সংগঠন / প্রতিষ্ঠান
টাঙ্গাইলে নিহত বাস মালিকদের পরিবারকে অনুদান ও সম্মাননা প্রদান
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে নিহত হওয়া বাস-মিনিবাস মালিকদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার(৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল বাস টার্মিনাল ভবনে জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির উদ্যোগে ১৪ জন নিহতের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান খান শফিকের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, বাস মিনিবাস মালিক সমিতির যুগ্ম-আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম ঝলক, সৈয়দ জাদিদুল হক জাদিদ, সদস্য সচিব নিলুফা ইয়াসমিন খান, সাবেক প্যানেল মেয়র মোমিনুল হক খান নিক্সন, বাস কোচ মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক লাভলু, ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শামসুল আলম প্রমুখ।এসময় প্রয়াত বাস মিনিবাস মালিকদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন বাস মিনিবাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
০৭ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলে ভাষা কর্মশালা ও পুরষ্কার বিতরণ
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের প্রকাশনা সংস্থা ছায়ানীড়ের উদ্যোগে ‘ভাষা কর্মশালা ও পুরষ্কার বিতরণ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(৭ আগস্ট) টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- বিশিষ্ট আইনজীবী, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক ব্যারিস্টার গোলাম নবী। টাঙ্গাইলের সরকারি এমএম আলী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আল মামুন জুয়েল, সমাজসেবী জয়িতা লুৎফা আক্তার মিতা, কবি ও সংগঠক বেগম রোকেয়া ইসলাম, শিক্ষক ও লেখক মাসুদা সুলতানা।কর্মশালার মূল আলোচক ছিলেন ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। এসময় টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল এবং নজরুল গবেষক ও আইনজীবী আল রুহী সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাহিত্যপ্রেমী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
০৭ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। বুধবার(৫ আগস্ট) দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল- জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদদের স্মরণে নিরবতা পালন, হেলিপ্যাডে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ অর্পণ, র্যালি, আলোচনা সভা, জুলাই শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, মোনাজাত ইত্যাদি। এদিন সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরে জেলা সদরের হেলিপ্যাডে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ অর্পণ, জুলাই শহীদদের স্মরণে নিরবতা পালন ও মোনাজাত শেষে র্যালি নিয়ে শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ প্রতি মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ। এছাড়া আলোচনা সভায় প্রায় ৩৫জন জুলাইযোদ্ধা বক্তব্য রাখেন।ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ, বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মোনাজাত ও শিক্ষার্থীদের হলসমূহে বিশেষ খাবারের আয়োজন ইত্যাদি।কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য(প্রো-ভিসি) অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
০৫ আগস্ট ২০২৬
মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা ও আর্থিক অনুদান বেড়েছে
দৃষ্টি নিউজ:বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক সম্মানি ভাতা ও বিভিন্ন আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের মাসিক সম্মানি ভাতা, উৎসব ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, মহান বিজয় দিবস এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে প্রদেয় বিশেষ অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এ সুবিধা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সুরক্ষা, সামাজিক মর্যাদা ও কল্যাণ আরও জোরদার করতেই সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।নতুন হার অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ৩০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা পাবেন। এছাড়া তারা উৎসব ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে ২ হাজার টাকা পাবেন। এছাড়া শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্যও মাসিক ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক অনুদানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
০৪ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলে নিসচা’র নয়া কমিটির পরিচিতি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইলে নিরাপদ সড়ক চাই’র(নিসচা) নবগঠিত কার্যবরী কমিটির পরিচিতি সভা ও নিসচা’র চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন সহ অন্যদের সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল পৌরসভা মিলনায়তনে গত ৭ জুলাই ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। নিসচা’র জেলা কমিটির সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বাচ্চুর সভাপতিত্বে পরিচিতি সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের সভাপতি, আকিবুর রহমান ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রিপন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম তরফদার। সঞ্চালনা করেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদুল আলম তালুকদার। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতিমুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান খোসনবীশ, নাজমুস সালেহীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক আকবর আলী খান প্রমুখ। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার মাসুম ফেরদৌস।
১২ জুলাই ২০২৬
ঘাটাইলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচিতদের পরিচিতি সভা
ঘাটাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে ঘাটাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নব-নির্বাচিত কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে একইসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এককালীন ভাতা প্রদান উপস্থিত শিক্ষক সমাজের মধ্যে আনন্দের হিল্লোল তৈরি করে। শনিবার(২৭ জুন) সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির। ঘাটাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. হুমায়ুন খালিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাইয়ুম তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্যাহ সরকার, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মো. মোজাহারুল ইসলাম মাজহার, সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনার রশিদ। অন্যদের মধ্যে কক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল পৌর সভার সাবেক মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ মিয়া, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জহুরুল হক শামীম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর রহমান শাহীন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার ও পেশাগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ঘাটাইল উপজেলার নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দও শিক্ষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। পরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে এককালীন ভাতার চেক তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা এসব শিক্ষকদের সম্মাননা ও ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। ওই সভায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
২৭ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলে শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইলে বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে দুই দফা দাবি বাস্থবায়নের লক্ষে পূর্ণ কর্মবিরতি (ধর্মঘট) পালনের প্রস্তুতি সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার(২৭ জুন) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। পরে তারা দাবি আদায়ে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। টাঙ্গাইল জেলা শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চন্দ্র পাল (বিকে পাল), সহ-সভাপতি মোস্তফা মিয়া, যুগ্ম-সম্পাদক মো. নোমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কার্য নির্বাহীর সদস্য আলেয়া আক্তার প্রমুখ। সভায় আগামি ৬ জুলাই দেশব্যাপী পূর্ণ কর্মবিরতি (ধর্মঘট) কর্মসূচি পালনের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করে সকলকে ওই কর্মসূচি পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়। ওই কর্মসূচিতে জেলার ১২টি উপজেলা শাখা ডাকঘরের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ জুন ২০২৬
বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদের জায়গা হবেনা :: প্রতিমন্ত্রী টুকু
দৃষ্টি রিপোর্ট: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদের জায়গা হবেনা। আগামি দিনে ফ্যাসিবাদ যাতে মাথাচারা দিয়ে উঠতে না পারে সেলক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শনিবার(২০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নিকট অতীতে আমরা একসাথে আন্দোলন করেছি, ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ হটিয়েছি। আগামির সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতা নিয়েছে মাত্র তিন মাস। জনগণ পাঁচ বছরের জন্য ভোট দিয়েছে। পাঁচ বছর পর আবার ভোট হবে। ক্ষমতার পাঁচ বছরে আমরা কী করলাম আর না করলাম তার হিসাব কিন্তু জনগনকে দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ আলোচক ছিলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দৌহিত্র ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদৎ-আল-হারুন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ। আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
২০ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ
দৃষ্টি রিপোর্ট: বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘সবুজ পৃথিবী’। বুধবার (১০ জুন) দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ এবং লৌহজং নদীর তীরে বৃক্ষরোপণ করা হয়। এদিন সকালে টাঙ্গাইল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। সবুজ পৃথিবীর প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক সহিদ মাহমুদের সভাপতিত্বে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, শাপলা ইউনিভার্সাল সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আমির হোসেন বাবু। অনুষ্ঠানে বিশেষ ছিলেন, উবিনীগ টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক রবিউল ইসলাম চুন্নু, সবুজ পৃথিবী ধামরাই শাখার সভাপতি সাইদ আল মামুন, টাঙ্গাইল শাখার যুগ্ম-সম্পাদক এরফানুজ্জামান রুনু, মীর শামীমুল আলম, হাসান আহমেদ, সবুজ পৃথিবীর পরিচালক শারমিন আলম, জাফলং সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাপা টাঙ্গাইল শাখার যুগ্ম-সম্পাদক একদিল হোসেন, আলীম আল রাজী তুষার প্রমুখ। এ সময় সবুজ পৃথিবীর সদস্য ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা পথচারী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ তুলে দেন। চারা বিতরণের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বাড়ির আশপাশে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। শহীদ মিনারের কর্মসূচি শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও পরিবেশকর্মীরা কাগমারী ব্রিজের পশ্চিম পাশে লৌহজং নদীর তীর সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করেন।
১০ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ছাতা ও মাস্ক বিতরণ
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইলে তীব্র তাপপ্রবাহে সাধারণ মানুষের বিপর্যস্ত জীবনযাত্রায় স্বস্তি আনতে সোমবার (৮ জুন) সকালে খেটে খাওয়া ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মাঝে ছাতা, বিশুদ্ধ পানি ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির টাঙ্গাইল ইউনিটের উদ্যোগে জেলা পরিষদের সামনে ওই পণ্য বিতরণের উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও টাঙ্গাইল রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক শাহিন, ভাইস চেয়ারম্যান সাদিকুল আলম খোকা, নির্বাহী সদস্য শাহিন আকন্দ, শামসুর রহমান চৌধুরী শিবলু, মনোনীত সদস্য আসলাম, জেলা মহিলাদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ করিম প্রমুখ। এ সময় তাপ প্রবাহের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ছাতা, বিশুদ্ধ পানি, হাতপাখা ও মাক্স বিতরণ করা হয়।
০৮ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলে আইইবি’র কার্যক্রম গতিশীলে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
দৃষ্টি রিপোর্ট: দেশের পেশাজীবী প্রকৌশলীদের শীর্ষ সংগঠন ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের টাঙ্গাইল সাব-সেন্টারের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নে জেলার প্রকৌশলীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, আইইবি’র অন্যতম ভাইস প্রেসিডেন্ট(একাডেমিক ও আন্তর্জাতিক) খান মঞ্জুর মোর্শেদ। টাঙ্গাইল এলজিইডি ভবনের কামরুল হাসান সিদ্দিক অডিটরিয়ামে বৃহস্পতিবার(৪ জুন) অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, আইইবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট(এইচআরডি) প্রকৌশলী শেখ আল আমিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট(এস অ্যান্ড ডব্লিউ) প্রকৌশলী নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট(প্রশাসন ও অর্থ) প্রকৌশলী এটিএম তানভির ইল হাসান তমাল, সার্ভিসেস অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার-এইচএজিএস (প্রশাসন ও অর্থ) প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল, সার্ভিসেস অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার-এইচএজিএস(এস অ্যান্ড ডব্লিউ) প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ ওসমানী। টাঙ্গাইল সাব সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাজমুল হক খানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল পিডিবি’র সুপারিনটেন্ডেন্ট প্রকৌশলী মো. ওবায়দুল ইসলাম, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সিনথিয়া আজমেরী খান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রাইসুল ইসলাম, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভুরাম পাল, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মো. ইসতিয়াক ইকবাল হিমেল প্রমুখ। সভায় টাঙ্গাইল সাব-সেন্টারের সাংগঠনিক তৎপরতা সম্প্রসারণ, প্রকৌশলীদের সুবিধা-অসুবিধা ও প্রকৌশলীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ানোর বিষয়ে সার্বিক করণীয় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ সময় জেলার সকল দপ্তর-অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী(এসডিই) এবং বেসরকারি পর্যায়ের সকল সেক্টরের প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
০৬ জুন ২০২৬
যমুনার ভাঙন রোধে অচিরেই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ শুরু হবে :: পানিসম্পদ মন্ত্রী
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে অচিরেই স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলি এলাকার নদীভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন শেষে নদীতীরবর্তী মিন্টু মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভাঙন কবলিত মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেন, টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর বামতীরে ভাঙন কবলিত এলাকাগুলো সুরক্ষায় প্রায় ৫০কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং জনগণের স্বার্থে আগামি অর্থবছর থেকে যমুনা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ শুরু করা হবে। তিনি বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। যমুনার ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যেই নিজে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছেন। যমুনা নদীর ভাঙনে প্রতিবছর নদীতীরের অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ দুর্ভোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেন, আমরা যা বলি তাই করি। নির্বাচনের আগে যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম- সরকার তা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি এ অঞ্চলের উন্নয়নে সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহজাহান সিরাজ, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী এবং ভাঙন কবলিত এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
২২ মে ২০২৬
অবৈধ উপায়ে আসা পশুর কোরবানি কতটা সমীচীন? :: প্রতিমন্ত্রী টুকু
দৃষ্টি রিপোর্ট: অবৈধভাবে আসা পশু ক্রয় করে কোরবানি দেওয়া কতটা সমীচীন প্রশ্ন করে এ বিষয়ে ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত ‘কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় (মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম) বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, অবৈধভাবে আসা পশু ক্রয় করে কোরবানি দেওয়া কতটা সমীচীন, এ বিষয়ে ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে সচেতনতা তৈরি প্রয়োজন। প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু ক্রয় ও ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বৃদ্ধি, দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা এবং চামড়া সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। তিনি বলেন, দেশে কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি থাকা সত্ত্বেও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অবৈধ বা চোরাই পথে পশু প্রবেশের ঘটনা ঘটে। তিনি দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় জনগণকে অবৈধভাবে আসা পশু বর্জনের আহ্বান জানান। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে সমস্যা হিসেবে নয়, সম্পদ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। যুবসমাজকে দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। বিএনপির প্রচার সম্পাদক টুকু বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। দেশীয় উৎপাদন, খামারি ও জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিচালক ডা. বেগম শামছুননাহার আহম্মদ, পরিচালক ড. এবিএম খালেদুজ্জামান। কর্মশালায় মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
২১ মে ২০২৬
পরিবহন মালিকদের সমিতি বিএনপির দখলে!
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় পরিবহন খাত নিয়ন্ত্রণ করতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান ও পৌর বিএনপির সভাপতি এসএমএ সোবহানের নেতৃত্বে বাস-কোচ-মিনিবাস মালিক সমিতির কার্যালয়ে তালা ঝুঁলিয়ে দখলে নেওয়া হয়েছে! তারা ধানবাড়ী বাসস্ট্যান্ড ও বিনিময় পরিবহনের তিনটি বাসও দখল করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির ওই দুই নেতা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার করে ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড ও পরিবহন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। তারা মালিক সমিতির কার্যালয়ে তালা ঝুঁলিয়ে ব্যক্তি উদ্যোগে একটি পকেট কমিটি গঠন করে পরিবহন খাত পরিচালনা করছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ২২ জন মালিকের যৌথ মালিকানায় পরিচালিত ‘বিনিময় পরিবহন’ -এর তিনটি বাসও জোরপূর্বক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন উপজেলা ও পৌর বিএরনপির সভাপতিদ্বয়। বর্তমানে ওই বাসগুলোর আয়ের পুরো অর্থ তারা নিজেরা নিচ্ছেন। ফলে প্রকৃত মালিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কয়েকজন মালিক দাবি করেন, বাস মালিক শামসুল আলম ও লিটনের উপর হামলা চালিয়ে পড়ে তাদের সান্ত্বনাও দেন। পরিবহন পরিচালনায় অবৈধ নিয়ন্ত্রণ ও বাঁধা দিলে তাদের মারধর ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ফলে তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। হামলার শিকার বাস মালিক শামসুল আলম জানান, প্রতিবাদ করায় তার উপর হামলা করা হয়। আবার বিএনপির কয়েক নেতা শান্তনাও দেন। তারা যৌথভাবে বাস কিনেছেন। এখন বাসের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব পাচ্ছেন না। সবকিছু জোর করে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান জানান, তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি কখনো ওই তিন বাস দেখেন নাই এবং জানেনও না। তবে মালিকদের মধ্যে একটা সমস্যা হয়েছিল- সেটা মিমাংসা করার জন্য কয়েকবার উভয়পক্ষকে নোটিশ দিয়ে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনো পক্ষই আসেননি।
২০ মে ২০২৬
ঈদযাত্রায় যমুনাসেতুর ‘বটলনেক’ মহাসড়কে জটের শঙ্কা
মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল: ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসতেই যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৩ জেলার মানুষের ঘরমুখী যাত্রা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ফোর লেনের চওড়া রাস্তা দিয়ে যানবাহনগুলো দ্রুত চলে এলেও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায়ই যানজট লেগে থাকে। এ মহসড়কে যানজটের আসল নেপথ্য কারণ- যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে ওয়ানওয়ে (একমুখী) যাতায়াত ব্যবস্থা। ফোর লেনের বিপুল সংখ্যক গাড়ির চাপ যমুনা সেতুর সরু ওয়ানওয়ে সামলাতে পারেনা। ফলে প্রতি বছরই ঈদ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এবারও ঈদুল আযহায় যমুনাসেতুর ‘বটলনেক’ এর কারণে ভোগান্তি বাড়াবে। মহাসড়কে যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যমুনাসেতু প্রশস্তকরণ বা দ্বিতীয় যমুনাসেতু নির্মাণের দাবি ক্রমশ: জোরদার হচ্ছে। জানাগেছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই মহাসড়কে জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেনের কাজ শেষ হওয়ায় গাড়িগুলো নির্বিঘ্নে চলে আসে। কিন্তু এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার অংশে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ এখনও শেষ হয়নি। এই অংশের কাজের অগ্রগতি মাত্র ৮০ শতাংশ। ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস এবং সার্ভিস লেনের কাজ চলমান থাকায় রাস্তা এমনিতেই সংকুচিত। এর ওপর যমুনা সেতুতে দুই দিকে একই সাথে গাড়ি চলাচলের পর্যাপ্ত লেনের অভাব বা ওয়ানওয়ে যাতায়াতের কারণে ফোর লেনের গতিশীল গাড়িগুলো সেতুর প্রবেশমুখে এসে আটকে যাচ্ছে। এই অতিরিক্ত গাড়ির চাপ নেওয়ার ক্ষমতা সেতুর না থাকায় পেছনের সাড়ে ১৩ কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। কখনো কখনো তা ৪০ কিমি পর্যন্ত দীর্ঘ হয়। চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং তদারকির অভাবেই এই অংশের কাজ দীর্ঘদিনেও শেষ হয়নি। এদিকে, ঈদুল আযহায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যানজট নিরসনে রোববার(১৭ মে) বিকালে টাঙ্গাইলে জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান, যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন, বিআরটিএ টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক শেখ মাহতাব উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানায়, যমুনা সেতুর ওয়ানওয়ে যাতায়াতের এই ‘বটলনেকে’র কারণে টাঙ্গাইল অংশে প্রতিবছরই যানজট হয়। বরাবরের মতো এবারও নানা কারণে মহাসড়কের ১৩টি নির্দিষ্ট স্পটে সবচেয়ে বেশি যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- যমুনা সেতু, যমুনা সেতু গোলচত্বর, জোকার চর, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, এলেঙ্গা-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সংযোগসড়ক, এলেঙ্গা-ভূঞাপুর আঞ্চলিক সংযোগসড়ক, ঘারিন্দা ওভার ব্রিজ, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস, করটিয়া বাইপাস, পাকুল্ল্যা, মির্জাপুর শহরের আঞ্চলিক সড়ক, মির্জাপুরের হাটুভাঙ্গা। জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ প্রশাসন বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা ও বিকল্প রুটের কথাও ভাবছে। এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে যানজট এড়াতে কিছু গাড়িকে ভূঞাপুর হয়ে আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে যমুনা সেতু গোল চত্বরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে। ঈদ যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে হলে সেতু পারাপারে বিশেষ ট্রাফিক সমন্বয় এবং হাইওয়ে পুলিশের ২৪ ঘণ্টা কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। সেতু সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, সিদ্দিক হোসেন, তুলা মিয়া, আজমত আলী, রঘুনাথ শীল, পিযুস কান্তি সাহা, হাজী শরিফুল ইসলাম সহ অনেকেই জানায়, প্রতিবছর ঈদের আগে ও পরে বিভিন্ন স্পটে যত্রতত্র যানবাহন পার্কিং, মহাসড়কে লক্কর-ঝক্কর মার্কা গাড়ি নামানো এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে যাত্রী ওঠানামা করায় যানজট হয়। যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হলে সেতুর ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যায়। তাই যমুনাসেতু ওয়ানওয়ে হওয়ায় সেতুর প্রশস্ততা বাড়ানো বা দ্বিতীয় যমুনাসেতু নির্মাণের দাবি এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। তারা জানায়, মহাসড়কে যানজটের প্রধান কারণ হলো ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি গাড়ি চলাচল করা। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ১০-১২ হাজার যানবাহন চলাচল করে। ঈদের সময় তা বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তাছাড়া অতিরিক্ত গাড়ির চাপের মধ্যে ফিটনেসবিহীন লক্কর-ঝক্কর কোনো গাড়ি বিকল হলে বা দুর্ঘটনা ঘটালে তাৎক্ষণিক মহাসড়কে প্রায় ২০-৩০ বা ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত যানজট লেগে যায়। কারণ, মহাসড়ক থেকে ওই গাড়ি সরাতেই অন্তত আধা ঘণ্টা সময় নষ্ট হয়। ঈদের সময়ে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে যেন কোনোভাবেই ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল করতে না পারে- তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মহাসড়কের পাশে বসবাসে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে তারা জানান, নির্দিষ্ট কিছু স্পট দিয়ে হঠাৎ বড় রাস্তায় ছোট ছোট যানবাহন উঠে পড়ে- যা যানজট সৃষ্টি করে। এদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এছাড়া কোরবানির ঈদের সময় মহাসড়কের বিভিন্ন স্পটে ট্রাকে গরু ওঠানামা করানো হয়। মহাসড়কে চলাচলকারী গাড়ি চালক আব্দুল লতিফ, রাসেল আহাম্মেদ, হাসু মিয়া, রাকিব হোসেন সহ অনেকেই জানান, সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো একযোগে ছুটি হলে সবাই একসঙ্গে ঢাকা ছাড়তে মরিয়া হয়ে ওঠে। ফলে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৩টি জেলার যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ একবারে এই মহাসড়কে এসে পড়ে। ঈদের মাত্র দুই-একদিন আগে হঠাৎ সব ছুটি একসঙ্গে ঘোষণা করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। সবার মাঝে আগে বাড়ি ফেরার প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ায় মহাসড়ক স্থবির হয়ে পড়ে। মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনায়েম লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার রবিউল আউয়াল জানান, ঈদযাত্রা উপলক্ষে মহাসড়কের দুই পাশেই ফোর লেনের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাসের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। ঈদযাত্রায় যানবাহন চলাচলের জন্য ফোরলেন সড়কটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে এবার মহাসড়কে কোনো যানজট হবে না। তবে যমুনাসেতুর ‘বটলনেক’ এর কারণে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। বাসেক’র যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, কোরবানির ঈদযাত্রায় যমুনা সেতু দিয়ে কোনো বিরতি ছাড়াই ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক টোল আদায় চালু রাখা হবে। সেতুর দুই প্রান্তেই ৯টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হবে। এর মধ্যে মোটরবাইক চালকদের সুবিধার্থে দুই প্রান্তেই ২টি করে আলাদা বুথ থাকবে। তবে বর্ধিত জনসংখ্যা ও ফোরলেনের মহাসড়কের গাড়ির চাপ যমুনাসেতুর ওয়ানওয়ে নিতে পারছেনা। ফলে যানজট নিরসনের চেষ্টা করেও সফলতা পাওয়া যাচ্ছেনা। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, এবার মহাসড়কে যানজটের কোনো আশঙ্কা নেই। কোরবানির পশুবাহী ট্রাক, পণ্যবাহী গাড়ি এবং ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি রোধে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েণ্টগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়কের পাশে বা আশেপাশে কোনো ধরনের অস্থায়ী গরুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শরীফও পুলিশ সুপারের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, ঈদযাত্রা নিরাপদ ও যানজটমুক্ত রাখতে বিএনপি সরকার দ্বিতীয় যমুনাসেতু নির্মাণের চিন্তা-ভাবনা করছে। উত্তরবঙ্গের এবারের ঈদ যাত্রা যেন স্বস্তিদায়ক ও আরামদায়ক হয় এবং দুর্ঘটনায় যেন কোনো প্রাণহানি না ঘটে- সেজন্য চালক, যাত্রী, পথচারী ও প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি জানান, যানজট নিরসনে সরকার সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে কাজ করবে বিশেষ ‘স্বেচ্ছাসেবী টিম’। মহাসড়ক ও পশুর হাট ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রশাসনকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২০ মে ২০২৬
এপ্রিল মাসের পর্যালোচনায় ৬ পুলিশের শ্রেষ্ঠত্ব লাভ
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এপ্রিল মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সোমবার (১৮ মে) বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, ওয়ারেন্ট তামিল এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সফল ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এপ্রিল মাসের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী। জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে দক্ষ নেতৃত্ব দেওয়ায় তিনি এ স্বীকৃতি অর্জন করেন। একই মাসে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রুহুল আমিন শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। থানার সার্বিক কার্যক্রমে দক্ষতা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রাখায় তিনি এ সম্মাননা লাভ করেন। এছাড়া ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনে বিশেষ অবদান রাখায় টাঙ্গাইল সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ভীক্টর ব্যানার্জী, এসআই রাফিউল করিম এবং এসআই মো. আবুল বাসারকে শ্রেষ্ঠ রহস্য উদঘাটনকারী কর্মকর্তা হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার পরিচয় দেওয়ায় তারা এ স্বীকৃতি পান। অন্যদিকে, অধিক সংখ্যক ওয়ারেন্ট তামিল করে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জন করায় টাঙ্গাইল সদর থানার এএসআই মো. বিপুল ইসলামকে এপ্রিল মাসের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে প্রতিমাসে এ ধরনের মূল্যায়ন ও সম্মাননা প্রদান করা হয়ে থাকে। কর্মকর্তাদের এই অর্জনে সহকর্মীদের মধ্যেও ইতিবাচক কর্মস্পৃহা সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
১৯ মে ২০২৬
নিষিদ্ধ আ’লীগের ১৩ ইউপি চেয়ারম্যান স্বপদে পুনর্বহাল
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময় নির্বাচিত দলীয় চেয়ারম্যানদের স্বপদে পুনর্বহালের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ওই সব ইউনিয়ন পরিষদে ইতোপূর্বে প্রশাসক নিয়োগ বাতিল করে চেয়ারম্যানদের পুনরায় স্বপদে বহালের এই আদেশ দেওয়া হয়। পুনর্বহালের আদেশ পাওয়া ইউপি চেয়ারম্যানদের সবাই উপজেলা আওয়ামী লীগের পদ-পদবীধারী নেতা এবং সদস্য। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মাহফুজুল আলম মাসুমের স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে পুনর্বহালের এ তথ্য জানানো হয়। ঘাটাইল উপজেলার একাধিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। চেয়ারম্যান পুনর্বহাল হওয়া ইউনিয়নগুলো হলো- দেউলাবাড়ি, ঘাটাইল সদর, জামুরিয়া, লোকেরপাড়া, আনেহলা, দিগড়, দেওপাড়া, সন্ধানপুর, রসুলপুর, ধলাপাড়া, সংগ্রামপুর, লক্ষিন্দর এবং সাগরদিঘী। এছাড়া দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মটু সেই সময়ে কারাগারে থাকায় তিনি রিটে অংশ নিতে পারেননি। জানা যায়, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট রিটের আদেশ এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বে জারি করা প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়। বিগত ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর জারি করা স্মারকের মাধ্যমে ঘাটাইল উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরে আদালতের আদেশের আলোকে সে প্রজ্ঞাপন বাতিল করে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের স্বপদে পুণর্বহাল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জামুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হেসটিংস, দেউলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজাত আলি খান ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি। আনেহলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার মোহাম্মদ শাহজাহান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। দিগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন ফনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম শফি, ঘাটাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান হিরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ও সাগরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ বাহারকে ছাত্র-জনতার অন্দোলনের সময় মারধরের ঘটনায় বিগত ২০২৪ সালের (১৩ ডিসেম্বর) আটক হন। পরবর্তীতে জামিনে বের হয়ে তিনি বর্তমানে নিজ এলাকাতেই অবস্থান করছেন। এছাড়া সংগ্রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন বাবু, লক্ষ্মীন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ, সন্ধানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন, দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হেপলু, লোকের পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মিলন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার অনুসারী। সাগরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ বাহার জানান, মহামান্য হাইকোর্টে রিটের প্রেক্ষিতে আজকে পরিপত্র জারি হওয়ায় তারা স্বপদে পুনরায় বহাল হয়েছেন। তারা উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যান আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় কমিশনার তদন্ত করে সঠিক তথ্য পাওয়ায় চেয়ারম্যানদের স্বপদে পুণর্বহাল করার জন্য নির্দেশ দেন। ফলে চিঠিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৮ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলে সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
দৃষ্টি রিপোর্ট: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে যানজট নিরসনে করণীয় নির্ধারনে টাঙ্গাইলে জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার(১৭ মে) বিকালে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ’র উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান, টাঙ্গাইল সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান, বাসেক’র যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন, বিআরটিএ টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক শেখ মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক প্রমুখ। সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। সভায় বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
১৭ মে ২০২৬
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতা
দৃষ্টি রিপোর্ট: বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল আয়োজিত জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতা মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ওই প্রতিযোগিতানুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য(ভিসি) অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। শনিবার(১৬ মে) ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির সহযোগী বাস্তবায়নে দিনব্যাপী প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইঞ্জিনিয়রিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান, সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী। এছাড়া বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল নাসিরসহ অন্যান্য শিক্ষক ও আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কার্যদিবসে দেশের মেধাবী তরুণ শিক্ষার্থীদের এমন একটি জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর আয়োজনে অংশ নিতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। তিনি বলেন, আমি মনে করি, এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সূচনা নয়; বরং এটি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সঙ্গে পথচলার এক অনুপ্রেরণাময় শুরু। আজ আমি যাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি, তোমরাই আগামি দিনের বিজ্ঞানী, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং দেশের নেতৃত্বদানকারী নাগরিক। তিনি আরো বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি ও জ্ঞানই সবচেয়ে বড় শক্তি। যে জাতি প্রযুক্তিতে দক্ষ, সেই জাতিই বিশ্বে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই স্কুল পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের প্রোগ্রামিং, যুক্তিভিত্তিক চিন্তা ও সাধারণ জ্ঞানের চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকাশ, প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় জুনিয়র (৬ষ্ঠ থেকে ৮ম), সেকেন্ডারী (৯ম থেকে ১০ম) ও সিনিয়র একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির গ্রুপে ২৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। কুইজ প্রতিযোগিতায় জুনিয়র (৬ষ্ঠ থেকে ৮ম) ও সিনিয়র (একাদশ থেকে দ্বাদশ) শ্রেণির ১০১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় ৩টি গ্রুপের বিজয়ী ৮ জনকে এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় ২টি গ্রুপের বিজয়ী ২০জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
১৭ মে ২০২৬