দৃষ্টি রিপোর্ট:
আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামি পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে আগামি ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কিছু কিছু জায়গায় ঝড়ো হাওয়া এবং দমকা বাতাস বইতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গাজীপুর, রংপুর, ঢাকা, যশোর ও ময়মনসিংহের অনেক এলাকায় এবং টাঙ্গাইল, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাতের এই ধারা সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা বেশি হতে পারে।
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে কিছু এলাকায় ‘গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি’, আবার কিছু এলাকায় ‘মাঝারি ধরনের’ ও ‘ভারী’ বৃষ্টির আভাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফেনী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টিপাতের এ ধারা অব্যাহত থাকলে কৃষকদের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে, তবে জলাবদ্ধতার কারণেও দুর্ভোগ তৈরি হতে পারে। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে নিম্নাঞ্চলের মানুষদের সজাগ থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইল অঞ্চল সহ সারাদেশের ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর): আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে। দিনভর বজ্রঝড় ও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬° সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর): দেশের বিভিন্ন বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। টাঙ্গাইলে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে সর্বোচ্চ ৩২° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৬° সেলসিয়াস হতে পারে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর): আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় ও মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা ৩১° থেকে ২৬° সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর): কিছু এলাকায় রোদের দেখা মিললেও রাতের দিকে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে সর্বোচ্চ ৩৩° সেলসিয়াস হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর): দিনভর আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা বাড়তে পারে এবং রাতে বজ্রপাতের শঙ্কা রয়েছে।