আজ- বৃহস্পতিবার | ১ জানুয়ারি, ২০২৬
১৭ পৌষ, ১৪৩২ | সকাল ১১:৩৭
১ জানুয়ারি, ২০২৬
১৭ পৌষ, ১৪৩২
১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১৭ পৌষ, ১৪৩২

নতুন বছর ২০২৬ :: ছুটি কোন মাসে কতদিন

দৃষ্টি রিপোর্ট:

নতুন বছর ২০২৬ সব মিলিয়ে মোট সরকারি ছুটি থাকছে ২৮ দিন। এর মধ্যে সাধারণ ছুটি থাকবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে আরও ১৪ দিন। গত বছরের ৯ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

 

 

 

 

 

 

 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী- নতুন বছরে সাধারণ ছুটি থাকবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে আরও ১৪ দিন- সব মিলিয়ে মোট সরকারি ছুটি নির্ধারিত হয়েছে ২৮ দিন। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (শুক্র-শনিবার), ফলে প্রকৃত ছুটি থাকছে ১৯ দিন।

 

 

 

ঐচ্ছিক ছুটির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মুসলিম কর্মীদের জন্য ৫ দিন, হিন্দুদের জন্য ৯ দিন, খ্রিষ্টানদের ৮ দিন, বৌদ্ধদের ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কর্মীদের জন্য ২ দিন করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগের সুযোগ থাকবে। তবে একজন কর্মকর্তা বছরে সর্বোচ্চ ৩ দিন পর্যন্ত ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন এবং তার জন্য বছরের শুরুতেই কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। সাধারণ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে এ ছুটি যুক্ত করার সুযোগও থাকবে।

 

 

 

 

 

সরকার জানিয়েছে, ২০২৬ সালে দেশের সরকারি–আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে এই ছুটি পালন করা হবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের ছুটি ও সময়সূচি নিজস্ব আইনে নিয়ন্ত্রিত অথবা জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা, তারা প্রয়োজন ও জনস্বার্থ বিবেচনায় নিজস্ব নিয়মে ছুটি ঘোষণা করবে।

 

 

 

কর্মব্যস্ত জীবনে লম্বা ছুটি সবসময়ই স্বস্তির। এবারও কয়েকটি মাসে এক–দুই দিনের পরিবর্তিত ছুটি নিলে মিলবে টানা ছুটির সুযোগ। দেখে নেওয়া যাক মাসওয়ারি ছুটির সম্ভাব্য ধারাবাহিকতা-

ফেব্রুয়ারি
৪ ফেব্রুয়ারি (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) শবে বরাতের ছুটি বুধবার পড়তে পারে। ৫ ফেব্রুয়ারি এক দিন ছুটি নিলে ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারির সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট ৪ দিনের দীর্ঘ অবকাশ মিলবে।

মার্চ
মার্চ মাসে মাত্র এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে টানা ৭ দিনের ছুটি। ২০ মার্চ জুমাতুল বিদা, ২১ মার্চ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) ঈদুল ফিতর। ঈদের আগে-পরে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় মোট ৫ দিন ছুটি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি থাকতে পারে; ১৮ মার্চ ছুটি নিলে টানা ৭ দিনের ছুটি সম্ভব। এদিকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস বৃহস্পতিবার হলে আগের বা পরের দিনে ছুটি নিয়ে পাওয়া যাবে টানা ৩ থেকে ৪ দিনের বিশ্রাম।

এপ্রিল
১০-১১ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের ছুটি। মাঝের ১২ ও ১৩ এপ্রিল ছুটি নিলে টানা ৫ দিনের বিরতি মিলবে।

মে
মে মাসে ২৪ ও ২৫ মে ছুটি নিলে বিরলভাবে টানা ১০ দিনের দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৮ মে ঈদুল আজহা। ঈদের আগে ২৬–২৭ মে ও পরে ২৯–৩১ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় ২২–২৩ মে’র সাপ্তাহিক ছুটি ধরে মোট ১০ দিনের অবকাশ পাওয়া সম্ভব।

 

 

 

 

 

 

 

আগস্ট
৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সাধারণ ছুটি। ৬ আগস্ট ছুটি নিলে ৭-৮ আগস্টের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪ দিনের ছুটি মিলবে। অন্যদিকে ২৬ আগস্ট মিলাদুন্নবী (সা.) অনুমেয় তারিখ। ২৭ আগস্ট ছুটি নিলে ২৮-২৯ আগস্টের সাপ্তাহিক বন্ধ মিলে পাওয়া যাবে আরও টানা ৪ দিনের ছুটি।

অক্টোবর
২০ অক্টোবর দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি। ২২ অক্টোবর ছুটি নিলে ২৩–২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক বন্ধসহ মোট ৫ দিনের দীর্ঘ ছুটি পাওয়া যাবে।

ডিসেম্বর
১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস (বুধবার)। ১৭ ডিসেম্বর ছুটি নিলে ১৮-১৯ ডিসেম্বর শুক্রবার-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে মোট ৪ দিনের অবকাশ মিলবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন স্যোশাল মিডিয়াতে

Facebook
Twitter
LinkedIn
X
Print
WhatsApp
Telegram
Skype

সর্বশেষ খবর

এই সম্পর্কিত আরও খবর পড়