আজ-শুক্রবার ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২, ১৫ শাওয়াল ১৪৪৭

নারী এমপি প্রার্থীদের আমলনামা যাচাই-বাছাই চলছে

D
Dristy TVপ্রকাশ: ৩ এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৭
নারী এমপি প্রার্থীদের আমলনামা যাচাই-বাছাই চলছে

দৃষ্টি রিপোর্ট:

ত্রয়োদশ পার্লামেন্টে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হতে পারে আগামি ৬ এপ্রিল(সোমবার)। ইলেকশন কমিশন (ইসি) এ নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের মনোনীত নারীদের তালিকা প্রস্তুত করছে- যা শিগগিরই পাঠাবে ইসিতে। এরপর ইলেকশন কমিশন ৯০ দিনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মাথায় রেখে ভোটের তফসিল ঘোষণা করবে।

বিশেষ করে সংরক্ষিত কোটায় পার্লামেন্টে যেতে সম্ভাব্য নারী প্রার্থীরা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। এমপি, মন্ত্রী ও উপদেষ্টারাও চেষ্টা করছেন সংরক্ষিত কোটায় তাদের স্ত্রী, মেয়ে কিংবা নিকট আত্মীয়কে পার্লামেন্টে পাঠাতে। এরই মধ্যে ৩৫ আসনের জন্য শুধু বিএনপিতেই জমা পড়েছে ৫০০-এর বেশি আবেদন।

দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা থেকে এসব আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনের নির্ধারিত কোনো ফরম না থাকলেও তারা সাদা কাগজে সিভি (জীবন বৃত্তান্ত) জমা দিয়েছেন। সঙ্গে যোগ করেছেন বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিজেদের নেয়া পদক্ষেপ। অনেকে সিভির সঙ্গে যুক্ত করেছেন মিছিল, মিটিং ও দলীয় কার্যক্রমের অসংখ্য ছবি। প্রত্যেকের আবেদন প্রধান মন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর। বিএনপির পল্টন অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। গত ১৬ মার্চ পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।

বিএনপির ইলেকশন পরিচালনা কমিটির এক সদস্য জানান, প্রাথমিকভাবে একটি তালিকা প্রস্তুত করে তা থেকে পর্যায়ক্রমে সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হচ্ছে। পরে সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে। সেক্ষেত্রে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদন ছাড়া কোনো তালিকা চূড়ান্ত হবে না।

সংবিধান অনুযায়ী পার্লামেন্টে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, যে দল সাধারণ আসনে যতটি আসন পায়, সেই অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ছয়টি আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত আসন পাওয়া যায়। ত্রয়োদশ পার্লামেন্ট ইলেকশনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। সে হিসাবে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি পাবে দলটি। এ ছাড়া স্বতন্ত্র (বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত) প্রার্থীরা সাতটি আসন পেয়েছে। ফলে স্বতন্ত্ররাও পার্লামেন্টে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। সাধারণ ইলেকশনের ফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত আসনে ভোট আয়োজনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নমিনেশন ঘিরে বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বেড়েছে। সরকার গঠনের পর এখন সবার নজর এই আসনগুলোর দিকে। নমিনেশন পাওয়ার আশায় বিএনপির নেত্রীরা লবিং-তদবিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সিভি নিয়ে কেউ যাচ্ছেন দলের গুলশান কার্যালয়ে, কেউ বা শীর্ষ নেতাদের বাসায়। আবার অনেকে সচিবালয়ে গিয়ে মন্ত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে। বিএনপির দলীয় নেত্রী ছাড়াও শুভাকাক্সক্ষী বা সমমনা সংগঠনের সদস্য, পেশাজীবী নারীরাও সিভি জমা দিয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তদবির করছে বলে জানা গেছে।

নমিনেশন প্রত্যাশী নারী নেত্রীরা জানান, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা ও দলের জন্য ত্যাগের মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তারা দলের সুদিন-দুর্দিনের চিত্রগুলোও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। সম্ভাব্য নারী প্রার্থীরা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন অনেকেই। দলীয় হাই কমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে প্রতিদিনই গুলশানে চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নেত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেত্রীও পার্লামেন্টে যাওয়ার আলোচনায় আছেন।

ত্রয়োদশ পার্লামেন্ট ইলেকশনে নয় জন নারী প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়াই করেছেন। এদের মধ্যে তিন জন পরাজিত হন। তারা হলেন, শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা, যশোর-২ আসনের সাবিরা সুলতানা এবং ঢাকা-১৪ আসনে মায়ের ডাক সংগঠনের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।

দলীয় সূত্রের তথ্যানুযায়ী, এ তিন জনকে পার্লামেন্টের সংরক্ষিত আসনে দেখার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা, পটুয়াখালী-২ আসনের সালমা আলম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জেবা আমিন খানও রয়েছেন বিবেচনার তালিকায়।

এছাড়া আলোচনায় আছে- মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মহিলা দলের বর্তমান সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী শাম্মী আক্তার, সাবেক এমপি নিলোফার চৌধুরী মনি, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আক্তার রানু, ইয়াসমিন আরা হক, জাহান পান্না, মহিলা দলের ক্রীড়া সম্পাদক ও রামপুরা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নিলুফা ইয়াসমিন নিলু, বিলকিস ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, ফরিদা ইয়াসমিন এবং বদরুন্নেসা সরকারি কলেজের ছাত্রদল থেকে প্রথম নির্বাচিত ভিপি ও পাবনা সাথিয়া উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক খায়রুন নাহার।

কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্র, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিমউদ্দিন মওদুদ, প্রয়াত মহাসচিব আবদুস সালাম তালুকদারের মেয়ে ব্যারিস্টার সালিমা বেগম অরুনি, ড. আব্দুল মঈন খানের মেয়ে মাহরীন খানের নামও আলোচনার লিস্টে। এছাড়া কাজী রেহা কবির সিগমা ত্রয়োদশ পার্লামেন্ট ইলেকশনে কিশোরগঞ্জ-৪ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। তিনি বিএনপি থেকে সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চান। বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, সাবেক প্রধান মন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর মেয়ে সামিরা তানজিনা চৌধুরীর নামও আলোচনায় রয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী রুমানা আহমেদ, সাবেক মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ খাদিজাতুল কোবরা সুমাইয়া, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপি নেত্রী অপর্ণা রায়, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মরহুম শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হুসাইন, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফারহানা জাহান নিপা নমিনেশন দৌড়ে এগিয়ে আছেন।

এছাড়া সাবেক ছাত্রদল নেত্রী সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী এডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, মহিলা দল নেত্রী শাহানা আক্তার সানু, এডভোকেট শাহিনুর বেগম সাগর, নেওয়াজ হালিমা আরলী, রাবেয়া আলম, কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস, সাবেক ছাত্রদল নেত্রী পপি আকতার, ময়মনসিংহ জেলা মহিলা দলের সভাপতি তানজিন চৌধুরী লিলি, ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা ঊর্মি, বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক এডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, সাবেক জাসাস নেত্রী শেখ রুনা, ফাহসিনা হক লিরা, সুলতানা জেসমিন (জুঁই), নাসিমা আক্তার (কেয়া), শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, রেহানা আক্তার শিরিন, রোকেয়া চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক, বাবলী ইয়াসমিন খান, ইডেন কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রেহানা আকতার শিরীন, রোখসানা খানম, আয়েশা সিদ্দিকা, সাবিনা ইয়াসমিন, তাহমিনা জামান শ্রাবণী, শামীম আরা বেগম, মাহবুবা রহমান শিখা ও নাসিমা আক্তার কল্পনার নামও আলোচনায় শোনা যাচ্ছে।

আরো আছেন- সাবেক ভিপি অধ্যাপক নাজমা সুলতানা ঝংকার, ফাতেমা বাদশা, মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, মেহেরুন নেছা নার্গিস, জান্নাতুল নাঈম রিকু, জেসমিনা খানম, নাজমা সাঈদ, সুলতানা পারভীন ও দেওয়ান মাহমুদা আক্তার (লিটা)।

জামায়াত ও এনসিপির নারী প্রার্থীরাও আলোচনায়-

প্রকাশ্যে দৌড়-ঝাপ বা লবিং না থাকলেও সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি পদের জন্য প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীতেও দুই ডজনের বেশি নারী নেত্রী আলোচনায় রয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ চিকিৎসক, অধ্যাপক, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তালিকায় রয়েছেন- কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি ডা. আমিনা বেগম রহমান, সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শাহান আরা বেগম।

এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আমরা পার্লামেন্ট ইলেকশনে নারীদের নমিনেশন দিতে না পারলেও সংরক্ষিত আসনে দেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নারী আসনে আমাদের প্রার্থী বাছাই চলমান রয়েছে। যোগ্যরাই পার্লামেন্টে যাবে।’

ত্রয়োদশ পার্লামেন্ট ইলেকশনে ছয়টি আসনে জয়লাভ করেছে এনসিপি। তবে জোটের বড় দল জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের আরো একটি আসন ছাড় দেয়ার গুঞ্জন রয়েছে। সে হিসেবে দলটির ভাগ্যে দুটি আসন মিলতে পারে। দলের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকজন নেত্রী সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে পারেন বলে দলটির বিভিন্ন পর্যারের নেতারা জানিয়েছেন। এর মধ্যে শীর্ষে আছেন- দলের ইলেকশন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও যুগ্ম সদস্য সচিব মনিরা শারমিন, ঢাকা-১৯ আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দিলাশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নাবিলা তাসনিদ এবং যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু। এ ছাড়া আরো কমপক্ষে পাঁচ জন নেত্রী আলোচনায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইলেকশন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সংরক্ষিত নারী আসনের ইলেকশনের মূল কাজ রাজনৈতিক দলগুলোর। আমরা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করি। দলগুলো এরই মধ্যে তাদের কাজ শুরু করেছে। তারা যখন নমিনেশন পেপার ইসিতে জমা দেবে, তখন আমরা কাজ শুরু করব। ধরুন, বিএনপি ৩৫টি আসন পাবে। এখন তারা ৫০টি নাম প্রস্তাব করবে। সেখান থেকে ভোট করে ৩৫টি চূড়ান্ত করা হবে। এই ইলেকশনে ভোট দেবেন দলীয় এমপিরা। ইসির তেমন কাজ নেই। তবুও একটি শিডিউল ঘোষণা করা হবে। সেই প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি। ভোটের ফল ঘোষণার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট করতে হবে।’

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘পার্লামেন্টে অধিবেশন চলছে। এরই মধ্যে সংরক্ষিত নারী এমপিদের ভোট নিয়েও বিচ্ছিন্নভাবে আলোচনা হচ্ছে। দলীয় ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। অনেক আবেদন জমা পড়ছে। সেখান থেকে বাছাই করা হবে। এরপর প্রক্রিয়া অনুয়ায়ী চূড়ান্ত করা হবে।’

নারী প্রার্থীরা প্রচারণার অংশ হিসেবে সোশাল মিডিয়ায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। সোশাল মিডিয়ায় ‘পেইড সিস্টেমে’ সেসব প্রচারে বিভিন্ন ইতিবাচক মন্তব্য করা হচ্ছে। যুক্ত করা হচ্ছে মিছিল, মিটিংসহ দলীয় কার্যক্রমের ছবি। কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এসব তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে জানান সম্ভাব্য নারী এমপি প্রার্থীরা। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রী সভা গঠনের পর থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনে নমিনেশন প্রত্যাশীদের তৎপরতা দেখা যাচ্ছে।