জ্বালানী সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত!

দৃষ্টি নিউজ:
টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা এলাকায় স্থাপিত ‘টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড’ নামক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে জ্বালানী সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক উৎপাদন ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের স্থানে জ্বালানী সংকটে ৬ দশমিক ৭ মেগাওয়াট উৎপাদন করা হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি হচ্ছে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ।
জানা যায়, এক্স ইনডেক্স এনার্জি লিমিটেডের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড (টিপিপিজিএল) সদর উপজেলার ঘরিন্দা ইউনিয়নের আউলটিয়ায় অবস্থিত। প্ল্যান্টটি ২২ মেগাওয়াট এইচএফও চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন। প্ল্যান্টটি ৪টি বি ৩২:৪০ ভি১৬এএইচ রোলস রয়েস বার্গেন ইঞ্জিন সজ্জিত এবং প্ল্যান্টটি ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর বাণিজ্যিকভাবে চালু করা হয়। প্ল্যান্টটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতিপ্রয়োজনীয় কাঁচামাল ফার্নেস অয়েল সরকার থেকে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। চালুর সময় থেকে ৫৯জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে প্ল্যান্টটিতে যথারীতি ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রীডে যোগ করা হতো।
টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের (টিপিপিজিএল) একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে জ্বালানী সংকট দেখা দেওয়ায় প্ল্যান্টটির ৪টি বি ৩২:৪০ ভি১৬এএইচ রোলস রয়েস বার্গেন ইঞ্জিনের মধ্যে ২টি বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্য দুটি ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
সূত্রমতে, প্ল্যান্টটির ৪টি বি ৩২:৪০ ভি১৬এএইচ রোলস রয়েস বার্গেন ইঞ্জিনে পূর্ণ উপৎপাদন বজায় রাখতে প্রতিদিন ১ লাখ ৩০ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল প্রয়োজন হয়। শনিবার(৪ এপ্রিল) দুপুর পর্যন্ত প্ল্যান্টটিতে ৩ লাখ ৫০ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল মজুদ রয়েছে। জ্বালানী সংকটের কারণে সরকার প্রতিদিন ৩০ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে। ফলে ২টি ইঞ্জিন বন্ধ রেখে ২ ইঞ্জিনে ৬ দশমিক ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এতে প্রতিদিন বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতি হচ্ছে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ।
টাঙ্গাইল পল্লী পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের (টিপিপিজিএল) প্ল্যান্ট ম্যানেজার একেএম এনায়েত উল্লাহ এ বিষয়ে প্রকাশ্যে সরাসরি বক্তব্য দিতে বিব্রতবোধ করেন এবং সংবাদ প্রচার-প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।




