়ে কোনো রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেই স্থানীয়রা তাঁকে খবর দেন। আর খবর পাওয়া মাত্রই তাঁর নিজস্ব ইটভাটা থেকে পৌঁছে যায় ইটের গাড়ি। এমনকি মানুষের জরুরি প্রয়োজনে যেকোনো সময় রাস্তায় ফেলার জন্য তাঁর ইটভাটায় সবসময় আলাদা করে ভাঙা ইট(রাবিশ) জমিয়ে রাখা হয়।চেয়ারম্যানের সন্তান হিসেবে বাবার জনকল্যাণমূলক কাজের ধারাকে বজায় রেখে আব্দুস ছাত্তার সিকদার এলাকায় আজ এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। সরকারি বরাদ্দের আশায় বসে না থেকে একজন সাধারণ নাগরিকও যে চাইলে সমাজকে বদলে দিতে পারেন, মির্জাপুরের আব্দুস ছাত্তার সিকদার তা প্রমাণ করে দেখালেন। তাঁর এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।ওই ইউনিয়নের দিঘুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা খলিলুর রহমান, আরশেদ আলী, কোরবান আলী, গৃহবধু নাজমেআরা বেগম, মর্জিনা আক্তার সহ অনেকেই জানান, গ্রামীণ উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দ থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল। এমন বাস্তবতায় জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিজের অর্থ ব্যয় করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় ছাত্তার হয়ে উঠেছেন এলাকার জনপ্রিয় একজন মানুষ। শুধু রাস্তা সংস্কারই নয়, এলাকার মানুষের বিপদে-আপদেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি।বহুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ হোসাইন বলেন, দক্ষিণ মির্জাপুরে বিশেষ করে বহুরিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ আমলে কোন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড হয়নি। যা বরাদ্দ এসেছে তা হরিলুট করে ভাগ বাটোয়ারা করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পকেট ভারি করেছেন। ছাত্তার নিজস্ব অর্থায়নে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছেন।মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস ছাত্তার সিকদার জানান, নিজের জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। তিন বছর ধরে এভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এলাকার মানুষ চাইলে এবং দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। তবে নির্বাচনে অংশ নেই বা না নেই মানুষের সেবা করা অব্যাহত থাকবে।মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী(এলজিইডি) মো. জালাল উদ্দিন খান জানান, তিনি মির্জাপুরে নতুন যোগদান করেছেন। বহুরিয়া ইউনিয়নের ছাত্তার সাহেবের সমাজসেবামূলক কাজ দেখে তিনি খুবই খুশি। সবাই যদি যার যার জায়গা থেকে সড়ক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণে সচেতন হয়, তাহলে সড়কের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে এবং জনসাধারণ সুবিধা পাবে।এ বিষয়ে টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন জানান, গ্র্রামীণ সড়কগুলো সচল রাখা এবং জনগণের চলাচলের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি বা সামাজিক উদ্যোগ সব সময়ই প্রশংসনীয়। আব্দুস ছাত্তার সিকদার সাহেব জনপ্রতিনিধি না হয়েও সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে যেভাবে অবদান রাখছেন, তা সত্যিই একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগ এলজিইডির গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাঁর এই মহৎ কাজকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

০৭ অক্টোবর ২০২৬

ইতালির লুকা চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা বাংলাদেশের ‘মাস্টার’

ইতালির লুকা চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা বাংলাদেশের ‘মাস্টার’

দৃষ্টি বিনোদন:আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও পুরস্কৃত হলো বাংলাদেশের সিনেমা। ইতালির লুকা চলচ্চিত্র উৎসবের ফিচার ফিল্ম কম্পিটিশন বিভাগে সেরা সিনেমার পুরস্কার জিতেছে রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত পরিচালিত ‘মাস্টার’। ২০০৫ সাল থেকে ইতালির লুকা শহরে আয়োজিত হয়ে আসছে এই উৎসব। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে চার অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় উৎসবের ২২তম আসর। শেষ দিনে ঘোষণা করা হয় পুরস্কার বিজয়ীদের নাম।এবারের লুকা চলচ্চিত্র উৎসবের ফিচার ফিল্ম কম্পিটিশন বিভাগে ‘মাস্টার’ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের আরও ১১টি সিনেমা প্রতিযোগিতা করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘ফার্স্ট ডেজ’, ‘সি সন্স’, ‘স্যালভেশন’, ‘সাপোর্টিং রোল’, ‘দ্য কোয়ায়েট বি-কিপার’, ‘অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’ ইত্যাদি। এসব সিনেমাকে পেছনে ফেলে সেরার পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের ‘মাস্টার’।উৎসবের জুরিবোর্ড তাদের ঘোষণায় ‘মাস্টার’ সিনেমার প্রশংসা করে জানিয়েছে, একটি স্থানীয় গল্পের মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের বর্তমান সংকটকে অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরেছে সিনেমাটি।জুরিদের মতে, বুদ্ধিদীপ্ত ও সূক্ষ্ম চিত্রনাট্যের মাধ্যমে দর্শক এমন একজন শিক্ষকের গল্প দেখতে পান, যিনি ন্যায়বিচার ও সুনির্দিষ্ট নীতিতে বিশ্বাসী। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থের বদলে ব্যক্তিস্বার্থের পেছনে দৌড়ানো এক রাজনৈতিক ব্যবস্থার ফাদে পড়ে তার সেই নীতি কীভাবে ফিকে হয়ে যায়, সেটিই সাবলীলভাবে দেখানো হয়েছে ‘মাস্টার’ সিনেমায়।রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত পরিচালিত ও প্রযোজিত এই সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাসির উদ্দিন খান। স্থানীয় রাজনীতিতে সৎ উদ্দেশ নিয়ে আসা একজন আদর্শবান শিক্ষক কীভাবে ক্ষমতা ও আপসের যাতাকলে পড়ে ধীরে ধীরে বদলে যান, তা নিয়েই এগিয়েছে ‘মাস্টার’-এর গল্প। আরও অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, ফজলুর রহমান বাবু, শরিফ সিরাজ, তাসনুভা তামান্না প্রমুখ।লুকা চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নির্মাতা সুমিত। তিনি বলেন, ‘লুকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এই অর্জন মাস্টার সিনেমাটির সর্বজনীনতা ও প্রাসঙ্গিকতার আরেকটি প্রমাণ। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রতিযোগিতা বিভাগে এ বছর বেশ কিছু শক্তিশালী সিনেমা ছিল। এতগুলো দুর্দান্ত কাজের মাঝে আমার টিমের সবার কঠোর পরিশ্রমকে মূল্যায়ন করার জন্য বিচারকমণ্ডলীর কাছে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে আয়োজিত নেদারল্যান্ডসের ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারডামের ৫৫তম আসরে বিগ স্ক্রিন কম্পিটিশনে সেরা নির্বাচিত হয় ‘মাস্টার’। নির্মাতা সুমিত জানিয়েছেন, সিনেমাটি দেশের দর্শকদের দেখানোর জন্য প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

০৬ অক্টোবর ২০২৬