আজ- মঙ্গলবার | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | বিকাল ৫:৪৪
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১১ ফাল্গুন, ১৪৩২
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই জনের যাবজ্জীবন

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নুরু ও নাজমাকে কারাগারে নেয়া হচ্ছে

দৃষ্টি নিউজ:

টাঙ্গাইলে এক নারীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে দুই জনের যাবজ্জীবন কারাদ- ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার(১২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম খালেদা ইয়াসমিন আসামিদ্বয়ের উপস্থিতিতে জণাকীর্ণ আদালতে ওই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হচ্ছেন, কালিহাতী উপজেলার মৃত রহিজ উদ্দিনের ছেলে নূর মোহাম্মদ ওরফে নুরু(৬৫) এবং ওই ধর্ষণ ও হত্যায় সহায়তাকারী বাসাইল উপজেলার নাজির হোসেনের স্ত্রী মোছা. নাজমা(৩২)।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি নাছিমুল আক্তার জনান, ধর্ষণ ও হত্যার শিকার মোছা. আশা আক্তার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফৈলারঘোনা গ্রামের মো. আ. আলীমের কন্যা। তিনি টাঙ্গাইল শহরের এনায়েতপুরে তার নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। বিগত ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর মোছা. আশা আক্তার নানার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। দীর্ঘ ১০-১২ দিনেও তাকে খুঁজে না পাওয়ায় তার বাবা মো. আ. আলীম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

https://youtu.be/HYJLrZiV4dI

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালিহাতী থানার এসআই মো. নাসির উদ্দিন মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে মোছা. নাজমাকে গ্রেপ্তার করেন। মোছা. নাজমা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নূর মোহাম্মদ ওরফে নুরুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা জানান, ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর তারা দুজনে মোছা. আশা আক্তারকে নিয়ে কালিহাতী উপজেলার ধানগড়া গ্রামের মান্দাই বিলের কাছে যান। নূর মোহাম্মদ পরে মোছা. আশা আক্তারকে দুই বার ধর্ষণ করে এবং নাজমার সহায়তায় বিলের পানিতে চুবিয়ে ও শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে।

পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩১ মে আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় মোট ১১জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

শেয়ার করুন স্যোশাল মিডিয়াতে

Facebook
Twitter
LinkedIn
X
Print
WhatsApp
Telegram
Skype

সর্বশেষ খবর

এই সম্পর্কিত আরও খবর পড়