সব খবর

শিশুর উপর যৌননিগ্রহের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন

শিশুর উপর যৌননিগ্রহের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন

দৃষ্টি নিউজ:টাঙ্গাইলে শিশুর উপর যৌননিগ্রহের দায়ে রশিদ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। মঙ্গলবার(১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দণ্ডিত আসামির উপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. আব্দুল মজিদ ওই রায় দেন। এছাড়াও আসামিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডিত রশিদ মিয়া (৫৫) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের আগছাওয়ালী গ্রামের গোলামের ছেলে। ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, আসামির কাছ থেকে অর্থদণ্ড আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে আসামি যে সম্পদের মালিক হবেন সেই সম্পদ থেকে ভিকটিমকে দেওয়া হবে। ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর টাঙ্গাইলকে দণ্ডিত আসামি রশিদ মিয়ার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ডের সমপরিমান অর্থ ভিকটিমকে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। রায়ে ট্রাইব্যুনালের বিচারক আরো বলেন, যৌননিগ্রহের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা আসামি রশিদ মিয়া, তাকে উত্তরাধিকার ঘোষণা করেন এবং শিশুর ভরনপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র গ্রহণ করবে বলে প্রকাশ করেন। শিশুর শিক্ষা, চিকিৎসা ও ভরনপোষণ বাবদ মাসিক প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ পূর্বক ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করারও নির্দেশ দেন আদালত।টাঙ্গাইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পিপি খন্দকার মো. রোকুনুজ্জামান জানান, ২০২৪ সালে ১৪ এপ্রিল ১৪ বছরের এক শিশু তার দাদিকে ডাকার জন্য পুকুর পাড়ে যায়। এসময় প্রতিবেশি(সম্পর্কে দাদা) দণ্ডিত আসামি রশিদ মিয়া তাকে বলে শিশুটির দাদি তার বাড়িতে গেছে। পরে শিশুটিকে সাথে নিয়ে নিজ বাড়িতে যায় এবং জোর পূর্বক যৌননিগ্রহ চালায়। এ ঘটনা কাউকে জানালে শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করবে বলে জানায়। পরে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলে শিশুটি তার মায়ের কাছে যৌননিগ্রহের কথা খুলে বলে। এ ঘটনায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ভিকটিম তার বাবার বাড়িতে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ভিকটিম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালত মির্জাপুর থানাকে মামলাটি এজহারের জন্য আদেশ দেন। পরে দণ্ডিত আসামি রশীদ মিয়ার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে ভিকটিমের কন্যা সন্তানের পিতা বলে নিশ্চিত হয়।

১ ঘণ্টা আগে

গুজব ও ডিপফেক : সত্য-মিথ্যার নতুন সংকট

গুজব ও ডিপফেক : সত্য-মিথ্যার নতুন সংকট

মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল::মানবসভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে তথ্য ও জ্ঞানের আদান-প্রদানই ছিল ক্ষমতার মূল নিয়ামক ও প্রগতির চালিকাশক্তি। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর উত্তর-আধুনিক পর্বে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও পঞ্চম প্রজন্মের (5G) প্রযুক্তির জ্যামিতিক বিকাশ তথ্যপ্রবাহের চিরন্তন ব্যাকরণকে আমূল ওলটপালট করে দিয়েছে। বর্তমান বিশ্ব এক অভূতপূর্ব ও বৈপ্লবিক তথ্য-বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে, যেখানে তথ্যের অবাধ ও গণতান্ত্রিক অভিগম্যতার সমান্তরালে এক চরম বিপর্যয়কর সংকটের অশুভ উত্থান ঘটেছে- যার নাম ‘গুজব ও ডিপফেক’। এই যমজ সংকট আজ কেবল সাধারণ মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তিকে নাড়া দিচ্ছে না বরং তা রাষ্ট্রের সার্বভৌমিকতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক ভূরাজনীতির সনাতন কাঠামোকেও এক অস্তিত্ববাদী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তথ্য ও প্রযুক্তির এই অনৈতিক অপব্যবহারের ফলে বস্তুনিষ্ঠ সত্য ও কৃত্রিম মিথ্যার মধ্যকার যে সুক্ষ্ম বিভাজিকা ছিল- তা আজ চরমভাবে বিলুপ্তপ্রায়। ফলশ্রুতিতে মানবসমাজ অবতীর্ণ হয়েছে এক গভীর জ্ঞানতাত্ত্বিক (Epistemological), সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের অতল গহ্বরে।গুজব বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তিকর তথ্য (Misinformation & Disinformation) ছড়ানোর অপকৌশল মানব ইতিহাসের এক প্রাচীন ব্যাধি। আদিম গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থেকে শুরু করে আধুনিক বিশ্বযুদ্ধ-সবখানেই প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান সাইবার-বাস্তবতায় এর বিস্তারের গতি ও ব্যাপ্তি ভৌগোলিক সীমানাকে অতিক্রম করে মহাজাগতিক রূপ ধারণ করেছে। এই ক্ষয়িষ্ণু প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক ও অত্যাধুনিক সংযোজন হলো ‘ডিপফেক’ (Deepfake) প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যতম শাখা ‘ডিপ লার্নিং’ (Deep Learning) এবং জালিয়াতি বা ‘ফেক’ (Fake) শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এই প্রযুক্তি মূলত জেনারেটিভ অ্যাডভারসারিয়াল নেটওয়ার্কস (GANs) নামক শক্তিশালী অ্যালগরিদমের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। এর মাধ্যমে যেকোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির কণ্ঠস্বর (Voice Cloning), মুখাবয়ব (Facial Re-enactment) এবং দৈহিক অঙ্গভঙ্গি অবিকল নকল করে কৃত্রিম অডিও ও ভিডিও ফাইল প্রস্তুত করা হয়। এর ভয়াবহতা এখানেই যে, একজন ব্যক্তি যে কথা কখনো উচ্চারণ করেননি কিংবা যে কর্মকাণ্ডে কখনো লিপ্ত হননি, তাকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সেই দৃশ্যপটে উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে। ফলস্বরূপ, টেক্সট বা লেখনীভিত্তিক গুজবের সনাতন যুগ পেরিয়ে মানবজাতি এখন প্রবেশ করেছে ‘অতি-বাস্তবসম্মত’ (Hyper-realistic) অডিও-ভিজুয়াল মিথ্যার এক গোলকধাঁধায়- যেখানে চোখের দেখা কিংবা কানের শোনাকেও আর ধ্রুব সত্য বলে মেনে নেওয়ার উপায় নেই।ডিপফেক এবং সিন্থেটিক মিডিয়ার (Synthetic Media) বিধ্বংসী প্রভাব আজ আর কোনো তাত্ত্বিক আশঙ্কা নয় বরং এক কঠোর ও নির্মম বাস্তব। আন্তর্জাতিক স্তরে এই প্রযুক্তির অপব্যবহারের যে পরিসংখ্যান ও খতিয়ান পাওয়া যায়- তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক ব্রুকিং ইনস্টিটিউশন (Brookings Institution) -এর সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইন্টারনেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা উৎপাদিত ভুয়া ও বিকৃত তথ্যের পরিমাণ প্রতি বছর প্রায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রযুক্তি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ‘ডিপট্রেস’(Deeptrace) -এর এক বৈশ্বিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইন্টারনেটে লভ্য ডিপফেক ভিডিওর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে এবং এর একটি বিশাল অংশ সমাজ ও রাজনীতির স্থিতিশীলতা বিনষ্টের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।উন্নত দেশগুলোতে বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্বে ‘গুজব ও ডিপফেক’ আকাশচুম্বী তো বটেই উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রযুক্তির এই নেতিবাচক জোয়ার থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাক্ট-চেকিং ও তথ্য-যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের (যেমন: রিউমর স্ক্যানার, ডিসমিসল্যাব, বিডি ফ্যাক্টচেক) বার্ষিক পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার রাজনৈতিক, ধর্মীয়, গোত্রীয় ও ব্যক্তিগত কুৎসাভিত্তিক গুজব ও ডিপফেক কনটেন্ট সনাতন ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে বিগত সাধারণ নির্বাচনগুলোর সময় রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীদের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করতে ডিপফেক প্রযুক্তির মাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে চরিত্র হননের এক কুৎসিত সংস্কৃতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া, স্পর্শকাতর ধর্মীয় বিষয়ে ভুয়া অডিও ক্লিপ ও বিকৃত ছবি প্রচার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা উসকে দেওয়ার একাধিক নারকীয় ঘটনা ঘটেছে- যা দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতির ওপর এক প্রচণ্ড আঘাত।গবেষণাধর্মী দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রযুক্তির উৎকর্ষের চেয়েও মানুষের আদিম মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতাই গুজব ও ডিপফেক বিস্তারের প্রধান জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (MIT)-র গবেষকদের পরিচালিত একটি যুগান্তকারী মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বস্তুনিষ্ঠ সত্য খবরের তুলনায় একটি ভুয়া বা কাল্পনিক খবর ৬ গুণ দ্রুত মানবসমাজে পরিব্যপ্ত হয় এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের দ্বারা এটি ৭০ শতাংশ বেশি শেয়ার বা পুনঃপ্রচারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এর মূল কারণ হলো মানুষের ‘কনফার্মেশন বায়াস’ (Confirmation Bias) বা ‘নিশ্চিতকরণ পক্ষপাত’। মানুষ স্বভাবগতভাবেই সেই তথ্য বা বিবরণীকে অতি দ্রুত সত্য বলে গ্রহণ করে, যা তার নিজের পূর্বনির্ধারিত বিশ্বাস, অন্ধ আবেগ কিংবা রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মতাদর্শের অনুকূলে যায়। ডিপফেক প্রযুক্তি মূলত মানুষের এই মনস্তাত্ত্বিক ফ্রন্টলাইনকেই আক্রমণ করে। যখন কোনো ব্যক্তি তার ঘোর বিরোধী কোনো রাজনৈতিক চরিত্রের একটি চরম আপত্তিকর বা বিতর্কিত ভিডিও স্ক্রিনে দেখতে পান, তখন তার যৌক্তিক মস্তিষ্ক সেটির সত্যতা বা কারিগরি নির্ভুলতা যাচাই করার পূর্বেই মনস্তাত্ত্বিকভাবে সেটিকে সত্য বলে রায় দিয়ে দেয়। এই মানসিক অসচেতনতাই অপতথ্য ও কৃত্রিম মিথ্যার সাম্রাজ্যকে দিন দিন আরও শক্তিশালী করে তুলছে।সমাজ, রাষ্ট্র ও সামগ্রিক নৈতিকতার অবক্ষয়ে ডিপফেক- এর বহুমাত্রিক অভিঘাত লক্ষণীয়। যেমন- (১) গণতন্ত্রের সংকট ও জনমতের ভাঙন: ডিপফেক প্রযুক্তির অবাধ বিস্তারের ফলে যেকোনো রাষ্ট্রীয় নির্বাচন বা জাতীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা আজ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। নির্বাচনের ঠিক পূর্বমুহূর্তে কোনো প্রার্থীর এমন কোনো ভুয়া ও স্পর্শকাতর স্বীকারোক্তির ভিডিও প্রকাশ করা সম্ভব, যা জনমতকে সম্পূর্ণ উল্টো খাতে প্রবাহিত করতে পারে। পরবর্তীতে সেই ভিডিওর অসারতা প্রমাণিত হলেও, ততক্ষণে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়ে যায়। (২) নারীর নিরাপত্তা ও জেন্ডারভিত্তিক সাইবার সহিংসতা: বিশ্বব্যাপী ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারের গতিপ্রকৃতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এর প্রায় ৯৬ শতাংশ ক্ষেত্রই হলো নারীর অনুমতিবিহীন পর্নোগ্রাফি বা আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত। এই প্রযুক্তিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সমাজের প্রভাবশালী বা সাধারণ নারীদের সাইবার বুলিং ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার করা হচ্ছে- যা তাদের মৌলিক মানবাধিকার, মানসিক সুস্বাস্থ্য এবং সামাজিক মর্যাদাকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। (৩) গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক আস্থার সংকট ও ‘লায়ার্স ডিভিডেন্ড’: যখন নাগরিক সমাজ বুঝতে পারে যে অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রমাণাদিও কৃত্রিমভাবে তৈরি করা সম্ভব, তখন সমাজে এক চরম সংশয়বাদের জন্ম হয়। এর ফলে মূলধারার গণমাধ্যমের প্রকৃত ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদকেও মানুষ সন্দেহ করতে শুরু করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘লায়ার্স ডিভিডেন্ড’ (Liar’s Dividend)- যেখানে প্রকৃত অপরাধীরাও নিজেদের বাস্তব অপরাধের ভিডিওকে ‘ডিপফেক’ বা ‘সাজানো’ বলে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়।এই সর্বগ্রাসী সংকট থেকে উত্তরণের পথ কোনো একক ও সরল সমীকরণে আবদ্ধ নয়। এর জন্য প্রয়োজন রাষ্ট্র, সমাজ এবং প্রযুক্তি খাতের এক সমন্বিত, বহুমাত্রিক ও কঠোর প্রতিরোধমূলক মহাপরিকল্পনা। যেমন- (ক) প্রযুক্তিগত প্রতিরোধ (Algorithmic Countermeasures): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষাক্ত ছোবল থেকে বাঁচতে আমাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে হবে (AI vs AI)। মেটা, গুগল, ওপেনএআই-এর মতো বৈশ্বিক প্রযুক্তি জায়ান্টদের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে- যাতে তারা এমন শক্তিশালী ওয়াটারমার্কিং এবং ক্রিপ্টোগ্রাফিক মেটাডেটা প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে যেকোনো এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট ইন্টারনেটে আপলোড হওয়া মাত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘ডিপফেক’ হিসেবে চিহ্নিত বা ফ্ল্যাগড হয়ে যায়। (খ) আইনকাঠামোর আধুনিকায়ন ও কঠোর প্রয়োগ: বাংলাদেশের বিদ্যমান সাইবার নিরাপত্তা আইন বা অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক আইনগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট ও সময়োপযোগী করতে হবে। বিশেষ করে ‘ডিপফেক জালিয়াতি’ ও ‘ডিজিটাল ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন’-কে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে- যাতে অপরাধীদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক ভীতির সৃষ্টি হয়। (গ) মূলধারার গণমাধ্যমের রূপান্তর ও ফ্যাক্ট-চেকিং সেল: মূলধারার সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে কেবল দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের প্রতিযোগিতায় না নেমে, তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিতকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতিটি বড় গণমাধ্যমে একটি সুসজ্জিত এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ‘ফেক নিউজ ও ডিপফেক ডিটেকশন সেল’ থাকা বাধ্যতামূলক করা উচিত। (ঘ) ডিজিটাল লিটারেসি ও সামাজিক প্রতিরোধ: একটি সমাজকে ভেতর থেকে সচেতন না করলে কেবল আইন দিয়ে অপরাধ দমন অসম্ভব। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষা স্তরের পাঠ্যসূচিতে ‘ডিজিটাল লিটারেসি’ বা ‘তথ্য সাক্ষরতা’ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সাধারণ নাগরিককে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার বা ফরওয়ার্ড করার পূর্বে ‘থিংক বিফোর ইউ লিঙ্ক’ (Think Before You Link) নীতি অনুসরণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।ডিপফেক এবং গুজব কেবল প্রযুক্তির বিবর্তনের কোনো নিরীহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়; এটি মূলত সত্যের চিরন্তন ধারণার ওপর এক সুপরিকল্পিত ও প্রাতিষ্ঠানিক আঘাত। আমরা যদি এখনই সামষ্টিক বুদ্ধিমত্তা, কঠোর আইনি কাঠামো এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা দিয়ে এই ইনফোডেমিক বা তথ্যের মহামারীকে রুখে দিতে না পারি, তবে অদূর ভবিষ্যতে মানবসভ্যতা এক অন্ধকার যুগে প্রবেশ করবে- যেখানে সত্য হবে আপেক্ষিক আর মিথ্যা হবে সর্বজনীন। সত্য ও মিথ্যার এই যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সত্যের পক্ষে লড়াই করাটা আজ কেবল কোনো নৈতিক দায়িত্ব নয় বরং এই ডিজিটাল মহাবিশ্বে আমাদের মানবিক অস্তিত্ব, বিবেক ও চিন্তার স্বাধীনতাকে টিকিয়ে রাখার এক চূড়ান্ত ও অনিবার্য সংগ্রাম।লেখক: সাংবাদিক ও কলাম লেখক।

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

লাবনী সিদ্দিকী, ঢাকা:রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি। একই সঙ্গে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের তৎপরতা, মাদক, জমি দখল এবং আবাসিক হোটেলগুলোতে অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিগত একটি ফ্যাসিস্ট সরকার এই রাষ্ট্রটি ভোগদখল করে রেখেছিল। তারা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, জনগণের ওপর জুলুম ও নির্যাতন চালিয়েছে। শুধু তাই নয়, ব্যাপক দুর্নীতি করে দেশের টাকা বিদেশে পাচার করেছে। সেই অন্ধকার অবস্থা থেকে আজ জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকার গঠিত হয়েছে। দেশের এই নতুন পরিস্থিতিতে আমাদের আন্তরিকতা ও চেষ্টার কোনো কমতি নেই। রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে প্রশাসনের সকলে মিলে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটানো সম্ভব হবে।ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকার আশপাশের এলাকাগুলোতে আমাদের আলাদাভাবে নজরদারি রাখতে হবে। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের অনেকে বর্তমানে ঢাকা সিটিতে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছে। তারা যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে অত্যন্ত সজাগ থাকতে হবে।’রাজধানী ও আশপাশের অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধে এখন একটি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ, পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন এবং জেলা সিভিল সার্জন। এছাড়া বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি, স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।মাদক ও জমি দখলের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এসব অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আবাসিক হোটেল, গেস্টহাউস ও অন্যান্য স্থানে অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত তদারকি জোরদারেরও আহ্বান জানান তিনি।ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামি তিন মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা রাষ্ট্রের চাকরি করেন। তাই রাষ্ট্রকে কীভাবে আরও ভালো রাখা যায়, সে বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে জনগণের কল্যাণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই প্রশাসনের সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা উচিত।’

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এ সপ্তাহের রাশিফল

এ সপ্তাহের রাশিফল

দৃষ্টি নিউজ:সাফল্য লাভের জন্য কর্ম যথেষ্ট নয়। দরকার সঠিক কর্মকৌশল, সহনশীলতা এবং কিছু বিষয়ে সচেতনতা। আর তাতেই আপনি জীবনের প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত চাওয়াকে পাওয়ায় রূপান্তর করতে পারবেন। পাশ্চাত্য রাশিচক্রমতে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের নানা বিষয়ের শুভাশুভ পূর্বাভাস ও সতর্কতা জানাচ্ছেন জ্যোতিষশাস্ত্রী ড. চিন্ময় চৌধুরী মিথুন-মেষ রাশি (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল): যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষেত্রে ধীরস্থির থাকা খুব প্রয়োজন। ধৈর্য ও একগ্রতা বৃদ্ধি করুন। স্বাস্থ্যে মনোযোগী হোন। পারিবারি বিষয়ে ধৈর্য রাখতে হবে। কর্মপরিবেশে অস্থিরতা থাকতে পারে। যানবাহন চলাচলে সাবধান থাকুন। রিসার্চ রিলেটেড বিষয় নিয়ে যথেষ্ট সফলতা আসবে। ভ্রমণজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে।বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল - ২১ মে): পেশাগত কাজে সাফল্য পাবেন। আর্থিক বিষয় নিয়ে মনোযোগী হোন। তথ্যগত ত্রুটি থাকতে পারে। কেউ কেউ শারীরিক অসুস্থতাজনিত সমস্যায় ভুগতে পারেন। দাম্পত্য জীবনে যথেষ্ট সমঝোতা দরকার। বিনোদন ও সৃজনশীল কাজে সফলতা পাবেন। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সফলতা আসবে।মিথুন রাশি ‌(২২ মে - ২১ জুন): মানসিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে লাভবান হওয়ার সম্ভবনা আছে। যানবাহন চলাচলে সাবধান থাকুন। শারীরিক ও মানসিক দিকে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করার চেষ্টা করুন। দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবনে মতানৈক্য এড়িয়ে চলুন। ভ্রমণ শুভ।কর্কট রাশি (২২ জুন - ২৩ জুলাই): প্রচেষ্টার সফল বাস্তবায়ন দেখবেন। সামাজিক ব্যস্ততা বাড়বে। পেশাগত কাজে ভ্রমণ হতে পারে। আকস্মিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আর্থিক লেনদেন ও বিনিয়োগে সাবধান থাকুন। সৃজনশীল কাজে সফলতা পাবেন।পারিবারিক শান্তি-শৃঙ্খলা কিছুটা বিঘ্নিত হতে পারে। রোমান্টিক সম্পর্কে সমঝোতা দরকার।সিংহ রাশি ‌‌(২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট): ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য প্রশংসিত হবেন। আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। রোমান্টিক যোগাযোগ শুভ। যেকোনো চুক্তি সম্পাদন করার জন্য বেশ সম্ভাবনাময় সময়। প্রতিযোগিতামূক কাজে যুক্তদের জন্য বেশ ভালো সময়। বৈদেশিক সূত্রে লাভবান হতে পারেন। শত্রু সম্পর্কে সচেতন হোন।কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট - ২৩ সেপ্টেম্বর): রাগ জেদ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। পেশাগত কাজে জটিলতা এড়িয়ে চলুন। শত্রু সম্পর্কে সচেতন হোন। যানবাহন চলাচলে সাবধান থাকুন। খাদ্য নির্বাচনে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। জীবনসঙ্গীর অসুস্থতা আপনাকে বিচলিত করতে পারে।তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর - ২৩ অক্টোবর): শারীরিকভাবে বিশেষ খেয়াল রাখার চেষ্টা করুন। আর্থিক বিষয় নিয়ে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। কিছু বিষয়ে সাহসী পদক্ষেপ নিলে সফল হবেন। প্রেমে বা রোমান্টিক বিষয়ে মান অভিমান চলবে। গৃহ পরিবেশ আপনার অনুকূলে নাও থাকতে পারে। ভ্রমণ শুভ।বৃশ্চিক রাশি (২৪ অক্টোবর - ২২ নভেম্বর): জেদের কারণে পারিবারিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। প্রিয়জনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা কঠিন হবে। আপনার চিন্তাভাবনার বাস্তব প্রতিফলন হবে। সহকর্মীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করুন। আর্থিক বিষয় শুভ। রোমান্টিক সম্পর্কে সমঝোতা দরকার।ধনু রাশি (২৩ নভেম্বর - ২১ ডিসেম্বর): পেশাগত ও ব্যবসায়িক বিষয়ে সফলতা আসবে।আবেগ সংযত রাখার চেষ্টা করুন। নিজ পরিমণ্ডলে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করুন। আর্থিক যোগাযোগ শুভ। ভ্রমণ শুভ। আর্থিক লেনদেনে খুব সাবধানে থাকবেন। কোনো চুক্তি সম্পাদন করার জন্য মনোযোগ বৃদ্ধি করুন।মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর - ২০ জানুয়ারি): অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। স্পষ্ট কথা বলার জন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে মনোযোগী হোন। সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। আর্থিক লেনদেনে সতর্ক থাকুন। যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারে সতর্ক হোন। ভ্রমণ শুভ।কুম্ভ রাশি ‌‌(২১ জানুয়ারি - ১৮ ফেব্রুয়ারি): আবেগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি করুন। আনন্দ ভ্রমণ হতে পারে। কোনো ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন। আর্থিক দিক থেকে ভালো থাকবেন। রোমান্টিক যোগাযোগ শুভ।মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি - ২০ মার্চ): মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। নিজ কাজ ও দায়িত্ব সম্পর্কে আন্তরিক থাকার চেষ্টা করুন। নিজের ব্যক্তিগত বিষয় অন্যের সঙ্গে আলাপ করবেন না। রোমান্টিক সম্পর্কে দৃঢ়তা প্রয়োজন। ভ্রমণ শুভ।

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বশরীরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রতিমন্ত্রী টুকু

ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বশরীরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৃষ্টি রিপোর্ট:প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনের পর টাঙ্গাইলে সচেতনতামূলক র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালের আঙিনা নিজ হাতে পরিষ্কার করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নিজে ঝাড়ু হাতে নিয়ে এই মহতী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা নিজ হাতে পরিষ্কার করেন। একই সঙ্গে তিনি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস এবং অপ্রয়োজনীয় পানি জমার স্থানগুলো পরিষ্কার করার কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেন। এ সময় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।এর আগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি বের করা হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেয়।পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ সময়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর একটি হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা কিংবা যেকোনো স্থানে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। নিজ নিজ বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে সফল করতে সারা দেশে একই সঙ্গে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি নিজেরাও যদি যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করি, তাহলে এডিস মশার বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।এ সময় জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আব্দুল কুদ্দুছ, জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলে টাইমস অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

টাঙ্গাইলে টাইমস অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় দৈনিক ‘ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ’ এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। টাইমস অব বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহবুব হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. সেলিম মিঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক পূর্বাকাশ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান মোহাম্মদ খালেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য জোটের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ এর জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন সুমন ও গ্লোবাল টেলিভিশন এর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি রুমি আক্তার পলি।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সাংবাদিকতা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানিত পেশা। তারা সমাজ ও দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। দেশ ও জাতির উন্নয়নে রাজনীতিবিদদের যেমন ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়, তেমনি সাংবাদিকরাও দিন-রাত দায়িত্ব পালন করেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংবাদমাধ্যমের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে পাঠকের বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস ধরে রাখতে হলে তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ, সব পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরা এবং কোনো ধরনের পক্ষপাত এড়িয়ে চলা জরুরি। পরিবর্তিত সময়ে পাঠকের চাহিদা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টাইমস অব বাংলাদেশ আরও শক্তিশালী সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।তিনি বলেন, টাইমস অব বাংলাদেশ পত্রিকাটি আমি নিয়মিত পড়ি। পত্রিকাটির মেকআপ, গেটআপ ও গ্রাফিক্স ডিজাইন অন্য পত্রিকার চেয়ে ব্যতিক্রম। এক বছরে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পত্রিকাটি পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আগামী দিনে টাইমস অব বাংলাদেশ বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।টাইমস অব বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নাহিদ হোসেন বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে এক বছরে টাইমস অব বাংলাদেশ দল মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণির পাঠকদের কাছে ইতোমধ্যে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। পত্রিকাটির মেকআপ, গেটআপ ও গ্রাফিক্স ডিজাইন ইতিমধ্যে পাঠকদের কাছে যথেষ্ট সারা ফেলেছে। বর্তমানে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ডিএফপির তালিকাভুক্ত তৃতীয় নম্বরে অবস্থান করছে টাইমস অব বাংলাদেশ।আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি সকল অতিথিদের সাথে নিয়ে পত্রিকাটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন।

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

টাঙ্গাইলে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে অসহায় দুস্থ, গরীব মানুষ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। যবুধবার(৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ১৩৯ জন সুবিধাভোগীর মাঝে ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। সুবিধাভোগীদের মধ্যে অসহায় ও দুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা এবং গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য এই অর্থ প্রদান করা হয়।টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শামছুন নাহার স্বপ্না।প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির বলেন, ‘জেলা পরিষদ সবসময়ই সাধারণ এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। মেধা বিকাশ ও দুস্থদের চিকিৎসায় এই অনুদান সামান্য হলেও তাদের জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’ জেলা পরিষদের এই ধরনের মানবিক ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপকারভোগী ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে বুধবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের মেইনে রোডে অবস্থিত মা ও শিশু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির।

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিম-মাংসের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু

ডিম-মাংসের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু

লাবনী সিদ্দিকী, ঢাকা:কৃষির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের পোল্ট্রি খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি। একই সঙ্গে প্রান্তিক খামারিদের মুরগি ও ডিমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, উৎপাদন বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ডিম ও মুরগির মাংসের দাম রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (BPICC)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, পোল্ট্রি খাতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মান নিশ্চিত করতে হবে। খামারিরা যেন তাদের উৎপাদিত ডিম ও মুরগির ন্যায্যমূল্য পান, আবার সাধারণ মানুষও যেন সাশ্রয়ী মূল্যে ভালো মানের ডিম ও মাংস কিনতে পারেন, সে বিষয়টি সমন্বয় করে এগোতে হবে।তিনি বলেন, ডিম ও মুরগির মাংসের উৎপাদন বাড়ানো গেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং এর ফলে দামও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে। তাই উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে পোল্ট্রি খাতে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং ডিম, মাংস ও পোল্ট্রি ফিডের মান নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, খামারি ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে কাজ করলে এ খাত আরও শক্তিশালী হবে। দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ও মানসম্মত আমিষের জোগান নিশ্চিত করতে পোল্ট্রি খাতের উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (FIAB) ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (BPICC)-এর সভাপতি মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (BAB)-এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান, FIAB-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আহসানউজ্জামান, WPSA-BB-এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, BPICC-এর সচিব এটিএম মোস্তফা কামাল এবং নরিশ (Nourish)-এর পরিচালক রফিকুল ইসলাম (বাবু)সহ পোল্ট্রি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ

প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ

দৃষ্টি নিউজ:টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরেরর বটতলাস্থ প্রিমিওপ্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির। প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সুমাইয়া মমিন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী শামসুন্নাহার স্বপ্না, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত।অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসাদুল আখতার শামীম, সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও প্রথমআলোর প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিনিধি ইফতেখারুল অনুপম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল ও নাহার চাকলাদার।প্রধান অতিথি জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির বলেন, সাংবাদিকরা লেখনির মাধ্যমে সমাজকে পথ দেখায়। সমাজের সকল প্রকার অসঙ্গতি তুলে ধরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত আধুনিক টাঙ্গাইল গড়তে সাংবাদিক ভাইরা বিশেষ ভূমিকা রাখবে।তিনি বলেন, গুজব সব সময় মানুষের অকল্যাণ বয়ে আনে, গুজব প্রতিহত করতে স্ব স্ব অবস্থান থেকে সবারই সোচ্চার হতে হবে।পরে প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমসে বিজয়ী ও বিজিতদের মাঝে অতিথিরা পুরষ্কার তুলে দেন।

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেলদুয়ারে পুকুর থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

দেলদুয়ারে পুকুর থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

দেলদুয়ার প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পুকুর থেকে ওহাব মিয়া (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারপাখিয়া গ্রামের জনৈক জনির পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওহাব সদর ইউনিয়নের মাদারকোল গ্রামের মৃত ঘুতু মিয়ার ছেলে। তিনি দির্ঘদিন ধরে উপজেলা খাদ্য গুদামে স্বস্ত্রীক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওহাব মানসিক রোগী ছিলেন। রোববার(৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এরই কোনো এক সময় তিনি পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে থাকতে পারেন।খাদ্য গুদামের ওসি এলএসডি মিরাজুল ইসলাম জানান, রোববার বিকালে নিখোঁজের পর থেকে তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করা হচ্ছিল। তিনি মৃগি রোগী ছিলেন।দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শাখাওয়াত হোসেন জানান, বারপাখিয়ার একটি পুকুরে ভাসমান মরদেহের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : আইসিটি মন্ত্রী

গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : আইসিটি মন্ত্রী

লাবনী সিদ্দিকী, ঢাকা:ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, শুধুমাত্র সংযোগ নয়- গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটিই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। সোমবার(৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত এশিয়া-প্যাসিফিক টেলিকমিউনিটি (APT)-এর ওয়্যারলেস গ্রুপের ৩৭তম সভার (AWG-37) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রায় ১৯১ মিলিয়ন মোবাইল সাবস্ক্রিপশন রয়েছে এবং ১০৮ মিলিয়নের বেশি গ্রাহক ফোরজি সেবা ব্যবহার করছেন। দেশে ৪৯ হাজারের বেশি ফোরজি সাইট, প্রায় ৪৬ হাজার টাওয়ার এবং এক লাখ ৭৩ হাজার কিলোমিটার ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক রয়েছে। শুধু সংযোগ বাড়ানো নয়- গুণগত মান, সাশ্রয়ী মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা ও অর্থবহ কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে AI, সাইবার নিরাপত্তা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও ফাইভজি সহ ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।তিনি বলেন, AWG আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ ওয়্যারলেস প্রযুক্তির প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। তিনি AWG-37-এর আয়োজনের সফলতা কামনা করেন।ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, টেলিযোগাযোগ খাত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তির সুফল নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী নীতি, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এপিটির সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আশা করি, এই সভার মাধ্যমে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল(অব.) মো. এমদাদ উল বারী।এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত AWG-37 সভায় বেতার যোগাযোগ, স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা, উদীয়মান প্রযুক্তি, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা এবং আইনি সীমা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে। সভায় এসব বিষয়ে আঞ্চলিক সুপারিশ প্রণয়ন ও সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে।বাংলাদেশে AWG-37 আয়োজন দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান, কমিশনারবৃন্দ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ এপিটির সেক্রেটারি জেনারেল Dr. Masanori Kondo. এবং এপিটির ওয়ারলেস গ্রুপের সভাপতি Dr. Daejung Kim উপস্থিত ছিলেন।

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত

বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত

আরিফুর রহমান টগর:টাঙ্গাইলে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত, আলোচনা, বিশেষ মোনাজাত ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুছ আয়োজনে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত হয়েছে। দিনব্যাপি আয়োজিত নানা কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য আলোচনায় বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জীবন, মানবিক আদর্শ, নৈতিক শিক্ষা ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা সহ মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও কল্যাণের জন্য মহানবীর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। বুধবার (২৬ আগস্ট) জেলা ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য নানা কর্মসূচিতে দিবসটি পালন হয়।অনুষ্ঠানের মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর দৌহিত্র ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। প্রধান আলোচক ছিলেন সরকারি এমএম আলী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির আল কাদেরী।দিঘুলিয়া পীর (হাজীবাগ দরবার শরীফ) আলহাজ্ব প্রফেসর মো. আব্দুর কুদ্দুস খসরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, অধ্যাপক আলী আশরাফ খান ও ডা. মোহাম্মদ মোরশেদ আলম মাসুদ।অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, করটিয়া আহমেদাবাদ শরীফের পীর আলহাজ্ব শাহ সুফি মোহাম্মদ সাইফুল্লাহিল কাতেয়ী, আহমেদাবাদ দরবার শরীফ গোমযানি-দেলদুয়ারের পীর আলহাজ্ব শাহ সুফি হাফেজ ক্বারী মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ আল আহমদী, টাঙ্গাইল জেলা গাউছিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হাই, সরকারি এমএম আলী কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার আরিফ মাহমুদ, মাহবুবীয়া দায়রা শরীফের পীর আলহাজ্ব ডাক্তার এসএস কাদরী।অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক ছিলেন, আলালপুর মাদ্রাসার সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মাওলানা মো. আব্দুল ওহাব সিরাজী, মাওলানা নজরুল ইসলাম, কাদেরিয়াতে বইয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জালালী, খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, অধ্যাপক মাসুদ আলম খান, অধ্যাপক মো. আব্দুর রহমান, পীরজাদা মো. মনিরুজ্জামান, হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, হাফেজ মাওলানা মুফতি সাইদুল ইসলাম সাঈদ, হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ, হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. শফিউল্লাহ, মাওলানা মো. আল আমিন আহমাদি, মাওলানা মোহাম্মদ ফজর উদ্দিন, পীরজাদা মীর বুলবুল, হাফেজ মাওলানা মো. মিনহাজ উদ্দিন, মাওলানা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মনজুর আল আহমাদি, মৌলভী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা মো. আব্দুল্লাহ সোহেল, হাফেজ মোহাম্মদ ফয়সাল প্রমুখ।বিভিন্ন বয়সী মুসল্লির অংশগ্রহণের জশনে জুলুছ শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে শুরু হয়ে নিরালার মোড়, ভিক্টোরিয়া রোড, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, হবিবুর রহমান প্লাজা, রেজিস্ট্রি পাড়া রোড, ঢাকা ক্লিনিক ও প্রেসক্লাব সম্মুখ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।জশনে জুলুছে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন আর নবীপ্রেমী মুসল্লিদের উচ্চারিত স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো। এতে বিভিন্ন দরবার শরীফের পীর-মাশায়েখ, আলেম-ওলামা, শিক্ষক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বসহ বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন।

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এ সপ্তাহের রাশিফল

এ সপ্তাহের রাশিফল

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬