দৃষ্টি রিপোর্ট:

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটের দিকে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইএমএসসি জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গোসাবা থেকে ৪৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভৃ-পৃষ্ঠ থেকে ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
খুলনা আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, শুক্রবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে খুলনায় মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হয়েছে। যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। কয়রা থেকে ইয়াসিন নামের একজন বলেন, ভূমিকম্পের সময় আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। কম্পনের ফলে পড়ে যাই।
এদিকে জুম্মার নামাজের মোনাজাতের সময় ভূমিকম্প হওয়ায় মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের কান্নার রোল পড়ে যায়। শহরের মানুষজন দ্রুত রাস্তায় নেমে আসেন।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গত দুদিনে আরও দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে অনুভূত মৃদু ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ৪৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ভারতের সিকিম অঞ্চলে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র জানায়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৬। তার আগে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৫১ মিনিটে আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।
সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানিয়েছিলেন, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিলে আগারগাঁওয়ের আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ৪৬২ কিলোমিটার পূর্বে। মিয়ানমারে উৎপত্তি হওয়া মাঝারি মানের এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ১।
