গোপালপুর প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ঘোড়া জবাইয়ের পর গরুর মাংস হিসেবে ভাগ করে বিক্রির প্রস্তুতির সময় স্থানীয়রা চার জনকে হাতে নাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পূর্বরাত প্রায় দেড়টা থেকে পৌনে তিনটার মধ্যে গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চরের ভিটা গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ আলীর ছেলে হাফিজুর রহমানের বাড়িতে ১২টি ঘোড়া জবাইয়ের উদ্দেশ্যে একত্র করা হয়। এরমধ্যে ৮টি ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে ভাগ করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মাংস প্রস্তুত ও প্যাকেটজাত করার সময় হাতে-নাতে চারজনকে আটক করে।
আটক ব্যক্তিরা হচ্ছেন- ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার হাসান হাওলাদারের ছেলে হৃদয় (২৩), একই এলাকার তৈয়বপুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলী ছেলে সুমন (২০), ধনিয়া গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে ফরহাদ (৩০), লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার মহিষখোঁচা এলাকার মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (২৪)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এলাকাবাসী তাদের আটক করে মারধর করে। পরে গোপালপুর থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে ৮টি ঘোড়া জবাই করার সময় স্থানীয় জনতা চারজনকে আটক করে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
