দৃষ্টি রিপোর্ট:
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) প্রফেসর ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর যা যা স্মৃতি আছে- ইনশাআল্লাহ একটিও আমি নষ্ট হতে দিব না।’ বুধবার(১৯ আগস্ট) বিকালে মওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শনে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত দুঃখিত, ভাবতেই পারিনি এই রিসার্চ সেন্টারের করুন অবস্থা। এখানে পরিচালক আছে, দুইজন ডেপুটি ডাইরেক্টর আছে, একজন কর্মচারীও আছে। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতিগুলো খারাপ অবস্থায় থাকবে- এটা কল্পনাই করা যায় না।
তিনি আরও বলেন, মওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টারের একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান অলমোস্ট শেষ। আগামী ২৫ তারিখে ফাইনাল প্রেজেন্টেশন হবে। এইখানে মওলানা ভাসানীর আলাদা রিসার্চ সেন্টার এর জন্য ১০ তলা ভবনের একটি প্রস্তাব দেওয়া আছে।
প্রফেসর ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ওনার মত ব্যক্তিত্বকে যে, আমরা সংরক্ষণ করতে পারি নাই, এটা জাতি হিসেবে আমাদের ব্যর্থতা। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ব্যাপারে সারা পৃথিবীতে যারা যারা গবেষণা করেছে তাদের প্রত্যেকের সাথে আমি যোগাযোগের চেষ্টা করছি এবং সবাইকে বলেছি আমাকে লিংক দিতে। আমরা একটা স্মারক গ্রন্থ বের করব, যে স্মারক গ্রন্থের ভেতরে মওলানা ভাসানীর উপরে যারা যারা কাজ করেছে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউক্রেন তাদের লেখা আমি আহ্বান করছি এবং আমি কমিটিকে বলেছি সব ধরনের সহযোগিতা করবো ইনশাল্লাহ। যারা মওলানা ভাসানীকে ভালোবাসে ওনাকে নিয়ে দেশে-বিদেশে গবেষণা করে তাদেরকে নিয়ে মওলানা ভাসানী রিসার্চ ইনস্টিটিউটের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে বলেও তিনি জানান।
এসময় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. আনিছুর রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল নাসির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।