দৃষ্টি নিউজ:

টাঙ্গাইল পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে অবশেষে উন্মুক্ত হলো ডিসি অফিসের আমতলা থেকে বৈল্যা পর্যন্ত ৯৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি। শনিবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) সড়কটির শুভ উদ্বোধন করেন- কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটি খানাখন্দে ভরে গিয়ে চলাচলের প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। অথচ টাঙ্গাইল শহরে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘বাইপাস’ হিসেবে বিবেচিত এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সড়কটি বেহাল থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, জনদুর্ভোগ কমাতে চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হয়। জিওবি রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ৭৭ লাখ ৯৭ হাজার ৫১৯.২৫ টাকা চুক্তিমূল্যে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ৯৩০ মিটার দীর্ঘ এই সড়কটির নির্মাণ ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
সড়কটি চালুর ফলে শুধু যানবাহন নয় বরং ডিসি অফিস ও আদালত পাড়ায় যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। এ সড়কে চলাচলকারীরা জানায়, আগে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কে পানি জমে যেত এবং গর্তের কারণে রিকশা বা সিএনজি উল্টে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটত। এখন নতুন করে সড়কটি নির্মিত হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত।
উদ্বোধনকালে বিএনপির প্রচার সম্পাদক প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এই সড়কটি টাঙ্গাইল শহরে প্রবেশ পথে যানজট নিরসনে ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সড়কটি সচল হওয়ায় এখন থেকে যানবাহনগুলো বাসটার্মিনালের ভয়াবহ যানজট এড়িয়ে সহজে শহরের মূলকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারবে।
উদ্বোধনকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া সহ এলজিইডির কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
