প্রচ্ছদ

টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত

টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত

দৃষ্টি নিউজ: টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বর্ণাঢ্য উৎসবের মধ্য দিয়ে মহান মে দিবস এবং জাতীয় স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার(১ মে) ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত- আসবে এবার নব প্রভাত’ প্রতিপাদ্যে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক শরীফা হক। এদিন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্যোগে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে দেশ-বিদেশের শ্রমিকদের কল্যাণে মসজিদে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। আলোচনা সভায় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিচালক আহমেদ বেলাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও অর্থ) মো. রবিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তারা কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও সেইফটি ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন। মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয়। বক্তারা আরও বলেন, মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্কই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। টাঙ্গাইলের পরিবহন খাত, তাঁত শিল্প, বিড়ি শিল্প এবং কৃষি খাতের শ্রমিকদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও সভায় উল্লেখ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন, রিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন এবং নির্মাণ শ্রমিক সংগঠনগুলো পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করেছে। অনেক সংগঠনের পক্ষ থেকে দুপুরে দুস্থ শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। সন্ধ্যায় স্থানীয় শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয়গুলোতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমের উপযুক্ত মূল্য এবং আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে জীবন উৎসর্গকারী শ্রমিকদের স্মরণে প্রতিবছর ১ মে বিশ্বজুড়ে ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

০১ মে ২০২৬

খাগড়াছড়িতে বুদ্ধ পূর্ণিমার মঙ্গল শোভাযাত্রা

খাগড়াছড়িতে বুদ্ধ পূর্ণিমার মঙ্গল শোভাযাত্রা

দৃষ্টি রিপোর্ট: ভগবান গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও পরিনির্বাণ, এই ত্রিস্মৃতি বিজড়িত শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে ধর্মীয় মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে সর্বজনীন বৈশাখী পূর্ণিমা উদযাপন কমিটি ও বৌদ্ধ মৈত্রী কল্যাণ সংঘ। শুক্রবার (১ মে) সকালে পানখাইয়া পাড়া মারমা উন্নয়ন সংসদ কার্যালয় মাঠে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন ও বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন খবং পড়িয়া দশবল বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ অগ্রজ্যোতি মহাস্থবির ভান্তে। শোভাযাত্রাটি সেখান থেকে শুরু হয়ে কোর্ট বিল্ডিং ও শাপলা চত্বর প্রদক্ষিণ করে মহাজন পাড়া জনবল বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারের ভিক্ষুসহ হাজারো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ অংশ নেন। পরে জনবল বৌদ্ধ বিহারে অনুষ্ঠিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি ও সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় পঞ্চশীল গ্রহণ, বুদ্ধ মূর্তি দান, সংঘ দান, অষ্টপরিখার দান, স্বধর্ম শ্রবণ ও পিণ্ডদানসহ নানা আচার পালন করা হয়। উল্লেখ্য, এই পূর্ণিমা তিথিতে ভগবান গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও পরিনির্বাণ সংঘটিত হওয়ায় দিনটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিবছরই এটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়।

০১ মে ২০২৬

মহান মে দিবস আজ

মহান মে দিবস আজ

দৃষ্টি রিপোর্ট: আজ শুক্রবার ১ মে, মহান মে দিবস। এই দিনটিকে বলা হয় মেহনতি মানুষের বিজয়ের দিন, আনন্দ ও সংহতি প্রকাশের দিন এবং ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অনুপ্রেরণার দিন। ১৮৮৬ সালের এই দিনে শিকাগোর হে মার্কেট দৈনিক আট ঘণ্টা কর্মসময় ও ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। ১৮৮৯ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত শ্রমিকদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রতিবছর দিবসটিকে ‘মে দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই থেকে সারা দুনিয়ার মেহনতি মানুষ বিশেষ মর্যাদায় দিবসটি পালন করে আসছে। বাংলাদেশেও শ্রমিক সংগঠনগুলো যথাযথ মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে দিবসটি পালন করে থাকে। এ বছরও একইভাবে দিবসটি পালন করা হবে। মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও তাঁদের কল্যাণে যুগান্তকারী নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের কল্যাণের কথা ভেবেই শহীদ জিয়া নানা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আরো বলেন, ‘মে দিবস বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৮৮৬ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিকরা দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গ করে যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন, তাঁদের সেই আত্মত্যাগ শ্রমিক শ্রেণির অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজও আমাদের প্রেরণা ও শক্তি জোগায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও তাঁদের কল্যাণে যুগান্তকারী নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার শ্রম আইন সংস্কার, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের যৌক্তিক মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে পেনশন ব্যবস্থা চালু, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, বন্ধ শিল্প চালু, ন্যায্যমূল্যে খাবার সরবরাহ, স্থায়ী শ্রমিক ও কর্মচারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতসহ শ্রমিকসমাজের ভাগ্যোন্নয়নে নানা কর্মসূচি ও নীতি গ্রহণ করেছে। আমি আশা করি, এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে।’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এই দিনে আমি দেশে-বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশের সকল শ্রমজীবী-কর্মজীবী ভাই-বোন, যাঁরা জীবন-জীবিকার জন্য, সর্বোপরি দেশের উন্নয়নের জন্য কর্মে নিয়োজিত রয়েছেন, তাঁদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষই যেকোনো দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি আর অগ্রযাত্রার প্রধান অবলম্বন। শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমেই গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি। সুতরাং তাঁদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানতম অঙ্গীকার। আমি মনে করি, শ্রমবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব।’

০১ মে ২০২৬

ঘাটাইলে সাতটি অবৈধ ইটভাটা বন্ধ ঘোষণা :: ২৩ লাখ টাকা জরিমানা

ঘাটাইলে সাতটি অবৈধ ইটভাটা বন্ধ ঘোষণা :: ২৩ লাখ টাকা জরিমানা

দৃষ্টি নিউজ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাতটি ইটভাটায় মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিনব্যাপী এ অভিযানে সাতটি অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা এবং মোট ২৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়াও একটি ইট ভাটার কিলন ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল।অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পাল। অভিযানে ঘাটাইল উপজেলার ব্রাহ্মনশাসন এলাকার স্বদেশ ব্রিকস ফিল্ডের কিলন ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে ভাটার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, লাউয়াগ্রাম এলাকার লিটন ব্রিকসের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, ঘাটাইল ব্রিকসের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, চাঁনতারা এলাকার মৌ ব্রিকসের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে দুই লাখ টাকা জরিমানা, এমএম ব্রিকসের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, নবযুগ বিকসের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং হরিপুর এলাকার ডিজিটাল ব্রিকসের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এ এইচ এম জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের এর টীম উপস্থিত ছিলেন। টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জহিরুল ইসলাম তালুকদার স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়, পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান চলমান থাকবে।

২৪ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জনসহ মোট ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ১ জন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহাসড়কের কালাকচুয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজন খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমেদের বোনের পরিবারের সদস্য। তারা হলেন, মাওলানা ফয়সাল আহমেদের বোন ঝর্না বেগম (৪০), ভগ্নিপতি আ. মমিন ( ৫০), ভাগ্নি লাবিবা (১৮) এবং ভাগ্নে সাইফ (৭)। তারা সবাই নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার চাতারপাইয়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত অপরজন গাড়ির চালক জামাল হোসেন। তিনি বরিশালের বাসিন্দা। ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. মমিন সমকালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল একটি প্রাইভেটকার। এসময় মহাসড়কের কালাকচুয়ায় এলে চট্টগ্রামগামী স্টারলাইন বাস প্রাইভেকারটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। চালক জামাল হোসেন এবং ভাগ্নে আবরারকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চালক জামালকে মৃত ঘোষণা করেন। আবরার (১২) বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন। তার অবস্থাও সংকটাপন্ন। ওসি আ. মমিন  বলেন, প্রাইভেটকারে চালকসহ ৬ জন ছিলেন। ৫ জনই মারা গেলেন।  ঘটনার পর চালক বাসটি ফেলে পালিয়ে গেছেন। আমরা বাসটিকে আটক করেছি। নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা হবে।

২৬ মার্চ ২০২৬