দেশে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রতিমন্ত্রী টুকু

সনাতনীদেরকে শাড়ি-পাঞ্জাবি ও নগদ অর্থ উপহার প্রদান
D
Dristy TV
টাঙ্গাইল • প্রকাশিত: ১ ঘণ্টা আগে
দেশে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৃষ্টি রিপোর্ট:

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ব্যক্তিগত অর্থায়নে টাঙ্গাইলের ২ হাজার ৮০০ গরিব ও দুস্থ সনাতনী মানুষের মধ্যে শাড়ি-পাঞ্জাবি ও নগদ অর্থ উপহার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের শ্রীশ্রী বড় কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে উপহার বিতরণের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। পরে সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ও সদুল্যাপুরসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ঘুরে ঘুরে প্রতিমন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় এবং উপহারসামগ্রী বিতরণ করেন।

শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে ঈদের সময় ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাঝে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নেও উপহার দিয়েছি। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আপনাদেরও উপহার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, হিন্দুধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। কাজেই ভয়ভীতির কোনো বিষয় নেই। আপনারা নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করবেন। ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন। বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু, সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি। এই দেশটাকে সবাই মিলে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি শ্যামল হোড়, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী।

এ সময় অন্যদের মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অমল ব্যানার্জি, শ্রীশ্রী কালীবাড়ির সভাপতি স্বপন ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপহারসামগ্রীর মধ্যে ২ হাজার ৫০০ নারী-পুরুষের মাঝে শাড়ি-পাঞ্জাবি বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া হরিজন সম্প্রদায়ের ৩০০ জনের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ দেওয়া হয়।

একই বিষয়ের আরও খবর