লাইফ স্টাইল

এ সপ্তাহের রাশিফল

এ সপ্তাহের রাশিফল

দৃষ্টি নিউজ:সাফল্য লাভের জন্য কর্ম যথেষ্ট নয়। দরকার সঠিক কর্মকৌশল, সহনশীলতা এবং কিছু বিষয়ে সচেতনতা। আর তাতেই আপনি জীবনের প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত চাওয়াকে পাওয়ায় রূপান্তর করতে পারবেন। পাশ্চাত্য রাশিচক্রমতে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের নানা বিষয়ের শুভাশুভ পূর্বাভাস ও সতর্কতা জানাচ্ছেন জ্যোতিষশাস্ত্রী ড. চিন্ময় চৌধুরী মিথুন:-মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল): কোনো সুসংবাদ পেতে পারেন। আটকে থাকা কাজ উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় অর্থলাভ অথবা কোনো বড় চুক্তির মধ্যে যাওয়ার সুযোগ আসতে পারে। এ সপ্তাহটি মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সার্বিকভাবে অত্যন্ত শুভ।বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল-২১ মে): অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সময়টা খুব একটা ভালো নয়। টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিষয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন। প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কোনো শুভ কাজ বা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কাজে না যাওয়াই ভালো। গৃহে অশান্তি অথবা অসুস্থতা লেগে থাকতে পারে।মিথুন রাশি (২২ মে-২১ জুন): যারা চাকরির জন্য আবেদন করেছেন, তাদের সেই কাজ সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি তরফ থেকেও সাহায্য পেতে পারেন। তবে পেটের সমস্যা অথবা মাথাব্যথা এই সময় আপনাদের কষ্ট দিতে পারে।কর্কট রাশি (২২ জুন-২৩ জুলাই): সন্তান সম্পর্কিত বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। সন্তানের শারীরিক অবস্থা এবং শিক্ষার বিষয়েও নজর রাখা প্রয়োজন। তবে ক্যারিয়ার ও অর্থপ্রাপ্তির দিক থেকে সময়টি ভালো যেতে পারে।সিংহ রাশি (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট): কিছুটা টেনশনের মধ্যে কাটতে পারে। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে পরিবারে অশান্তির সম্ভাবনা রয়েছে। গৃহে এবং কর্মক্ষেত্রের বাইরের পরিবেশেও অশান্তিময় পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই এ সপ্তাহে যতটা সম্ভব বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর): ভালো কোনো পদ, প্রমোশন, সুযোগ অথবা নতুন কোনো সম্ভাবনা সামনে আসতে পারে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এতদিন ধরে যে সমস্যাগুলো নিয়ে চলছিলেন, সেগুলোর কিছুটা সুরাহার পথ দেখতে পারেন।তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর): কোথাও অর্থ বিনিয়োগ করবেন না। কারো প্রলোভনে পড়ে অর্থ নষ্ট করবেন না। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শেয়ারে একেবারেই অর্থ বিনিয়োগ না করাই ভালো। অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে কারো সঙ্গে ঝামেলাও হতে পারে। হঠাৎ করে খরচ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বৃশ্চিক রাশি (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর): শারীরিক বিষয় ভালো যাবে। এ সপ্তাহে ভাগ্য খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আটকে থাকা কাজগুলো সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে সেই কাজ সম্পন্ন করতে আপনাদের কিছুটা দৌড়ঝাঁপ করতে হতে পারে।ধনু রাশি (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর): আর্থিক উপার্জনের ক্ষেত্রে মানসিক তৃপ্তি কম থাকবে। অর্থনৈতিক লাভ এবং পদোন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। তীর্থযাত্রার সম্ভাবনাও অত্যন্ত প্রবল। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে বড় সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি): দীর্ঘদিনের আটকে থাকা কাজ এই সময় সম্পন্ন হতে পারে। প্রফেশনাল জীবনের ক্ষেত্রে ভালো সময়। শিক্ষার্থীরদের পড়াশোনার বিষয়ে গভীর মনোযোগ প্রয়োজন। ভূমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সমস্যা থাকতে পারে।কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি): অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে লাভবান হতে পারেন। ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। স্থান পরিবর্তন অথবা নতুন চাকরির সুযোগও আসতে পারে। যারা চাকরি পরিবর্তনের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এই সময়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ): যেকোনো বাধা বিঘ্নকে ইতিবাচক হিসেবে দেখুন। ক্যারিয়ার, বাড়ি এবং কোর্ট-কাছারির বিষয়ের জন্য এই সময়টি ভালো যেতে পারে। অফিসে যথেষ্ট মান-সম্মান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সন্তান অথবা পরিবারের কোনো সদস্যকে নিয়ে সুসংবাদ পেতে পারেন।

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন বাধ্যতামূলক

হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন বাধ্যতামূলক

দৃষ্টি নিউজ:আগামী বছরের (২০২৭ সালের) ৩১ জানুয়ারি মধ্যে দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেশের সব উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদেরকে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর)।চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি হাট ও বাজারের স্থায়ী শেড এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিভিন্ন বাজারে নির্মিত চার-পাঁচতলা ভবনের ছাদের আয়তন বিবেচনায় নিয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।এতে আরও বলা হয়েছে, টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থানীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যমান দাপ্তরিক মূল ভবন ও আওতাধীন ভবনগুলোতে ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থায় ন্যূনতম দুই ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ রাখতে হবে বলেও চিঠিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে হবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ বলেছে, ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের বিপরীতে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এতে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব আয় বাড়বে।‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫’ এর বিধি ১০-এর (ঙ) ও (চ) অনুযায়ী হাট ও বাজার থেকে পাওয়া ইজারার আয়ের ১০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট হাট ও বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে এবং আরও ১০ শতাংশ উপজেলার অন্তর্গত হাট ও বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত রয়েছে। এই অর্থ ব্যবহার করে দেশের সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট ও বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়।নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী ২০ বছর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করতে হবে সংশ্লিষ্ট হাট-বাজার কর্তৃপক্ষকে।

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মহাসড়কে চালককে জিম্মি করে মাইক্রোবাস ছিনতাইয়ের চেষ্টা

মহাসড়কে চালককে জিম্মি করে মাইক্রোবাস ছিনতাইয়ের চেষ্টা

দৃষ্টি রিপোর্ট:যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে চালককে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাইক্রোবাস নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে ডাকাত দল। এসময় হাইওয়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায় ডাকাত দলের সদস্যরা। পরে গাড়ি থেকে দুটি রামদা ও শাবলযুক্ত একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, একটি মাইক্রোবাস গাজীপুরের কোনাবাড়ী থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা হয়। চালক খোরশেদকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে গাড়িটি রিজার্ভ করা হয়। পরে চন্দ্রাসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যায়ক্রমে ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তি গাড়িতে ওঠেন।চালকের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কিছুদূর যাওয়ার পর ওই ব্যক্তিরা ধারালো অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেন। পরে তাদের নির্দেশ অনুযায়ী গাড়ি চালাতে বলেন। একপর্যায়ে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে প্রায় ২০০ গজ পূর্বে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা গাড়িটিকে দেখতে পান। পুলিশ দেখে চালক ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করে সাহায্য চান। এসময় হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত গাড়িটির দিকে এগিয়ে গেলে গাড়িতে থাকা ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তি নেমে বিভিন্ন দিকে দৌঁড়ে পালিয়ে যান। পরে চালক খোরশেদকে উদ্ধার করে পুলিশ। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি রামদা ও শাবলযুক্ত একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়।এ ব্যাপারে এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র, মাইক্রোবাস ও চালককে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাতেই কালিহাতী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এ সপ্তাহের রাশিফল

এ সপ্তাহের রাশিফল

দৃষ্টি নিউজ:সাফল্য লাভের জন্য কর্ম যথেষ্ট নয়। দরকার সঠিক কর্মকৌশল, সহনশীলতা এবং কিছু বিষয়ে সচেতনতা। আর তাতেই আপনি জীবনের প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত চাওয়াকে পাওয়ায় রূপান্তর করতে পারবেন। পাশ্চাত্য রাশিচক্রমতে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের নানা বিষয়ের শুভাশুভ পূর্বাভাস ও সতর্কতা জানাচ্ছেন জ্যোতিষশাস্ত্রী ড. চিন্ময় চৌধুরী মিথুন-মেষ রাশি (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল): যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষেত্রে ধীরস্থির থাকা খুব প্রয়োজন। ধৈর্য ও একগ্রতা বৃদ্ধি করুন। স্বাস্থ্যে মনোযোগী হোন। পারিবারি বিষয়ে ধৈর্য রাখতে হবে। কর্মপরিবেশে অস্থিরতা থাকতে পারে। যানবাহন চলাচলে সাবধান থাকুন। রিসার্চ রিলেটেড বিষয় নিয়ে যথেষ্ট সফলতা আসবে। ভ্রমণজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে।বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল - ২১ মে): পেশাগত কাজে সাফল্য পাবেন। আর্থিক বিষয় নিয়ে মনোযোগী হোন। তথ্যগত ত্রুটি থাকতে পারে। কেউ কেউ শারীরিক অসুস্থতাজনিত সমস্যায় ভুগতে পারেন। দাম্পত্য জীবনে যথেষ্ট সমঝোতা দরকার। বিনোদন ও সৃজনশীল কাজে সফলতা পাবেন। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সফলতা আসবে।মিথুন রাশি ‌(২২ মে - ২১ জুন): মানসিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে লাভবান হওয়ার সম্ভবনা আছে। যানবাহন চলাচলে সাবধান থাকুন। শারীরিক ও মানসিক দিকে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করার চেষ্টা করুন। দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবনে মতানৈক্য এড়িয়ে চলুন। ভ্রমণ শুভ।কর্কট রাশি (২২ জুন - ২৩ জুলাই): প্রচেষ্টার সফল বাস্তবায়ন দেখবেন। সামাজিক ব্যস্ততা বাড়বে। পেশাগত কাজে ভ্রমণ হতে পারে। আকস্মিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আর্থিক লেনদেন ও বিনিয়োগে সাবধান থাকুন। সৃজনশীল কাজে সফলতা পাবেন।পারিবারিক শান্তি-শৃঙ্খলা কিছুটা বিঘ্নিত হতে পারে। রোমান্টিক সম্পর্কে সমঝোতা দরকার।সিংহ রাশি ‌‌(২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট): ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য প্রশংসিত হবেন। আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। রোমান্টিক যোগাযোগ শুভ। যেকোনো চুক্তি সম্পাদন করার জন্য বেশ সম্ভাবনাময় সময়। প্রতিযোগিতামূক কাজে যুক্তদের জন্য বেশ ভালো সময়। বৈদেশিক সূত্রে লাভবান হতে পারেন। শত্রু সম্পর্কে সচেতন হোন।কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট - ২৩ সেপ্টেম্বর): রাগ জেদ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। পেশাগত কাজে জটিলতা এড়িয়ে চলুন। শত্রু সম্পর্কে সচেতন হোন। যানবাহন চলাচলে সাবধান থাকুন। খাদ্য নির্বাচনে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। জীবনসঙ্গীর অসুস্থতা আপনাকে বিচলিত করতে পারে।তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর - ২৩ অক্টোবর): শারীরিকভাবে বিশেষ খেয়াল রাখার চেষ্টা করুন। আর্থিক বিষয় নিয়ে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। কিছু বিষয়ে সাহসী পদক্ষেপ নিলে সফল হবেন। প্রেমে বা রোমান্টিক বিষয়ে মান অভিমান চলবে। গৃহ পরিবেশ আপনার অনুকূলে নাও থাকতে পারে। ভ্রমণ শুভ।বৃশ্চিক রাশি (২৪ অক্টোবর - ২২ নভেম্বর): জেদের কারণে পারিবারিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। প্রিয়জনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা কঠিন হবে। আপনার চিন্তাভাবনার বাস্তব প্রতিফলন হবে। সহকর্মীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করুন। আর্থিক বিষয় শুভ। রোমান্টিক সম্পর্কে সমঝোতা দরকার।ধনু রাশি (২৩ নভেম্বর - ২১ ডিসেম্বর): পেশাগত ও ব্যবসায়িক বিষয়ে সফলতা আসবে।আবেগ সংযত রাখার চেষ্টা করুন। নিজ পরিমণ্ডলে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করুন। আর্থিক যোগাযোগ শুভ। ভ্রমণ শুভ। আর্থিক লেনদেনে খুব সাবধানে থাকবেন। কোনো চুক্তি সম্পাদন করার জন্য মনোযোগ বৃদ্ধি করুন।মকর রাশি (২২ ডিসেম্বর - ২০ জানুয়ারি): অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। স্পষ্ট কথা বলার জন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে মনোযোগী হোন। সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। আর্থিক লেনদেনে সতর্ক থাকুন। যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারে সতর্ক হোন। ভ্রমণ শুভ।কুম্ভ রাশি ‌‌(২১ জানুয়ারি - ১৮ ফেব্রুয়ারি): আবেগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি করুন। আনন্দ ভ্রমণ হতে পারে। কোনো ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন। আর্থিক দিক থেকে ভালো থাকবেন। রোমান্টিক যোগাযোগ শুভ।মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি - ২০ মার্চ): মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। নিজ কাজ ও দায়িত্ব সম্পর্কে আন্তরিক থাকার চেষ্টা করুন। নিজের ব্যক্তিগত বিষয় অন্যের সঙ্গে আলাপ করবেন না। রোমান্টিক সম্পর্কে দৃঢ়তা প্রয়োজন। ভ্রমণ শুভ।

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বশরীরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রতিমন্ত্রী টুকু

ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বশরীরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৃষ্টি রিপোর্ট:প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনের পর টাঙ্গাইলে সচেতনতামূলক র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালের আঙিনা নিজ হাতে পরিষ্কার করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নিজে ঝাড়ু হাতে নিয়ে এই মহতী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা নিজ হাতে পরিষ্কার করেন। একই সঙ্গে তিনি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস এবং অপ্রয়োজনীয় পানি জমার স্থানগুলো পরিষ্কার করার কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেন। এ সময় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।এর আগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি বের করা হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেয়।পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ সময়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর একটি হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা কিংবা যেকোনো স্থানে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। নিজ নিজ বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে সফল করতে সারা দেশে একই সঙ্গে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি নিজেরাও যদি যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করি, তাহলে এডিস মশার বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।এ সময় জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আব্দুল কুদ্দুছ, জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

টাঙ্গাইলে দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে অসহায় দুস্থ, গরীব মানুষ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। যবুধবার(৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ১৩৯ জন সুবিধাভোগীর মাঝে ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। সুবিধাভোগীদের মধ্যে অসহায় ও দুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা এবং গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য এই অর্থ প্রদান করা হয়।টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শামছুন নাহার স্বপ্না।প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির বলেন, ‘জেলা পরিষদ সবসময়ই সাধারণ এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। মেধা বিকাশ ও দুস্থদের চিকিৎসায় এই অনুদান সামান্য হলেও তাদের জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’ জেলা পরিষদের এই ধরনের মানবিক ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপকারভোগী ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে বুধবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের মেইনে রোডে অবস্থিত মা ও শিশু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির।

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ

প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ

দৃষ্টি নিউজ:টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমের পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরেরর বটতলাস্থ প্রিমিওপ্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির। প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সুমাইয়া মমিন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী শামসুন্নাহার স্বপ্না, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত।অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসাদুল আখতার শামীম, সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও প্রথমআলোর প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিনিধি ইফতেখারুল অনুপম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল ও নাহার চাকলাদার।প্রধান অতিথি জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির বলেন, সাংবাদিকরা লেখনির মাধ্যমে সমাজকে পথ দেখায়। সমাজের সকল প্রকার অসঙ্গতি তুলে ধরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত আধুনিক টাঙ্গাইল গড়তে সাংবাদিক ভাইরা বিশেষ ভূমিকা রাখবে।তিনি বলেন, গুজব সব সময় মানুষের অকল্যাণ বয়ে আনে, গুজব প্রতিহত করতে স্ব স্ব অবস্থান থেকে সবারই সোচ্চার হতে হবে।পরে প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর গেমসে বিজয়ী ও বিজিতদের মাঝে অতিথিরা পুরষ্কার তুলে দেন।

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের চমচম যাবে বিদেশে

টাঙ্গাইলের চমচম যাবে বিদেশে

বুলবুল মল্লিক:জিআই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিশ্বখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি, শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ির চমচম এবং স্থানীয় কৃষ্টি-সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্র্যান্ডিং করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ওই জমকালো উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে ওই ব্যতিক্রমী ও নান্দনিক মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, তাঁতশিল্পের প্রতিনিধি এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ।মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরো পৌর উদ্যানকে সাজানো হয়েছে এক অপরূপ সাজে। সারিবদ্ধ ২২টি স্টলে সাজিয়ে রাখা হয়েছে টাঙ্গাইলের আদি ও আসল ঐতিহ্যের ছোঁয়া। মিষ্টিপ্রেমীদের জিভে জল আনতে স্টলে স্টলে শোভা পাচ্ছে কিংবদন্তিতুল্য পোড়াবাড়ির চমচম, রসালো রসমালাই, রসে টইটম্বুর কালোজাম এবং যুগ যুগ ধরে প্রসিদ্ধ দই-সন্দেশসহ নানা পদের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি। মেলায় আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে আন্তর্জাতিকভাবে জিআই স্বীকৃতি পাওয়া বিশ্বখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি। এছাড়া তাঁতি ও কারিগরদের তৈরি নান্দনিক হস্তশিল্প এবং স্থানীয় কুটির শিল্প পণ্যের প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করছে।উদ্বোধনের পর সময় গড়ানোর সাথে সাথে মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ঢল নামে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় বিকাল থেকেই পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব ও প্রিয়জনদের নিয়ে মেলায় ছুটে আসেন হাজারো মানুষ। উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যান।মেলায় আসা দর্শনার্থীরা জানান, একই ছাদের নিচে টাঙ্গাইলের খাঁটি ও বিখ্যাত সব মিষ্টির স্বাদ নেওয়ার এবং ঐতিহ্যবাহী শাড়ি দেখার এই সুযোগ সত্যি প্রশংসনীয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে টাঙ্গাইলের শতবর্ষী ইতিহাস তুলে ধরতে এই আয়োজন দারুণ ভূমিকা রাখছে।আয়োজকদের মতে, এই সুইট ফেস্টিভ্যাল কেবল একটি মেলা নয়; এটি টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার এক অনন্য মিলনমেলা। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা মিষ্টি প্রস্তুতকারক, কারিগর, তাঁতশিল্পী ও তরুণ উদ্যোক্তারা এখানে তাদের পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মাধ্যমে দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও টাঙ্গাইলের পণ্যের এক বিশাল দুয়ার উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী ওই প্রাণের উৎসব আগামি ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, টাঙ্গাইল একটি ভীষণ সম্ভাবনাময় জেলা। এই জেলার পর্যটন সম্ভাবনা অফুরন্ত। সেই সম্ভাবনাকে পূর্ণতা দিতে নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে- যার অন্যতম সুইট ফেস্টিভ্যাল।তিনি জানান, এ উৎসবের তিনটি প্রধান লক্ষ্য হলো ব্র্যান্ড টাঙ্গাইল হিসেবে শতবর্ষী মিষ্টি শিল্পকে বিশ্বে তুলে ধরা, ঐতিহ্যকে ধারণ করে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা এবং স্থানীয় পণ্যের প্রসারের মাধ্যমে জেলার অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ও টাঙ্গাইল শাড়ি শুধু এ জেলার নয়, বরং বাংলাদেশের গর্ব। টাঙ্গাইলের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী চমচমকে বিদেশে রপ্তানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। স্থানীয় শিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিকাশে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ নিয়ে মালয়েশিয়ার ভিন্নমত

বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ নিয়ে মালয়েশিয়ার ভিন্নমত

দৃষ্টি ডেস্ক:আগামি ছয় মাসে মালয়েশিয়া প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ করবে-বাংলাদেশের এক প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্য মালয়েশিয়া সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয় বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারি মুখপাত্র দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর রামানান তাকে জানিয়েছেন, ওই বক্তব্য একজন জুনিয়র মন্ত্রী দিয়েছেন। তাই এটিকে বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।’সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের প্রতিনিধিত্ব করে না। মানবসম্পদ মন্ত্রী আমাকে এটাই জানিয়েছেন। সুতরাং এটি কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়।এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছিলেন, আগামী ছয় মাসে মালয়েশিয়া প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এসব কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।এর আগে গত জুন মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।শ্রমিকদের শোষণ, ঋণের দায়ে জিম্মি করে রাখা, জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা এবং প্রতিশ্রুত চাকরি ছাড়াই কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর মতো অভিযোগের পর ২০২৪ সালে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল মালয়েশিয়া।দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমস (এনএসটি) বলছে, মালয়েশিয়া বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার সময় নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের এই দাবি সামনে এসেছে। এদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির মোট শ্রমশক্তিতে বিদেশি কর্মীর হার প্রায় ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একদিনেই ২ হাজার যুবকের ভাগ্যের দুয়ার উন্মোচন!

একদিনেই ২ হাজার যুবকের ভাগ্যের দুয়ার উন্মোচন!

মু. আবিদ মল্লিক জয়:শিক্ষিত বেকারত্বের অভিশাপ মুক্ত করে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এক অভূতপূর্ব ও ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করল টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন। দিনব্যাপী ‘জব ফেয়ার-২০২৬’ যেন রূপ নিয়েছিল শিক্ষিত বেকার ও চাকরিদাতাদের এক মিলনমেলায়। আর এই মেলা থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি পেয়ে মুখে হাসি ফুটেছে ৪৪৬ জন তরুণ-তরুণীর। শুধু তাই নয়, চূড়ান্ত বাছাইয়ে থাকা আরও ১ হাজার ৫৮১ জনের আগামী এক মাসের মধ্যে চাকরি নিশ্চিত হচ্ছে। ফলে, ব্যতিক্রমী এই একটিমাত্র আয়োজনের মাধ্যমেই জেলার মোট ২ হাজার ২৭ জন চাকরিপ্রার্থীর নিশ্চিত কর্মসংস্থানের এক বিশাল দুয়ার খুলে গেল।টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মুখস্থ জনসেবা চত্বরে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে শুরু হয় এই দিনব্যাপী চাকরি মেলা। মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তরুণদের স্বপ্ন পূরণের এই সারথী হন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। উৎসবমুখর পরিবেশে তিনি মেলায় তাৎক্ষণিক চাকরিপ্রাপ্ত ভাগ্যবান তরুণ-তরুণীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র তুলে দেন। নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত তরুণদের হাসিতে জনসেবা চত্বরে এক আবেগঘন ও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়।টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই মেলায় চাকরিপ্রার্থীদের সাড়াও ছিল চোখে পড়ার মতো। দেশের ও জেলার শীর্ষস্থানীয় এনজিও এবং নামী-দামী বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৫১টি করপোরেট প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশ নেয়। আধুনিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইন ও অফলাইনে সিভি সংগ্রহের পর মেলা প্রাঙ্গণেই সরাসরি নেওয়া হয় সাক্ষাৎকার (ইন্টারভিউ)। যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে স্পটেই নিয়োগ পান সৌভাগ্যবান প্রার্থীরা।জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানা যায়, এই মেলাকে ঘিরে তরুণদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছিল, যার প্রমাণ মেলে নিবন্ধনের সংখ্যায়। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে সর্বমোট ১১ হাজার ৪২৭ জন চাকরিপ্রার্থী এই মেলায় অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করেন। বিপুল এই চাকরিপ্রার্থীদের মধ্য থেকে সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ৪৪৬ জনকে অন-স্পট নিয়োগ দেওয়া হয়। বাকি শূন্যপদগুলোর জন্য প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত আরও ১ হাজার ৫৮১ জনের চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামী এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই সফল জব ফেয়ার টাঙ্গাইলের তরুণদের কর্মসংস্থানে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল, যা দেশের অন্যান্য জেলার জন্যও একটি অনুকরণীয় মডেল হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘এটা প্রাথমিকভাবে আয়োজন করা হয়েছিল। বেশ সাড়া ফেলেছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এটি আরও বড় পরিসরে কীভাবে করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে ইনশাআল্লাহ।’তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচনের আগেও বলেছি, টাঙ্গাইলের একজন শিক্ষিত যুবকও যাতে বেকার না থাকে, আমি সেই অনুযায়ী কাজ করব।’জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, চাকরি করতে আগ্রহী অনেক শিক্ষিত মানুষ বিভিন্ন সময়ে তার কাছে কর্মসংস্থানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি জব ফেয়ার আয়োজনের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখান। পরবর্তীতে তার পরামর্শ ও সহযোগিতায় এ জব ফেয়ারের আয়োজন করা হয়।

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে কোয়কা প্রকল্প সম্প্রসারণ বিষয়ে মতবিনিময়

অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে কোয়কা প্রকল্প সম্প্রসারণ বিষয়ে মতবিনিময়

আনোয়ার হোসেন নয়ন:টাঙ্গাইল সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে কোয়কা প্রকল্পের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ (NCD) প্রকল্প রিভিউ মিটিং এবং প্রকল্প সম্প্রসারণ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কোয়কা প্রকল্প কর্মকর্তা ডা. লিম। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. এফএম মাহবুবুল আলম মঞ্জুর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, কো-অরডিনেটর মেডিকেল অফিসার ডা. আবু জাফর এবং মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন, মি. লিপস মৃ।বক্তারা বলেন, অসংক্রামক রোগ (NCD) নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প রিভিউ মিটিং এবং প্রকল্প সম্প্রসারণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা দেশের স্বাস্থ্য খাতের টেকসই উন্নয়নে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাংলাদেশে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে এই সেবা পৌঁছে দিতে প্রকল্প সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।সভায় রোগীরা হাসপাতালে আসার পর কীভাবে ধাপে ধাপে তাদের সেবা নিশ্চিত করা হবে- সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।টাঙ্গাইল জেলার ১২ টি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও মেডিকেল অফিসাররা মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাসাইলে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০ ঘোড়া জবাই

বাসাইলে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০ ঘোড়া জবাই

বাসাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা সদরের পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে ১০টি ঘোড়া দুর্র্বৃত্তরা জবাই করে ৭টির মাংস নিয়ে গেছে এবং ৩টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে গেছে। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার(৩০ আগস্ট) ভোরে বাসাইল পৌরসভার বর্ণীকিশোরী এলাকার পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বাসাইল পৌরসভার বর্ণীকিশোরী এলাকার পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ১০টি ঘোড়া জবাই করে। এসময় ৭টি ঘোড়ার মাংস নিতে পারলেও তিনটি জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস নিতে পারেনি। সকালে স্থানীয়রা তিনটি জবাই করা ঘোড়া ও ৭টি ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুড়ি পড়ে থাকতে দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।ধারণা করা হচ্ছে- অন্য জায়গা থেকে ঘোড়া নিয়ে এসে এই নির্জন পরিত্যক্ত জায়গায় মাংস বিক্রির জন্য জবাই করা হয়েছে। ভোর হওয়ার কারণে ৭টি ঘোড়ার মাংস নিতে পারলেও তিনটি জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস নিতে পারেনি।স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ মিয়া জানান, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি দেখতে যান। ওখানে ১০টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে। এরমধ্যে ৭টির মাংস নিয়ে গেছে আর তিনটি রেখে গেছে। তারা হয়তো কোন হোটেলে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে গেছে। এরআগেও উপজেলার নাইকানীবাড়ী ও গাজীর ভাঙ্গা এলাকায় ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ফেলে গিয়েছিল।বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আলমগীর কবির জানান, পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে ১০টি ঘোড়া জবাই করেছে দুর্বৃত্তরা। রাত ১টা থেকে ৪টার মধ্যে ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়েছে। ভোর হয়ে যাওয়ায় ৭টি ঘোড়ার মাংস নিয়ে তিনটি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে রেখে চলে গেছে।বাসাইল পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, ৩টি জবাইকৃত ঘোড়াসহ ৭টির মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুড়ি সেখান থেকে এনে অন্যত্র পুতে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিস্কার করা হয়েছে।

৩০ আগস্ট ২০২৬

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নের দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নের দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

দৃষ্টি নিউজ:দেশের আইনশৃঙ্খলা, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। এরমধ্যে রাজধানী ঢাকার দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের।প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে আরও কার্যকর তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।রাজধানী ঢাকার মতো দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপিকে দেওয়াকে তাঁর প্রতি সরকারের আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন দায়িত্বে তিনি ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের তদারকিতে ভূমিকা রাখবেন।এদিকে, টাঙ্গাইলের সন্তান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু রাজধানী ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব পাওয়ায় টাঙ্গাইলবাসীর মধ্যেও আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করছেন, জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা টুকুর ওপর ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব অর্পণ টাঙ্গাইলের জন্যও গর্বের বিষয়।

২৭ আগস্ট ২০২৬

বিন্না ঘাস বা ছন কী ও কেন এ নিয়ে বড় পরিকল্পনা সরকারের

বিন্না ঘাস বা ছন কী ও কেন এ নিয়ে বড় পরিকল্পনা সরকারের

দৃষ্টি ডেস্ক:বাংলাদেশের মাঠে-ঘাটে, পতিত জমি কিংবা চরাঞ্চলে অনায়াসে বেড়ে ওঠে এক ধরনের লম্বা ঘাস। নাম বিন্না ঘাস, যার পরিচিতি ভেটিভার নামেও। এতদিন পথের ধারে কিংবা পরিত্যক্ত জমিতে পড়ে থাকা এই ঘাসই এবার নদীভাঙন, মাটির ক্ষয়, পাহাড়ধস ও বিভিন্ন অবকাঠামো রক্ষায় বড় পরিসরে ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিন্না ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে জালের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ফলে মাটি শক্তভাবে আটকে থাকে এবং বৃষ্টির পানি বা স্রোতের কারণে মাটির ক্ষয় কমে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাহাড়ের ঢাল, নদীর তীর, রাস্তার পাশ ও বাঁধ রক্ষায় এই ঘাস ব্যবহার করা হয়।এ কারণেই বাংলাদেশে কোন কোন প্রকল্পে বিন্না ঘাস ব্যবহার করা সম্ভব, তা যাচাই করতে সরকার টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছে। একই সঙ্গে এই ঘাস ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় গাইডলাইন তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম প্রায় দুই দশক ধরে বিন্না ঘাস নিয়ে গবেষণা করছেন। সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত এই গবেষক মনে করেন, প্রকৌশলগতভাবে সঠিক জায়গায় ব্যবহার করা গেলে বিন্না ঘাস সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে মাটির ক্ষয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।অধ্যাপক শরীফুল ইসলামের গবেষণা অনুযায়ী, বিন্না ঘাসের শিকড় অত্যন্ত শক্তিশালী ও গভীর। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা দুই থেকে চার মিটার পর্যন্ত মাটির গভীরে যেতে পারে। এই শিকড় মাটির কণাগুলোকে শক্তভাবে আটকে রাখে। ফলে ঢাল, বাঁধ কিংবা রাস্তার পাশের মাটি সহজে ধসে পড়তে পারে না।বাংলাদেশে বিন্না ঘাস বেন্না ঘাস, খসখস কিংবা ছন নামেও পরিচিত। এটি একটি বহুবর্ষজীবী ঘাস। লম্বা ও সরু পাতার এই ঘাস ঘন ঝোপের মতো বেড়ে ওঠে এবং সাধারণত দেড় থেকে তিন মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের গবেষকদের মতে, দেখতে সাধারণ হলেও বিন্না ঘাসের শিকড়ের কার্যকারিতা অসাধারণ। মাটির নিচে এর শিকড় জালের মতো ছড়িয়ে গিয়ে ভূমির বিভিন্ন স্তরকে ধরে রাখে। এ কারণেই ভূমিক্ষয় ও পাহাড়ধস ঠেকাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।শুধু মাটি ও অবকাঠামো রক্ষাই নয়, বিন্না ঘাসের অর্থনৈতিক ব্যবহারও রয়েছে। এর শিকড় থেকে সুগন্ধযুক্ত তেল পাওয়া যায়। সুগন্ধি, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন সুগন্ধি পণ্য তৈরিতে এই তেল ব্যবহার করা হয়।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিন ধরেই ভেটিভার বা বিন্না ঘাসকে ভূমিক্ষয় নিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। থাইল্যান্ড, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ব্রাজিল, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে নদীর তীর, রাস্তার ঢাল, বাঁধ, পাহাড়ি এলাকা ও কৃষিজমি রক্ষায় এর ব্যবহার রয়েছে। দ্য ভেটিভার নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনালও ঢাল স্থিতিশীলতা ও ভূমিক্ষয় রোধে ভেটিভার ব্যবহারের জন্য প্রকৌশলভিত্তিক নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে।গবেষকদের মতে, বিন্না ঘাস লাগানোর কয়েক মাসের মধ্যেই এর শিকড় মাটির গভীরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। বৃষ্টির সময় ঢাল, বাঁধ কিংবা রাস্তার পাশ দিয়ে পানির স্রোত নামার সময় শিকড়গুলো মাটিকে ধরে রেখে ক্ষয় কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে চরম ঠান্ডা থেকে প্রচণ্ড গরম-বিভিন্ন ধরনের পরিবেশেও এই ঘাস টিকে থাকতে পারে। বাংলাদেশে বিন্না ঘাসের ওপর দীর্ঘদিনের গবেষণায় ভূমিক্ষয়, পাহাড়ধস ও বাঁধ রক্ষায় এর সম্ভাবনা নিয়ে একাধিক কাজ হয়েছে।তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, সব জায়গায় বিন্না ঘাস দিয়ে বাঁধ বা মাটি রক্ষা করা সম্ভব নয়। খরস্রোতা নদীর তীব্র স্রোতের মুখে থাকা বাঁধে শুধু বিন্না ঘাস যথেষ্ট নাও হতে পারে। সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী জিও ব্যাগ, কংক্রিট ব্লক, রড বা অন্যান্য প্রকৌশলগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে পাহাড়ের ঢাল, রাস্তার পাশ, খালের পাড় কিংবা অপেক্ষাকৃত কম স্রোতের এলাকায় এটি কার্যকর হতে পারে।এই ঘাস ব্যবহারের অন্যতম বড় সুবিধা হলো কম খরচ। প্রচলিত রড, সিমেন্ট, কংক্রিট ব্লক বা অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর তুলনায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার অনেক সাশ্রয়ী হতে পারে বলে গবেষকদের দাবি। একই সঙ্গে এটি পরিবেশবান্ধব হওয়ায় প্রকৃতির ওপর বিরূপ প্রভাবও তুলনামূলক কম।বাংলাদেশে বিন্না ঘাস নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার পেছনে রয়েছে নদীভাঙন, খাল রক্ষা ও অবকাঠামোর স্থায়িত্ব নিয়ে সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগ। দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল খননের পাশাপাশি খালের পাড়, নদীর তীর, বাঁধ ও রাস্তার মাটি ক্ষয় থেকে রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।গত ৬ আগস্ট সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেখানে বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বিন্না ঘাসকে কংক্রিট ব্লক ও জিও-ব্লকের পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। নদী ও খালের পাড়, উপকূলীয় বাঁধ, চর ও হাওর এলাকার রাস্তা এবং সড়ক ও রেলপথের পাশের মাটি রক্ষায় এর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের কয়েকটি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে বিন্না ঘাস ব্যবহার করে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। এসব ফলাফলের ভিত্তিতে এখন বড় পরিসরে প্রকল্প নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।প্রস্তাবিত ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে নদীর তীর ও খালের পাড়ের ক্ষয়রোধ, উপকূলীয় বাঁধ সুরক্ষা, চর ও হাওর এলাকার রাস্তা স্থিতিশীল রাখা, পাহাড়ি ঢাল রক্ষা এবং সড়ক ও রেলপথের পাশের মাটি ক্ষয় কমানো। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার প্রকল্পেও পর্যায়ক্রমে এর ব্যবহার বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে।বুয়েটের গবেষকদের দীর্ঘদিনের গবেষণা এবং দেশে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ইতিবাচক ফলের পর এবার সরকারি পর্যায়ে বিন্না ঘাসের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে এতদিন মাঠে-ঘাটে অবহেলায় বেড়ে ওঠা এই সাধারণ ঘাসই এখন বাংলাদেশের নদী, পাহাড়, বাঁধ ও সড়ক রক্ষায় একটি সাশ্রয়ী ‘প্রাকৃতিক প্রযুক্তি’ হিসেবে নতুন গুরুত্ব পেতে যাচ্ছে।সূত্র: বিবিসি

২০ আগস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের আদি নাম জনে নিন :: আছে সেই 'পালংকি' নামে রেস্তোরা

কক্সবাজারের আদি নাম জনে নিন :: আছে সেই 'পালংকি' নামে রেস্তোরা

দৃষ্টি নিউজ: আপনি যদি কক্সবাজার ভ্রমনে যান, তাহলে কোথায় খাবেন? যেকোনো স্থানে ভ্রমণে গেলে কোথায় কোথায় ঘুরবেন, কোথায় থাকবেন যেমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তেমনি কোথায় খাবেন এবং কি খাবেন; তাও কিন্তু অনেকের আগ্রহের বিষয়। তবে ভ্রমণপ্রিয়দের প্রথম পছন্দ 'কক্সবাজার'। কক্সবাজারের আদি নাম কি এবং কীভারে এর উৎপত্তি তা জেনে নেওয়া যাক। কক্সবাজারের আদি নাম পালংকি। স্থানীয় ভাষায় পাল্কিকে বলা হয় পালংকি। জনশ্রুতি আছে; মুঘল সম্রাট শাহ সুজা এক হাজার পাল্কি নিয়ে আরাকান যাওয়ার পথে এই অঞ্চলের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন এবং তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে এখানে যাত্রা বিরতি করেন। কালের পরিক্রমায় সহস্র পাল্কির সেই বিশ্রাম স্থলই ‘পালংকি’ নামে পরিচিতি পায়। পরর্তীতে ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজ শাসক কক্স সাহেব তার নিজের নামে এই অঞ্চলে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করেন এবং ‘পালংকি’ নাম পাল্টে হয়ে যায় ‘কক্সবাজার’। কিন্তু পালংকি নামটি আবার ফিরে এসেছে। তবে ভিন্নভাবে। এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি হারিয়ে যাওয়া খাটি বাঙালি রন্ধন প্রণালী ও খাবারের সম্ভার নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে ‘পালংকি’ রেস্তোরা। পালংকি রেস্তেরার প্রতিটি খাবারে লুকিয়ে আছে বাংলার ঘ্রাণ আর ঐতিহ্য। বাঙালি স্বাদের অতুলনীয় এই আয়োজন যেকোনো ভোজনপ্রিয় বা ভোজন-বিলাসীকে মুগ্ধ করবেই। ইফতার থেকে শুরু করে যেকোনো মৌসুমের রসনাবিলাসি মানুষ এখানে হবে পরিতৃপ্ত। কারণ এইসব খাবারের সাথে মিশে রয়েছে দাদী-নানীর রান্নার ছোঁয়া। কুমড়ো ফুলের ফ্রাই, কলার মোচা দিয়ে তৈরী বিশেষ চপ, লইট্টা মাছের বাহারি সমাহার, ডাব-চিংড়ি, নারিকেলের পুডিং কিংবা পাহাড়ি মোরগের অসাধারণ সব রেসিপি এখানকার নিয়মিত আয়োজনগুলোর মধ্যে অন্যতম। সদ্য ধরা টুনা মাছ, লবস্টার, চিংড়ি, পমফ্রেট, অক্টোপি এবং স্কুইডসহ সামুদ্রিক খাবারও বাছাই করা যেতে পারে। চিনিগুড়া চালের ভাত ও ঘি মিশিয়ে তৈরি ডাল এখানকার খাবারের অন্যতম আকর্ষণ। অষ্টভূজা নাম থেকেই বোঝা যায়, আটটি ভিন্ন ধরণের ভর্তা এবং ভাজির একটি থালা। এই থালাটি সম্ভবত সমগ্র পালংকির মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয়। তবে আপনি আটটি ভর্তা এবং ভাজির মধ্যে কোনটি এবং কখন খেতে চান তা আপনাকেই ঠিক করে নিতে হবে। এখানের খাবার গুলির মধ্যে বিভিন্ন রকম পাতুরি এক অনন্য সংযোজন। পাতুরি হল বাঙালিদের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার যা মাছের তৈরি এবং পাতায় মুড়ে অল্প ভাপে রান্না করা হয়। শতবর্ষের প্রাচীন রন্ধন প্রণালীতে তৈরিকৃত ঐতিহ্যবাহী অথেন্টিক ভেটকি পাতুরি, ইলিশ পাতুরিসহ বিভিন্ন রকমের পাতুরি খেতে হলে এখানেই যেতে হবে। গ্রাম্য বা দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি সামূদ্রিক খাবার, বারবিকিউ এবং গ্রিল পাশ্চাত্যের বিভিন্ন খাবারের প্রতি যাদের দুর্বলতা রয়েছে তারা এখানে পাবেন মনের মত রকমারি খাবার। পালংকি নামে কক্সবাজারে দুটি রেস্তোরা রয়েছে। এটার অবস্থান শহরের কেন্দ্রস্থলে। কলাতলির ডলফিন মোড়ে। এক্কেবারেই হাতের নাগালে। মূল সড়কের সাথে লাগোয়া। শহরে অবস্থিত যেকোনো হোটেল থেকে পায়ে হেটে পৌছে যাওয়া যাবে এখানে অনায়াসে। পালংকি'র আরেকটি রেস্তোরার অবস্থান শহর থেকে কিছুটা দূরে। স্থানটির নাম জালিয়াপালং। একান্ত নিরিবিলি পরিবেশে। ইনানী বীচের কাছে এটা অবস্থিত। একারনে এটা পালংকি ইনানী নামে পরিচিত। মেরিন ড্রাইভ ধরে সমূদ্র তীরের সৌন্দর্য দেখতে দেখতে আপনি চলে যাবেন পালংকি ইনানী রেস্তোরায়। সমূদ্র তীরে অবস্থিত এই রেস্তোরায় বসে আপনি একই সাথে সমূদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করবেন এবং পালংকি রেস্তোরার অসাধারণ খাবারের অপূর্ব স্বাদ আস্বাদন করতে পারবেন। এখানকার ভিতর এবং বাইরের পরিবেশ যেকোেনা রুচিশীল-প্রকৃতিপ্রেমীকে মুগ্ধ করবেই। সমুদ্রের নোনা হাওয়া, পাহাড়ের সবুজ, এবং প্লেটে পরিবেশিত ঐতিহ্যের স্বাদ; সব মিলিয়ে আপনার ভ্রমণ হোক ছন্দময় এক আনন্দ অভিজ্ঞতা। তাই কক্সবাজার গেলে শুধু সমুদ্রের সৌন্দর্য নয়, ‘পালংকি’ রেস্তোরাঁর ঐতিহ্যবাহী স্বাদ নিতে ভুলবেন না।

১১ জুলাই ২০২৬

নব্বই ছুঁইছুঁই জয়গুন বেওয়ার ঘরে প্রতিমন্ত্রীর উপহার

নব্বই ছুঁইছুঁই জয়গুন বেওয়ার ঘরে প্রতিমন্ত্রীর উপহার

দৃষ্টি রিপোর্ট: বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে শরীর, দৃষ্টিও ঝাপসা। স্বামী রাজ আলী পাড়ি জমিয়েছেন পরপারে। চার ছেলে ও তিন মেয়ের জননী হলেও জীবনের শেষ বিকালে এসে নিদারুণ একাকীত্ব আর চরম অভাবের মুখোমুখি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কোনাবাড়ী এলাকার জয়গুন বেওয়া। প্রায় ৯০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধার জীবন কাটছিল চরম মানবেতর অবস্থায়। তবে অবশেষে এ খবর জানতে পেরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির মানবিক উদ্যোগে দূর হলো তার দীর্ঘদিনের অসহায়ত্ব, বৃদ্ধার মুখে ফুটল স্বস্তির হাসি। জানা যায়, জয়গুন বেওয়ার সন্তানরা যার যার আলাদা সংসার নিয়ে ব্যস্ত। তারাও এখন বয়সের ভারে ন্যুব্জ এবং আর্থিকভাবে চরম অসচ্ছল। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর এই সংসারে বৃদ্ধা মায়ের চিকিৎসা ও দেখভালের দায়িত্ব নেওয়া তাদের জন্য হয়ে উঠেছিল এক বড় মানসিক ও আর্থিক বোঝা। এরই মধ্যে সম্প্রতি তার বড় ছেলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষররণ শয্যাশায়ী হওয়ায় পরিবারটির ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। হাঁটাচলা বন্ধ হওয়া জয়গুন বেওয়ার দিন কাটছিল অনাহারে-অর্ধাহারে, এক বুক নীরব কান্না বুকে চেপে। সমাজ ও সংসারের এই অবহেলার বৃত্তে বন্দি থাকা জয়গুন বেওয়ার দুর্দশার খবরটি পৌঁছায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর কান পর্যন্ত। স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে খবরটি জানার পর প্রতিমন্ত্রী বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট করেননি। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাহীন মিয়াকে নির্দেশ দেন বৃদ্ধার বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে সোমবার (২২ জুন) দুপুরে কোনাবাড়ী এলাকায় জয়গুন বেওয়ার জীর্ণ কুটিরে সরেজমিনে হাজির হন ইউএনও শাহীন মিয়া। তিনি বৃদ্ধার শয্যাপাশে বসেন, পরম মমতায় তার শারীরিক অবস্থা ও পারিবারিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পরিবারের এই চরম বিপর্যয়কর অবস্থা বিবেচনা করে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রাথমিক সহায়তা হিসেবে জয়গুন বেওয়ার হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা এবং দুই প্যাকেট জরুরি খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে তার চিকিৎসা ও দেখভালের জন্য আরও বড় ধরনের সরকারি সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়। জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা ও রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পেয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি বৃদ্ধা জয়গুন বেওয়া। পরম মমতায় হাত উঁচিয়ে তিনি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং প্রশাসনের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া বলেন, ‘মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এই অসহায় মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছি। কোনো নাগরিক যেন এভাবে মানবেতর জীবনযাপন না করেন, সে বিষয়ে আমাদের প্রশাসন সদা তৎপর। জয়গুন বেওয়ার পরিবারের পাশে আমরা ভবিষ্যতেও থাকব।’ একবিংশ শতাব্দীর এই ব্যস্ত সময়ে জয়গুন বেওয়ার পাশে প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিক সাড়া যেন প্রমাণ করল- পৃথিবীতে এখনো ফুরিয়ে যায়নি মানুষের জন্য মানুষের ভালোবাসা। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের সুখ-দুঃখের খবর রাখা আমার দায়িত্ব। কোনো অসহায় মানুষ যেন চিকিৎসা, খাদ্য বা প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন- সেটি নিশ্চিত করতে আমি সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া প্রশাসনকেও মানবিকভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

০৩ জুলাই ২০২৬

২০ মিনিট ফুটবল খেললে শরীর সুস্থ থাকে

২০ মিনিট ফুটবল খেললে শরীর সুস্থ থাকে

দৃষ্টি ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ফুটবল উন্মাদনা আবারও তুঙ্গে। শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬, আর কোটি কোটি দর্শক টেলিভিশন ও স্টেডিয়ামে চোখ রাখছেন প্রিয় দল ও তারকাদের দিকে। তবে ফুটবল কেবল একটি জনপ্রিয় খেলা বা বিনোদনের মাধ্যমই নয়- এটি হতে পারে সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের অন্যতম কার্যকর উপায়ও। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সপ্তাহে অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন, প্রতিদিন ২০ থেকে ৬০ মিনিট শারীরিক ব্যায়ামের পরামর্শ দিয়ে আসছেন। দৌড়ানো, দ্রুত হাঁটা, সাঁতার, সাইক্লিং কিংবা অন্যান্য ব্যায়ামের মতো ফুটবলও শরীরের জন্য সমান উপকারী। বরং দলগতভাবে খেলার কারণে এতে আনন্দ, উদ্দীপনা ও সামাজিক যোগাযোগের বাড়তি সুবিধাও যুক্ত হয়। ফুটবল খেললে শরীরে কী ঘটে? গবেষণায় দেখা গেছে, অপেশাদার পাঁচজনের ইনডোর ফুটবল ম্যাচে মাত্র ৩০ মিনিট খেললেই খেলোয়াড়দের হৃদস্পন্দন দীর্ঘ সময় সর্বোচ্চ ক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশে পৌঁছে যায়। ফলে হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস এবং রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থার কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়। এছাড়া মাত্র ১৫ মিনিট খেলায় প্রায় ১১০ থেকে ২০০ কিলোক্যালরি পর্যন্ত শক্তি খরচ হতে পারে, যা জগিং বা স্কিইংয়ের সমতুল্য এবং অনেক ক্ষেত্রে টেনিসের চেয়েও বেশি কার্যকর। নিয়মিত ফুটবল খেলার স্বাস্থ্য উপকারিতা ১. হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায় নিয়মিত ব্যায়াম রক্তনালিকে নমনীয় রাখে এবং ধমনীতে চর্বি জমার প্রবণতা কমায়। ফলে করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হার্ট অ্যাটাক এবং ইস্কেমিক স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস পায়। ২. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ব্যায়ামের ফলে রক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা বাড়ে এবং হৃদ্‌যন্ত্রকে কম চাপ দিয়ে রক্ত পাম্প করতে হয়, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ৩. হাড় ও পেশি শক্তিশালী করে ফুটবল খেলতে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন পেশি ও হাড় সক্রিয় থাকে। এতে হাড়ের ঘনত্ব বজায় থাকে এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমে। একই সঙ্গে হাঁটু, গোড়ালি ও কোমরের আঘাত প্রতিরোধেও সহায়তা করে। ৪. স্থূলতা প্রতিরোধে কার্যকর নিয়মিত দৌড়ঝাঁপ ও নড়াচড়ার কারণে অতিরিক্ত চর্বি কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, বিশেষ করে কোমরের চারপাশে জমা চর্বি হ্রাস পায়। ৫. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় ব্যায়ামের সময় শরীরে এমন কিছু হরমোন নিঃসৃত হয় যা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে উদ্বেগ, অবসাদ ও মানসিক চাপ কমতে পারে। ৬. কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিদের মধ্যে কোলন ও স্তন ক্যানসারের হার তুলনামূলকভাবে কম। বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণেও উপকারী : শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, নিয়মিত ফুটবল খেলা বা ব্যায়াম অনেক রোগ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক ভূমিকা রাখে। ডায়াবেটিস: স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। হাঁপানি: অনেক রোগীর ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যায়ামে শ্বাস-প্রশ্বাসের সক্ষমতা উন্নত হয়। উচ্চ কোলেস্টেরল: ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল কমিয়ে উপকারী এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়াতে সহায়তা করে। সিওপিডি: হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করে ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ: নিয়মিত ব্যায়ামে রক্তচাপ ও বিশ্রামকালীন হৃদস্পন্দন উভয়ই কমতে পারে। শুধু খেলা নয়, প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর জীবনধারা- বিশ্বকাপের উত্তেজনা হয়তো সবাইকে মাঠে নামতে অনুপ্রাণিত করবে। তবে সুস্থ থাকতে ফুটবলের পাশাপাশি আরও কিছু অভ্যাস জরুরি- সুষম খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, পর্যাপ্ত ঘুম, ধূমপান ও অন্যান্য ক্ষতিকর অভ্যাস এড়িয়ে চলা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ। ফুটবল তাই শুধু গোল আর জয়ের গল্প নয়; এটি হতে পারে সুস্থ শরীর, প্রফুল্ল মন এবং দীর্ঘ জীবনের অন্যতম সঙ্গী। বিশ্বকাপের আবহে প্রিয় দলের খেলা দেখার পাশাপাশি নিজেও যদি সপ্তাহে কয়েক দিন মাঠে নামা যায়, তাহলে সেই জয় হবে নিজের স্বাস্থ্যের জন্যও। সূত্র: ব্যাংকক হসপিটাল

১২ জুন ২০২৬

মাত্র ৫ মিনিটের ব্যায়ামেই মিলতে পারে দীর্ঘায়ু

মাত্র ৫ মিনিটের ব্যায়ামেই মিলতে পারে দীর্ঘায়ু

দৃষ্টি ডেস্ক: ব্যস্ত সকাল, ডেস্কে কাজের পাহাড় কিংবা দিনশেষে ক্লান্ত শরীর- এই চক্করে পড়ে জিমের মেম্বারশিপ কার্ডটা হয়তো অনেকেরই ওয়ালেটেই বন্দি হয়ে আছে। প্রতিদিন এক বা দেড় ঘণ্টা ঘাম ঝরানোর কথা ভাবলেই যেখানে অলসতা জেঁকে বসে, সেখানে চিকিৎসাবিজ্ঞান শোনাল এক দারুণ আশার বাণী। প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিটের ছোটখাটো শারীরিক পরিশ্রমই বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। দীর্ঘায়ু বা অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি এড়াতে পারেন। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে জিম বা দীর্ঘ সময়ের ভারী ওয়ার্কআউট করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। তবে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘায়ু পেতে কিংবা অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিটের মাঝারি ধরনের শারীরিক পরিশ্রমই যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর করা এক বৃহৎ গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সিঁড়ি বেয়ে ওঠার মতো মাঝারি ব্যায়াম সামগ্রিকভাবে প্রায় ১০ জনের মধ্যে ১ জনের অকাল মৃত্যু রোধ করতে পারে। গবেষকদের মতে, যারা একেবারেই নিষ্ক্রিয় থাকেন, তাদের জন্য এই সামান্য পরিবর্তনও দারুণ উপকারী। পাশাপাশি দৈনিক বসে থাকার সময় থেকে মাত্র ৩০ মিনিট কমাতে পারলেই প্রায় ৭% শতাংশ অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমবে। বিশেষজ্ঞরা একে ‘এক্সারসাইজ স্নাকিং’ বা ‘স্ন্যাকটিভিটি’ বলছেন। অর্থাৎ, সারাদিনে একবারে দীর্ঘ সময় ব্যায়াম না করে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নেওয়া। যেমন- রান্না করার সময় বা টিভি দেখার ফাঁকে কয়েকটি স্কোয়াট বা পুশ-আপ দেওয়া, লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করা, গন্তব্যের কিছুটা দূরে গাড়ি পার্ক করে ৫ মিনিট হেঁটে যাওয়া কিংবা ঘরের মেঝে জোরে জোরে মোছা বা নাচ করা। গবেষকদের মতে, এই ছোট ছোট শারীরিক পরিশ্রমগুলো আমাদের মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়াকে বারবার উদ্দীপিত করে, যা শরীরচর্চা থামানোর পরও কিছুক্ষণ সচল থাকে। এ ছাড়া, ৬০ ও ৭০ এর কোঠায় থাকা মানুষদের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যারোবিক ব্যায়ামের সঙ্গে পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম যুক্ত করলে মৃত্যুর ঝুঁকি আরও কমে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সপ্তাহে ১৫০ মিনিটের ব্যায়ামের পরামর্শ এখনো বহাল থাকলেও, গবেষকরা বলছেন- কিছু না করার চেয়ে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট নড়াচড়া করাও স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বড় অর্জন। তাই আজ থেকেই ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে জীবনে গতি আনুন, সুস্থ থাকুন দীর্ঘদিন। সূত্র: বিবিসি

২১ মে ২০২৬

জেনে নিন আজকের রাশিফল

জেনে নিন আজকের রাশিফল

জ্যোতিষ ড. কে সি পাল: আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করায় পাশ্চাত্য মতে আপনি মিথুন রাশির জাত ব্যক্তি। আপনার ওপর আজ রাশি অধিপতি বুধ, দেবগুরু বৃহস্পতি ও সেনাপতি মঙ্গলের প্রভাব বিদ্যমান। আপনার সঙ্গে মীন রাশির বন্ধুত্ব শুভফল প্রদান করবে। শিক্ষার্থীদের জন্য দিনটি স্মরণীয় হবে। কর্ম ব্যবসায় বাড়তি দায়িত্ব ভার বর্তাবে। পিতামাতা গুরুজনদের পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। নিত্য নতুন প্লান প্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হবে। দীর্ঘদিনের আটকে থাকা কাজ সচল হবে। মেষ [২১ মার্চ-২০ এপ্রিল] : কর্মের সুনাম যশ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে। ধৈর্য সাহস মনোবল জনবল বাড়বে। গৃহ বাড়িতে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান হবে। বিদেশ গমন ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পথ খুলতে পারে। রাগ জেদ হঠকারী সিদ্ধান্ত ঘাতক বলে প্রমাণিত হবে। বৃষ [২১ এপ্রিল-২০ মে] : শূন্য পকেট পূর্ণ হয়ে উঠবে। গৃহবাড়ি ভূমি সম্পত্তি ও যানবাহন ক্রয়ের স্বপ্ন পূরণ হবে। অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের অভাব ঘুচবে। ব্যাংক ব্যালেন্স ফুলেফেঁপে উঠবে। বিদেশ গমনেচ্ছুদের বিদেশ গমনের পথ খুলবে। দীর্ঘদিনের ধারকর্জ ঋণ মুক্তির পথ প্রশস্ত হবে। মিথুন [২১ মে-২০ জুন] : নিত্যনতুন স্বপ্ন পূরণের সম্ভবনা। ঝটকা উপার্জনের পথ খুলবে। পরিবারে ছোট্ট মুখের আগমন ঘটতে পারে। গৃহবাড়িতে নতুন আসবাবপত্র আসতে পারে। দুর্যোগের মেঘ কাটতে আরম্ভ করবে। প্রেমীযুগলের জন দিনটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। কর্কট [২১ জুন-২০ জুলাই] : ব্যবসা-বাণিজ্যে লোকসান গুনতে হবে। দাম্পত্য সুখ-শান্তি প্রতিষ্ঠা বজায় রাখতে জীবনসাথীর মতামতকে গুরুত্ব দিন। দূর থেকে আসা কোনো অপ্রিয় সংবাদ আসতে পারে। সংকটকালে স্বজনরা দূরে থেকে মজা দেখবে। দ্বিচক্রযান বর্জন করুন। সিংহ [২১ জুলাই-২০ আগস্ট] : সফলতার চাবি হাতের মুঠোয় আসবে। ধারকর্জ ঋণমুক্ত হবে। বিজয়ের বরমাল্য হাত বাড়িয়ে ধরবে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যা বুদ্ধি জ্ঞান গরিমা দিয়ে জীবন গড়বে। পরিবারে ছোট্ট নতুন মুখের আগমন ঘটতে পারে। বিদেশে অবস্থানরতদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পথ খুলবে। কন্যা [২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর] : কর্ম অর্থ যশ খ্যাতি প্রতিপত্তি পূর্ণ রাজকীয় দিন উপভোগ করবেন। নিত্যনতুন বাণিজ্যিক স্বপ্ন পূরণ হবে। শিক্ষার্থীরা মৌজমস্তিতে কাটাবে। লৌকিকতা পরিহার করুন। শত্রু ও বিরোধীপক্ষরা পরাস্ত হবে। নেশা মদ্য থেকে দূরে থাকুন। তুলা [২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর] : ভাগ্যলক্ষ্মী আপনাদের দ্বারে এসে টোক্কা মারবে। নিত্যনতুন প্ল্যানপ্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হবে। মন ধর্ম ও পরোপকারের প্রতি আকৃষ্ট থাকবে। সন্তানদের ক্যারিয়ার চমকে দেবে। পিতামাতার কাছ থেকে ভরপুর সহযোগিতা পাবেন। প্রেমীযুগলের প্রেম সমাজে স্বীকৃতি পাবে। বৃশ্চিক [২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর] : সন্তানদের গতিবিধির ওপর নজর দিন। টাকা-পয়সা হাতে আসার আগেই খরচের খাত তৈরি হয়ে যাবে। ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব বিরাজ করবে। শ্রমিক-কর্মচারী ওপর তীক্ষ্ম নজর রাখুন। অপরিচিত কাউকে আশ্রয় দেওয়া খাল কেটে কুমির আনার সমান হবে। ধনু [২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর] : বিবাহযোগ্যদের বিবাহের সানাই বাজবে। প্রতিযোগিতায় জয়ী হবার সম্ভাবনা। পরিবারে ছোট্ট নতুন মুখের আগমন ঘটবে। দীর্ঘদিনের দাম্পত্য কলহবিবাদের মীমাংসা হবে। সঞ্চয়ী ও মিতব্যয়ী হতে হবে। জীবনসঙ্গীরা কর্ম পেতে পারে। মকর [২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি] : কর্মে অমনোযোগ ও ব্যবসায় মন্দাভাব বিরাজ করবে। আয় উপার্জনের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করা কঠিন হবে। সিজনাল রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়তে পারে। শিক্ষার্থীদের মন ফেসবুক ইউটিউব প্রেম প্রসঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট থাকবে। কুম্ভ [২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি] : গৃহবাড়ি ও যানবাহন বদলের জন্য দিনটি রেকর্ড হয়ে থাকবে। কর্ম ব্যবসায় বাড়তি দায়িত্ব পাবেন। হারানো পিতৃমাতৃ ধন সম্পদ সম্পত্তি প্রাপ্তির সম্ভাবনা। শিক্ষার্থীদের মনোবাসনা পূর্ণ হবে। শত্রুরা পিছু হটবে। গৃহবাড়িতে কোনো না কোনো মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান হবে। মীন [১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ] : জীবনসাথী ও শ্বশুরালয় থেকে ভরপুর সহযোগিতা পাবেন। হারানো ধন সম্পদ সম্পত্তি পুনরুদ্ধার হবে। গৃহবাড়ি অতিথি সমাগমে মুখর হয়ে থাকবে। দ্বিচক্রযান বর্জনীয়। চতুর্দিক থেকে তরতাজা উন্নতি করবেন। কন্যা সন্তানদের সাফল্যে গৌরবান্বিত হবেন।

২১ মে ২০২৬