বৃহস্পতিবার ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ৪ জিলহজ্জ ১৪৪৭
DristyTV

টুং-টাং শব্দে চলছে কামারদের ব্যস্ততা

D
Dristy TVপ্রকাশ: ২১ মে, ২০২৬ সকাল ১১:২১
টুং-টাং শব্দে চলছে কামারদের ব্যস্ততা

দৃষ্টি রিপোর্ট:

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। লোহা গরম করে পিটিয়ে তৈরি করছেন দা, বটি, ছুরি ও চাপাতি। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে তাদের নিরবচ্ছিন্ন কাজ। আগুনের তাপে লোহা পিটিয়ে তৈরি হচ্ছে কোরবানির প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। বছরের এ সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি কাজ ও আয়ের সুযোগ পান তারা।

রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কামারশালাগুলোতে চলছে দা, বটি ও চাপাতি তৈরির ব্যস্ততা। ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকায় দিন যত যাচ্ছে, ততই বাড়ছে কাজের চাপ। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের দা, বটি, কুড়াল ও চাপাতি তৈরি করছেন কামাররা।

রূপগঞ্জের পূর্বগ্রাম এলাকার কামারশালার মালিক জাকিরুল ইসলাম জানান, গতবারের তুলনায় এবার কাজের চাপ কিছুটা বেশি। তবে অধিকাংশ মানুষ নতুন সরঞ্জাম কেনার পাশাপাশি পুরোনো যন্ত্রপাতিও মেরামত করাচ্ছেন।

তিনি বলেন, কয়লা ও লোহার দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের তুলনায় এবার পণ্যের দামও কিছুটা বাড়াতে হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে একটি বড় দা বা বঁটি আকার ও ওজনভেদে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, চাপাতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং ছুরি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কামাররা জানায়, সারা বছর কাজ তুলনামূলক কম থাকলেও কোরবানির ঈদকে ঘিরে তাদের কর্মচাঞ্চল্য বেড়ে যায়। তবে কয়লা, লোহা ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচও অনেক বেড়েছে। একটি ছুরি শান দিতে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা এবং নতুন দা বা চাপাতি তৈরি করতে আকারভেদে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

ঈদ মৌসুমে বাড়তি আয়ের মাধ্যমে সারা বছরের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন কামারশিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষরা।

টুং-টাং শব্দে চলছে কামারদের ব্যস্ততা | DristyTV