খেলাধুলা
প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর খেলার উদ্বোধন
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের ইনডোর খেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে প্রিণ্ট মিডিয়ার বটতলাস্থ কার্যালয়ে ওই খেলার আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার সাংবাদিক মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, সহ-সভাপতি আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক আগামীর সময় ও বিজয় টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আবু জুবায়ের উজ্জ্বল, যুগ্ম-সম্পাদক এশিয়া টেলিভিশনের সাংবাদিক শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক ঢাকা প্রতিদিন ও ইসলামিক টিভির সাংবাদিক ইমরুল হাসান বাবুসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়াতে খেলাধুলার আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইনডোর খেলা সাংবাদিকদের মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সুসম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে খেলার বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
১৮ আগস্ট ২০২৬
গোপালপুরকে ০-১ গোলে হারিয়ে টাঙ্গাইল সদর চ্যাম্পিয়ন
দৃষ্টি স্পোর্টস:বালির বাঁধ ভেঙ্গে সমুদ্রের ঢেউ যখন উপচে পড়ে, তখন বালির বাঁধটি হারিয়ে যায়। ঠিক তেমনি টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে দর্শকের ঢল কিন্তু কাঁটাতারের বেড়া রক্ষা করতে পারেনি। ফুটবলের ভালোবাসায় ৩৫ হাজার দর্শকের ঢল সরাসরি মাঠের পাশে। গ্রাম্য অঞ্চলে যেমন কর্ণার ফ্লাগের কাছে দর্শক বসে খেলা দেখে, এখানে তার থেকে ব্যতিক্রম। মাঠের চর্তুপাশে দর্শকের ঠাসা একটি স্টেডিয়াম। সেই দশর্কের জোয়ারে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার অধিনায়ক সুমন রেজার একমাত্র গোলে গোপালপুর উপজেলাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ১ আগষ্ট (শনিবার) বিকেলে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় তিল ধারনের জায়গা ছিলনা, কিছু দর্শক খেলা দেখতে না পেরে মাঠে শুধু হাঁটছে, দর্শকের ভিড়ের কোন ফাঁকে যদি একটু খেলা দেখা যায়।খেলা শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দর্শকের উপস্থিতি খুবই উৎফুল্ল ছিলেন। তিনি স্টেডিয়ামের দক্ষিণের গ্যালারি সংস্কারের পাশাপাশি নিকটের পুকুরটি সুইমিং পুল তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়ামে তৈরির পাশাপাশি টাঙ্গাইলে জিমনেসিয়াম খেলাধূলার জন্য মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন।জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপর) আসনের এমপি আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) আসনের এমপি লুৎফর রহমান মতিন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।মাঠের লাইন ঘেঁষে দর্শক বসে খেলা দেখলেও মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল খেলাই হয়েছে। দুটি দলই শুরুতে একটু অগোছালো খেললেও ধীরে ধীরে তারা স্বাভাবিক খেলায় ফিরে আসে। দুটি দলই নিজ দলের রক্ষণ সামলে কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করার চেষ্টা করেছেন। যে কারণে প্রথমার্থে গোল করার মতো কোন আক্রমনই হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড় মোরসালিন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, সুমন রেজা ও সৌরভ দেওয়ান গোছানো ফুটবল খেলে গোল করার চেষ্টা করতে থাকে। খেলার ৫৮ মিনিটে গোপালপুরের ডি-বক্সের বাইরে থেকে সুমন রেজা গোলবারমুখী শট একজন ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন হয়ে গোপালপুরের জালে জড়ায়(১-০) ।খেলায় পিছিয়ে পড়ে গোপালপুরের রবিউল, মামুন, সিবি কয়েকবার গোল পরিশোধের চেষ্টা করেন। বিশেষ করে প্রায় ৩২ গজ দূর থেকে সদরের গোলবারমুখী স্যামুয়েলের দূরন্ত শট টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক মজনু ফিস্ট করে কর্ণারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতা সদরের সুমন রেজা, ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় গোপালপুরের মারুফ। খেলায় ধারাভাষ্য প্রদান করেন, আব্দুল আলিম ও অনীক রহমান বুলবুল।টাঙ্গাইল সদর উপজেলা দলে ছিলেন- মজনু(গোলরক্ষক), বাম্বা(নাইজেরিয়া), মেহেদী হাসান মিঠু(আবাহনী), মুন্না, রেজাউল, অনিক, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম(মোহামেডান), শেখ মোরসালিন(আবাহনী), সৌরভ দেওয়ান, সুমন রেজা(অধিনায়ক), সুলেমান কান্তে(নাইজেরিয়ান)।গোপালপুর উপজেলা দলে ছিলেন- সুমন, তপু, হৃদয়, ইউসুফ, স্যামুয়েল(নাইজেরিয়া), সিবি(নাইজেরিয়া), রবিউল, ফিরোজ, মামুন, মিশু ও মারুফ ।টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার মাঠে রেফারীরর দায়িত্ব পালন করেন, সায়মন।
০৪ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
দৃষ্টি রিপোর্ট: টাঙ্গাইলে ‘হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে’ লীগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার(১১ জুলাই) বিকালে ওই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। উদ্বোধনকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক(পদোন্নতিপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন সহ ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা, খেলোয়ার, দলীয় নেতাকর্মী ও ক্রীড়ামোদীরা উপস্থিত ছিলেন। টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে হোম অ্যাওয়ে পদ্ধতির প্রথম লেগে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় টাঙ্গাইল সদর বনাম বাসাইল উপজেলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এছাড়া একই দিন প্রায় একই সময়ে মধুপুর রাণী ভবানী মডেল সরকারি উচ্চ মাঠে মধুপুর উপজেলা বনাম ঘাটাইল উপজেলা, গোপালপুর সুতী ভিএম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ধনবাড়ী বনাম গোপালপুর উপজেলা, ভূঞাপুর ইব্রাহিম খাঁ সরকারি কলেজ মাঠে কালিহাতী বনাম ভূঞাপুর উপজেলা, নাগরপুর সরকারি কলেজ মাঠে দেলদুয়ার বনাম নাগরপুর উপজেলা এবং সখীপুর উপজেলা পরিষদ খেলার মাঠে মির্জাপুর বনাম সখীপুর উপজেলা দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একই পদ্ধতির দ্বিতীয় লেগে সোমবার(১৩ জুলাই) ঘাটাইল জিবিজি কলেজ মাঠে ঘাটাইল বনাম মধুপুর উপজেলা, ধনবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে গোপালপুর বনাম ধনবাড়ী উপজেলা, কালিহাতী আরএস সরকারি পাইলট মডেল কলেজ মাঠে ভূঞাপুর বনাম কালিহাতী উপজেলা, বাসাইল উপজেলা মাঠে টাঙ্গাইল সদর বনাম বাসাইল উপজেলা, দেলদুয়ার উপজেলা স্টেডিয়ামে নাগরপুর বনাম দেলদুয়ার উপজেলা এবং মির্জাপুর মিনি স্টেডিয়ামে সখীপুর বনাম মির্জাপুর উপজেলা মুখোমুখি হবে। টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে ১৯ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই সুপার সিক্স পর্ব, একই মাঠে ২৮ ও ২৯ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১ আগস্ট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে অংশগ্রহণ করছে ১২টি উপজেলার ফুটবল দল। যদিও টুর্নামেন্টের মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে প্রতিটি দলে অতিথি খেলোয়াড় হিসেবে ৫ জন করে বিদেশী ফুটবলার খেলার সুযোগ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ মানেই এক সময় বাংলাদেশের বিখ্যাত মোহামেডান-আবাহনীসহ নামীদামী ক্লাবের অংশগ্রহণ ছিল। তখন ক্রীড়ামোদী দর্শকে ভরপুর থাকতো টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম- এ টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা ক্রীড়াঙ্গণে ঐতিহ্য হয়ে ওঠেছিল। ১৯৮০ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল ইসলাম প্রথম টাঙ্গাইলে ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ আয়োজন করে ক্রীড়াঙ্গনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালে এ টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। শেষ খেলায় টাঙ্গাইল ইয়ুথ ক্লাব চ্যাম্পিয়ন এবং ঢাকার বিজেএমসি রানার্সআপ হয়।
১১ জুলাই ২০২৬
আগামিকাল টাঙ্গাইলে শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট
দৃষ্টি স্পোর্টস: টাঙ্গাইলে ‘হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে’ লীগ পদ্ধতিতে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট দীর্ঘদিন পর শুরু হচ্ছে। শনিবার(১১ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টায় ওই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে নতুন রুপে আর্বিভূত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ। এবারের জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে অংশগ্রহণ করছে ১২টি উপজেলার ফুটবল দল। যদিও টুর্নামেন্টের মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে প্রতিটি দলে অতিথি খেলোয়াড় হিসেবে ৫ জন করে বিদেশী ফুটবলার খেলার সুযোগ রাখা হয়েছে। টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে আয়োজিত হোম অ্যাওয়ে পদ্ধতির প্রথম লেগে শনিবার বিকাল ৩টায় উদ্বোধনী দিনে টাঙ্গাইল সদর বনাম বাসাইল উপজেলা মুখোমুখি হবে। একই দিন মধুপুর রাণী ভবানী মডেল সরকারি উচ্চ মাঠে মধুপুর উপজেলা বনাম ঘাটাইল উপজেলা, গোপালপুর সুতী ভিএম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ধনবাড়ী বনাম গোপালপুর উপজেলা, ভূঞাপুর ইব্রাহিম খাঁ সরকারি কলেজ মাঠে কালিহাতী বনাম ভূঞাপুর উপজেলা, নাগরপুর সরকারি কলেজ মাঠে দেলদুয়ার বনাম নাগরপুর উপজেলা এবং সখীপুর উপজেলা পরিষদ খেলার মাঠে মির্জাপুর বনাম সখীপুর উপজেলা মুখোমুখি হবে। একই পদ্ধতির দ্বিতীয় লেগে সোমবার(১৩ জুলাই) ঘাটাইল জিবিজি কলেজ মাঠে ঘাটাইল বনাম মধুপুর উপজেলা, ধনবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে গোপালপুর বনাম ধনবাড়ী উপজেলা, কালিহাতী আরএস সরকারি পাইলট মডেল কলেজ মাঠে ভূঞাপুর বনাম কালিহাতী উপজেলা, বাসাইল উপজেলা মাঠে টাঙ্গাইল সদর বনাম বাসাইল উপজেলা, দেলদুয়ার উপজেলা স্টেডিয়ামে নাগরপুর বনাম দেলদুয়ার উপজেলা এবং মির্জাপুর মিনি স্টেডিয়ামে সখীপুর বনাম মির্জাপুর উপজেলা মুখোমুখি হবে। টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে ১৯ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই সুপার সিক্স পর্ব, একই মাঠে ২৮ ও ২৯ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১ আগস্ট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ মানেই এক সময় বাংলাদেশের বিখ্যাত মোহামেডান-আবাহনীসহ নামীদামী ক্লাবের অংশগ্রহণ ছিল। তখন ক্রীড়ামোদী দর্শকে ভরপুর থাকতো টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম- এ টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা ক্রীড়াঙ্গণে ঐতিহ্য হয়ে ওঠেছিল। ১৯৮০ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল ইসলাম প্রথম টাঙ্গাইলে ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ আয়োজন করে ক্রীড়াঙ্গনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালে এ টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। শেষ খেলায় টাঙ্গাইল ইয়ুথ ক্লাব চ্যাম্পিয়ন এবং ঢাকার বিজেএমসি রানার্সআপ হয়।
১০ জুলাই ২০২৬
জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু বাংলাদেশের
দৃষ্টি স্পোর্টস ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় দিয়েই শুরু করল মেয়েরা। রোববার বার্মিংহামে আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশকে ১৪০ রানের লক্ষ্য দেয় নেদারল্যান্ডস। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশের মেয়েরা। শুরুতে জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতার বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের পর পঞ্চম উইকেটে শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তারের দৃঢ়তায় ৫ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। বার্মিংহামে ১৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুই ওপেনার দিলারা আক্তার ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা আগ্রাসী শুরু করেন। বিশেষ করে জয়িতা ছিলেন ভয়ঙ্কর রূপে। ৮ ওভারের মধ্যে ৬৭ রান তুলে ফেলেন দুই ওপেনার। জয়িতা ৩২ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরি ছুঁয়েই পরের বলে আউট হন তিনি। ৩৩ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় শেষ হয় জয়িতার ইনিংস। যদিও ব্যক্তিগত ৭ রানে জীবন পেয়েছিলেন তিনি। ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান জয়িতা। রিপ্লেতে দেখা যায়, বলটি মাটি ছুঁয়ে ফিল্ডারের হাতে পৌঁছেছিল। জয়িতার আউটের পর বড় বিপর্যয়ে পড়ে মেয়েরা। লেগস্পিনার ক্যারোলিন ডি ল্যাঞ্জ হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়ে তুলেছিলেন। অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে লম্বা শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন জয়িতা। পরের বলেই আড়াআড়িভাবে ড্রাইভ করতে গিয়ে গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। দুই ওভার পরে দিলারা আক্তার ডিফেন্ড করতে গিয়ে ক্লিন বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। তার আগে ২৩ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর স্কোরবোর্ডে আরও ৬ রান যোগ হওয়ার পর সোবহানা মোস্তারি রান আউটের শিকার হন। ১৮ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের ষোলকলা পূর্ণ হয় বাংলাদেশের। পরে অবশ্য আর কোনো উইকেট হারায়নি লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার মিলে অবিচ্ছিন্ন ৫৬ রানের জুটি গড়ে ৫ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন। শারমিন ৩২ বলে ৩৭ এবং স্বর্ণা ১৭ বলে ১৮ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এর আগে বার্মিংহামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে নেদারল্যান্ডস। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম সাফল্য পায় বাংলাদেশ। মারুফা আক্তারের ইনসুইং ডেলিভারিতে উইকেটরক্ষক নিগার সুলতানা জ্যোতির হাতে ক্যাচ দেন ফিবি মোলকেনবোয়ার। যদিও মারুফার ওই ওভারের প্রথম তিন বলে ১০ রান তুলে নিয়েছিলেন এই ডাচ ওপেনার। আউট হওয়ার আগে ৭ বলে ১১ রান করেন তিনি। প্রথম ধাক্কার পরও ক্রিজে নেমে ইনিংস ধরে রাখার চেষ্টা করেন বাবেতে ডি লিডে। ডাচ ব্যাটারদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ ছিলেন। একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের সংগ্রহ এগিয়ে নেন তিনি। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নেদারল্যান্ডস। ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি ডাচ ব্যাটারদের বেশিরভাগই। হেদার সিগার্স করেন ১৬ রান। রবিন রাইকে ও আইরিশ জুইলিং করেন ১৩ রান করে। সর্বোচ্চ ৫০ রান আসে বাবেতে ডি লিডের ব্যাট থেকে। ৪৫ বলে ৫ চারে সাজানো তার ইনিংসটি শেষ হয় রান আউটের মাধ্যমে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান সংগ্রহ করে নেদারল্যান্ডস। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন মারুফা আক্তার। ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন তিনি। এছাড়া ফারিহা তৃষ্ণা, সানজিদা আক্তার, রাবেয়া খান ও রিতু মণি নেন একটি করে উইকেট।
১৫ জুন ২০২৬
ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু ব্রাজিলের
দৃষ্টি স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের শুরুতেই দারুণ এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দিল ব্রাজিল ও মরক্কো। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হাইভোল্টেজ এই লড়াই শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। দুই দলই নিজেদের মিশন শুরু করেছে পয়েন্ট ভাগাভাগি দিয়ে। ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দহীন ছিল নেইমারহীন ব্রাজিল। বিপরীতে গোছানো ফুটবল খেলতে থাকা মরক্কো শুরুতেই চাপ তৈরি করে। ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আফ্রিকার দলটি। বাম প্রান্ত থেকে ছোট ছোট পাসে আক্রমণ গড়ে তুলে ব্রাজিলের ডি বক্সে বল পান বেনজামিন এল আইনুই। তবে শেষ মুহূর্তে তার শট ঠেকিয়ে দেন গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস। ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ব্রাজিল। এক পর্যায়ে ইগর থিয়াগোর সামনে ভালো সুযোগ এলেও সেটি কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ঠিক তখনই ২১তম মিনিটে এগিয়ে যায় মরক্কো। ব্রাহিম দিয়াজের চমৎকার পাস থেকে বল পেয়ে গোল করেন ইসমায়েল সাইবারি। তবে পিছিয়ে পড়ার পর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ব্রাজিলকে। ৩২তম মিনিটে দুর্দান্ত একক নৈপুণ্যে দলকে সমতায় ফেরান ভিনিসিয়ূস জুনিয়র। বাম দিক থেকে ড্রিবলিং করে বক্সে ঢুকে জোরালো শটে গোল করেন তিনি। ইয়াসিন বুনো চেষ্টা করেও সেই বল ঠেকাতে পারেননি। ব্রাজিলের জার্সিতে এটি ভিনিসিয়ূসের ৫০তম আন্তর্জাতিক গোল। প্রথমার্ধ ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দল আক্রমণ চালালেও আর কোনো গোল হয়নি। ফলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় কার্লো আনচেলোত্তির ব্রাজিল ও মরক্কোকে।
১৫ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপে ৪৮ দলের খেলোয়ার ও জার্সি নম্বর জেনে নিন
দৃষ্টি স্পোর্টস ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শুরু হচ্ছে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের এবারের আসরের আয়োজক দেশ উত্তর আমেরিকার তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। এবার রেকর্ড ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রতি দলে ২৬ জন করে খেলোয়াড় রয়েছে। কোন দলে কারা আছে তাদের জার্সি নম্বর কত দেখে নিন- গ্রুপ ‘এ’: দক্ষিণ কোরিয়া গোলরক্ষক ১–কিম সুং–গিউ, ১২–সং বাম–কুন, ২১–জো হিউয়ান–উ। ডিফেন্ডার ২–লি হান–বম, ৪–কিম মিন–জে, ৫–কিম তে–হিউয়ান, ১৩–লি তে–সুক, ১৪–চো উই–জে, ১৫–কিম মুন–হোয়ান, ১৬–পার্ক জিন–সোয়াব, ২২–সুল ইয়াং–উ, ২৩–জেন্স কাস্ট্রপ। মিডফিল্ডার ৩–লি জি–হিউক, ৬–হোয়াং ইন–বম, ৮–পেইক সুং–হো, ১০–লি জে–সুং, ১১–হোয়াং হি–চ্যান, ১৭–বে জুন–হো, ১৯–লি কাং–ইন, ২০–ইয়াং হিউন–জুন, ২৪–কিম জিন–গিউ, ২৫–ইওম জি–সুং, ২৬–লি ডং–গিউয়াং। ফরোয়ার্ড ৭–সন হিয়ুং–মিন, ৯–চো গুয়ে–সুং, ১৮–ওহ হিউয়ান–গিউ। গ্রুপ ‘এ’: মেক্সিকো গোলরক্ষক ১–রাউল রানহেল, ১২–কার্লোস আসেভেদো, ১৩–গিয়ের্মো ওচোয়া। ডিফেন্ডার ২–হোর্হে সানচেজ, ৩–সেজার মন্তেস, ৪–এদসন আলভারেজ, ৫–হোহান ভাসকেজ, ১৫–ইসরায়েল রেইয়েস, ২০–মাতেও চাভেজ, ২৩–হেসুস গায়ার্দো। মিডফিল্ডার ৬–এরিক লিরা, ৭–লুইস রোমো, ৮–আলভারো ফিদালগো, ১৭–ওরবেলিন পিনেদা, ১৮–ওবেদ ভারগাস, ১৯–গিলবার্তো মোরা, ২৪–লুইস চাভেজ, ২৬–ব্রায়ান গুতিয়েরেজ। ফরোয়ার্ড ৯–রাউল হিমিনেজ, ১০–আলেক্সিস ভেগা, ১১–সান্তিয়াগো হিমিনেজ, ১৪–আরমান্দো গঞ্জালেজ, ১৬–হুলিয়ান কিনিয়োনেস, ২১–সেজার উয়ের্তা, ২২–গিয়ের্মো মার্তিনেজ, ২৫–রবার্তো আলভারাদো। গ্রুপ ‘এ’: দক্ষিণ আফ্রিকা গোলরক্ষক ১–রনওয়েন উইলিয়ামস, ১৬–সিফো চেইন, ২২–রিকার্ডো গস। ডিফেন্ডার ২–থাবাং মাতুলুদি, ৩–খুলুমানি এনদামানে, ৬–অব্রে মদিবা, ১৪–এমবেকেজেলি এমবোকাজি, ১৮–সামুকেলে কাবিনি, ১৯–এনকোসিনাথি সিবিসি, ২০–খুলিসো মুদাউ, ২১–ইমে ওকন, ২৪–ওলওয়েথু মাখানায়া, ২৬–ব্র্যাডলি ক্রস। মিডফিল্ডার ৪–তেবোহো মোকোয়েনা, ৫–থালেন্তে এমবাথা, ১১–থেম্বা জেওয়ানে, ১৩–স্ফেফেলো সিথোলে, ২৩–জেইডেন অ্যাডামস। ফরোয়ার্ড ৭–ওসউইন অ্যাপোলিস, ৮–শেপাং মোরেমি, ৯–লাইল ফস্টার, ১০–রেলেবোহিলে মোফোকেং, ১২–থাপেলো মাসেকো, ১৫–ইকরাম রেইনার্স, ১৭–এভিডেন্স মাকগোপা, ২৫–কামোগেলো সেবেলেবেলে । গ্রুপ ‘এ’: চেক প্রজাতন্ত্র গোলরক্ষক ১–মাতেই কোভার্শ, ১৬–ইনদ্রিখ স্তানেক, ২৩–লুকাশ হর্নিচেক। ডিফেন্ডার ২–দাভিদ জিমা, ৩–তমাশ হোলেশ, ৪–রবিন হ্রানাচ, ৫–ভ্লাদিমির সোফাল, ৬–স্তেপান খালোপেক, ৭–লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ১৪–দাভিদ ইয়ুরাসেক, ২০–ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ২১–দাভিদ দুদেরা। মিডফিল্ডার ৮–ভ্লাদিমির দারিদা, ১২–লুকাশ চের্ভ, ১৭–লুকাশ প্রোভোদ, ১৮–মিখাল সাদিলেক, ২২–তমাশ সুচেক, ২৪–আলেকসান্দ্র সোইকা, ২৫–হুগো সোখুরেক। ফরোয়ার্ড ৯–আদাম হ্লোজেক, ১০–পাত্রিক শিক, ১১–ইয়ান কুখতা, ১৩–মইমির খিতিল, ১৫–পাভেল শুলৎস, ১৯–তমাশ খোরি, ২৬–দেনিস ভিশিনস্কি। গ্রুপ ‘বি’: কানাডা গোলরক্ষক ১–ডেন সেন্ট ক্লেয়ার, ১৬–ম্যাক্সিম ক্রেপো, ১৮–ওয়েন গুডম্যান। ডিফেন্ডার ২–অ্যালিস্টার জনস্টন, ৩–আলফি জোন্স, ৪–লুক ডি ফুগেরোলেস, ৫–জোয়েল ওয়াটারম্যান, ১৩–ডেরেক কর্নেলিউস, ১৫–ময়জে বোমবিতো, ১৯–আলফন্সো ডেভিস, ২২–রিচি লারিয়া, ২৩–নিকো সিগুর। মিডফিল্ডার ৬–ম্যাথু শোয়ানিয়ের, ৭–স্টিভেন ইউস্টাকিও, ৮–ইসমায়েল কোনে, ১১–লিয়াম মিলার, ১৪–জ্যাকব শাফেলবুর্গ, ২১–জোনাথন ওসোরিও, ২৫–নাথান সালিবা, ২৬–মার্সেলো ফ্লোরেস। ফরোয়ার্ড ৯–কাইল লারিন, ১০–জোনাথন ডেভিড, ১২–তানি ওলুওয়াসেয়ি, ১৭–তেজন বুকানান, ২০–আলী আহমেদ, ২৪–প্রমিজ ডেভিড। গ্রুপ ‘বি’: বসনিয়া গোলকিপার ১–নিকোলা ভাসিল, ১২–ম্লাদেন ইয়ুরকাস, ২২– মার্তিন জ্লোমিসলিচ ডিফেন্ডার ২– নিহাদ মুয়াকিচ, ৩– দেনিস হাজিকাদুনিচ, ৪–তারিক মুহারেমোভিচ, ৫–সিয়াদ কোলাসিনাচ, ৭–আমর দেদিচ, ১৮–নিকোলা কাতিচ, ২১–স্তেপান রাদেলিচ, ২৪–নিদাল চেলিক। মিডফিল্ডার ৬– বেনইয়ামিন তাহিরোভিচ, ৮– আরমিন গিগোভিচ, ১৩–ইভান বাসিচ, ১৪–ইভান সুনিচ, ১৫–আমর মেমিচ, ১৬–আমির হাজিয়ামেতোভিচ, ১৭–জেনিম বুরনিচ, ২৬–এরমিন মাহমিচ। ফরোয়ার্ড ৯–সামেদ বাজদার, ১০–এরমেদিন দেমিরোভিচ, ১১–এদিন জেকো, ১৯–কেরিম আলাইবেগোভিচ, ২০–এসমির বাইরাকতারেভিচ, ২৩–হারিস তাবাকোভিচ, ২৫–ইয়োভো লুকিচ। গ্রুপ ‘বি’: কাতার গোলরক্ষক ১–মাহমুদ আবুনাদা, ২১–সালাহ জাকারিয়া, ২২–মেশাল বারশাম। ডিফেন্ডার ২–পেদ্রো মিগুয়েল, ৩–লুকাস মেন্দেস, ৪–ইসা লায়ে, ৫–জসিম গাবের, ১৩–আয়ুব আল–উয়ি, ১৪–হোমাম আহমেদ, ১৬–বুয়ালেম খুখি, ১৮–সুলতান আল–ব্রেক, ২৫–আল–হাশমি আল–হুসেইন। মিডফিল্ডার ৬–আবদুলআজিজ হাতেম, ১২–করিম বুদিয়াফ, ১৭–আহমেদ আল–গানেহি, ২০–আহমেদ ফাতি, ২৩–আসিম মাদিবো। ফরোয়ার্ড ৭–আহমেদ আলাএলদিন, ৮–এদমিলসন জুনিয়র, ৯–মোহাম্মদ মুন্তারি, ১০–হাসান আল–হেইদোস, ১১–আকরাম আফিফ, ১৫–ইউসুফ আবদুরিসাগ, ১৯–আলমোয়েজ আলী, ২৪–তাহসিন জামশিদ, ২৬–মোহাম্মদ মানাই। গ্রুপ ‘বি’: সুইজারল্যান্ড গোলরক্ষক ১–গ্রেগর কোবেল, ১২–ইভন এমভোগো, ২১–মারভিন কেলার। ডিফেন্ডার ২–মিরো মুহাইম, ৩–সিলভান ভিডমার, ৪–নিকো এলভেদি, ৫–মানুয়েল আকাঞ্জি, ১৩–রিকার্দো রদ্রিগেজ, ১৮–ইরাই জোমের্ত, ২৪–অরেলে আমেন্দা, ২৫–লুকা হাকেজ। মিডফিল্ডার ৬–দেনিস জাকারিয়া, ৮–রেমো ফ্রয়েলার, ৯–ইয়োহান মানজাম্বি, ১০–গ্রানিত জাকা, ১৪–আরদন ইয়াশারি, ১৫–জিব্রিল সো, ২০–মিশেল আইবিশের, ২২–ফাবিয়ান রিডার। ফরোয়ার্ড ৭–ব্রিল এমবোলো, ১১–ড্যান এনদোয়ে, ১৬–ক্রিস্টিয়ান ফাসনাখট, ১৭–রুবেন ভারগাস, ২৩–নোয়াহ ওকাফোর, ২৩–জেকি আমদুনি, ২৬–সেড্রিক ইটান। গ্রুপ ‘সি’: ব্রাজিল গোলকিপার ১–আলিসন, ১২–ওয়েভারতন, ২৩– এদেরসন। ডিফেন্ডার ২–এদেরসন সিলভা, ৩–গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস, ৪– মার্কিনিওস, ৬– অ্যালেক্স সান্দ্রো, ১৩–দানিলো, ১৪– ব্রেমার, ১৫–লিও পেরেইরা, ১৬–দগলাস সান্তোস, ২৪– রজার ইবানিয়েজ। মিডফিল্ডার ৫–কাসেমিরো, ৮–ব্রুনো গিমারাইস, ১৭– ফাবিনিও, ১৮–দানিলো সান্তোস, ২০–লুকাস পাকেতা। ফরোয়ার্ড ৭–ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ৯– মাতেউস কুনিয়া, ১০–নেইমার, ১১– রাফিনিয়া, ১৯– এনদ্রিক, ২১– লুইস এনরিকে, ২২–গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ২৫– ইগর থিয়াগো, ২৬–রায়ান। গ্রুপ ‘সি’: মরক্কো গোলরক্ষক ১–ইয়াসিন বুনু, ১২–মুনির মোহাম্মেদি, ২২–আহমেদ রেদা তাগনাউতি। ডিফেন্ডার ২–আশরাফ হাকিমি, ৩–নুসাইর মাজরাউয়ি, ৫–নায়েফে আগুয়ের্দ, ১৩–জাকারিয়া এল উয়াহদি, ১৪–ইসা দিওপ, ১৮–শাদি রিয়াদ, ১৯–ইউসেফ বেলাম্মারি, ২৫–রেদুয়ান হালহাল, ২৬–আনাস সালাহ–এদ্দিন। মিডফিল্ডার ৪–সোফিয়ান আমরাবাত, ৬–আইয়ুব বুয়াদ্দি, ৭–শেমসদিন তালবি, ৮–আজ্জেদিন উনাহি, ১১–ইসমায়েল সাইবারি, ১৫–সামির এল মুরাবেত, ১৬–গেসিম ইয়াসিন, ২৩–বিলাল এল খান্নুস, ২৪–নিল এল আয়নাউয়ি। ফরোয়ার্ড ৯–সুফিয়ান রাহিমি, ১০–ব্রাহিম দিয়াজ, ১৭–আবদে এজ্জালজুলি, ২০–আইয়ুব এল কাবি, ২১–আইয়ুব আমাইমুনি। গ্রুপ ‘সি’: হাইতি গোলরক্ষক ১–জনি প্লাসিড, ১২–আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, ২৩–জোসুয়ে দুভেগার। ডিফেন্ডার ২–কারলেন্স আরকুস, ৩–কিতো তারমন্সি, ৪–রিকার্দো আদে, ৫–হানেস দেলক্রোয়া, ১৩–ডিউক লাক্রো, ২২–জাঁ–কেভিন দুভার্ন, ২৪–উইলগেন্স পোগান। মিডফিল্ডার ৬–কার্ল সাইন্তে, ১০–জাঁ–রিকনে বেলগার্দ, ১৪–লেভের্তন পিয়ের, ১৭–দানলি জাঁ জ্যাক, ২৫–দমিনিক সিমন, ২৬–উদেনস্কি পিয়ের। ফরোয়ার্ড ৭–ডেরিত এতিয়েন জুনিয়র, ৯–দুকেন্স নাজন, ১১–লুইসিয়ুস দিদসন, ১৫–রুবেন প্রভিডেন্স, ১৬–লেনি জোসেফ, ১৮–উইলসন ইসিদর, ১৯–ইয়াসিন ফরতুনে, ২০–ফ্রানৎসদি পিরো, ২১–জোসুয়ে কাসিমির। গ্রুপ ‘সি’: স্কটল্যান্ড গোলরক্ষক ১–অ্যাঙ্গাস গান, ১২–লিয়াম কেলি, ২১–ক্রেইগ গর্ডন। ডিফেন্ডার ২–অ্যারন হিকি, ৩–অ্যান্ডি রবার্টসন, ৫–গ্র্যান্ট হ্যানলি, ৬–কিয়েরান টিয়ের্নি, ১৩–জ্যাক হেন্ড্রি, ১৫–জন সুটার, ১৬–ডমিনিক হাইয়াম, ২২–নাথান প্যাটারসন, ২৪–অ্যান্টনি রালস্টন, ২৬–স্কট ম্যাকেনা। মিডফিল্ডার ৪–স্কট ম্যাকটমিনে, ৭–জন ম্যাকটমিনে, ৮–টাইলার ফ্লেচার, ১১–রায়ান ক্রিস্টি, ১৭–বেন গ্যানন–ডোক, ১৯–লুইস ফার্গুসন, ২৩–কেনি ম্যাকলিন, ২৫–ফিন্ডলে কার্টিস। ফরোয়ার্ড ৯–লিন্ডন ডাইকস, ১০–চে অ্যাডামস, ১৪–রস স্টুয়ার্ট, ১৮–জর্জ হার্স্ট, ২০–লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড। গ্রুপ ‘ডি’: যুক্তরাষ্ট্র গোলরক্ষক ১–ম্যাট টার্নার, ২৪–ম্যাট ফ্রিজ, ২৫–ক্রিস ব্র্যাডি। ডিফেন্ডার ২–সের্হেনিও দেস্ত, ৩–ক্রিম রিচার্ডস, ৫–অ্যান্টনি রবিনসন, ৬–অস্টন ট্রাস্টি, ১২–মাইল রবিনসন, ১৩–টিম রিম, ১৬–অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, ১৮–ম্যাক্স আর্ফস্টেন, ২২–মার্ক ম্যাকেঞ্জি, ২৩–জো স্ক্যালি। মিডফিল্ডার ৪–টাইলার অ্যাডামস, ৭–জোভান্নি রেইনা, ৮–ওয়েস্টন ম্যাকেনি, ১৪–সেবাস্তিয়ান বারহল্টার, ১৫–ক্রিস্টিয়ান রোল্ডান, ১৭–মালিক টিলম্যান। ফরোয়ার্ড ৯–রিকার্ডো পেপি, ১০–ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক, ১১–ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ১৯–হাজি রাইট, ২০–ফোলারিন বালোগান, ২১–টিমথি উইয়াহ, ২৬–আলেহান্দ্রো জেনদেহাস। গ্রুপ ‘ডি’: প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক ১–গাতিতো্ ফার্নান্দেজ, ১২–অরলান্দো হিল, ২২–গাস্তন ওলিভিয়েরা। ডিফেন্ডার ২–গুস্তাভো ভেলাজকেজ, ৩–ওমর আলদেরেতে, ৪–হুয়ান হোসে কাসেরেস, ৫–ফাবিয়ঢান বালবুয়েনা, ৬–জুনিয়র আলোনসো, ১৩–হোসে কানালে, ১৫–গুস্তাভো গোমেজ, ২৬–আলেসান্দ্রো মাইদানা। মিডফিল্ডার ৭–রামোন সোসা, ৮–দিয়েগো গোমেজ, ১০–মিগুয়েল আলমিরন, ১১–মরিসিও, ১৪–আন্দ্রেস কুবাস, ১৬–দামিয়ান বোবাদিয়া, ১৭–কাকু, ২০–ব্রাইয়ান ওহেদা, ২৩–মাতিয়াস গালারজা, ২৪–গুস্তাভো কাবায়েরো। ফরোয়ার্ড ৯–আন্তনিও সানাব্রিয়া, ১৮–আলেক্স আর্সে, ১৯–হুলিও এনসিসো, ২১–গ্যাব্রিয়েল আভালোস, ২৫–ইসিদ্রো পিত্তা। গ্রুপ ‘ডি’: অস্ট্রেলিয়া গোলরক্ষক ১–ম্যাথু রায়ান, ২–পল ইজো, ১৮–প্যাট্রিক বিচ। ডিফেন্ডার ২–মিলোস দেগেনেক, ৩–আলেসান্দ্রো চিরকাতি, ৪–জ্যাকব ইতালিয়ানো, ৫–জর্ডান বস, ৬–জ্যাসন গেরিয়া, ১৫–কাই ট্রুইন, ১৬–আজিজ বেহিচ, ১৯–হ্যারি সুটার, ২১–ক্যামেরন বার্জেস, ২৫–লুকাস হেরিংটন। মিডফিল্ডার ৮–কনর মেটকাফ, ১৩–এইডেন ওনিল, ১৪–ক্যামেরন ডেভলিন, ২২–জ্যাকসন আরভিন, ২৪–পল ওকন–ইংস্টলার। ফরোয়ার্ড ৭–ম্যাথু লেকি, ৯–মোহাম্মদ তুরে, ১০–আইদিন রুস্তিচ, ১১–আওয়ার মাবিল, ১৭–নেস্তরি ইরানকুন্ডা, ২০–ক্রিস্টিয়ান ভলপাতো, ২৩–নিশান ভেলুপিল্লাই, ২৬–টেটে ইয়েংগি। গ্রুপ ‘ডি’: তুরস্ক গোলরক্ষক ১–মের্ত গুনক, ১২–আলতাই বায়িনদির, ২৩–উয়ারজান চাকির। ডিফেন্ডার ২–জেকি চেলিক, ৩–মেরিহ দেমিরাল, ৪–চাগলার সোয়ুঞ্জু, ১৩–এরেন এলমাল, ১৪–আবদুলকেরিম বারদাক, ১৫–ওজান কাবাক, ১৮–মের্ত মুলদুর, ২০–ফেরদি কাদোলু, ২৫–সামেত আকাইদিন। মিডফিল্ডার ৫–সালিজ উজান, ৬–ওরকুন কোকচু, ১০–হাকান চালহানোলু, ১৬–ইসমাইল ইয়ুকসেক, ২২–কান আইহান। ফরোয়ার্ড ৭–কেরেম আতুরকোলু, ৮–আরদা গুলের, ৯–দেনিজ গুল, ১১–কেনান ইলদিজ, ১৭–ইরফান জান কাহভেজি, ১৯–ইউনুস আকগুন, ২১–বারিশ আলপের ইলমাজ, ২৪–উজ আইদিন, ২৬–জান উজুন। গ্রুপ ‘ই’: জার্মানি গোলকিপার ১–মানুয়েল নয়্যার, ১২–অলিভার বাউমান, ২১–আলেকজান্ডার ন্যুবেল। ডিফেন্ডার ২–অ্যান্টোনিও রুডিগার, ৩– ভালডেমার আন্টন, ৪–জোনাথন টাহ, ১৫–নিকো শ্লটারবেক, ১৮–নাথানিয়েল ব্রাউন, ২২–ডেভিড রাউম, ২৪–মালিক থিয়াও । মিডফিল্ডার ৫–ফেলিক্স এনমেচা, ৬–ইয়োশুয়া কিমিখ, ৮–লিয়ন গোরেৎসকা, ৯–জেমি লেভেলিং, ১০–জামাল মুসিয়ালা, ১৩– পাসকাল গ্রস, ১৬–অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ১৭–ফ্লোরিয়ান ভির্টৎস, ১৯–লিরয় সানে, ২০–নাদিম আমিরি, ২৩–ফেলিক্স এনমেচা, ২৫–আসান উয়েদ্রাওগো। ফরোয়ার্ড ৭– কাই হাভার্টজ, ১১– নিকোলাস ভোল্টেমাড, ১৪– মাক্সিমিলিয়ান বায়ার, ২৬–ডেনিজ উনদাভ। গ্রুপ ‘ই’: কুরাসাও গোলরক্ষক ১–এলয় রম, ২৫–টিরিক বোদাক, ২৬–ট্রেভর ডর্নবুস্ক। ডিফেন্ডার ২–শুরান্ডি সাম্বো, ৩–ইয়ুরিয়েন গারি, ৪–রোশন ফন এইমা, ৫–শেরেল ফ্লোরানুস, ১৮–আরমান্দো ওবিসপো, ২০–ইয়োশুয়া ব্রেনেত, ২৩–রিখেডলি বাজুর, ২৪–ডেভেরন ফনভিলা। মিডফিল্ডার ৬–গডফ্রিড রুমেরাতু, ৭–জুনিনিও বাকুনা, ৮–লিভানো কোমেনেন্সিয়া, ১০–লিয়ানদ্রো বাকুনা, ১৫–আরিয়ানি মার্তা, ২১–তাহিথ চং, ২২–কেভিন ফেলিদা। ফরোয়ার্ড ৯–ইয়ুর্গেন লোকাদিয়া, ১১–ইয়েরেমি আন্তোনিসে, ১২–সনচে হানসেন, ১৩–তিরেসা নসলিন, ১৪–কেনি গরে, ১৬–ইয়ার্ল মারগারিতা, ১৭–ব্রান্ডলি কুয়াস, ১৯–হেরভানে কাস্তানের। গ্রুপ ‘ই’: আইভরিকোস্ট গোলকিপার ১– ইয়াহিয়া ফোপানা, ১৬–মোহাম্মদ কোনে, ২৩–আলবান লাফোঁ। ডিফেন্ডার ২–উসমান দিওমান্দে, ৩–গিসলাইন কোনান, ৫–উইলফ্রিড সিঙ্গো, ৭–ওডিলন কোসুনু, ১৩–ক্রিস্টোফার ওপেরি, ১৭–গুলা দুয়ে, ২০–ইমানুয়েল আগবাদু, ২১–ইভান এনদিকা। মিডফিল্ডার ৪–জাঁ মিশেল সেরি, ৬–সেকো ফোপানা, ৮–ফ্রাঙ্ক কেসি, ১৮–ইব্রাহিম সাঙ্গারে, ২৫–পারফে গিয়াগন, ২৬–ক্রিস্ট ইনাও উলাই । ফরোয়ার্ড ৯–আঞ্জ-ইওয়ান বনি, ১০– সাইমন আদিংনা, ১১–ইয়ান দিওমান্দে, ১২–এলি ওয়াহি, ১৪–উমর দিয়াকিতে, ১৫–আমাদ দিয়ালো, ১৯–নিকোলাস পেপে, ২২–ইভান গেসান্দ, ২৪–বাজুমানা তুরে। গ্রুপ ‘ই’: ইকুয়েডর গোলরক্ষক ১–এরনান গালিন্দেজ, ১২–মোইজেস রামিরেজ, ২২–গঞ্জালো ভায়ে। ডিফেন্ডার ২–ফেলিক্স তোরেস, ৩–পিয়েরো হিনকাপিয়ে, ৪–জোয়েল ওরদোনিয়েজ, ৬–উইলিয়ান পাচো, ৭–পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, ১৭–আনহেলো প্রেসিয়াদো, ২৫–জ্যাকসন পোরোসো, ২৬–ইয়াইমার মেদিনা। মিডফিল্ডার ৫–জর্দি আলসিভার, ৮–আন্তনি ভ্যালেন্সিয়া, ১০–কেনদ্রি পায়েজ, ১৪–অ্যালান মিন্দা, ১৫–পেদ্রো ভিতে, ১৮–দেনিল কাস্তিয়ো, ২১–অ্যালান ফ্রাঙ্কো, ২৩–মোইজেস কাইসেদো। ফরোয়ার্ড ৯–জন ইয়েবোয়া, ১১–কেভিন রদ্রিগেজ, ১৩–এনার ভ্যালেন্সিয়া, ১৬–জর্দি কাইসেদো, ১৯–গঞ্জালো প্লাতা, ২০–নিলসন আনহুলো, ২৪–জেরেমি আরেভালো। গ্রুপ ‘এফ’: নেদারল্যান্ডস গোলরক্ষক ১–বার্ট ভারব্রুগেন, ১৩–রবিন রুফস, ২৩–মার্ক ফ্লেকেন। ডিফেন্ডার ২–লুটশারেল খিরত্রোইদা, ৪– ভার্জিল ফন ডাইক, ৫–নাথান আকে, ৬– ইয়ান পল ফন হেকা, ১২– ম্যাটস ভিফার, ১৫– মিকি ফন ডে ভেন, ২২–ডেনজেল ডামফ্রিস, ২৫– ইয়োরেল হাটো। মিডফিল্ডার ৩– মার্টেন ডি রুন, ৭–জাস্টিন ক্লাইভার্ট, ৮–রায়ান গ্রাভেনবার্চ, ১৪–তিজানি রেইন্ডার্স, ১৬– গুস টিল, ২০- তেউন কুপমাইনার্স, ২১–ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, ২৬–কুইন্টেন টিম্বার্স। ফরোয়ার্ড ৯– ভাউট ভেগহোর্স্ট, ১০– মেম্ফিস ডিপাই, ১১– কোডি গাকপো, ১৭– নোয়া ল্যাং, ১৮– ডনিয়েল মালেন, ১৯– ব্রায়ান ব্রোবি, ২৪– ক্রিসেনসিও সামারভিল। গ্রুপ ‘এফ’: জাপান গোলকিপার ১–জিওন সুজুকি, ১২–কেইসুকে ওসাকো, ২৩–তোমোকি হায়াকাওয়া। ডিফেন্ডার ২– ইউকিনারি সুগাওয়ারা, ৩– শোগো তানিগুচি, ৪–কো ইতাকুরা, ৫–ইউতো নাগাতোমো, ১৬– সুয়োশি ওয়াতানাবে, ২০– আয়ুমু সেকো, ২১–হিরোকি ইতো, ২২–তাকেহিরো তোমিয়াসু, ২৫–জুন্নোসুকে সুজুকি। মিডফিল্ডার ৬–ওয়াতারু এনদো, ৭– আও তানাকা, ৮– তাকেফুসা কুবো, ১০–রিতসু দোয়ান, ১৩– কেইতো নাকামুরা, ১৪–জুনিয়া ইতো, ১৫–দাইচি কামাদা, ২৪– কাইশু সানো। ফরোয়ার্ড ৯– কেইসুকে গোতো, ১১– দাইজেন মায়েদা, ১৭– ইউইতো সুজুকি, ১৮– আয়াসে উয়েদা, ১৯–কোকি ওগাওয়া, ২৬– কেন্টো শিওগাই। গ্রুপ ‘এফ’: সুইডেন গোলকিপার ১–ইয়াকব ভিডেল জেটারস্ট্রম, ১২–ভিক্টর ইয়োহানসন, ২৩–ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট। ডিফেন্ডার ২– গুস্তাফ ল্যাগারবিয়েলকে, ৩– ভিক্টর লিন্ডেলফ, ৪– ইসাক হিয়েন, ৫– গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ৬–হারাম ইয়োহানসন, ৮–ড্যানিয়েল সভেনসন, ১৪–হিয়ালমার একডাল, ১৫– কার্ল স্টারফেল্ট, ২০– এরিক স্মিথ, ৫৭–এলিয়ট স্ট্রাউড । মিডফিল্ডার ৭– লুকাস বার্গভাল, ১০– বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, ১৩– কেন সেমা, ১৬– ইয়েস্পার কার্লস্ট্রম, ১৮– ইয়াসিন আয়ারি, ১৯–মাটিয়াস সভানবার্গ, ২১– আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, ২২–বেসফোর্ট জেনেলি। ফরোয়ার্ড ৯– আলেকসান্দার ইসাক, ১১–অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ১৭–ভিক্টর ইয়োকেরেস, ২৫–গুস্তাফ নিলসন, ২৬–তাহা আলী। গ্রুপ ‘এফ’: তিউনিসিয়া গোলকিপার ১– আবদেলমুহিব শামাখ, ১৬–আয়মেন দাহমেন, ২২–সাবরি বেন হেসেন। ডিফেন্ডার ২–আলি আবদি, ৩– মন্তাসার তালবি, ৪–ওমর রেকিক, ৫–আদেম আরুস, ৬–ডিলান ব্রন, ১২–মোরতাদা বেন উয়ানেস, ২০–ইয়ান ভ্যালেরি, ২১–মোহাম্মদ আমিনে বেন হামিদা, ২৩–মুতাজ নেফাতি, ২৪–রায়েদ শিখাউয়ি। মিডফিল্ডার ১০–হানিবাল মেজব্রি, ১১–ইসমায়েল গারবি, ১৩–রানি খেদিরা, ১৫–হাজ মাহমুদ, ১৭–ইলিয়াস স্খিরি, ২৫–আনিস বেন স্লিমানে, ২৬–সেবাস্তিয়ান তুনেকতি। ফরোয়ার্ড ৭–ইলিয়াস আশুরি, ৮–ইলিয়াস সাদ, ৯–হাজেম মাস্তুরি, ১৪–খলিল আইয়ারি, ১৮–রায়ান এলুমি, ১৯–ফিরাস শাউয়াত। গ্রুপ ‘জি’: বেলজিয়াম গোলরক্ষক ১–থিবো কোর্তোয়া, ১২–সেনে লামেন্স, ১৩–মাইক পেন্ডার্স। ডিফেন্ডার ২–জেনো দেবাস্ত ৩–আর্থার থিয়েটা, ৪–ব্রান্ডন মাশেল, ৫–ম্যাক্সিম ডি ক্রুইপার, ১৫–টমাস মুনিয়ে, ১৬–কনি ডি উইন্টার, ১৮–জোয়াকিন সেইস, ২১–টিমোথি কাস্তানিয়ে, ২৫–নাথান এনগয়। মিডফিল্ডার ৬–অ্যাক্সেল উইটসেল, ৭–কেভিন ডি ব্রুইনা, ৮–ইউরি টিলেমান্স, ১৯–দিয়েগো মোরেইরা, ২০–হান্স ফানাকান, ২২–অ্যালেক্সিস স্যালেম্যাকার্স, ২৩–নিকোলাস রাসকিন, ২৪–আমাদু ওনানা। ফরোয়ার্ড ৯–রোমেলু লুকাকু, ১০–লিয়ান্দ্রো ত্রোসার, ১১–জেরেমি ডোকু, ১৪–দোদি লুকেবাকিও, ১৭–চার্লস ডি কেটেলারা, ২৬–মাটিয়াস ফার্নান্দেজ–পারদো। গ্রুপ ‘জি’: মিসর গোলকিপার ১–মোহামেদ এল শেনাওয়ি, ১৬–এল মাহদি সোলিমান, ২৩–মোস্তফা শোবের, ২৬– মোহামেদ আলা। ডিফেন্ডার ২– ইয়াসের ইব্রাহিম, ৩–মোহাম্মদ হানি, ৪– হোসাম আবদেল মাগিদ, ৫– রামি রাবিয়া, ৬–মোহাম্মদ আবদেলমোনেম, ১৩–আহমেদ ফাতুহ, ১৫–করিম হাফেজ ২৪–তারেক আলা। মিডফিল্ডার ৮–ইমান আশুর, ১১–মোস্তাফা জিকো, ১৪–হামদি ফাতি, ১৭–মোহানাদ লাশিন, ১৮–নাবিল ইমাদ, ১৯–মারওয়ান আত্তিয়া, ২১–মাহমুদ সাবের। ফরোয়ার্ড ৭–ত্রেজেগে, ৯–হামজা আবদেলকরি, মোহাম্মদ সালাহ, ১২–হাইসেম হাসান, ২০–ইব্রাহিম আদেল, ২২–ওমর মারমুশ, ২৫–জিজো। গ্রুপ ‘জি’: ইরান গোলরক্ষক ১–আলীরেজা বেইরানভান্দ, ১২–পায়াম নিয়াজমান্দ, ২২–হোসেইন হোসেইনি। ডিফেন্ডার ২–সালেহ হারদানি, ৩–ইহসান হাইসাফি, ৪–শোজায়ে খলিলজাদেহ, ৫–মিলাদ মোহাম্মদী, ১৩–হোসেইন কানানিজাদেগান, ১৭–আরিয়া ইউসেফি, ১৯–আলী নেমাতি, ২৩–রামিন রেজাইয়ান, ২৫–দানিয়াল এইরি। মিডফিল্ডার ৬–সৈয়দ এজাতোলাহি, ৭–আলীরেজা জাহানবখশ, ৮–মোহাম্মদ মোহেবি, ১৪–সামন গোদ্দোস, ১৫–রুজবেহ চেশমি, ১৬–মাহদি তোরাবি, ২১–মোহাম্মদ গোরবানি, ২৬–আমিরমোহাম্মদ রাজ্জাগিনিয়া। ফরোয়ার্ড ৯–মেহদি তারেমি, ১০–মেহদি গায়েদি, ১১–আলী আলীপুর, ১৮–আমিরহোসেইন হোসেইনজাদেহ, ২০–শাহরিয়ার মোগহানলু, ২৪–দেনিস দরগাহি। গ্রুপ ‘জি’: নিউজিল্যান্ড গোলরক্ষক ১–ম্যাক্স ক্রোকোম্ব, ২–অ্যালেক্স পলসেন, ৩–মাইকেল উড। ডিফেন্ডার ২–টিম পেইন, ৩–ফ্রান্সিস ডি ভ্রিস, ৪–টাইলার বিন্ডন, ৫–মাইকেল বক্সাল, ১৩–লিবেরাতো ক্যাকাচি, ১৫–নান্দো পিইনাকের, ১৬–ফিন সারম্যান, ২৪–ক্যালান এলিয়ট, ২৬–টমি স্মিথ। মিডফিল্ডার ৬–জো বেল, ৮–ম্যাথু গারবেট, ৮–মার্কো স্তামেনিচ, ১০–সারপ্রীত সিং, ১১– এলিজা জাস্ট, ১৪–অ্যালেক্স রুফার, ১৯–বেন ওল্ড, ২০– ক্যালাম ম্যাকাওয়াট, ২৩–রায়ান টমাস, ২৫–ল্যাচলান বেইলিস। ফরোয়ার্ড ৯–ক্রিস উড, ১৭–কস্তা বারবারুসেস, ১৮–বেন ওয়েন, ২১– জেসি র্যান্ডাল। গ্রুপ ‘এইচ’: স্পেন গোলরক্ষক ১–দাভিদ রায়া, ১৩–হোয়ান গার্সিয়া, ২৩–উনাই সিমন। ডিফেন্ডার ২– মার্ক পুবিল, ৩–আলেক্স গ্রিমালদো, ৪–এরিক গার্সিয়া, ৫– মার্কোস ইয়োরেন্তে, ১২–পেদ্রো পোরো, ১৪–এমেরিক লাপোর্ত ,২২–পাউ কুবারসি, ২৪–মার্ক কুকুরেয়া। মিডফিল্ডার ৬–মিকেল মেরিনো, ৮– ফাবিয়ান রুইজ, ৯–গাভি, ১৫– আলেক্স বায়েনা, ১৬–রদ্রি, ১৮–মার্তিন জুবিমেন্দি, ২০– পেদ্রি। ফরোয়ার্ড ৭–ফেরান তোরেস, ১০– দানি ওলমো, ১১– ইয়েরেমি পিনো, ১৭–নিকো উইলিয়ামস, ১৯–লামিনে ইয়ামাল, ২১– মিকেল ওয়াইরসাবাল, ২৫–ভিক্টর মুনিয়োজ, ২৬–বোর্হা ইগলেসিয়াস। গ্রুপ ‘এইচ’: কেপ ভার্দে গোলকিপার ১–ভোজিনিয়া, ১২–মার্সিও রোসা, ২৩–সিজে দস সান্তোস। ডিফেন্ডার ২–স্তপিরা, ৩–দিনেই বোর্হেস, ৪–পিকো লোপেজ, ৫–লোগান কস্তা, ১৩–সিডনি লোপেজ কাবরাল, ২২–স্টিভেন মরেইরা, ২৪–ওয়াগনার পিনা, ২৫–কেলভিন পিরেস। মিডফিল্ডার ৬–কেভিন পিনা, ৭–জোভানে কাবরাল, ৮–জোয়াও পাওলো, ১০–জামিরো মন্তেইরো, ১১–গ্যারি রদ্রিগেজ, ১৪–দেরয় দুয়ার্তে, ১৫–লারোস দুয়ার্তে, ১৬–ইয়ানিক সেমেদো, ১৭–উইলি সেমেদো, ১৮–তেলমো আরকাঞ্জো, ২৬–হেলিও ভারেলা। ফরোয়ার্ড ৯–গিলসন বেনচিমল, ১৯–দাইলন লিভ্রামেন্তো, ২০–রায়ান মেন্দেস, ২১–নুনো দা কস্তা। গ্রুপ ‘এইচ’: সৌদি আরব গোলরক্ষক ১–নাওয়াফ আল–আকিদি, ২১–মোহাম্মদ আল–ওয়াইস, ২২–আহমেদ আল–কাসার। ডিফেন্ডার ২–আলী মাজরাশি, ৩–আলী লাজামি, ৪–আবদুলেলাহ আল–আমরি, ৫–হাসান আল–তাম্বাকতি, ১২–সৌদ আবদুলহামিদ, ১৩–নাওয়াফ বুশাল, ১৪–হাসান কাদেশ, ২৪–মোতেব আল–হারবি, ২৫–জাহেদ থাকরি, ২৬–মোহাম্মদ আবু আল–শামাত। মিডফিল্ডার ৬–নাসের আল–দাওয়াসারি, ৭–মুসাব আল–জুয়াইর, ১৫–আবদুল্লাহ আল–খাইবারি, ১৮–আলা আল–হেজি, ২৩–মোহাম্মদ কান্নো। ফরোয়ার্ড ৮–আয়মান ইয়াহিয়া, ৯–ফিরাস আল–বুরাইকান, ১০–সালেম আল–দাওয়াসারি, ১১–সালেহ আল–শেহরি, ১৭–খালিদ আল–গান্নাম, ১৯–আবদুল্লাহ আল–হামদান, ২০–সুলতান মানদাশ। গ্রুপ ‘এইচ’: উরুগুয়ে গোলরক্ষক ১–সের্হিও রোচেত, ১২–সান্তিয়াগো মেলে, ২৩–ফার্নান্দো মুসলেরা। ডিফেন্ডার ২– হোসে মারিয়া হিমিনেজ, ৩–সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, ৪–রোনালদ আরাউহো, ১৩– গিয়ের্মো ভারেলা, ১৬–মাতিয়াস ওলিভিয়েরা, ১৭–মাতিয়াস ভিনা, ২২–হোয়াকিন পেকেরেজ, ২৪– সান্তিয়াগো বুয়েনো । মিডফিল্ডার ৫–মানুয়েল উগার্তে, ৬–রদ্রিগো বেনতাঙ্কুর, ৭–নিকোলাস দে লা ক্রুজ, ৮–ফেদেরিকো ভালভার্দে, ১০– জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, ১৪–আগুস্তিন কানোবিও, ১৫–এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ২০–মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, ২৫–হুয়ান মানিয়েল সানাব্রিয়া, ২৬–রদ্রিগো সালাজার। ফরোয়ার্ড ৯–রদ্রিগো আগুইরে, ১১– ফাকুন্দো পেয়েস্ত্রি, ১৮–ব্রায়ান রদ্রিগেজ, ১৯–দারউইন নুনিয়েজ, ২১–ফেদেরিকো ভিনাস। গ্রুপ ‘আই’: ফ্রান্স গোলকিপার ১–ব্রিস সাম্বা, ১৬–মাইক মাইনিয়ঁ, ২৩–রবিন রিসার। ডিফেন্ডার ২–মালো গুস্তো, ৩–লুকাস দিনিয়ে, ৪–দায়োত উপামেকানো, ৫–জুলস কুন্দে, ১৫– ইব্রাহিমা কোনাতে, ১৭– উইলিয়াম সালিবা, ১৯– থিও হার্নান্দেজ, ২১–লুকাস হার্নান্দেজ, ২৬– ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া মিডফিল্ডার ৬– মানু কোনো, ৮– অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি, ১৩–এনগোলো কান্তে, ১৪–আদ্রিয়াঁ রাবিও, ১৮–ওয়ারেন জেইর-এমেরি, ২৪–রায়ান শেরকি, ২৫– ম্যাগনেস আকালিউশ। ফরোয়ার্ড ৭– উসমান দেম্বেলে, ৯–মার্কোস থুরাম, ১০– কিলিয়ান এমবাপ্পে, ১১– মাইকেল ওলিসে, ১২–ব্র্যাডলি বারকোলা, ২০–দেজিরে দুয়ে, ২২–জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা। গ্রুপ ‘আই’: সেনেগাল গোলরক্ষক ১–ইয়েহভান দিউফ, ১৬–এদুয়ার্দ মেন্দি, ২৩–মোরি দিয়াও। ডিফেন্ডার ২–মামাদু সার, ৩–কালিদু কুলিবালি, ৪–আবদুলায়ে সেক, ১৪–ইসমাইল ইয়াকবস, ১৯–মুসা নিয়াখাতে, ২৪–আঁতোয়ান মেন্দি, ২৫–এল হাজি মালিক দিউফ। মিডফিল্ডার ৫–ইদ্রিসা গেয়ে, ৬–পাথে সিস, ৮–লামিনে কামারা, ১৭–পাপে মাতার সার, ২১–হাবিব দিয়ারা, ২২–বারা সাপোকো এনদিয়ায়ে, ২৬–পাপে গেয়ে। ফরোয়ার্ড ৭–আসানে দিয়াও, ৯–বাম্বা দিয়েং, ১০–সাদিও মানে, ১১–নিকোলাস জ্যাকসন, ১২–শেরিফ এনদিয়ায়ে, ১৩–ইলিমান এনদিয়ায়ে, ১৮–ইসমাইলা সার, ২০–ইব্রাহিম এমবায়ে। গ্রুপ ‘আই’: ইরাক গোলরক্ষক ১–ফাহাদ তালিব, ১২–জালাল হাসান, ২২–আহমেদ বাসিল। ডিফেন্ডার ২–রেবিন সুলাকা, ৩–হুসেইন আলী, ৪–জাইদ তাহসিন, ৫–আকাম হাশিম, ৬–মানাফ ইউনিস, ১৫–আহমেদ মাকনজি, ২৩–মেরশাস দোসকি, ২৫–মুস্তাফা সাদুন, ২৬–ফ্রান্স পুতরোস। মিডফিল্ডার ৭–ইউসেফ আমিন, ৮–ইব্রাহিম বায়েশ, ১৪–জিদান ইকবাল, ১৬–আমির আল–আনমারি, ১৯–কেভিন ইয়াকোব, ২০–আইমার শের, ২৪–জাইদ ইসমাইল। ফরোয়ার্ড ৯–আলী আল–হামাদি, ১০–মোহানাদ আলী, ১১–আহমেদ কাসেম, ১৩–আলী ইউসিফ, ১৭–আলী জসিম, ১৮–আইমেন হুসেইন, ২১–মার্কো ফারজি। গ্রুপ ‘আই’: নরওয়ে গোলকিপার ১–ওরইয়ান নিলান্ড, ১২–সান্ডার টাংভিক, ১৩– এগিল সেলভিক ডিফেন্ডার ৩– ক্রিস্টোফার আয়ের, ৪– লিও স্কিরি অস্টিগার্ড, ৫– ডেভিড মোলার উলফ, ১৫– ফ্রেডরিক বিয়ারকোন, ১৬– মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, ১৭– টোরবিয়র্ন হেগেম, , ২৪– সন্ড্রে লাঙ্গাস, ২৫–হেনরিক ফালখেনার,। মিডফিল্ডার ২– মর্টেন থর্সবি, ৬– প্যাট্রিক বার্গ, ৮– সান্ডার বার্গ, ১০–মার্টিন ওডেগার্ড, ১৪–ফ্রেডরিক অউরসনেস, ১৮–ক্রিস্টিয়ান থর্সটভেট, ১৯–থেলো আসগার্ড, ২১– আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, ২২ অস্কার বব, ২৩–ইয়েন্স পেটার হেগ। ফরোয়ার্ড ৭– আলেক্সান্দার সরলথ, ৯–আর্লিং হলান্ড, ১১–ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন, ২০– আন্তোনিও নুসা, ২৬–জুলিয়ান রিয়ারসন। গ্রুপ ‘জে’: আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক ১–হুয়ান মুসো, ১২–হেরেনিমো রুলি, ২৩–এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ডিফেন্ডার ২–লেওনার্দো বালের্দি (চোটে আউট, বদলি ঘোষণা হয়নি), ৩–নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ৪–গঞ্জালো মন্তিয়েল, ৬– লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ১৩–ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, ১৯–নিকোলাস ওতামেন্দি, ২৫–ফাকুন্দো মেদিনা, ২৬–নাহুয়েল মলিনা। মিডফিল্ডার ৫–লিয়ান্দ্রো পারেদেস, ৭–রদ্রিগো দি পল, ৮–ভালেন্তিন বার্কো, ১১–জিওভানি লো সেলসো, ১৪–এজেকিয়েল পালাসিওস, ১৫–নিকো গঞ্জালেজ, ২০–আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, ২৪–এনজো ফার্নান্দেজ। ফরোয়ার্ড ৯–হুলিয়ান আলভারেজ, ১০–লিওনেল মেসি, ১৬–থিয়াগো আলমাদা, ১৭–জুলিয়ানো সিমিওনে, ১৮–নিকো পাজ, ২১–হোসে মানুয়েল লোপেজ, ২২–লাওতারো মার্তিনেজ। গ্রুপ ‘জে’: আলজেরিয়া গোলরক্ষক ১–মেলভিন মাস্তিল, ১৬–উসামা বেনবোত, ২৩–লুকা জিদান। ডিফেন্ডার ২–আইসা মান্দি, ৩–আশরাফ আবাদা, ৪, মোহাম্মদ আমিনে তুগাই, ৫–জিনেদিন বেলাইদ, ১৩–জাউয়েন হাজাম, ১৫–রায়ান আইত–নুরি, ১৭–রফিক বেলগালি, ২১–রামি বেনসেবাইনি, ২৬–সামির শেরগুই। মিডফিল্ডার ৬–রমিজ জেরুকি, ৮–হুসেম আউয়ার, ১০–ফারেস শাইবি, ১৪–হিশাম বুদাউয়ি, ১৯–নাবিল বেনতালেব, ২২–ইব্রাহিম মাজা, ২৪–ইয়াসিন তিতরাউয়ি। ফরোয়ার্ড ৭–রিয়াদ মাহরেজ, ৯–আমিনে গুইরি, ১১–আনিস হাজ মুসা, ১২–নাদির বেনবুয়ালি, ১৮–মোহাম্মদ আমুরা, ২০–আতিল বুলবিনা, ২৫–ফারেস গেজেমিস। গ্রুপ ‘জে’: অস্ট্রিয়া গোলরক্ষক ১–আলেকজান্ডার শ্লাজার, ১২–ফ্লোরিয়ান ভিগেলা, ১৩–প্যাট্রিক পেন্টৎস। ডিফেন্ডার ২–ডেভিড আফেনগ্রুবার, ৩–কেভিন ডানসো, ৫–স্টেফান পশ, ৮–ডেভিড আলাবা, ১৫–ফিলিপ লিনহার্ট, ১৬–ফিলিপ এমভেনা, ২৩–মার্কো ফ্রিডল, ২৫–মিখায়েল সভোবোডা। মিডফিল্ডার ৪–সাভের শ্লাগার, ৬–নিকোলাস সাইভাল্ড, ৯–মার্সেল সাবিটসার, ১০–ফ্লোরিয়ান গ্রিলিটৎশ, ১৭–কার্নি চুকুয়েমেকা, ১৮–রোমানো স্মিড, ১৯–ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, ২০–কনরাড লামের, ২২–আলেকজান্ডার প্রাস, ২৪–পল ভানার, ২৬–আলেসান্দ্রো শাপ্ফ। ফরোয়ার্ড ৭–মার্কো আরনাউতোভিচ, ১১–মিখায়েল গ্রেগরিটশ, ১৪–সাসা কালাইজিচ, ২১–প্যাট্রিক ভিমার। গ্রুপ ‘জে’: জর্ডান গোলরক্ষক ১–ইয়াজিদ আবদুলাইলা, ১২–নুর বানি আত্তিয়া, ২২–আবদাল্লাহ আল–ফাখুরি। ডিফেন্ডার ৩–আবদাল্লাহ নাসিব, ৪–হুসাম আবু দাহাব, ৫–ইয়াজান আল–আরব, ১৬–মোহাম্মদ আবুয়ালনাদি, ১৭–সেলিম ওবাইদ, ১৮–মোহাম্মদ তাহা, ১৯–সাঈদ আল–রোসান, ২৩–ইহসান হাদ্দাদ, ২৬–আনাস বাদাউয়ি। মিডফিল্ডার ২–মোহাম্মদ আবু হাশিশ, ৬–আমের জামুস, ৮–নুর আল–রাওয়াবদেহ, ১৪–রাজায়েই আয়েদ, ১৫–ইব্রাহিম সা’দে, ২০–মোহাম্মদ আবু তাহা, ২১–নিজার আল–রাশদান, ২৫–মোহাম্মদ আল–দাউদ। ফরোয়ার্ড ৭–মোহাম্মদ আবু জারাইক, ৯–আলী ওলওয়ান, ১০–মুসা আর–তামারি, ১১–ওদে আল–ফখুরি, ১৩–মাহমুদ আল–মারদি, ২৪–আলী আজাইজে। গ্রুপ ‘কে’: পর্তুগাল গোলকিপার দিয়োগো কস্তা, ১২–জোসে সা, ২২–রুই সিলভা ডিফেন্ডার ২–নেলসন সেমেদো, ৩– রুবেন দিয়াস, ৪– তমাস আরাউজো, ৫– দিয়োগো দালোত, ১৩– রেনাতো ভেইগা, ১৪– গনসালো ইনাসিও, ২০–জোয়াও কানসেলো, ২৫– নুনো মেন্দেস। মিডফিল্ডার ৬– মাতেউস নুনেস, ৮–ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ১০–বের্নার্দো সিলভা, ১৫–জোয়াও নেভেস, ২১–রুবেন নেভেস, ২৩–ভিতিনিয়া, ২৪–সামুয়েল কস্তা। ফরোয়ার্ড ৭–ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ৯–গনসালো রামোস ১১– জোয়াও ফেলিক্স, ১৬–ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, ১৭–রাফায়েল লিয়াও, ১৮–পেদ্রো নেতো, ১৯–গনসালো গেদেস, ২৬–ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও। গ্রুপ ‘কে’: ডিআর কঙ্গো গোলকিপার ১–লিওনেল এমপাসি, ১৬–টিমোথি ফায়ুলু, ২১–ম্যাথু ইপোলো । ডিফেন্ডার ২–অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, ৩–স্টিভ কাপুয়াদি, ৪– অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে, ৫–ডিলান বাতুবিন, ২২–শানসেল এমবেম্বা, ২৪–গেডিওন কালুলু, ২৬–আর্থার মাসুয়াকু। মিডফিল্ডার ৬–এনগালায়েল মুকাউ, ৭– নাথানিয়েল এমবুকু, ৮–স্যামুয়েল মুতুসামি, ১০– থিও বনগোন্দা, ১৪–নোয়াহ সাদিকি, ১৫–অ্যারন শিবোলা, ১৮–চার্লাস পিকেল, ২৫–এডো কায়েম্বে। ফরোয়ার্ড ৯–ব্রায়ান সিপেঙ্গা, ১১–গায়েল কাকুতা, ১৩–মেশাক এলিয়া, ১৭–সেড্রিক বাকাম্বু, ১৯–ফিস্তন মায়েলে, ২০–ইওয়ান উইসা, ২৩–ইমন বানজা। গ্রুপ ‘কে’: উজবেকিস্তান গোলরক্ষক ১–উতকির ইউসুপভ, ১২–আবদুভোহিদ, ১৬–বোতিরালি এরগাশেভ। ডিফেন্ডার ২–আবদুকদির খুসানভ, ৩–খোজিয়াকবর আলিজনভ, ৪–ফারুখ সাইফিয়েভ, ৫–রুস্তম আশুরমাতভ, ১৩–শেরজদ নাসরুল্লায়েভ, ১৫–উমর ইশমুরোদভ, ১৮–আবদুল্লাহ আবদুল্লা আবদুলায়েভ, ২৪–বেখরুজ কারিমভ, ২৫–আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, ২৬–জাখোঙ্গীর উরোজোভ। মিডফিল্ডার ৬–আকমল মোহগোভয়, ৭–ওতাবেক শুকনরোভ, ৮–জামশিদ ইসকান্দেরভ, ৯–ওদিজন হামরোবেকোভ, ১০–জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, ১১–ওস্তন উরুনভ, ১৭–দোস্তোনবেক খামদামভ, ১৯–আজিজন গানিয়েভ, ২২–আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ, ২৩–শেরজদ ইসানভ। ফরোয়ার্ড ১৪–এল্দর শোমুরোদভ, ২০–আজিজবেক আমোনোভ, ২১–ইগর সের্গিভ। গ্রুপ ‘কে’: কলম্বিয়া গোলরক্ষক ১–দাভিদ অসপিনা, ১২–কামিলো ভার্গাস, ২৪–আলভারো মন্তেরো ডিফেন্ডার ২–দানিয়েল মুনিওজ, ৩–জন লুকুমি, ৪–সান্তিয়াগো আরিয়াস, ১৩–ইয়েরি মিনা, ১৪–গুস্তাভো পুয়ের্তা, ১৭–জোহান মোহিকা, ১৮–উইলের দিত্তা, ২২–দেভার মাচাদো, ২৩–দাভিনসন সানচেজ। মিডফিল্ডার ৫–কেভিন কাস্তানিও, ৬–রিচার্ড রিওস, ৮–হোর্হে কারাসকাল, ১০–হামেস রদ্রিগেজ, ১১–জন আরিয়াস, ১৫–হুয়ান পোর্তিয়া, ১৬–জেফারসন লেরমা, ২০–হুয়ান কিন্তেরো। আক্রমণভাগ ৭–লুইস দিয়াজ, ৯–জন কর্দোবা, ১৯–কুচো হার্নান্দেজ, ২১–হামিন্তন কাম্পাজ, ২৫–লুইস সুয়ারেজ, ২৬–আন্দ্রেস গোমেজ। গ্রুপ ‘এল’: ইংল্যান্ড গোলরক্ষক ১–জর্ডান পিকফোর্ড, ১৩–ডিন হেন্ডারসন, ২৩–জেমস ট্রাফোর্ড। ডিফেন্ডার ২–এজরি কনসা, ৩–নিকো ও’রাইলি, ৫–জন স্টোনস, ৬–মার্ক গেহি, ৮–এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ১২–টিনো লিভ্রামেন্টো, ১৫–ড্যান বার্ন, ২৪–রিস জেমস, ২৫–জেড স্পেনস, ২৬–জ্যারেল কোয়ানসা। মিডফিল্ডার ৪–ডেকলান রাইস, ১০–জুড বেলিংহাম, ১৪–জর্ডান হেন্ডারসন, ১৬–কোবি মাইনু, ১৭–মরগান রজার্স, ২১–এবেরেচি এজা। ফরোয়ার্ড ৭–বুকায়ো সাকা, ৯–হ্যারি কেইন, ১১–মার্কাস রাশফোর্ড, ১৮–অ্যান্থনি গর্ডন, ১৯–ওলি ওয়াটকিনস, ২০–ননি মাদুয়েকে, ২২–ইভান টনি। গ্রুপ ‘এল’: ক্রোয়েশিয়া গোলকিপার ১–দমিনিক লিভাকোভিচ, ১২–ইভোর পান্দুর, ২৩–দমিনিক কোতারস্কি। ডিফেন্ডার ২–ইয়োসিপ স্তানিসিচ, ৩–মারিন পংরাচিচ, ৪–ইওস্কো গাভার্দিওল, ৫–দুয়ে চালেতা-সার, ৬–ইয়োসিপ শুতালো, ১৮–ক্রিস্তিয়ান ইয়াকিচ, ২২–লুকা ভুসকোভিচ, ২৫–মার্তিন এরলিচ। মিডফিল্ডার ৭–নিকোলা মোরো, ৮–মাতেও কোভাচিচ, ১০–লুকা মদরিচ, ১৩–নিকোলা ভ্লাসিচ, ১৫–মারিও পাসালিচ, ১৬–মার্তিন বাতুরিনা, ১৭–পেতার সুচিচ, ১৯–টনি ফ্রুক, ২১–লুকা সুচিচ। ফরোয়ার্ড ৯–আন্দ্রে ক্রামারিচ, ১১–আন্তে বুদিমির, ১৪– ইভান পেরিসিচ, ২০–ইগর মাতানোভিচ, ২৪–মার্কো পাসালিচ, ২৬–পেতার মুসা। গ্রুপ ‘এল’: ঘানা গোলরক্ষক ১–আতি–জিগি লরেন্স, ১২–জোসেফ আনাং, ১৬–বেঞ্জামিন আসারে। ডিফেন্ডার ২–আলিদু সেইদু, ৪–জোনাস আজেতে, ৬–আবদুল মুনিম, ১৪–গিডিওন মেনসা, ১৭–আবদুল রহমান বাবা, ১৮–জেরোম ওপোকু, ২১–কোজো পেপরা ওপোং, ২৩–ডেরিক লুকাসেন, ২৬–মারভিন সেনায়া। মিডফিল্ডার ৩–ক্যালেব ইরেনকি, ৫–টমাস পার্টি, ৮–কোয়াসি সিবো, ১১–আন্তোয়ান সেমেনিও, ১৫–এলিশা ওউসু, ২০–অগাস্টিন বোকায়ে। ফরোয়ার্ড ৭–আবদুল ফাতাউ, ৯–জর্ডান আইয়ু, ১০–ব্র্যান্ডন টমাস–আসান্তে, ১৩–ক্রিস্টোফার বোনসু বা, ১৯–ইনিয়াকি উইলিয়ামস, ২২–কামালদীন সুলেমানা, ২৪–আর্নেস্ট নুয়ামা, ২৫–প্রিন্স কোয়াবেনা আডু। গ্রুপ ‘এল’: পানামা গোলরক্ষক ১–লুইস মেহিয়া, ১২–সেজার সামুদিও, ২২–অরলান্দো মসকেরা। ডিফেন্ডার ২–সেজার ব্ল্যাকম্যান, ৩–হোসে কর্দোবা, ৪–ফিদেল এস্কোবার,৫–এদগার্দো ফারিনা, ১৩–জিওভানি রামোস, ১৪–কার্লোস হার্ভি, ১৫–এরিক ডেভিস, ১৬–আন্দ্রেস আনদ্রাদে, ২৩–আমির মুরিও, ২৫–রদেরিক মিলার, ২৬–হোর্হে গুতিয়েরেজ। মিডফিল্ডার ৬–ক্রিস্তিয়ান মার্তিনেজ, ৭–হোসে লুইস রদ্রিগেজ, ৮–আদালবের্তো কারাসকিয়া, ১০–ইসমায়েল দিয়াজ, ১১–ইয়োল বার্সেনাস, ১৯–আলবার্তো কিন্তেরো, ২০–আনিবাল গদয়, ২১–সেজার ইয়ানিস। ফরোয়ার্ড ৯–তমাস রদ্রিগেজ, ১৭–হোসে ফাহার্দো, ১৮–সেসিলিও ওয়াটম্যান, ২৪–আজারিয়াস লন্দনিও।
১১ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় হচ্ছে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
দৃষ্টি স্পোর্টস ডেস্ক: ট্রফি একটি, আয়োজকও একটি দেশ, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও ছিল একটিই। সেই ধারায় ছেদ পড়ল ২০০২ আসরে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেবারই প্রথম আয়োজক দুটি দেশ- জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া; কিন্তু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধারা পাল্টাল না। শুধু সিউলেই আয়োজিত হলো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান; কিন্তু এবার শুধু আয়োজকের সংখ্যাই বাড়েনি, ভেঙে ফেলা হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ধারাও। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো আয়োজক তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। তিনটি দেশেই হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। মেক্সিকোয় মেক্সিকো সিটি, কানাডায় টরন্টো ও যুক্তরাষ্ট্রে লস অ্যাঞ্জেলস। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ত্রি-আলোর ছটায় আলোকিত হবে পৃথিবী, কিন্তু একই সময়ে নয়। ‘প্রাসাদের নগরী’ মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে স্বাগতিকেরা। ২০১০ বিশ্বকাপের মতো এ ম্যাচের ৯০ মিনিট আগে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এবারও বিশ্বকাপে প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায়। কানাডায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে আগামিকাল রাতে। টরন্টোর টরন্টো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত একটায় স্বাগতিক হয়ে কানাডা মুখোমুখি হবে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার। এই ম্যাচ দিয়েই কানাডায় পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের এবং তার আগে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে আগামিকাল রাত কাবার করে ভোর পর্যন্ত জেগে থাকতে হবে কিংবা ভোরে উঠতে হবে। শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায় লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে স্বাগতিকেরা। তার আগে ভোর সাড়ে পাঁচটায় সেখানে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে দুই দশক আগেও তেমন সাড়া ছিল না। ২০১০ বিশ্বকাপে শাকিরা ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গেয়ে অমরত্ব আদায় করে নেওয়ার পর থেকেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। যদিও ’৯৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রে প্রয়াত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ডায়ানা রসের পেনাল্টি কিক বেশ সাড়া ফেলেছিল; কিন্তু কলম্বিয়ান সুরের পাখি শাকিরা ১৬ বছর আগের আসরে উদ্বোধনীতে যে মাদকতা উপহার দিয়েছিলেন, সেই মোহ আজও অনেকের ভাঙেনি। সেসব মোহগ্রস্ত ফুটবলপ্রেমীর জন্য সুখবর- শাকিরা এবারও আছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আলাদা তিনটি শহরে হলেও ভাবনাটা এক ও অভিন্ন। আয়োজক তিনটি দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরাই লক্ষ্য। মেক্সিকো সিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যেমন আদিবাসী শিল্পী, লোকজ পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী কাগজের শিল্প ‘পাপেল পিকাডো’র মাধ্যমে মেক্সিকোর সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলা হবে। সেখানে এবার বিশ্বকাপে অফিশিয়াল গান ‘ডাই ডাই’ (লেটস গো) গাইবেন শাকিরা, সঙ্গে থাকবেন নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয়। পাশাপাশি এবার বিশ্বকাপে অফিশিয়াল অ্যালবামে থাকা শিল্পীদের এই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার কথা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে আছেন আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্ডা, ড্যানি ওশান, জে বালভিন, লিলা ডাউনস, লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলস এবং মানা। দক্ষিণ আফ্রিকান গায়ক ও গীতিকার টাইলাও মেক্সিকো সিটির অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সে জন্য প্রস্তুতিও সেরে ফেলেছে মেক্সিকো সিটি। বিশ্বকাপ শুরুর দিনে ছুটি দেওয়ার পাশাপাশি স্কুল বন্ধ ঘোষণা এবং সরকারি কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন মেক্সিকোর প্রধানমন্ত্রী ক্লদিয়া শেনবাউম। মেক্সিকো সিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্থায়িত্ব হতে পারে ১৬ থেকে ১৭ মিনিট। টরন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলেসে সেটি ১৩ মিনিট স্থায়ী হতে পারে। টরন্টো স্টেডিয়ামে একটি ক্ষণগণনা দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে। কানাডার বিভিন্ন গৌরবময় মুহূর্ত তাতে ফুটিয়ে তোলা হবে। পারফর্ম করবেন সংগীতশিল্পী অ্যালানিস মরিসেট, আলেসিয়া ক্যারা, এলিয়ানা, মাইকেল বুবলে, নোরা ফাতেহি, সঞ্জয় (বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত), ভেজেড্রিম এবং উইলিয়াম প্রিন্সের মতো শিল্পীরা। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামের অনুষ্ঠানে থাকবে বড় পরিসরের ভিজ্যুয়াল ও আকর্ষণীয় গল্পগাথা। সেই সঙ্গে মঞ্চ মাতাবেন কেটি পেরি, ফিউচার, অ্যানিত্তা, লিসা, রেমা এবং টাইলার মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা। এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানগুলো প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন মার্কো বালিচ। অলিম্পিকের বেশ কয়েকটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পেছনের কারিগর তিনি। প্রতিটি অনুষ্ঠানের আবহ ও চরিত্র ভিন্ন হলেও তিনটি আয়োজনই একটি মূল ভাবনায় একীভূত- ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে এক সুতায় গাঁথায় ফুটবলের যে অনন্য ক্ষমতা, সেটিই তিনটি শহরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল থিম।
১১ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলের কারাগারেও বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার ছোঁয়া
দৃষ্টি রিপোর্ট: ফিফা আয়োজিত বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা এখন পুরো বিশ্বজুড়ে। টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের চার দেয়ালের ভেতরেও সেই আনন্দের ছোঁয়া এবার লেগেছে। কারাবন্দীদের বিশ্বকাপ ফুটবলের আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ করে দিতে এক ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক। কারাগার সূত্রে জানা গেছে, উত্তর আমেরিকা মহাদেশে চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলের আমেজ থেকে যেন বন্দীরা বঞ্চিত না হন- সেজন্য টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের ১৮টি ওয়ার্ডেই নতুন টেলিভিশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বন্দীরা সরাসরি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো দেখার সুযোগ পাবেন। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলেল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, তিনি নিয়মিত জেলা কারাগার পরিদর্শনে গেলে কারাবন্দীরা তাঁর কাছে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার আকুতি জানান। একজন স্বাভাবিক মানুষের মতো কারাবন্দীদেরও খেলাধুলার আনন্দ উপভোগ করার অধিকার রয়েছে- এই মানবিক তাড়না থেকেই তিনি দ্রুত কারাগারে টিভি স্থাপনের উদ্যোগ নেন। টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, কারাগারে টেলিভিশন চালুর পর থেকে বন্দীদের মাঝে উপচে পড়া আনন্দ ও ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা গেছে। এই উদ্যোগের ফলে বন্দীদের মানসিক অবস্থার উন্নতির পাশাপাশি কারাগারের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
১০ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি প্রকাশ করেছে ফিফা
দৃষ্টি স্পোর্টস: আগামিকাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হতে হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। তিন দেশের ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এবারের এই বিশ্বকাপ। বৃহস্পতিবার (১১জুন) মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম স্বাগতিক মেক্সিকোর ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এবারের বিশ্বকাপের। এক মাসেরও অধিক সময়ব্যপী অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপভিত্তিক সূচি:- গ্রুপ-এ : মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র ১১ জুন- মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম (রাত ১টা) ১২ জুন- দক্ষিণ কোরিয়া বনাম চেক প্রজাতন্ত্র, গুয়াদালাজারা (সকাল ৮টা) ১৮ জুন- চেক প্রজাতন্ত্র বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, আটালান্টা (রাত ১০টা) ১৯ জুন- মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ কোরিয়া, গুয়াদালাজারা (সকাল ৭টা) ২৪ জুন- চেক প্রজাতন্ত্র বনাম মেক্সিকো- মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম (সকাল ৭টা) ২৫ জুন- দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম দক্ষিণ কোরিয়া, মন্টেরে (সকাল ৭টা) গ্রুপ-বি : কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা ১২ জুন- কানাডা বনাম বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, টরোন্টো (রাত ১টা) ১৪ জুন- কাতার বনাম সুইজারল্যান্ড, সান ফ্রান্সিসকো (ভোর ৪টা) ১৮ জুন- বসনিয়া-হার্জেগোভিনা বনাম সুইজারল্যান্ড, লস এ্যাঞ্জেলস (রাত ১টা) ১৯ জুন- কানাডা বনাম কাতার- ভ্যাঙ্কুভার (ভোর ৪টা) ২৪ জুন- কানাডা বনাম সুইজারল্যান্ড- ভ্যাঙ্কুভার (রাত ১টা) ২৪ জুন- বসনিয়া-হার্জেগোভিনা বনাম কাতার, সিয়াটল (রাত ১টা) গ্রুপ-সি : ব্রাজিল, মরক্কো, হাইতি, স্কটল্যান্ড ১৪ জুন- ব্রাজিল বনাম মরক্কো, নিউইয়র্ক নিউজার্সি স্টেডিয়াম (ভোর ৪টা) ১৪ জুন- হাইতি বনাম স্কটল্যান্ড, বোস্টন (সকাল ৭টা) ২০ জুন- ব্রাজিল বনাম হাইতি, বোস্টন (ভোর ৪টা) ২০ জুন- স্কটল্যান্ড বনাম মরক্কো, ফিলাডেলফিয়া (সকাল ৭টা) ২৫ জুন- স্কটল্যান্ড বনাম ব্রাজিল, মায়ামি (ভোর ৪টা) ২৫ জুন- মরক্কো বনাম হাইতি, আটালান্টা (ভোর ৪টা) গ্রুপ-ডি : যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক ১৩ জুন- যুক্তরাষ্ট্র বনাম প্যারাগুয়ে, লস এ্যাঞ্জেলস (সকাল ৭টা) ১৩ জুন- অস্ট্রেলিয়া বনাম তুরষ্ক, ভ্যাঙ্কুভার (সকাল ১০টা) ১৯ জুন- তুরষ্ক বনাম প্যারাগুয়ে, সান ফ্রান্সিসকো (সকাল ১০টা) ১৯ জুন- যুক্তরাষ্ট্র বনাম অস্ট্রেলিয়া, সিয়াটল (রাত ১টা) ২৬ জুন- তুরষ্ক বনাম যুক্তরাষ্ট্র, লস এ্যাঞ্জেলস (সকাল ৮টা) ২৬ জুন- প্যারাগুয়ে বনাম অস্ট্রেলিয়া, সান ফ্রান্সিসকো (সকাল ৮টা) গ্রুপ-ই : জার্মানি, কুরাসাও, আইভরি কোস্ট, ইকুয়েডর ১৪ জুন- জার্মানি বনাম কুরাসাও, হিউস্টোন (রাত ১১টা) ১৫ জুন- আইভরি কোস্ট বনাম ইকুয়েডর, ফিলাডেলফিয়া (ভোর ৫টা) ২০ জুন- জার্মানি বনাম আইভরি কোস্ট, টরোন্টো (রাত ২টা) ২১ জুন- ইকুয়েডর বনাম কুরাসাও, কানসাস সিটি (ভোর ৬টা) ২৫ জুন- ইকুয়েডর বনাম জার্মানি, নিউইয়র্ক নিউজার্সি (রাত ২টা) ২৫ জুন- কুরাসাও বনাম আইভরি কোস্ট, ফিলাডেলফিয়া (দিবাগত রাত ২টা) গ্রুপ-এফ : নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিসিয়া ও সুইডেন ১৪ জুন- নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান, ডালাস (রাত ২টা) ১৫ জুন- সুইডেন বনাম তিউনিসিয়া, মন্টেরে (সকাল ৮টা) ২০ জুন- নেদারল্যান্ডস বনাম সুইডেন, হিউস্টোন (রাত ১১টা) ২০ জুন- তিউনিসিয়া বনাম জাপান, মন্টেরে (রাত ১০টা) ২৬ জুন- তিউনিসিয়া বনাম নেদারল্যান্ডস, ডালাস (ভোর ৫টা) ২৬ জুন- জাপান বনাম সুইডেন, কানসাস সিটি (ভোর ৫টা) গ্রুপ-জি : বেলজিয়াম, মিশর, ইরান, নিউজিল্যান্ড ১৫ জুন- বেলজিয়াম বনাম মিশর, সিয়াটল (রাত ১টা) ১৬ জুন- ইরান বনাম নিউজিল্যান্ড, লস অ্যাঞ্জেলস (সকাল ৭টা) ২১ জুন- বেলজিয়াম বনাম ইরান, লস অ্যাঞ্জেলস (রাত ১টা) ২২ জুন- নিউজিল্যান্ড বনাম মিশর, ভ্যাঙ্কুভার (সকাল ৭টা) ২৭ জুন- নিউজিল্যান্ড বনাম বেলজিয়াম, ভ্যাঙ্কুভার (সকাল ৯টা) ২৭ জুন- মিশর বনাম ইরান, সিয়াটল (সকাল ৯টা) গ্রুপ-এইচ : স্পেন, কেপ ভার্দে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে ১৫ জুন- স্পেন বনাম কেপ ভার্দে, আটালান্টা (রাত ১০টা) ১৬ জুন- সৌদি আরব বনাম উরুগুয়ে, মায়ামি (ভোর ৪টা) ২১ জুন- স্পেন বনাম সৌদি আরব, আটালান্টা (রাত ১০টা) ২২ জুন- উরুগুয়ে বনাম কেপ ভার্দে, মায়ামি (ভোর ৪টা) ২৭ জুন- উরুগুয়ে বনাম স্পেন, হিউস্টোন (ভোর ৬টা) ২৭ জুন- কেপ ভার্দে বনাম সৌদি আরব, গুয়াদালাজারা (ভোর ৬টা) গ্রুপ-আই : ফ্রান্স, সেনেগাল, ইরাক, নরওয়ে ১৬ জুন- ফ্রান্স বনাম সেনেগাল- নিউইয়র্ক নিউজার্সি (রাত ১টা) ১৭ জুন- ইরাক বনাম নরওয়ে, বোস্টন (ভোর ৪টা) ২২ জুন- ফ্রান্স বনাম ইরাক, ফিলাডেলফিয়া (রাত ৩টা) ২৩ জুন- নরওয়ে বনাম সেনেগাল, নিউইয়র্ক নিউজার্সি (ভোর ৬টা) ২৬ জুন- নরওয়ে বনাম ফ্রান্স, বোস্টন (রাত ১টা) ২৬ জুন- সেনেগাল বনাম ইরাক, টরোন্টো (রাত ১টা) গ্রুপ-জে : আর্জেন্টিনা, আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান ১৬ জুন- অস্ট্রিয়া বনাম জর্ডান, সানফ্রান্সিসকো বে এরিয়া (সকাল ১০টা) ১৭ জুন- আর্জেন্টিনা বনাম আলজেরিয়া, কানসাস সিটি (সকাল ৭টা) ২২ জুন- আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া, ডালাস (রাত ১১টা) ২৩ জুন-জর্ডান বনাম আলজেরিয়া,সানফ্রান্সিসকো বে এরিয়া(সকাল ৯টা) ২৮ জুন- জর্ডান বনাম আর্জেন্টিনা, ডালাস (সকাল ৮টা) ২৮ জুন- আলজেরিয়া বনাম অস্ট্রিয়া, কানসাস সিটি (সকাল ৮টা) গ্রুপ-কে : পর্তুগাল, ডিআর কঙ্গো, উজবেকিস্তান, কলম্বিয়া ১৭ জুন- পর্তুগাল বনাম ডিআর কঙ্গো, হিউস্টোন (রাত ১১টা) ১৮ জুন- উজবেকিস্তান বনাম কলম্বিয়া, মেক্সিকো সিটি (সকাল ৮টা) ২৩ জুন- পর্তুগাল বনাম উজবেকিস্তান- হিউস্টোন (রাত ১১টা) ২৪ জুন- কলম্বিয়া বনাম ডিআর কঙ্গো, গুয়াদালাজারা (সকাল ৮টা) ২৮ জুন- কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল, মায়ামি (ভোর সাড়ে ৫টা) ২৮ জুন- ডিআর কঙ্গো বনাম উজবেকিস্তান, আটলান্টা (ভোর সাড়ে ৫টা) গ্রুপ-এল : ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ঘানা, পানামা ১৭ জুন- ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া- ডালাস (রাত ২টা) ১৮ জুন- ঘানা বনাম পানামা, টরোন্টো (ভোর ৫টা) ২৩ জুন- ইংল্যান্ড বনাম ঘানা, বোস্টন (রাত ২টা) ২৪ জুন- পানামা বনাম ক্রোয়েশিয়া, টরোন্টো (ভোর ৫টা) ২৭ জুন- পানামা বনাম ইংল্যান্ড, নিউইয়র্ক নিউজার্সি (রাত ৩টা) ২৭ জুন- ক্রোয়েশিয়া বনাম ঘানা- ফিলাডেলফিয়া (রাত ৩টা) শেষ ৩২ (দ্বিতীয় রাউন্ড) ২৮ জুন- ম্যাচ ৭৩ - এ২ বনাম বি২, লস অ্যাঞ্জেলস (রাত ৩টা) ২৯ জুন- ম্যাচ ৭৬ - সি১ বনাম এফ২, হিউস্টোন (রাত ১১টা) ২৯ জুন- ম্যাচ ৭৪ - ই১ বনাম এ/বি/সি/ডি/এফ-৩, বোস্টন (রাত ২.৩০ মি.) ৩০ জুন- ম্যাচ ৭৫ - এফ১ বনাম সি২, মন্টেরে (সকাল ৭টা) ৩০ জুন- ম্যাচ ৭৮ - ই২ বনাম আই২, ডালাস (রাত ১১টা) ৩০ জুন- ম্যাচ ৭৭ - আই১ বনাম সি/ডি/এফ/জি/এইচ-৩, নিউইয়র্ক-নিউজার্সি (রাত ৩টা) ১ জুলাই- ম্যাচ ৭৯ - এ১ বনাম সি/ই/এফ/এইচ/আই-৩, মেক্সিকো সিটি (সকাল ৭টা) ১ জুলাই- ম্যাচ ৮০ - এল১ বনাম ই/এফ/এইচ/আই/জে/কে-৩, আটালান্টা (রাত ১০টা) ১ জুলাই- ম্যাচ ৮২ - জি১ বনাম এ/ই/এইচ/আই/জে-৩, সিয়াটল (রাত ২টা) ২ জুলাই- ম্যাচ ৮১ - ডি১ বনাম বি/ই/এফ/আই/জে-৩, সান ফ্রান্সিসকো (সকাল ৬টা) ২ জুলাই - ম্যাচ ৮৪ - এইচ১ বনাম জে২, লস অ্যাঞ্জেলেস (রাত ১টা) ৩ জুলাই- ম্যাচ ৮৩ - কে২ বনাম এল২, টরন্টো (ভোর ৫টা) ৩ জুলাই- ম্যাচ ৮৫ - বি১ বনাম ই/এফ/জি/আই/জে-৩, ভ্যাঙ্কুভার (সকাল ৯টা) ৩ জুলাই- ম্যাচ ৮৮ - ডি২ বনাম জি২, ডালাস (রাত ১২টা) ৪ জুলাই- ম্যাচ ৮৬ - জে১ বনাম এইচ২, মায়ামি (ভোর ৪টা) ৪ জুলাই- ম্যাচ ৮৭ - কে১ বনাম ডি/ই/আই/জে/এল-৩, কানসাস সিটি (সকাল ৭.৩০ মি.) শেষ ১৬ (তৃতীয় রাউন্ড) : ৪ জুলাই- ম্যাচ ৯০ - ৭৩ ম্যাচ জয়ী বনাম ৭৫ ম্যাচ জয়ী, হিউস্টোন (রাত ১১টা) ৪ জুলাই- ম্যাচ ৮৯ - ৭৮ ম্যাচ জয়ী বনাম ৭৭ ম্যাচ জয়ী, ফিলাডেলফিয়া (রাত ৩টা) ৫ জুলাই- ম্যাচ ৯১ - ৭৬ ম্যাচ জয়ী বনাম ৭৮ ম্যাচ জয়ী, নিউইয়র্ক-নিউজার্সি (রাত ২টা) ৬ জুলাই- ম্যাচ ৯২ - ৭৯ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮০ ম্যাচ জয়ী, মেক্সিকো সিটি (সকাল ৬টা) ৬ জুলাই- ম্যাচ ৯৩ - ৮৩ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮৪ ম্যাচ জয়ী, ডালাস (রাত ১টা) ৭ জুলাই- ম্যাচ ৯৪ - ৮১ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮২ ম্যাচ জয়ী, সিয়াটল (সকাল ৬টা) ৭ জুলাই- ম্যাচ ৯৫ - ৮৬ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮৮ ম্যাচ জয়ী, আটলান্টা (রাত ১০টা) ৭ জুলাই- ম্যাচ ৯৬ - ৮৫ ম্যাচ জয়ী বনাম ৮৭ ম্যাচ জয়ী, ভ্যাঙ্কুভার (রাত ২টা) কোয়ার্টার ফাইনাল : ৯ জুলাই- ম্যাচ ৯৭ - ৮৯ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯০ ম্যাচ জয়ী, বোস্টন (রাত ২টা) ১০ জুলাই- ম্যাচ ৯৮ - ৯৩ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯৪ ম্যাচ জয়ী, লস অ্যাঞ্জেলস (রাত ১১টা) ১১ জুলাই- ম্যাচ ৯৯ - ৯১ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯২ ম্যাচ জয়ী, মায়ামি (রাত ৩টা) ১২ জুলাই- ম্যাচ ১০০ - ৯৫ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯৬ ম্যাচ জয়ী, কানসাস (সকাল ৭টা) সেমিফাইনাল : ১৪ জুলাই- ম্যাচ ১০১ - ৯৭ ম্যাচ জয়ী বনাম ৯৮ ম্যাচ জয়ী, ডালাস (রাত ১টা) ১৫ জুলাই- ম্যাচ ১০২ - ৯৯ ম্যাচ জয়ী বনাম ১০০ ম্যাচ জয়ী, আটালান্টা (রাত ১টা) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী : ১৮ জুলাই- তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, মায়ামি (রাত ৩টা) ফাইনাল : ১৯ জুলাই- ফাইনাল- নিউইয়র্ক-নিউজার্সি (রাত ১টা)।
১০ জুন ২০২৬
মেসি-রোনালদো থেকে ইয়ামাল-এমবাপ্পে, বিশ্বকাপে নজর কাড়তে পারেন যারা
দৃষ্টি স্পোর্টস ডেস্ক: লিওনেল মেসির জাদুকরি পা, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অ্যাক্রোবেটিক ফিনিশ, লামিনে ইয়ামালের উইং-ঝলক আর কিলিয়ান এমবাপ্পের দুর্দান্ত গতি...সব মিলিয়ে আরেকটি বিশ্বকাপের অপেক্ষা প্রায় শেষ। আগামি বৃহস্পতিবার, ১১ জুন পর্দা উঠবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া এই বিশ্ব আসরে দেখা যাবে ফুটবলের দারুণ সব কিংবদন্তিদের, সঙ্গে থাকবে নতুন প্রজন্মের উদীয়মান তারকারাও। সেখান থেকে টুর্নামেন্টে যারা নজর কাড়তে পারেন, এমন ১০ ফুটবলাররা হলেন:- লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনা চার বছর আগে অধরা বিশ্বকাপ জিতে শৈশবের স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন লিওনেল মেসি। অসংখ্য শিরোপায় ভরা ক্যারিয়ারে সেটিই ছিল সবচেয়ে বড় অর্জন। এবার ৩৮ বছর বয়সে আবারও বিশ্বকাপ মঞ্চে ফিরছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। এটি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের মূল পর্বে তার যৌথ রেকর্ড ষষ্ঠ অংশগ্রহণ। কাতারে জেতা শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় ভরসাদের একজন থাকবেন তিনি। আর্জেন্টিনা ফুটবলের হৃদস্পন্দন বলা হয় মেসিকে। তবে বয়স ও ফিটনেসের কারণে এবারের বিশ্বকাপে তার ভূমিকা কিছুটা সীমিত হতে পারে। তবু শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে তার উপস্থিতি আর্জেন্টিনার জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করবে। লামিনে ইয়ামাল, স্পেন বয়স মাত্র ১৮ হলেও লামিনে ইয়ামালের পরিণত ফুটবল অনেক বেশি অভিজ্ঞতার ইঙ্গিত দেয়। নিজের প্রজন্মের অন্যতম সেরা এই উইঙ্গার ইতোমধ্যে বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন। ইউরো ২০২৪ জয়ে স্পেনের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পর এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন ইয়ামাল। ভক্ত ও বিশ্লেষকদের আগ্রহ...বিশ্বমঞ্চে নতুন কী চমক দেখাবেন তিনি। নিজের গতি, স্কিল ও গোল করার সামর্থ্য ধরে রাখতে পারলে ইয়ামাল হয়ে উঠতে পারেন টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত মুখ। এমনকি সর্বোচ্চ গোলদাতার গোল্ডেন বুট জেতা সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে তার সামনে। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ফ্রান্স ২০২২ বিশ্বকাপ ছিল কিলিয়ান এমবাপের জন্য মধুর-তিক্ত অভিজ্ঞতা। ফাইনালে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেও টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার কাছে শিরোপা হাতছাড়া হয় ফ্রান্সের। তবে সেই আসর থেকে ব্যক্তিগত স্বীকৃতি নিয়েই ফিরেছিলেন এমবাপে। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। প্রতিপক্ষদের আবারও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, আক্রমণে তিনি কতটা ভয়ংকর। আরও অভিজ্ঞ হয়ে এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে নামবেন ফরাসি তারকা। লক্ষ্য থাকবে পরিষ্কার; আরেকবার বিশ্বকাপ জেতা। পাশাপাশি ব্যক্তিগত এক মাইলফলকও তার সামনে। ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা অলিভিয়ের জিরুর ৫৭ গোলের রেকর্ড ছুঁতে এমবাপের প্রয়োজন মাত্র একটি গোল। জিরু ৩৬ বছর বয়সে সেই কীর্তি গড়েছিলেন, এমবাপে সেটি করতে পারেন ২৭ বছর বয়সেই। আর্লিং হালান্ড, নরওয়ে ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম ভয়ংকর স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন। নরওয়ের প্রতিশ্রুতিশীল ‘গোল্ডেন জেনারেশন’-এর নেতৃত্বে থাকবেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ছিলেন দুর্দান্ত। উয়েফা অঞ্চলের বাছাইপর্বে ১৬ গোল করে হয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার কাছাকাছি থাকা প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় সংখ্যাটি দ্বিগুণেরও বেশি। গত অক্টোবরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৫০ ম্যাচের কম খেলেই ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন হালান্ড। ফুটবল ইতিহাসে তিনি মাত্র ষষ্ঠ খেলোয়াড়, আর গত ৫৩ বছরে প্রথম, যিনি এই কীর্তি গড়েছেন। ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারের জন্য ‘গোল মেশিন’ তকমাটি তাই যথার্থই। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পর্তুগাল ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে পারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ। ৪১ বছর বয়সে ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে থাকলেও অসাধারণ ফিটনেস ধরে রেখে এখনও নিজেকে আলাদা উচ্চতায় রাখছেন পর্তুগিজ তারকা। পর্তুগালকে ইউরোপিয়ান সাফল্য এনে দেওয়ার পর এবার বিশ্বমঞ্চেও একই স্বপ্ন পূরণ করতে চাইবেন রোনালদো। ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার সুযোগ হয়তো এটিই তার শেষ বড় মঞ্চ। কাতার বিশ্বকাপে তৎকালীন কোচ ফের্নান্দো সান্তোসের সঙ্গে দূরত্বের কারণে খুব বেশি সময় পাননি রোনালদো। তবে রবার্তো মার্তিনেসের অধীনে এবার বেশি মিনিট পাওয়ার সম্ভাবনা আছে তার। বিশ্বকাপে নিজের সেরা গোলসংখ্যা চার। এবার সেটি ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্যও থাকবে পর্তুগিজ অধিনায়কের। হ্যারি কেইন, ইংল্যান্ড বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে টানা দ্বিতীয় বুন্দেসলিগা শিরোপা জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন হ্যারি কেইন। ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মগুলোর একটিতে থাকা ইংল্যান্ড অধিনায়ক হতে পারেন থ্রি লায়ন্সদের আক্রমণের প্রধান অস্ত্র। টানা দুই মৌসুমে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন কেইন। বিশ্বকাপের আগে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে বিবেচিত ইংল্যান্ডের আক্রমণে তার গোলক্ষমতা বাড়তি শক্তি যোগ করবে। ২০১৮ বিশ্বকাপে ৬ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন কেইন। এবারও সেই পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার হিসেবে নামবেন তিনি। যদি আবারও গোল্ডেন বুট জিততে পারেন, তাহলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুবার এই পুরস্কার জয়ের কীর্তি গড়বেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ব্রাজিল চার বছরে একজন ফুটবলারের অবস্থান কতটা বদলে যেতে পারে, তার বড় উদাহরণ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ২০২২ বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলে তিনি তখন মাত্র জায়গা করে নিয়েছেন। এবার বিশ্বকাপে তিনি যাচ্ছেন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা হিসেবে। শিরোপা জয়ের ঐতিহ্য ফিরে পাওয়ার মিশনে ব্রাজিলের আক্রমণের অন্যতম প্রধান ভরসা থাকবেন ভিনিসিয়ুস। গতি, ড্রিবলিং ও টেকনিকের জন্য পরিচিত এই উইঙ্গার থাকবেন সেলেসাওদের তারকাসমৃদ্ধ আক্রমণভাগের কেন্দ্রে। ব্রাজিল দলে আছেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়রও, যিনি চমক হিসেবে স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন। কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ভিনিসিয়ুসের জন্য বাড়তি সুবিধাও আছে। রিয়াল মাদ্রিদে ইতালিয়ান কোচের অধীনেই দারুণ উন্নতি করেছিলেন তিনি। সেই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিতে ২০২৪ সালে ‘দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার’ নির্বাচিত হন ভিনিসিয়ুস। অঁতোয়ান সেমেনিয়ো, ঘানা বছরের শুরুতে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর দ্রুতই নজর কেড়েছেন অঁতোয়ান সেমেনিয়ো। প্লেমেকিং সামর্থ্যের পাশাপাশি গোল করার ক্ষমতাও দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। সিটির শিরোপা লড়াইয়ে তার ১০ গোল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে মৌসুমটি তিনি বিশেষভাবে মনে রাখবেন অসাধারণ ব্যাক-হিল ফিনিশের জন্য, যেটি সিটিকে এনে দেয় অষ্টম এফএ কাপ শিরোপা। বিশ্বকাপে সেই ফর্ম ধরে রাখতে পারলে ঘানার অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে উঠতে পারেন সেমেনিয়ো। চোটের কারণে মিডফিল্ডার মোহাম্মদ কুদুস না থাকায় তার ওপর দায়িত্ব আরও বাড়বে। পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়া ঘানা দলে সেমেনিয়োই হতে পারেন সবচেয়ে বড় ভরসা। আরদা গুলের, তুরস্ক দুই দশকের বেশি সময় পর আবারও বিশ্বকাপে ফিরছে তুরস্ক। ‘ক্রিসেন্ট স্টারস’দের ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশা অনেক, আর সেই প্রত্যাশার বড় অংশ জুড়ে থাকবেন তরুণ উইঙ্গার আরদা গুলের। ইউরোপের অন্যতম সেরা তরুণ প্রতিভা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন গুলের। এবার তার সামনে পরের ধাপ..বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল মঞ্চে নিজেকে ঘোষণা করা। রিয়াল মাদ্রিদের এই আলোচিত তরুণ জাতীয় দলের হয়ে প্রথম বড় টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছেন। তুরস্কের সম্ভাবনাময় স্কোয়াডে তাকে ঘিরেই থাকবে সবচেয়ে বেশি নজর। মোহাম্মদ সালাহ, মিসর আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম বড় আইকন মোহাম্মদ সালাহ। অসংখ্য ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়েছেন, ক্লাব ফুটবলে প্রায় সব বড় শিরোপাই জিতেছেন। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে এখনো বড় কোনো শিরোপা জেতা হয়নি ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের। মাংসপেশির চোট একসময় তার বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে শঙ্কা তৈরি করেছিল। তবে মিসর সমর্থকদের স্বস্তি, ‘ইজিপশিয়ান কিং’ উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ মঞ্চে অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে চাইবেন সালাহ। মিসরের আশা-ভরসার বড় অংশ তাই থাকবে তার কাঁধেই।
০৮ জুন ২০২৬
পানামাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াল ব্রাজিল
দৃষ্টি স্পোর্টস: বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিজেদের শেষ মুহূর্তে ঝালিয়ে নিতে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। রিও ডি জেনেরিওর মারাকানা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে পানামাকে ৬-২ গোলে হারিয়ে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক মনোভাবের প্রতিফলন ঘটে ব্রাজিলের খেলায়। দ্বিতীয় মিনিটেই ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে কিছুক্ষণ পরই পানামা সমতায় ফেরে। মাইকেল মুরিলোর নেওয়া ফ্রি-কিক ব্রাজিল ফরোয়ার্ড মাথিউস কুনহার শরীরে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। সমতায় ফেরার পর দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় ব্রাজিল। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর দুর্দান্ত গোলে আবারও লিড পায় সেলেসাওরা। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে তারা। বিরতির পর আরও ভয়ংকর রূপ নেয় ব্রাজিল। পানামার রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়ান তরুণ ফরোয়ার্ড রায়ান। এরপর লুকাস পাকেতার নেওয়া শট প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে ঢুকে গেলে স্কোরলাইন আরও বড় হয়। শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করেন ইগর থিয়াগো। এরপর ডিফেন্ডার দানিলো প্রতিপক্ষের বক্সে চমৎকার দক্ষতায় বল নিয়ন্ত্রণ করে ব্রাজিলের ষষ্ঠ গোলটি করেন। অন্যদিকে পানামার হয়ে দ্বিতীয় গোলটি আসে হার্ভের দূরপাল্লার দুর্দান্ত এক শট থেকে। পুরো ম্যাচে বল দখল, পাসিং এবং আক্রমণভাগে স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়েছে ব্রাজিল। তাদের মোট ১৪টি শটের বিপরীতে প্রত্যাশিত গোল (এক্সজি) ছিল ২.২৬। বিশ্বকাপের আগে বিভিন্ন কৌশল ও খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করে দেখার সুযোগও কাজে লাগিয়েছেন দলের কোচ। এই ম্যাচের পর আগামী ৭ জুন মিশরের বিপক্ষে আরেকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এরপর ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ‘সি’ গ্রুপে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। গ্রুপ পর্বে পরবর্তী দুই ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের।
০১ জুন ২০২৬
মাত্র ৫ মিনিটের ব্যায়ামেই মিলতে পারে দীর্ঘায়ু
দৃষ্টি ডেস্ক: ব্যস্ত সকাল, ডেস্কে কাজের পাহাড় কিংবা দিনশেষে ক্লান্ত শরীর- এই চক্করে পড়ে জিমের মেম্বারশিপ কার্ডটা হয়তো অনেকেরই ওয়ালেটেই বন্দি হয়ে আছে। প্রতিদিন এক বা দেড় ঘণ্টা ঘাম ঝরানোর কথা ভাবলেই যেখানে অলসতা জেঁকে বসে, সেখানে চিকিৎসাবিজ্ঞান শোনাল এক দারুণ আশার বাণী। প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিটের ছোটখাটো শারীরিক পরিশ্রমই বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। দীর্ঘায়ু বা অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি এড়াতে পারেন। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে জিম বা দীর্ঘ সময়ের ভারী ওয়ার্কআউট করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। তবে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘায়ু পেতে কিংবা অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিটের মাঝারি ধরনের শারীরিক পরিশ্রমই যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর করা এক বৃহৎ গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সিঁড়ি বেয়ে ওঠার মতো মাঝারি ব্যায়াম সামগ্রিকভাবে প্রায় ১০ জনের মধ্যে ১ জনের অকাল মৃত্যু রোধ করতে পারে। গবেষকদের মতে, যারা একেবারেই নিষ্ক্রিয় থাকেন, তাদের জন্য এই সামান্য পরিবর্তনও দারুণ উপকারী। পাশাপাশি দৈনিক বসে থাকার সময় থেকে মাত্র ৩০ মিনিট কমাতে পারলেই প্রায় ৭% শতাংশ অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমবে। বিশেষজ্ঞরা একে ‘এক্সারসাইজ স্নাকিং’ বা ‘স্ন্যাকটিভিটি’ বলছেন। অর্থাৎ, সারাদিনে একবারে দীর্ঘ সময় ব্যায়াম না করে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নেওয়া। যেমন- রান্না করার সময় বা টিভি দেখার ফাঁকে কয়েকটি স্কোয়াট বা পুশ-আপ দেওয়া, লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করা, গন্তব্যের কিছুটা দূরে গাড়ি পার্ক করে ৫ মিনিট হেঁটে যাওয়া কিংবা ঘরের মেঝে জোরে জোরে মোছা বা নাচ করা। গবেষকদের মতে, এই ছোট ছোট শারীরিক পরিশ্রমগুলো আমাদের মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়াকে বারবার উদ্দীপিত করে, যা শরীরচর্চা থামানোর পরও কিছুক্ষণ সচল থাকে। এ ছাড়া, ৬০ ও ৭০ এর কোঠায় থাকা মানুষদের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যারোবিক ব্যায়ামের সঙ্গে পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম যুক্ত করলে মৃত্যুর ঝুঁকি আরও কমে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সপ্তাহে ১৫০ মিনিটের ব্যায়ামের পরামর্শ এখনো বহাল থাকলেও, গবেষকরা বলছেন- কিছু না করার চেয়ে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট নড়াচড়া করাও স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বড় অর্জন। তাই আজ থেকেই ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে জীবনে গতি আনুন, সুস্থ থাকুন দীর্ঘদিন। সূত্র: বিবিসি
২১ মে ২০২৬
ঘাটাইলের ৯টি স্কুলের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ঘাটাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ৯টি স্কুলের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরষ্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোবববার(১৮ মে) দিনব্যাপী উপজেলার আনেহলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঘাটাইল উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইজরাত জাহানের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন, আনেহলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কেএইচ মোরশেদ আলম, আনেহলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি শাহ্ আজিজুল কদর বাবু, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ছারওয়ার হোসেন তালুকদার প্রমুখ। এ সময় সিংগুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ, যোগীহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজা আক্তার, খায়ের পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম নুরই আলম, সাইটশৈলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোনিয়া খাতুন, গৌরাঙ্গী উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফয়জুন নাহার খানম, গৌরাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জোৎস্না খাতুন, হাট কয়েড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সোহরাব হোসেন, মাকেস্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফাসহ ৯টি স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালায় ছিলেন, আনেহলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন। ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিল, ছেলে-মেয়েদের ১শ’ মিটার দৌঁড়, হাইজাম্প, লংজাম্প, নৃত্য ও চিত্রাঅংকন প্রতিযোগিতা। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগীদের মাঝে অতিথিরা পুরস্কার বিতরণ করেন।
১৮ মে ২০২৬
ব্যাটিং ধসে ১০২ রানে অলআউট বাংলাদেশ
দৃষ্টি স্পোর্টস: বৃষ্টি থামলেও মিরপুরে বাংলাদেশের ‘উইকেট বৃষ্টি’ যেন থামার নাম নেই। যখন থামল ততক্ষণে অলআউট বাংলাদেশ। বৃষ্টির কারণে ওভার ১৫-তে নেমে এলেও ৪ বল বাকি থাকতেই শেষ বাংলাদেশ। তাতে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডকে লক্ষ্যটাও বড় দেওয়া হলো না। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষটিতে ১০২ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছেন তাওহিদ হৃদয়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বৃষ্টির আগে-পরে জোড়ায় জোড়ায় উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচে এতটাই নিয়মিত উইকেট হারিয়েছে যে সর্বোচ্চ জুটিটা ত্রিশের ঘরও পার হতে পারেনি। চতুর্থ উইকেটে সর্বোচ্চ ২৮ রানের জুটিটা গড়েন লিটন-হৃদয়। বৃষ্টিতে খেলার থামার সময় ৬.৪ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫০ রান করেছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ৫২ রানে। এতটাই ব্যাটিং ধস হয়েছে বাংলাদেশের ইনিংসে মাত্র তিনজন ব্যাটার দুই অংকের ঘর স্পর্শ করতে পেরেছেন। সর্বোচ্চ রান করা হৃদয়ের বাদে বাকি দুজন হচ্ছেন লিটন (২৬) ও সাইফ হাসান (১৬)। প্রতিপক্ষের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন জশ ক্লার্কসন।
০২ মে ২০২৬
জোড়া গোলে রাজসিক প্রত্যাবর্তন রোনালদোর
দৃষ্টি স্পোর্টস: হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে প্রায় মাসখানেক মাঠের বাইরে ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তাই নভেম্বরের পর আর তাকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দেখা যায়নি। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী এই ফুটবলার। জোড়া গোলে রাজসিক প্রত্যাবর্তন হয়েছে রোনালদোর। এতে আল নাজমাকে ৫-২ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে আল নাসর। সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে কিং ফাহাদ ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আল নাজমার বিপক্ষে মাঠে নামে আল নাসর। রোনালদো ছাড়াও দলের পক্ষে জোড়া গোল করেন সাদিও মানে। এছাড়া আব্দুল্লাহ আল হামদান একটি গোল করেছেন। ম্যাচে প্রথম গোল হজম করে আল নাসর। ৪৪ মিনিটে রাকান আলতুলাইহি আল নাজমাকে লিড এনে দেন। তবে নাসরকে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি, যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটে তাদের সমতায় ফেরান আল হামদান। এক মিনিট পর সাদিও মানে স্কোরশিটে নাম লেখালে স্বাগতিকরা ২-১ লিড পায়। Soccer দ্বিতীয়ার্ধে নামার মিনিট দুয়েকের মাথায় আল নাজমাকে সমতায় ফেরান ফেলিপে কারদোসো। তবে তাদের স্বস্তিতে থাকতে দিলেন না রোনালদো। ৫৬ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করেন সিআরসেভেন। এরপর ম্যাচের ৭৬ মিনিটে নিজেদের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান রোনালদো। ৪-২ ব্যবধানে জয়ের পথেই ছিল আল নাসর। ৯৫ মিনিটে মানে ব্যক্তিগত গোলের জোড়া পূর্ণ করলে ব্যবধান বেড়ে ৫-২ এ পরিণত হয়। এই জয়ে প্রো লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা আল নাসর (২৭ ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট) ৬ পয়েন্টে এগিয়ে গেল দুইয়ে থাকা আল হিলালের (২৬ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট) চেয়ে। চোট কাটিয়ে এমন প্রত্যাবর্তনে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তির প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন রোনালদো। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘মাঠে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে। আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাবো।’
০৬ এপ্রিল ২০২৬
যমুনার বালুচরে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত
দৃষ্টি নিউজ: টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে যমুনা সেতু সংলগ্ন জেগে ওঠা বালুচরে সাংবাদিকদের এক বর্ণাঢ্য ‘প্রীতি ফুটবল ম্যাচ’ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) যমুনার বিস্তীর্ণ বালুচরে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানটি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এক আলোকিত উৎসবে পরিণত হয়। ওই প্রীতি ম্যাচে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুজ সালেহীন, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি সহকারী পুলিশ সুপার মঞ্জুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনায়েম কোম্পানির প্রজেক্ট ডিরেক্টর রেজাউল করিম। দ্যা ফিনান্সিয়াল টুডে’র নির্বাহী সম্পাদক শাহীন আ. বারীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসাদুল আখতার শামীম, প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন। প্রীতি ফুটবল ম্যাচে সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি বনাম প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দলের খেলোয়াররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ৩-১ গোলে প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিশনের সভাপদি দল জয়লাভ করে। খেলায় রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম। খেলা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেন, পেশাগত ব্যস্ততার মাঝে সাংবাদিকদের এমন সৃজনশীল ও ক্রীড়ামূলক আয়োজন প্রশংসনীয়। যমুনার বালুচরে এই আয়োজন কেবল বিনোদনই নয় বরং সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করবে। পরে বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়ারদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
০১ এপ্রিল ২০২৬
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে বিএসসিএফের ঈদ আনন্দ উৎসব
সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া শিশুদের নিয়ে ঈদ আনন্দ উৎসব ‘উৎসবে সবাই’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহীর ভদ্রা পার্কে বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ ঈদ আনন্দ উৎসব সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ সোশিও-কালচারাল ফোরাম (বিএসসিএফ) এবং বিএসসিএফ ইয়ুথ নেটওয়ার্ক-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রায় পঞ্চাশ জন শিশুর মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি তাদের হাতে ঈদের বিশেষ উপহার তুলে দেওয়া হয়। বিএসসিএফ বিশ্বাস করে, উৎসবের আনন্দ কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা পেশার মানুষের জন্য নয়, বরং এটি সবার। সেই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখেই এ বছর ঈদ-উল-ফিতরের আমেজকে প্রান্তিক শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল আর্থিক সক্ষমতা না থাকা শিশুদের ঈদের রঙিন উৎসবে শামিল করা এবং তাদের জন্য এক নির্মল আনন্দের দিন উপহার দেওয়া। বিএসসিএফ ও বিএসসিএফ ইয়ুথ নেটওয়ার্কের সদস্যরা এই দিনে ঈদ পোশাকে সজ্জিত হয়ে দিনভর শিশুদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেন। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অনুদান ও সহযোগিতার মাধ্যমেই এই আয়োজন সফল করা সম্ভব হয়েছে। শিশুদের মুখে এক চিলতে হাসি ফোটানোর এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় যারা অংশীদার হয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বিএসসিএফ টিম। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং তাদের মানসিক বিকাশে এ ধরনের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে বিএসসিএফ ও বিএসসিএফ ইয়ুথ নেটওয়ার্ক।
২৬ মার্চ ২০২৬
‘আমাকে জানালা দিয়ে বের করে দেয়, কিন্তু মা বের হতে পারেনি’
‘বাসে আমি মায়ের কোলে বসেছিলাম। বাসটি যখন নদীতে পড়ে যায়, আমাকে মা জানালা দিয়ে বাইরে বের করে দেয়। আমি সাঁতার কাটতে জানায় উপরে উঠতে পেরেছি। কিন্তু তার মা বের হতে পারেনি।’ আজ বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনায় বেঁচে ফেরা আলিফ এ তথ্য জানায়। সে রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের বড়চর বেনিনগর গ্রামের মান্নান মণ্ডলের ছেলে। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে তলিয়ে যায়। বাসটিতে ৪৩ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। গতকাল দুপুর ২টা ১০ মিনিটে যাত্রী নিয়ে কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে থেকে ছেড়ে আসে বাসটি। তাদের বেশিরভাগই ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। আট বছর বয়সি জানায়, বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার পর সে সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছিল। সে জীবিত আছে। কিন্তু বেঁচে নেই তার মা জ্যোৎস্না বেগম (৩৫)। মৃত জ্যোৎস্না বেগম রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের বড়চর বেনিনগর গ্রামের মান্নান মণ্ডলের স্ত্রী। জ্যোৎস্না বেগম ঢাকায় একটি গার্মেন্টে চাকরি করতেন। ছেলেকে নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিলেন তিনি। মৃত জ্যোৎস্না বেগমের মা সাহেদা বেগম জানান, তার মেয়ে ঢাকার একটি গার্মেন্টে চাকরি করতো। দুপুরে জ্যোৎস্নাকে তিনি রাজবাড়ী শহরের বড়পুল থেকে বাসে তুলে দিয়েছিলেন। বিকেলে জ্যোৎস্নার সঙ্গে তার শেষ যখন কথা হয় তখন জানিয়ে বলেছিল, ‘আম্মা বাস পদ্মায় পড়ে যাচ্ছে’। ক্রন্দনরত কণ্ঠে বলেন, আমার মেয়েটা ফোনে কথা বলতে বলতে নদীর মধ্যে চলে গেল। এ পর্যন্ত উদ্ধার ২৬ মরদেহ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার ওই দুর্ঘটনায় নারী শিশুসহ ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা হলেন- রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লালমিয়া সড়কের মৃত ইসমাঈল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬১), ছেলে আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), সোহেল মোল্লার মেয়ে সোহা আক্তার (১১), সজ্জনকান্দার মৃত ডা. আবদুল আলীমের মেয়ে জহুরা অন্তি (২৭), কাজী মুকুলের মেয়ে কাজী সাইফ (৩০), কেবিএম মুসাব্বিরের ছেলে তাজবিদ (৭), দাদশী রামচন্দ্রপুরের সোবাহান মণ্ডলের মেয়ে লিমা আক্তার (২৬), আগমারাই গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সাবিত হাসান (৮), মিজানপুর বড়চর বেনি নগরের মান্নান মণ্ডলের স্ত্রী জোস্ন্যা (৩৫), গোয়ালন্দ ছোট ভাকলার চর বারকিপাড়ার রেজাউল করিমের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৩২), মেয়ে সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), কালুখালী বোয়ালিয়ার ভবানীপুরের বিল্লাল হোসেনের মেয়ে ফাইজ শাহানূর (১১), রতনদিয়া মহেন্দ্রপুর বেলগাছির আব্দুল আজিজের স্ত্রী নাজমিরা জেসমিন (৩০), ছেলে আব্দুর রহমান (৬), বালিয়াকান্দি পশ্চিম খালখোলার আরব খানের ছেলে (গাড়ি চালক) আরমান খান (৩১), কুষ্টিয়া মজমপুরের মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৫৬), খাগড়বাড়ীয়ার হিমাংশু বিশ্বাসের ছেলে রাজীব বিশ্বাস (২৮), খোকসা সমাজপুর ধুশুন্দুর দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইস্রাফিল (৩), সমসপুরের গিয়াসউদ্দিন রিপনের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (১৩), ঝিনাইদহ শৈলকূপা থানার কাচেরকোল খন্দকবাড়িয়ার নুরুজ্জামানের মেয়ে আরমান (৭ মাস), গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া আমতলী নোয়াধার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী মুক্তা খানম (৩৮), দিনাজপুর পার্বতীপুর থানার পলাশবাড়ী মথুয়ারাই মৃত নূর ইসলামের স্ত্রী নাছিমা (৪০), ঢাকা আশুলিয়ার বাগধুনিয়া পালপাড়ার মো. নুরুজ্জামানের স্ত্রী আয়েশা আক্তার সুমা (৩০), রাজবাড়ীর কালুখালীর মজনু শেখের ছেলে উজ্জ্বল শেখ (৫০), একই উপজেলার মদাপুর গ্রামের আফসার শেখের ছেলে আশরাফুল (২৪) এবং বোয়ালিয়া এলাকার মৃত সানাউল্লাহর ছেলে জাহাঙ্গীর (৫৫)। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা সাকিব হোসেন, আব্দুল আজিজ ও দেলোয়ার হোসেন জানান, বাসটিতে নারী-শিশুসহ সমস্ত আসনে যাত্রী ছিলেন। এ ছাড়া ইঞ্জিন কভারে ৩ জন, চালক, হেলপার ও বেশ কয়েকজনের কোলে শিশু ছিল। পন্টুনে ওঠার আগে ৪-৫ জন যাত্রী নেমে গেলেও বাসটি নদীতে পড়ে গেলে স্থানীয়রা ৬-৭ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এখনও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
২৬ মার্চ ২০২৬