দৃষ্টি নিউজ:

টাঙ্গাইলে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র্যাব-১৪)। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, নগট টাকা, ব্ল্যাংক চেক, স্ট্যাম্প পেপার, প্রার্থীদের প্রবেশপত্র, প্রার্থীদের মূল সাটিফিকিট জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের মোবাইলে বিভিন্ন পরীক্ষার্থীর সাথে প্রশ্নপত্র এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আদান-প্রদানের কথোপকথনসহ বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। শুক্রবার(৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার কাওসার বাঁধন তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলার কালমেঘা গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে বেল্লাল হোসেন(৩৩), একই উপজেলার নলশোধা গ্রামের মৃত কুব্বাত আলীর ছেলে জয়নাল আবেদীন(৫২), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আশেকপুর এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন(৫২), দেলদুয়ার উপজেলার কামার নওগাঁ গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে আল আমিন(২৮) এবং নাগরপুর উপজেলার চর লক্ষীপুর এলাকার অনন্ত ব্যানার্জীর ছেলে অপূর্ব ব্যানার্জী(৪৩)। এদের মধ্যে জয়নাল আবেদীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিস সহকারী প্রশাসনিক (শিশু কল্যাণ) হিসেবে কর্মরত।
কোম্পানি কমান্ডার কাওসার বাঁধন জানান, ৮ জানুয়ারি(বৃহস্পতিবার) ঢাকায় সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্য মাহবুবকে গ্রেপ্তার করে। মাহবুবকে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু সক্রিয় সদস্যের টাঙ্গাইলে অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) গভীর রাতে টাঙ্গাইলের সখীপুরে অভিযান চালিয়ে প্রথমে বেল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। বেল্লাল হোসেনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জয়নাল আবেদীন, আনোয়ার হোসেন, আল আমিন এবং অপূর্ব ব্যানার্জীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ব্ল্ব্যাংক ব্যাংক চেক, ষ্ট্যাম্প পেপার, প্রার্থীর প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রবেশপত্র এবং প্রার্থীর মূল সার্টিফিকিট জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের নামে শেরেবাংলা নগর থানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মামলা দায়ের করেছে।
