আবহাওয়া
দেশের ১৬ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা
দৃষ্টি নিউজ: ঢাকাসহ দেশের অন্তত ১৬টি অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। শনিবার (১১ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪–৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (৮৮ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টিপাত হতে পারে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের কোথাও কোথাও সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে অধিদপ্তর জানায়, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে মধ্য উত্তরপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ আকারে অবস্থান করছে এবং এটি আরও দুর্বল হতে পারে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরগুলোকে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
১১ জুলাই ২০২৬
দেশের আট বিভাগে ১০ দিন ঝড় ও ভারী বৃষ্টির আভাস
দৃষ্টি নিউজ: দেশের ৮ বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী ১০ দিন ঝড় ও বৃষ্টি হতে পারে আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই সময়ে দেশের অনেক জায়গায় ভারী বৃষ্টিও হতে পারে বলে জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত পূর্বাভাস সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে এ তথ্য। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। একইসঙ্গে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এ অবস্থায় পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৯টা থেকে আগামি ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এসময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামিকাল শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার (২১ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সোমবার (২২ জুন) রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
১৯ জুন ২০২৬
দেশের ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে সংকেত
দৃষ্টি নিউজ: ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় দেশের ১৫টি অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইল সহ দেশের ১৫ জেলায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এ পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া জানান, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর পুনঃ ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
১৮ জুন ২০২৬
দেশের ১৭ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা
দৃষ্টি রিপোর্ট: দেশের ১৭ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কবার্তা দেখাতে বলা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
১০ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলে বজ্রসহ বৃষ্টি বা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ
দৃষ্টি রিপোর্ট: আগামি পাঁচ দিনে দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে আগামি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু টেকনাফ উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। বর্তমানে চাঁদপুর, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। তবে শুক্রবার (৫ জুন) থেকে দেশের কিছু এলাকায় তাপপ্রবাহ প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, টাঙ্গাইলের আজকের বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) আবহাওয়া মূলত মেঘলা এবং বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রঝড়সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। বর্তমান পরিস্থিতি এবং আগামি কয়েকদিনের দিনের তাপমাত্রা ৩৫° থেকে ৩৬° সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। তবে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি এর চেয়েও বেশি (Real Feel) হতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার ও আগামিকাল বজ্রসহ বৃষ্টি বা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা ৫০% থেকে ৬০% পর্যন্ত রয়েছে। এছাড়া পরবর্তী কয়েকদিন আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। অপরদিকে, শুক্রবার(৫ জুন) দেশের রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শনিবারও (৬ জুন) দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণ হতে পারে। তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। রোববার (৭ জুন) বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। এদিন দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। সোমবারও (৮ জুন) দেশের আট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এদিনও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে আপাতত দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। তবে বৃষ্টিপাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপপ্রবাহের প্রভাব ধীরে ধীরে কমে আসবে। বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামি সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা দেশের চলমান গরম পরিস্থিতি থেকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিতে পারে।
০৪ জুন ২০২৬
সাত জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস
দৃষ্টি নিউজ: দেশের পাঁচ বিভাগে বয়ে যেতে পারে তাপপ্রবাহ। এতে গরমের প্রভাব অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে সাত জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছেন। রোববার (৩১ মে) সকালে আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তার ফেসবুকে এ তথ্য জানান। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, রোববার সকাল ৭টার পর থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু জেলার ওপরে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা যাচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবা জার, বান্দরবান ও দক্ষিণ চট্টগ্রাম জেলা এবং সিলেট বিভাগের সিলেট, সুনামগন্জ ও মৌলভীবা জার জেলার ওপরে হালকা বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টিপাত হতে পারে। দেশের বাকি অংশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুবই কম। দেশের বিভিন্ন বিভাগের ওপর দিয়ে আজ মৃদু তাপপ্রবাহ অতিক্রম করার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। বিশেষ করে খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, রংপুর, ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার ওপরে তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানান মোস্তফা কামাল পলাশ।
৩১ মে ২০২৬
নিরাপদ লিচু চেনার উপায়
দৃষ্টি ডেস্ক: কখনও রোদ, কখনও বৃষ্টি আর ঝড়-ঝাপ্টার আবহাওয়ার মধ্যে বাজারে এসে গেছে রসালো লিচু। পুষ্টিগুণে ভরা এই লাল টুকটুকে এই ফল দেখলেই জিভে পানি আসে অনেকের। তবে শুধু দেখতে সুন্দর হলেই চলবে না- লিচু নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত হওয়া অনেক বেশি জরুরি। কারণ অনেক সময় লিচুকে বেশি লাল ও টাটকা দেখাতে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম রং বা ক্ষতিকর কেমিক্যাল। এমনকি অপরিপক্ব লিচুকেও বিভিন্ন রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হয়। তাই বাজার থেকে লিচু কেনার আগে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খোসার রং দেখেই অনেকটা বোঝা যায়- লিচু কেনার সময় প্রথমেই খেয়াল করুন এর খোসার রং। বিভিন্ন জাতের লিচুর রং ভিন্ন হতে পারে- কোনোটি গাঢ় লাল, কোনোটি হালকা কমলা বা বাদামি আভাযুক্ত। তবে ভালো ও পরিপক্ব লিচুর রং সাধারণত স্বাভাবিক ও উজ্জ্বল হয়। অস্বাভাবিক চকচকে বা অতিরিক্ত টকটকে লাল রঙের লিচু দেখলে সতর্ক থাকুন। অনেক সময় ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে এসব লিচুর গায়ে কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়। বেশি নরম লিচু এড়িয়ে চলুন- লিচু হাতে নিয়ে হালকা চাপ দিয়ে দেখুন। যদি খুব বেশি নরম লাগে, তাহলে সেটি অতিরিক্ত পাকা বা ভেতর থেকে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভালো লিচু হবে টানটান ও সতেজ। অতিরিক্ত নরম লিচুর ভেতরে অনেক সময় পচা অংশ বা টক গন্ধও থাকতে পারে। গন্ধ বুঝে কিনুন- পাকা লিচুর একটি স্বাভাবিক মিষ্টি ও সতেজ গন্ধ থাকে। নাকের কাছে ধরলেই সেই সুগন্ধ টের পাওয়া যায়। অন্যদিকে কেমিক্যাল দেওয়া বা অপরিপক্ব লিচুতে সাধারণত সেই স্বাভাবিক সুবাস থাকে না। যদি লিচুতে অদ্ভুত বা কড়া গন্ধ পাওয়া যায়, তাহলে সেটি না কেনাই ভালো। কৃত্রিম রং আছে কি না পরীক্ষা করুন- অনেক সময় কাঁচা লিচুকে পাকা দেখাতে এর গায়ে রং ব্যবহার করা হয়। তাই বাসায় এনে লিচু কিছুক্ষণ পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। যদি পানির রং লালচে হয়ে যায় বা হাতে রং লাগে, তাহলে বুঝতে হবে লিচুর গায়ে কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়েছে। দাগ বা ফাটল আছে কি না দেখুন- ভালো লিচুর খোসা সাধারণত পরিষ্কার ও সতেজ থাকে। খোসায় বাদামি দাগ, ফাটল বা পচা অংশ থাকলে সেই লিচু এড়িয়ে চলুন। বিশেষ করে ডাঁটির অংশ পচা থাকলে ভেতরেও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই সম্ভব হলে ডালযুক্ত ও টাটকা লিচু কেনাই ভালো। খোসা সহজে ছাড়ালে বুঝবেন পাকা- লিচুর খোসা ছাড়িয়েও এর মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। পাকা ও মিষ্টি লিচুর খোসা সাধারণত সহজেই খুলে আসে। যদি খোসা শক্তভাবে আটকে থাকে বা ভেতরে বাদামি দাগ দেখা যায়, তাহলে সেটি ভালো নাও হতে পারে। কেনার পর যা করবেন- বাজার থেকে লিচু এনে সরাসরি না খেয়ে আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। চাইলে ঘণ্টাখানেক পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এতে ময়লা বা কৃত্রিম রঙের কিছু অংশ দূর হতে পারে। সতর্কভাবে লিচু কিনলে গরমের এই জনপ্রিয় ফল খাওয়ার আনন্দ যেমন বাড়বে, তেমনই স্বাস্থ্যঝুঁকিও অনেকটাই কমানো সম্ভব।
২০ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস পালিত
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চের ৫০তম দিবস পালন করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মিছিল মানববন্ধন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। এদিন শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল এসে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচতে যোগ দেয়। মানববন্ধন চলাকালে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিন, সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন মালা, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ সজল, কাগমারী এমএম আলী কলেজের সাবেক ভিপি নুরুল ইসলাম, শহর যুবদলের সভাপতি রাশেদ খান সোহাগ, জেলা ছাত্রদলের সদস্য আজাদ মিয়া এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল আলীম প্রমুখ।
১৬ মে ২০২৬
কাল টাঙ্গাইলের ইতিহাসে এক হৃদয়বিদারক দিন
দৃষ্টি রিপোর্ট: আগামিকাল ভয়াল ১৩ মে, টাঙ্গাইলবাসীর জন্য এক শোকাবহ দিন। আজ থেকে ৩০ বছর আগে ১৯৯৬ সালের এই দিনে ভয়াবহ এক টর্ণেডো কেড়ে নিয়েছিল শত শত প্রাণ, ধ্বংস করে দিয়েছিল হাজার হাজার ঘরবাড়ি ও জনপদ। ক্ষণস্থায়ী হলেও ভয়াবহ শক্তিশালী ওই প্রাকৃতিক দুর্যোগে টাঙ্গাইল জেলার পাঁচটি উপজেলা- গোপালপুর, কালিহাতী, ঘাটাইল, বাসাইল এবং সখীপুর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে সরকারি হিসাবে ২৩৭ জন এবং বেসরকারি হিসাবে আরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। আহত হন ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রায় ৮৫ হাজার ঘরবাড়ি, ৮৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১৭টি মসজিদ এবং ১৪টি মন্দির। অনেক পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়- আজও যাদের স্মৃতি এই অঞ্চলের মানুষের মনে গেঁথে আছে গভীর দুঃখ ও বেদনার চিহ্ন হয়ে। টর্ণেডোটি ১৯৯৬ সালের ১৩ মে, সোমবার বিকাল ৪টা ১৭ মিনিটে গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রাম থেকে শুরু হয়ে আলমনগর ও মির্জাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম অতিক্রম করে। মাত্র ২-৩ মিনিট স্থায়ী হলেও এতে গোপালপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের বরভিটা, বরখালী, মির্জাপুর, জয়নগর, আলমনগর, দিঘলআটা, বরশিলাসহ ১৬টি গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। এতে প্রাণ হারান ১০৪ নারী-পুরুষ-শিশু। ফসলের জমি, গবাদিপশু এবং সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। একই দিন বিকাল সোয়া ৫টার দিকে কালিহাতীর রামপুর ও কুকরাইল গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া টর্ণেডোতে প্রাণ হারান আরও ১০৫ নারী-পুরুষ-শিশু। যাদের মধ্যে একই পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। অনেককে দাফন করতে হয় গণকবরে। বাসাইল উপজেলার মিরিকপুরে তখন ছিল ধান কাটার মৌসুম। বহিরাগত শ্রমিকদের একটি দল মিরিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিদ্যালয়টি টর্ণেডোর ছোবলে বিধ্বস্ত হলে অনেকেই সেখানে চাপা পড়ে প্রাণ হারান। পরদিন তাদের মৃতদেহ খাল, পুকুর ও বিল থেকে উদ্ধার করা হয়। সে সময় দুর্গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছিল সেদিনের বাতাস। বাসাইল উপজেলার প্রায় ১৭টি গ্রাম এবং প্রায় সাড়ে ২৫ হাজার মানুষ এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হন। প্রায় তিন হাজার ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। শত শত গবাদিপশু প্রাণ হারায়, ধ্বংস হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নলকূপসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। আজও টাঙ্গাইলের ওইসব এলাকার মানুষ আকাশে কালো মেঘ দেখলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। প্রতিটি বছর ১৩ মে স্মরণে স্থানীয়ভাবে আয়োজন করা হয় দোয়া-মাহফিল, প্রার্থনা, কাঙালিভোজ ও স্মরণসভা ইত্যাদি। এবারও গোপালপুরের আলমনগর, কালিহাতীর রামপুর এবং বাসাইলের মিরিকপুরে এসব কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
১২ মে ২০২৬
১১ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে
দৃষ্টি রিপোর্ট: দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরে দেওয়া হয়েছে সতর্কতা সংকেত। রোববার (৩ মে) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানিয়েছেন- ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
০৩ মে ২০২৬
দেশের ছয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
দৃষ্টি রিপোর্ট: দেশের ছয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরে তোলা হয়েছে সতর্ক সংকেত। রোববার (২৬ এপ্রিল) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, রংপুর, বগুড়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরসমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সোমবার(২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বর্ধিত পাঁচদিনের আবহাওয়ার শেষের দিকে দেশের বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।
২৬ এপ্রিল ২০২৬