শিল্প ও সাহিত্য

দুর্গাপূজায় ছুটি নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নির্দেশনা

দুর্গাপূজায় ছুটি নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নির্দেশনা

দৃষ্টি নিউজ:দুর্গাপূজার ছুটি টানা পাঁচ দিন করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। আগামি ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে অফিস করতে হবে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক দিনের অতিরিক্ত সরকারি ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন।সরকারের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমীতে সরকারি ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) অতিরিক্ত ছুটি যুক্ত হয়েছে। এরপর ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) ও ২৪ অক্টোবর(শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি।২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সরকারি ছুটি ভোগ করবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে এই টানা ছুটি নিশ্চিত করতে ১৭ অক্টোবরকে (শনিবার) কর্মদিবস হিসেবে রাখা হয়েছে। ওই দিন সরকারি অফিস-আদালতের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলবে।চলতি বছর ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী পালিত হবে।অতিরিক্ত এক দিনের সরকারি ছুটি যুক্ত হওয়ায় এবার দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

২ ঘণ্টা আগে

প্রতিমন্ত্রী টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সহ দুই নেতা জামিনে মুক্ত

প্রতিমন্ত্রী টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সহ দুই নেতা জামিনে মুক্ত

দৃষ্টি নিউজ:ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দায়ের করা রাজনৈতিক মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডের পর আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যাওয়া ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিকদল নেতা ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোকলেস মিয়া জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। একই মামলায় কারাগারে যাওয়া যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলামও এদিন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। পরে নেতাকর্মীরা তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেয়। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তারা মুক্তি পান। এ সময় কারাগারের বাইরে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা ফুলের মালা ও ফুল দিয়ে তাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কারা উপ-তত্ত্বাবধায়ক (জেলার) মো. ফখর উদ্দিন জানান, জামিনের কাগজপত্র যাচাই শেষে বিকাল ৫টার দিকে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম কারামুক্ত হয়েছেন।এর আগে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তাদের আইনজীবী সোহেল খান নিম্ন আদালতের সাজার বিরুদ্ধে আপিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত দুজনের জামিন মঞ্জুর করেন।২০১৭ সালের ২২ জুন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মামলার অন্যান্য ধারায় তাদের খালাস দেওয়া হয়। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি আপিল করেন। আপিলে নিম্ন আদালতের রায় ও সাজা বাতিল করে খালাস এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনের আবেদন করা হয়।

২ ঘণ্টা আগে

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নে কৌশল ও করণীয় নিয়ে সেমিনার

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নে কৌশল ও করণীয় নিয়ে সেমিনার

দৃষ্টি রিপোর্ট:‎‎আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও উন্নত করতে কৌশলগত পরিকল্পনা ও করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নের জন্য কৌশলগত শিক্ষা ও কাঠামো’ (Strategic Lessons and Frameworks for University Ranking Improvement) শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) কনফারেন্স রুমে আইকিউএসি’র উদ্যোগে ওই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপ-উপাচার্য(প্রো-ভিসি) অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মালয়েশিয়ার টেইলর্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. গাজী মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির।প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান উন্নত করা শুধু একটি সূচকে ভালো করার বিষয় নয়; বরং শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, গবেষণার প্রভাব ও আন্তর্জাতিকীকরণ, শিল্প ও সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য-উপাত্তের যথাযথ ব্যবস্থাপনার সমন্বিত ফল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক মানোন্নয়নের সঙ্গে র‌্যাঙ্কিং কার্যক্রমকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।মূলপ্রবন্ধে অধ্যাপক ড. গাজী মাহবুবুল আলম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ের বিভিন্ন সূচক, র‌্যাঙ্কিং উন্নয়নের কৌশল, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা, তথ্যের মান ও নির্ভরযোগ্যতা এবং অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

০৫ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গোৎসবে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে মতবিনিময় সভা

দুর্গোৎসবে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে মতবিনিময় সভা

বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী:টাঙ্গাইল শহরের শ্রী শ্রী কালিবাড়ীস্থ নাট মন্দির প্রাঙ্গণে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(৫ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল সদর থানার উদ্যোগে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। শ্রী শ্রী কালিবাড়ীর প্রধান উপদেষ্টা ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি শ্যামল হোড়ের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইলের জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি, টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ(ওসি-তদন্ত) ভিক্টর ব্যানার্জি, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যাপক পিনাকী দে, সদস্য সচিব শংকর সরকার, শ্রী শ্রী কালিবাড়ীর উপদেষ্টা মনিন্দ্র মোহন ঘোষ, সহ-সভাপতি দুলাল চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টির সহকারী পরিচালক রমেশ চন্দ্র সরকার, শ্রী শ্রী ছোট কালিবাড়ীর সভাপতি সুভাষ চন্দ্র সরকার প্রমুখ। সভাটি সঞ্চালনা করেন শ্রী শ্রী কালিবাড়ীর সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন সরকার।প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলায় এবার ১৩৫৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে বলে টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। এরমধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২৩৩টি মণ্ডপ রয়েছে।

০৫ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির টাঙ্গাইল জেলা শাখার ‘দলিল লেখক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ শেষে সংগঠনের টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে মো. হুমায়ুন রশীদ আকন্দ সোনাকে সভাপতি এবং খন্দকার জাহিদ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস প্রাঙ্গণে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হক সানু। বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান আলহাজ এমএ রশিদ প্রধান বক্তা এবং সংগঠনের মহাসচিব কেএস হোসেন টমাস বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. ইমান আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ নুরুল হক মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব আলহাজ ফিরোজ আলম, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল আমিন খান, মো. আরজু আকন্দ, আলহাজ খন্দকার জাহিদ হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন রশিদ আকন্দ (সোনা)।এ সময় জেলা সমিতির সাবেক সভাপতি রফিক সরকার, কালিহাতী উপজেলা দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম সরকার, ঘাটাইল উপজেলা সমিতির সভাপতি ওমর ফারুক, মধুপুর উপজেলা সমিতির সভাপতি মোতালেব সরকার, বাসাইল উপজেলা সমিতির সভাপতি আব্দুস সামাদ, ধনবাড়ী উপজেলা সমিতির সভাপতি সালমানসহ বিভিন্ন উপজেলার দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশের শেষ পর্যায়ে টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে মো. হুমায়ুন আকন্দ সোনাকে সভাপতি এবং খন্দকার জাহিদ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

০৩ অক্টোবর ২০২৬

‘সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ধর্মের ভূমিকা অপরিহার্য’

‘সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ধর্মের ভূমিকা অপরিহার্য’

দৃষ্টি রিপোর্ট:‘শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সুসংহত করতে ধর্মের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সুসংহত করতে ধর্মের ভূমিকা অপরিহার্য। কোন সমাজ থেকে যখন ধর্মের সঠিক শিক্ষা হারিয়ে যায়, তখন সেই সমাজ অন্যায় অবিচারে পূর্ণ হয়ে ওঠে। বর্তমানেও তাই হয়েছে- মানুষের নৈতিক ও চারিত্রিক অধঃপতন চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে কঠোর থেকে কঠোরতর আইন করেও অপরাধ দমন করা যাচ্ছে না। শনিবার (৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে হেযবুত তওহীদ ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, হেযবুত তওহীদের শীর্ষনেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম।টাঙ্গাইল জেলা হেযবুত তওহীদের সভাপতি ডা. নাজম আল ইসলামের সভাপতিত্বে ও জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান টিটুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হেযবুত তওহীদের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় প্রধান উপদেষ্টা খাদিজা খাতুন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক উম্মুত তিজান মাখদুমা পন্নী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও নারী বিভাগের প্রধান রুফায়দাহ পন্নী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক বাপ্পা প্রমুখ।বক্তারা বলেন, ইসলাম কেবল ব্যক্তিগত আমলের ধর্ম নয়, এটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। মানুষের ইহকাল ও পরকাল, উভয় জগতের সমাধান রয়েছে এখানে। রাসুলুল্লাহ (স:) ও তার সাহাবীরা ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সমাজ থেকে অন্যায় অশান্তি দূর করেছিলেন।প্রধান অতিথি হেযবুত তওহীদের শীর্ষনেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম এ সময় সবাইকে ধর্মের সঠিক শিক্ষার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

০৩ অক্টোবর ২০২৬

মাদকের বিরুদ্ধে কোনো তদবির চলবে না : প্রতিমন্ত্রী টুকু

মাদকের বিরুদ্ধে কোনো তদবির চলবে না : প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৃষ্টি রিপোর্ট:আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানেই অনিয়ম দেখছে, সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং কোনো অন্যায়কে বিএনপি সরকার ছাড় দেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘যে অন্যায় করবে, তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স মাঠে জেলা পুলিশ আয়োজিত ‘১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, মাদককে কীভাবে সমাজ থেকে দূর করা যায় এসব বিষয়ে কাজ চলছে। সবাই যাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে এবং কোনোভাবেই মাদকের সঙ্গে যুক্ত না হয়, সেজন্য খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি করা হচ্ছে।’টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘কমিউনিটি পুলিশিংয়ে ইতোমধ্যে কমিটি করা হয়েছে। সকলে মিলে সম্মিলিতভাবে পরিস্থিতির উন্নতি করতে চাই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সকলের অবস্থান থাকবে।’ তিনি যোগ করেন, সকলে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিয়েছে। মাদক সেবন করলে মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।যুবসমাজকে ধ্বংস করার একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক আমাদের দেশে উৎপাদিত হয় না। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে এগুলো ঢুকিয়ে দিয়ে দেশের যুবসমাজকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’মাদকের অপব্যবহার রোধে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘মাদকের ব্যাপারে কোনো তদবির চলবে না। নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষকে সচেতন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। পুলিশ বাহিনীও তাদের সদস্যদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবে, যাতে কেউ মাদক-সম্পর্কিত কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে।’টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. সেলিম মিঞা, পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রবিউল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আদিবুল ইসলাম, ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শাহনেওয়াজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, সহকারী পুলিশ সুপার এবিএম সিদ্দিক, সহকারী পুলিশ সুপার নিজাম উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব প্রমুখ। এ সময় সদর, দেলদুয়ার, মির্জাপুর, গোপালপুর, বাসাইল ও ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ খেলা পরিচালনা করেন- প্রধান রেফারি আজগর আলী, সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শওকত ও মোস্তফা কামালসহ পাঁচজন।কাবাডি প্রতিযোগিতা শেষে পুলিশ লাইনস্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

০৩ অক্টোবর ২০২৬

মির্জাপুরে পৈতৃক জমি বনাম দখলের লড়াই

মির্জাপুরে পৈতৃক জমি বনাম দখলের লড়াই

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৈতৃক জমি দখল ও মারধরের অভিযোগে আজগানা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. বাদল মিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই ঘটনায় যুবদল নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জমির মালিকের ছেলেকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগে মির্জাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও জমা পড়েছে।মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মির্জাপুর উপজেলার কুড়িপাড়া মৌজার আরএস ৮১৩ ও ৮১৪ নম্বর দাগের ১২ শতাংশ জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। জমির দাবিদার তোফাজ্জল হোসেনের অভিযোগ, জমিটি তার মা ওয়ারিশসূত্রে পেয়েছিলেন এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে এটি ভোগদখল করে আসছিলেন। তবে গত ১৯ জুন সকালে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বাদল মিয়া, তার দুই ভাই রিপন ও শিপন এবং ছেলে রাকিব হোসেন দলবল নিয়ে ওই জমিতে জোরপূর্বক বেড়া দেওয়ার চেষ্টা চালান।অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আবু কাউসার বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তোফাজ্জল হোসেন গত ১৭ আগস্ট টাঙ্গাইল আদালতে মামলা এবং ৩০ আগস্ট মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলার পর থেকে বিবাদীরা তাদের লাগাতার হুমকি দিয়ে আসছেন বলেও বাদী পক্ষের দাবি। এদিকে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আদালত নোটিশ জারি করেছেন। নোটিশে বিরোধপূর্ণ জমিতে যার যার দখলাবস্থা বজায় রেখে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কুড়িপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ডালিমন বেগম জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগ করছে তোফাজ্জল। জমিটিতে বেড়া দেওয়াতে চলাচল করতে তাদেরও অসুবিধা হচ্ছে।আজগানা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার গোলাম মোস্তফা জানান, তোফাজ্জল জমিটি শুরু থেকেই দখলে আছেন। হঠাৎ করেই বিবাধীরা জমিটি দখল দেওয়ার চেষ্টা করছে।ভুক্তভোগী তোফাজ্জল হোসেন জানান, ১২ শতাংশ জমিটি তারা যুগ যুগ ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ১৯৬২ সালে তার মায়ের নামে ওয়ারিশসূত্রে এসএ রেকর্ড হয়। পরবর্তীতে বিএস রেকর্ডেও জমিটি তাদের নামে চূড়ান্তভাবে প্রচারিত হয়েছে। তারা যথারীতি নাম-খারিজ করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করছেন। সম্প্রতি যুবদল নেতা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জমিটি নিজেদের দাবি করে দখলের চেষ্টা করছেন।তবে জমি দখলের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. বাদল মিয়া জানান, তার বিরুদ্ধে আনা জমি দখলের অভিযোগটি রাজনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষে ওই জমি দলিলমূলে তার দাদার সম্পত্তি এবং তার বাবা এই সম্পত্তির বৈধ ওয়ারিশ। তারা কারও জমি দখল করতে যাননি বরং নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধার ও সুরক্ষার জন্যই সেখানে বেড়া দিয়েছেন।টাঙ্গাইল জেলা যুব দলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব জাহিদ হোসেন মালা জানান, জেলা যুব দলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ দেশের বাইরে রয়েছেন। ওই ঘটনায় উভয়পক্ষই তার কাছে এসেছিলেন, কাগজপত্র দিয়ে গেছেন। সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে- জেলা যুব দলের আহ্বায়ক দেশে এলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই ঘটনায় তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে বাদল মিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৩ অক্টোবর ২০২৬

‘বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতা থাকবে- সিন্ডিকেট নয়’

‘বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতা থাকবে- সিন্ডিকেট নয়’

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে ‘প্রতিযোগিতা আইন ২০১২ ও এর প্রয়োগের বিষয়ে স্টেকহোল্ডাদের দায়িত্ব এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(২৮ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য ড. মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘বাজার ব্যবস্থায় সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় রাখা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতা থাকবে, অবশ্যই কোনো ধরনের সিন্ডিকেট নয়। ব্যবসা-বাণিজ্যে যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেট, মনোপলি বা কৃত্রিম সংকট তৈরি প্রতিরোধে প্রতিযোগিতা আইনের সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে ব্যবসায়ী ও অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’জেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের পরিচালক মোহাম্মদ ইসতিদার আলম, কমিশনের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ যুবায়ের, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহবুব হাসান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী শামছুন নাহার স্বপ্না প্রমুখ।জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক বলেন, টাঙ্গাইলের ব্যবসা-বাণিজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং বাজারে কোনো ধরনের অসাধু প্রতিযোগিতা যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন সর্বদা তৎপর রয়েছে। তিনি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে আইন মেনে সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান।মুক্ত আলোচনা পর্বে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। তারা স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের বর্তমান চিত্র, বাজার মনিটরিং এবং প্রতিযোগিতা আইন বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে নিজ নিজ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। বক্তারা বাজারে সুস্থ ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দেন।মতবিনিময় সভায় জেলা শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা এবং অংশীজনরা(স্টেকহোল্ডার) অংশগ্রহণ করেন।

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভূঞাপুরে ১৭ মৌজার বিআরএস জরিপ বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন

ভূঞাপুরে ১৭ মৌজার বিআরএস জরিপ বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন

‎‎আ. রশিদ তালুকদার, ভূঞাপুর:‎টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের গাবসারা ইউনিয়নের ১৭টি মৌজার বিআরএস জরিপ বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে গোবিন্দাসী-টাঙ্গাইল রোডে এলাকার ১৩ গ্রামের মানুষ ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। ‎জানা যায়, ১৯৯৩ সালে ভূঞাপুর উপজেলায় বিআরএস জরিপের কাজ শুরু করে ভূমি মন্ত্রণালয়। তারই ধারাবাহিকতায় গাবসারা ইউনিয়নের ১৭টি মৌজায় ১৯৯৬ সালে নকশার কাজ শেষ করে ডিপি খতিয়ান তৈরির পর ভূমি মালিকদের মধ্যে মাঠ পরচা বিতরণ করে। ১৯৯৭ সালে প্রায় ১০ হাজার খতিয়ানের উপর প্রায় ৩৩০ ধারায় আপত্তি দেওয়া হয়। ২০১১ সাল পর্যন্ত সেসব আপত্তি যথাযথ শুনানীর মাধ্যমে নিস্পত্তি করা হয়। ওইসব মৌজার ১৬টি সিটের নকশা ভেঙ্গে ১৭টি সিট তৈরি করায় কিছু কিছু দাগ নম্বরে জমির পরিমান সামান্য কম-বেশি পরিলক্ষিত হয়।‎ সে সময় নকশার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও পরবর্তীতে বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাধানের আর্শ্বাস দেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। ‎কিন্তু পরবর্তীতে কোন সমাধান না করে গত ৩ সেপ্টেম্বর ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ভূমি রেকর্ড শাখার পরিচালক মো. মোমিনুর রশিদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জপির কার্যক্রম স্থগিত করে পুনরায় ডিজিটাল জরিপ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।এদিকে দীর্ঘদিন যাবৎ এসব মৌজায় হাল নাগাদ খাজনা পরিশোধ রশিদ ও খারিজ বাধ্যতামূলক হওয়ায় জমি বেচা-কেনা, খাজনা-নাম খারিজ, ব্যাংক ঋণ বন্ধ থাকায় মহাবিপদে পড়েছে এলাকার মানুষ। অনেক দরিদ্র পরিবার নানা সমস্যায় জমি বিক্রি করতে চাইলেও বিক্রি করতে পারছে না। অন্যদিকে নতুন এ আদেশের কারণে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী। তাদের দাবি, অতি সল্প সময়ের মধ্যে সম্প্রতি জারিকৃত আদেশ বাতিল করে বিআরএস জরিপ বহাল রাখা হোক।‎‎স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে প্রায় ৩৫ বছর যাবৎ এ এলাকার মানুষকে বিপদে ফেলে রাখা হয়েছে। দিন যত যাচ্ছে আরো জটিলতা বাড়ছে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুব হাসান বলেন, বিষয়টি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে আলোচনা করে ঊর্দ্ধতন কর্তপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে বিষয়টির সমাধান করা হবে।

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত

টাঙ্গাইলে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ স্লোগানে টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে রোববার(২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।এদিন সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মিলিত হয়।টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহবুব হাসান। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান, জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, হোটেল ব্যবসায়ী পূরবী বাবুল সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।https://www.youtube.com/watch?v=sOqnXh11-tIআলোচনা সভায় বক্তারা টাঙ্গাইল একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা উল্লেখ করে পর্যটন খাতের উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল পর্যটনের জন্য একটি সম্ভাবনাময় জেলা। টাঙ্গাইলের জিআই পণ্য শাড়ি, চমচম, আনারস, বিভিন্ন ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি সহ নানা সবুজ প্রকৃতি সমৃদ্ধ স্থাপনাকে কেন্দ্র করে এখানে পর্যটন বিকাশের সুযোগ রয়েছে। এসব পর্যটনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। একই সঙ্গে জেলার পর্যটন সম্ভাবনা স্থাপনাগুলোতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পর্যটন খাতকে আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় করা যেতে পারে।কর্মসূচিতে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের কমিটি পুনর্গঠন

টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের কমিটি পুনর্গঠন

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার(২৫ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১৩ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়।সংগঠনের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সদস্যদের ভোটে এটিএন বাংলার প্রতিনিধি মো. নাসির উদ্দিন সভাপতি এবং এনটিভির প্রতিনিধি মহব্বত হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ওই কমিটি এখনও বহাল রয়েছে। তবে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অপর একটি কমিটি গঠনের অভিযোগ ওঠে। ওই সময় টাঙ্গাইলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের অনুরোধে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানানো হয়নি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।সংগঠনটির অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে ওই কমিটির বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে, একই সঙ্গে টেন্ডারবাজির অভিযোগও ওঠে। এসব ঘটনায় টাঙ্গাইলের টেলিভিশন সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করা হয়।এ পরিস্থিতিতে সংগঠনের সভা ডেকে কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিতে ১৩ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।নতুন কমিটিতে রয়েছেন, সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন (এটিএন বাংলা), সহ-সভাপতি কাজী তাজউদ্দিন রিপন (একুশে টেলিভিশন) ও মির্জা মাসুদ রুবল (মাই টিভি)।সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন, মহব্বত হোসেন (এনটিভি), যুগ্ম-সম্পাদক শফিকুজ্জামান মোস্তফা (এশিয়ান টিভি) ও আবু জোবায়ের উজ্জল (বিজয় টিভি), কোষাধ্যক্ষ আহমেদ রাসেল (এসএ টিভি), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুমি আক্তার পলি (গ্লোবাল টিভি), ক্রীড়া সম্পাদক কেএ মিল্টন (এটিএন নিউজ) এবং দপ্তর সম্পাদক ইমরুল হাসান বাবু (ইসলামিক টিভি)।কার্যকরী সদস্য মোসলেম উদ্দিন আহমেদ (চ্যানেল আই), হাবিবুল্লাহ কামাল (বাংলা টিভি) ও আব্দুর রাজ্জাক (৭১ টিভি)।সংগঠনের সাধারণ সদস্যরা হচ্ছেন- আতোয়ার রহমান আজাদ (বাংলা ভিশন), একরামুল হক খান তুহিন (মাছরাঙা টিভি), মহিউদ্দন সুমন (জিটিভি), কামাল হোসেন (আর টিভি), সোহেল শরীফ (চ্যানেল ওয়ান), আনিসুর রহমান খান (মাইটিভি, দেলদুয়ার-নাগরপুর), সিরাজ আল মাসুদ (গ্রীণ টিভি), নাঈম খান রাব্বি (স্টার নিউজ), জশিউর রহমান (বৈশাখী টিভি-নাগরপুর), মাসুদ কায়সার (গ্রীণ টিভি), ছানোয়ার হোসেন (বাংলা টিভি-মির্জাপুর)।সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৯ সালে ‘টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরাম’ নামে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়।প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন চ্যানেল আইয়ের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এটিএন বাংলার প্রতিনিধি মো. নাসির উদ্দিন।

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মির্জাপুরের কামারপাড়া ব্রিজ এক অন্তহীন দুর্ভোগের নাম

মির্জাপুরের কামারপাড়া ব্রিজ এক অন্তহীন দুর্ভোগের নাম

বুলবুল মল্লিক:টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভাওড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া নদীর ওপর নির্মাণের ছয় বছর পার হলেও ব্রিজের সুফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী। মূল ব্রিজের কাজ অসম্পূর্ণ রাখার পর এবার সংযোগ সড়কের (অ্যাপ্রোচ রোড) নির্মাণকাজে দেখা দিয়েছে চরম স্থবিরতা। ফলে নিত্যদিনের যাতায়াতে তীব্র ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয় হাজারো মানুষ। বর্তমানে অচল পড়ে থাকা এই ব্রিজে উঠতে স্থানীয়দের ব্যবহার করতে হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো।এলজিইডি সূত্রে জানাগেছে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কামারপাড়া নদীর ওপর ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯০ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো ব্রিজের রেলিং নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি পড়ে আছে। মূল কাঠামোর কাজ শেষে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘদিন আটকে থাকে সংযোগ সড়ক নির্মাণ। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুন মাসে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হলেও গত ১৫ মাসে তার অর্ধেকও সম্পন্ন হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই স্থানীয়দের ঝুঁঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো বেয়ে ব্রিজে উঠে নদী পার হতে হচ্ছে।সরেজমিনে কামারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- জনদুর্ভোগের এক চরম চিত্র। ব্রিজের উত্তর পাশে নামমাত্র কিছু মাটি ফেলে সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা হলেও তা এখন প্রায় বন্ধ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান একদিন কাজ করলে সাতদিন কাজ বন্ধ রাখে। ফলে মূল রাস্তা থেকে প্রায় ৫০ ফুট খাড়া ও আঁকাবাঁকা ঢালু পথ বেয়ে অত্যন্ত ঝুঁঁকিপূর্ণভাবে মানুষ ব্রিজে উঠছেন। অন্যদিকে, ব্রিজের দক্ষিণ পাশের কাঁচা রাস্তা থেকে ব্রিজের ওপর পর্যন্ত একটি বাঁশের সাঁকো দেওয়া হয়েছে। সময় ও শ্রম বাঁচাতে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ শ’ শ’ মানুষ এই নড়বড়ে সাঁকো দিয়েই জীবনের ঝুঁঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।কামারপাড়া গ্রামের সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ মজিবর রহমান আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার বয়স সত্তরে পৌঁছেছে। অনেক ইচ্ছা ছিল এই ব্রিজের ওপর দিয়ে হেঁটে পার হয়ে বাজারে যাবো। কাজের যে অবস্থা তাতে সেই আশা পূরণ হবে কিনা আল্লাহই জানেন। কর্তৃপক্ষের এদিকে দ্রুত নজর দেওয়া উচিত।’একই গ্রামের বাসিন্দা আবজাল হোসেন ব্রিজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘মির্জাপুর-ধানতারা ভায়া কামারপাড়া আঞ্চলিক সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। কামারপাড়া নদীর ওপর ব্রিজটি সম্পূর্ণ হলে মির্জাপুর থেকে ধামরাই হয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়া সম্ভব হবে। এতে মির্জাপুরের সাথে ধামরাই ও মানিকগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। দক্ষিণ মির্জাপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, মির্জাপুর-কামারপাড়া-ধানতারা সড়কটি দ্রুত চলাচলের উপযোগী করা হোক। তাছাড়া মির্জাপুর থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই সড়কটি একটি চমৎকার বিকল্প রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।’ধীরগতির বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স’-এর পার্টনার মো. ইসলাম বলেন, ‘মূল ব্রিজটি হতে অনেক বেশি সময় লেগেছে, তাও আবার কিছুটা অসম্পূর্ণ। আসলে সংযোগ সড়কের কাজটা একটু জটিল। তাছাড়া ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা ছিল- যা নিরসন করতে বেশ সময় লেগেছে। এর ওপর দীর্ঘ একটা সময় বৃষ্টি থাকায় কাজ ব্যাহত হয়েছে। তবে কাজ শেষ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় আছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা কাজ সম্পূর্ণ করতে পারব।’ভাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ব্রিজের মূল কাজে এমনিতেই অনেক বেশি সময় নেওয়া হয়েছে। এরপর সংযোগ সড়ক নির্মাণের সময় ভূমি সংক্রান্ত জটিলতায় অনেকদিন কাজ বন্ধ ছিল। বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছিল। পরবর্তীতে আমি ঠিকাদার এবং স্থানীয়দের নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করে বিষয়টি সুরাহা করতে সক্ষম হয়েছি। এখন জমি সংক্রান্ত সব ঝামেলা শেষ, কাজও চলছে। তবে জনভোগান্তি কমাতে কাজের গতি আরো অনেক বাড়ানো দরকার বলে আমি মনে করি।’মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি মির্জাপুরে যোগদান করেই এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছি। কামারপাড়া ব্রিজের বাকি থাকা পুরো কাজ এবং সংযোগ সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের ইতিপূর্বেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব ধরনের জটিলতা এখন নিরসন হয়েছে।’টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জাহানারা পারভীন জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা জনভোগান্তি তৈরি করা বরদাশত করা হবে না। কামারপাড়া ব্রিজের সংযোগ সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে জমি সংক্রান্ত যেসব আইনি ও স্থানীয় জটিলতা ছিল- তা ইতোমধ্যেই সমাধান করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজের গতি বাড়িয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এলজিইডির প্রকৌশল বিভাগ থেকে কাজের নিয়মিত তদারকি চলছে। দ্রুতই ওই সেতুটি জনগণের যোগাযোগের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা যাবে।

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘাটাইলের সব সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ

ঘাটাইলের সব সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ

ঘাটাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাংবাদিকরা এবার একত্রিত হয়ে একটি অভিন্ন সংগঠনের আওতায় আসলেন। সোমবার(২১সেপ্টম্বর) বিকালে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সকল সাংবাদিকদের স্বতঃফুর্ত অংশ গ্রহনে আনন্দঘন মুহুর্তের মধ্য দিয়ে ঘাটাইল প্রেসক্লাব ১৯৮৫ এর নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়।এক সময় ঘাটাইলে সাংবাদিকদের ৬টি সংগঠন থাকায় সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনে প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। উপজেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন সাংবাদিকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একত্রিত করার কাজ সফলতা অর্জন করে। এখন সব সাংবাদিকদের ঠিকানা ‘ঘাটাইল প্রেসক্লাব’- যা ১৯৮৫সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিকদের ভবন উদ্বোধনী আনুষ্ঠানে ঘাটাইল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক দৈনিক ইত্তেফাক ঘাটাইল সংবাদদাতা নুরুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমানের সঞ্চালনায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স হলরুমে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক খান ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মো. মাহমাদুল হাসান।অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম শফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন হেলাল, সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, জিবিজি সরকারি কলেজের সাবেক এজিএস মো. সেলিম রেজা, জামুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তরিকুল ইসলাম সুলতান, যুবদল নেতা আফজাল হোসেন, ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, জামাতে ইসলাম বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহকারী সাধারণ সম্পাদক হোসেনে মোবারক বাবুল, ঘাটাইল প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব সারোয়ার জাহান কলি, আনোয়ার হোসেন বকুল, উত্তম কুমার আর্য্য, গোলাম মোস্তফা তালুকদার, এবিএম আতিকুর রহমান, রবিউল আলম বাদল প্রমুখ।বক্তারা স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও জনস্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়- শিগগির সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। সাংবাদিকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ঐক্য ঘাটাইলে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের আরও শক্তিশালী করবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন পত্রিকা, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

'জাগ্রত কাতুলী ইউনিয়ন'-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

'জাগ্রত কাতুলী ইউনিয়ন'-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে সামাজিক সংগঠন ‘জাগ্রত কাতুলী ইউনিয়ন’-এর ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। রোববার(২০ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়স্থ ‘ফুড গার্ডেন অ্যান্ড পার্টি সেন্টার’-এ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সংগঠনের সভাপতি মো. আব্দুল কাদের খান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম খানের স্বাগত বক্তব্য মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মো. আব্দুল কাদের খান।কেক কাটার আগে পরিচয় পর্ব সাথে মুক্ত আলোচনা হয়। মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা।তিনি বলেন, আমরা শুধু মানুষের কল্যাণে যেহেতু কাজ করবো পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াবো। সাধ্যমত চেষ্টা করব পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাতুলীর উন্নয়নের জন্য পাশে থাকবো একই সাথে সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত নেবো। এছাড়া বর্তমান সময় হচ্ছে গাছ লাগানোর সময়, আমরা গাছ লাগানো কর্মসূচি পালন করতে পারি।সভায় বক্তারা সংগঠনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনে এলাকার উন্নয়ন ও সামাজিক সেবামূলক কাজে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর খান।সংগঠন ও দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের নিয়ে ১ম বর্ষপূর্তির কেক কাটা হয়। শেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাচ্ছে ইজিবাইকের পেটে!

টাঙ্গাইলে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাচ্ছে ইজিবাইকের পেটে!

বুলবুল মল্লিক:টাঙ্গাইলে ঘন ঘন লোডশেডিং ও তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন এ অঞ্চলের মানুষ। একবার বিদ্যুৎ গেলে ৩-৪ ঘণ্টা পর আসে, আর আসলেও তা স্থায়ী হয় মাত্র আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা। এই তীব্র গরমে একদিকে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ, অন্যদিকে উৎপাদন বন্ধের উপক্রম হয়েছে স্থানীয় কলকারখানাগুলোতে। গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ না থাকলেও প্রতি মাসে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভুতুড়ে বিল।অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলার এই ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক। বিদ্যুৎ বিভাগ ও গ্যারেজ মালিকদের তথ্যমতে, একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সাধারণত ১৫ অ্যাম্পিয়ারের ৪ থেকে ৫টি ব্যাটারিতে চলে। এসব ব্যাটারি চার্জ দিতে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১ থেকে দেড় ইউনিট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। সে হিসেবে একটি অটোরিকশার ব্যাটারি পূর্ণ চার্জ করতে দৈনিক ৮ থেকে ১২ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ লাগে।টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় চলাচলকারী প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার ইজিবাইক ও অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ করতে প্রতিদিন গড়ে ৭ লাখ ২০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। মেগাওয়াটের হিসাবে যার পরিমাণ ২৫ থেকে ৩০ মেগাওয়াট। এই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রায় দুটি উপজেলার দৈনিক চাহিদার কাছাকাছি। প্রতিদিন রাত ৮টার পর যখন বিদ্যুতের জাতীয় চাহিদা (পিক আওয়ার) সবচেয়ে বেশি থাকে, ঠিক তখনই জেলার বিভিন্ন গ্যারেজে সারি সারি অটোরিকশা চার্জে বসানো হয়। শ’ শ’ যান একসঙ্গে চার্জ দেওয়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর তীব্র বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে- যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের।বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) অধীনে টাঙ্গাইল সদরের তিনটি ফিডারে (বৈল্লা, কচুয়াডাঙ্গা ও ময়মনসিংহ রোড) মোট গ্রাহক সংখ্যা ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৪ জন। এখানে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ১৬০ থেকে ১৭০ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ মিলছে মাত্র ১০০ থেকে ১১০ মেগাওয়াট। ফলে প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মেগাওয়াট (চাহিদার ৪১ শতাংশ) বিদ্যুতের ঘাটতি থাকছে। এই ঘাটতির মাঝেই কেবল পিডিবির আওতাধীন এলাকাতেই দৈনিক ৩৩ হাজারেরও বেশি ব্যাটারিচালিত যান চার্জ দেওয়া হচ্ছে- যার মধ্যে শহর ও আশপাশের এলাকায়ই রয়েছে ১৫ হাজার যান।অন্যদিকে, টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকা আরও বিস্তৃত। জেলা সদরের কিছু অংশ, কালিহাতী, বাসাইল, সখিপুরের কিছু অংশ, মির্জাপুর, নাগরপুর, দেলদুয়ার এবং সিরাজগঞ্জের চৌহালীর কিছু অংশ নিয়ে গঠিত পল্লী বিদ্যুতের বিশাল অঞ্চলে মোট গ্রাহক সংখ্যা ৬ লাখ ৫১ হাজার। এসব এলাকায় দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ২১০ মেগাওয়াট। তবে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজনের তুলনায় গড়ে মাত্র ৪৭ থেকে ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদা ও সরবরাহের এই বড় ব্যবধানের কারণে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে প্রতিদিন ৮৫ থেকে ৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে।এছাড়া দিনের অন্যান্য সময়ের তুলনায় সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। বাসাবাড়িতে ফ্যান, লাইট ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ে। দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও তখন বিদ্যুতের ব্যবহার থাকে বেশি। ঠিক সেইসময় থেকেই জেলার বিভিন্ন গ্যারেজে সারি সারি ইজিবাইক ও অটোরিকশা চার্জে বসানো হয়। অথচ চার্জিং লোড বাদ দিলে ৩০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি কমতে পারত। বেশিরভাগ অটোরিকশা গ্যারেজে চার্জ দেওয়া হলেও অনেক যান বাসাবাড়িতেও চার্জ দেওয়া হয়। ফলে দিন দিন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মারাত্বক প্রকট আকার ধারণ করছে।বিদ্যুতের এমন ভয়াবহ হাহাকারে ক্ষুব্ধ স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। তাদের দাবি, পিক আওয়ারে অটোরিকশা চার্জ দেওয়া বন্ধে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা না নিলে এবং জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ না বাড়ালে জেলার শিল্পোৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনজীবন অচিরেই সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়বে।টাঙ্গাইল পৌরসভার একটি স্কুলের শিক্ষক রুমা আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গরমে রাতে ঘুমাতে পারি না। যদি দেখা যায় এক ঘণ্টা কারেন্ট থাকে, তাহলে দুই ঘণ্টা থাকে না। বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে খুবই কষ্টে আছি।’দেলদুয়ারের পাহাড়পুর গ্রামের ছরোয়ার হোসেন বলেন, ‘হিসাব ছাড়াই দিনরাত বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে গ্রামের গ্যারেজ গুলোতে শ’ শ’ অটো চার্জ দেওয়া হয়। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে লোডশেডিং কমানো কঠিন হবে।’নাগরপুরের নয়াপাড়া গ্রামের অটোরিক্সাচালক ছানোয়ার বলেন, ‘সারাদিন যা আয় হয়, তার বড় অংশই চার্জিংয়ে চলে যায়। প্রতিটি গাড়ি চার্জ দিতে গ্যারেজে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দিতে হয়। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই এভাবে চার্জ দিচ্ছি। কারণ এই গাড়ি দিয়ে আমাদের কর্ম করে খেতে হয়।’তবে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোরিকশা এখন শহর ও গ্রামীণ এলাকার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন মাধ্যম। একই সঙ্গে হাজারও মানুষের জীবিকারও উৎস। তবে নিয়ন্ত্রণহীন চার্জিং ব্যবস্থা বিদ্যুতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসব যানবাহনকে নিবন্ধনের আওতায় আনা, অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন তৈরি এবং বিদ্যুতের পিক আওয়ারে চার্জিং সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।টাঙ্গাইল পিডিবির (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু বকর তালুকদার বলেন, ‘যেখান আমরা গ্রাহকদের চাহিদামত বিদ্যুৎ দিতে পারছি না। সেখানে হাজার হাজার ইজিবাইক ও অটোচার্জ দিতে প্রচুর বিদ্যুত খরচ হচ্ছে। তবে আমরা তাদের বন্ধও করতে পারছিনা। পৌর কর্তৃপক্ষ এবং বিআরটিএ সরব না হলে এগুলো বন্ধ হবে না। কারণ হাজার হাজার ইজিবাইক ও অটোরিক্সা তাদের অনুমতি(!) না নিয়েই চলাচল করছে। তবে আমরা অবৈধ লাইন নিয়ে যারা চার্জিং- এর গ্যারেজ বানিয়ে চার্জ দিচ্ছে সেখানে অভিযান পরিচালনা করছি।’

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উৎসবমুখর পরিবেশে টাঙ্গাইল জেলা টাইলস শ্রমিক ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ চলছে

উৎসবমুখর পরিবেশে টাঙ্গাইল জেলা টাইলস শ্রমিক ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ চলছে

দৃষ্টি রিপোর্ট: অত্যন্ত আনন্দঘন, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে টাঙ্গাইল জেলা মোজাইক টাইলস, মার্বেল ও গ্রানাইড, ফিটিংস শ্রমিক ইউনিয়নের(রেজি.নং-৪২৫৬ ও ৪৬২৬) ত্রি-বার্ষিক সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। শনিবার(১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শহরের বটতলাস্থ সিঅ্যান্ডবি রোডের ইউনিয়ন কার্যালয়ে এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়- যা কোনো বিরতি ছাড়াই একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে।জেলা মোজাইক টাইলস, মার্বেল ও গ্রানাইড, ফিটিংস শ্রমিকদের এই শীর্ষ সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে ভোট প্রদানের সুবিধার্থে ইউনিয়ন কার্যালয়ে ৩টি পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে- যেখানে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত করছেন। নির্বাচন কেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং ভোটগ্রহণের সার্বিক নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে ভোটাররা কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারছেন।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯২২ জন। সংগঠনের মোট ৯টি সাংগঠনিক পদের মধ্যে ৬টি পদের বিপরীতে ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা নিজ নিজ পক্ষে ভোটারদের রায় পেতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তৎপর রয়েছেন।অন্যদিকে, ইউনিয়নের মোট ৯টি পদের মধ্যে ৩টি সাংগঠনিক পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীরা হচ্ছেন- সহ-সভাপতি পদে আনিছুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. শাহব উদ্দিন এবং ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. আজিজুল হক। বাকি ৬টি গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হচ্ছে।এবারের নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত নির্বাচন কমিশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন একেএম মনিরুল হক (ভিপি মনির)। এছাড়া নির্বাচন কমিশনার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন, বিশিষ্ট আইনজীবী সৈয়দ সাইফুল ইসলাম টিটু এবং সমাজসেবক আলাউদ্দিন লিটু।নির্বাচন কমিশনাররা জানিয়েছেন, ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তা ও একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। পুলিশের সহায়তায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা শুরু হবে এবং রাতেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে।https://youtu.be/Io1Udn06rlA

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামি দিনে দেশ ও সমাজের নেতৃত্ব দিবে :: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামি দিনে দেশ ও সমাজের নেতৃত্ব দিবে :: প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৃষ্টি রিপোর্ট:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল করলেই হবে না। জ্ঞান, দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামি দিনে দেশ ও সমাজের নেতৃত্ব দিবে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত ‘কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘গত বছরের ন্যায় এবারও জিপিএ-৫ পাওয়া সদর উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা আয়োজন করেছি। আগামিতেও এ ধারা অব্যাহত রাখব ইনশাআল্লাহ। কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্য অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে। সবাইকে বড় স্বপ্ন দেখে তা বাস্তবায়নে মনোযোগী ও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ভয়াবহ চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো মাদক। শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে একটি মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও কিশোর গ্যাংমুক্ত শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গঠনে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভূমিকা রাখতে হবে।’১১ দলের লং মার্চ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক দেশে সবারই কর্মসূচি পালন করার অধিকার রয়েছে। তবে জনগণ বিচার করবে তাদের এই কর্মসূচি করা ঠিক হচ্ছে কি না।’তিনি আরো বলেন, ‘সরকারপ্রধান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, বিগত সরকারের সময়ে তেল-গ্যাস খাতকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমরা সেই পরিস্থিতি থেকে খাতটিকে পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। সরকারের কোনো গাফিলতি থাকলে তারা সেটি নিয়ে কথা বলতে পারত।’অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. শামসুল আলম সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজুয়ান সিদ্দিকীসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. জোবায়দুর রহমান জনি।অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃতী শিক্ষার্থীদের গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে ৮৫০ শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী। তাদের কলেজ ব্যাগ, চাবির রিংসহ বিভিন্ন উপহারসামগ্রীও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে ফাহাদ’স টিউটোরিয়ালের প্রতিষ্ঠাতা ও অনলাইন শিক্ষক মো. ফাহাদ হোসেন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রস্তুতি, লক্ষ্য নির্ধারণ ও ক্যারিয়ার নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী মেফতাউল আলম সিয়াম এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী জাহাঙ্গীর আলম শান্ত নিজেদের সফলতার কৌশল ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে বক্তব্য দেন। এ ছাড়া প্রেসিডেন্সী ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. জে আলী স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পোল্ট্রি খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

পোল্ট্রি খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৃষ্টি রিপোর্ট: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, দেশের পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতের মূল চালিকাশক্তি প্রান্তিক খামারিরা। তাদের টিকিয়ে রাখা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর সদরের পিটিআই অডিটোরিয়ামে ‘নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন-২০১০ বাস্তবায়ন ও মান নিয়ন্ত্রণ জোরদারকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, পোল্ট্রি শিল্পে উৎপাদন ব্যয় কমানো, মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য সরবরাহে খামারি, ফিড উৎপাদনকারী ও সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এই সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে খামারিরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি ভোক্তারাও সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ প্রোটিন পাবেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খামারিদের কৃষক কার্ডের আওতায় এনেছেন, যাতে তারা কৃষির মতো সহজ শর্তে ঋণ, বিদ্যুৎ সুবিধা ও সরকারি প্রণোদনা পেতে পারেন।নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের গুরুত্ব তুলে ধরে টুকু বলেন, অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে একদিকে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে, অন্যদিকে উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যায়। তাই খামারিদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উৎপাদন ও ওষুধ ব্যবহারে সচেতন করতে মাঠ পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আরও কাজ করতে হবে।তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির বিকল্প নেই। প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা বৃদ্ধি পেলে কর্মসংস্থান যেমন বাড়বে, তেমনি দেশের অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে। ভেজাল খাদ্য ও মাদকের বিস্তার রোধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর আয়োজিত কর্মশালায় জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাকিল আহমেদ এবং বাংলাদেশ ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (ফিয়াব) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক।কর্মশালায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় প্রাণিসম্পদ খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬